📄 সমাজের উপর তাওহীদের সুপ্রভাব
ব্যক্তির প্রতি তাওহীদের প্রভাবের কথা উপরে যা উল্লেখ করা হয়েছে সবগুলোই সমাজের উপর প্রভাব ফেলে; কারণ ব্যক্তিরা সমাজের এক একটি মজবুত ইট। তাই ব্যক্তির সঠিকতায় সমাজের সঠিকতা আর ব্যক্তির বিপর্যয়ে সমাজের বিপর্যয়। অতএব, ব্যক্তির তরবিয়তে যত চেষ্টা-তদবীর সবই সঠিক আকিদার ইসলামী সমাজ গড়ার কাজে আসবে; কারণ ব্যক্তি ও সমাজের সম্পর্ক বড় গভীর সম্পর্ক।
নিম্নে সমাজের প্রতি তাওহীদের সুপ্রভাবের কিছু চিত্র উল্লেখ করা হলো:
১. তাওহিদী উম্মত একটি সুপ্রাচীন, সভ্য ও ঐতিহ্যবাহী জাতি। যাদের ইতিহাস বাস্তব অভিজ্ঞতা ও বিভিন্ন ঘটনাবলী দ্বারা ভরপুর। যার পচিরালক হলেন নবী-রসূলগণ। সর্বপ্রথম আদম [عليه السلام] আর সর্বশেষ মুহাম্মদ [صلى الله عليه وسلم]। এ জাতি সম্পর্কে আল্লাহ বলেন:
“নিশ্চয় তোমাদের এ উম্মত একটি উম্মত আর আমি তোমাদের প্রতিপালক। সুতরাং একমাত্র আমারই এবাদত কর।” [সূরা আম্বিয়া: ৯২]
২. তাওহিদী জাতি সর্বদা বাস্তবায়নে অগ্রসেনা কখনো দ্বিধাদ্বন্দ্বের অবকাশ থাকে না এবং নির্দেশের বিপরীত করে না। কোন নির্দেশ হলে সাথে সাথে তা বাস্তবায়ন করে আর কোন নিষেধ হলে দ্রুত তা হতে বিরত থাকে।
৩. এ জাতি শুধু নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকে না বরং তাদের কাঁধে সমস্ত মানব জাতিকে ভ্রষ্টতা থেকে বাঁচানোর পবিত্র দায়িত্ব অনুভব করে। কারণ সে নিজে যে হেদায়েত পেয়েছে সে হেদায়েতের প্রতি অন্যান্য জাতিকে আহ্বান করা পবিত্র দায়িত্ব মনে করে।
আল্লাহ তা'য়ালার বাণী:
“তোমরাই উত্তম উম্মত, মানুষদের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে যাতে করে সৎকাজের আদেশ কর এবং অসৎকাজ হতে নিষেধ কর এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান আন।” [সূরা আল-ইমরান: ১১০]
আরো আল্লাহ তা'য়ালার বাণী:
“এমনিভাবে আমি তোমাদেরকে মধ্যমপন্থী জাতি করেছি- যাতে করে তোমরা সাক্ষ্যদাতা হও মানবমণ্ডলীর জন্যে।” [সূরা বাকারা: ১৪৩]
৪. তওহিদী সমাজে সকল মানুষ সমান। সেখানে রাজা-প্রজা, গরিব-ধনী সকলেই সমান। একজন সাধারণ মানুষও কোন ভয়-ভীতি ছাড়াই বাদশাহকে নসিহত করতে পারে; কারণ সে জানে বাদশাহ তিনি দ্বীনের বাস্তবায়নকারী ও শরীয়তের হেফাজতকারী।
৫. তাওহিদী উম্মত যুদ্ধ ও চুক্তি সব সম্পর্কই সঠিক আকিদার ভিত্তিতে করে; কারণ তাদের উদ্দেশ্য হলো মানবতার আজাদ করা।
৬. তাওহিদী উম্মতের সকল ব্যক্তির আপোসের সম্পর্ক তাওহীদের ভিত্তিতে; কারণ দুনিয়ার রঙ, ভাষা, ভৌগোলিক সীমা-রেখা ও নাগরিক সম্পর্ক যাতে মানুষের কোন এখতিয়ার নেই। সে চাইলে ভাষা, রঙ ইত্যাদি পরিবর্তন বা এখতিয়ার করতে পারে না। আর এসব সম্পর্ক দ্রুত লোপ পায় কিন্তু তাওহীদের সম্পর্ক বড় শক্তিশালী যা কখনো দুর্বল হয় না। তাই তো মদিনার সর্বপ্রথম তাওহিদী সমাজে একত্রিত হয়েছিল আরবি, পারসিক, রোমান, হাবাশি (আবিসীনীয়) ও হিন্দী, যাঁদের মাঝে ছিল না কোন সম্প্রদায়িকতা ও জাতীয়তাবাদী এবং বংশের ভেদাভেদ। যেমন অতীতে গ্রীক সাম্রাজ্যে সম্ভ্রান্ত ও অসম্ভ্রান্তের সাম্প্রদায়িকতা ও কমিনিউনিষ্টদের (সাম্যবাদীদের) মাঝে কর্মচারী ও মালিকের ভাগ এবং পাশ্চাত্যে সাদা-কালো ও জাতীয়তার ভাগ। ইহা প্রমাণ করে যে, ইসলামী সমাজ ব্যতীত অন্য কোন সমাজ আন্তর্জাতিক মানবীয় সমাজ নয়, যেখানে মানব জাতির সকল সন্তানের জন্য দরজা উন্মুক্ত থাকে।
৭. তাওহিদী সমাজ অগ্রগতি, উন্নয়ন ও চরম সভ্যতার উন্মুক্ত ময়দান।
৮. তাওহিদী সমাজ তার সৃষ্টির শুরু নিয়ে গৌরব করে যে, তাদের আসল আদম [ ] যাঁর মাঝে আল্লাহ তা'য়ালা তাঁর নিজ হাতে রূহ ফুঁকে দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। আর এ জগতে সবই তাদের খেদমত ও উপকারের জন্য। আল্লাহ তা'য়ালার বাণী:
“এবং নৌকাকে তোমাদের আজ্ঞাবহ করেছেন, যাতে তাঁর আদেশে সমুদ্রে চলাফেরা করে এবং নদ-নদীকে তোমাদের সেবায় নিয়োজিত করেছেন। আর তোমাদের সেবায় নিয়োজিত করেছেন সূর্যকে এবং চন্দ্রকে সর্বদা এক নিয়মে এবং রাত্রি ও দিনকে তোমাদের কাজে লাগিয়েছেন।” [সূরা ইবরাহীম: ৩২-৩৩]
আল্লাহ তা'য়ালার বাণী:
“তোমরা কি দেখ না আল্লাহ আসমান ও জমিনে যা কিছু, সবই তোমাদের কাজে নিয়োজিত করে দিয়েছেন এবং তোমাদের প্রতি তাঁর প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য নেয়ামতসমূহ পরিপূর্ণ করে দিয়েছেন।” [সূরা লোকমান: ২০]
৯. তাওহিদী সমাজে আপোসের মাঝে সম্পর্ক সীসা ঢালা প্রাচীরের ন্যায়। একটি শরীরের ন্যায় যার একটি অঙ্গে ব্যথা হলে সমস্ত শরীর ব্যথাতুর হয়। যেখানে সকলের আশা-আকাংখা ও ব্যথা একই। সকলে ইনসাফ, ভালবাসা ও ভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে, যাতে করে এ সমাজে প্রতিটি মানুষ তার দ্বীন, আত্মা, বিবেক, সম্পদ ও ইজ্জত- সম্মান নিয়ে বসবাস করতে পারে।
১০. তাওহিদী সমাজ যেখানে থাকবে না কোন প্রকার খুন-খারাবি, জুলুম-অত্যাচার, প্রতারণা- ধোঁকাবাজি, চুরি-ডাকাতি, রাহাজানি-ছিনতাই, মারামারি-হানাহানি, জেনা-ব্যভিচার, অপবাদ ও চোগলখোরী। যেখানে থাকবে শান্তি ও নিরাপত্বা। যেখানে লাগবে না পুলিশ বরং আল্লাহ তা'য়ালার ভয় হবে সকলের পাহারাদার।
ব্যক্তির প্রতি তাওহীদের প্রভাবের কথা উপরে যা উল্লেখ করা হয়েছে সবগুলোই সমাজের উপর প্রভাব ফেলে; কারণ ব্যক্তিরা সমাজের এক একটি মজবুত ইট। তাই ব্যক্তির সঠিকতায় সমাজের সঠিকতা আর ব্যক্তির বিপর্যয়ে সমাজের বিপর্যয়। অতএব, ব্যক্তির তরবিয়তে যত চেষ্টা-তদবীর সবই সঠিক আকিদার ইসলামী সমাজ গড়ার কাজে আসবে; কারণ ব্যক্তি ও সমাজের সম্পর্ক বড় গভীর সম্পর্ক।
নিম্নে সমাজের প্রতি তাওহীদের সুপ্রভাবের কিছু চিত্র উল্লেখ করা হলো:
১. তাওহিদী উম্মত একটি সুপ্রাচীন, সভ্য ও ঐতিহ্যবাহী জাতি। যাদের ইতিহাস বাস্তব অভিজ্ঞতা ও বিভিন্ন ঘটনাবলী দ্বারা ভরপুর। যার পচিরালক হলেন নবী-রসূলগণ। সর্বপ্রথম আদম [عليه السلام] আর সর্বশেষ মুহাম্মদ [صلى الله عليه وسلم]। এ জাতি সম্পর্কে আল্লাহ বলেন:
“নিশ্চয় তোমাদের এ উম্মত একটি উম্মত আর আমি তোমাদের প্রতিপালক। সুতরাং একমাত্র আমারই এবাদত কর।” [সূরা আম্বিয়া: ৯২]
২. তাওহিদী জাতি সর্বদা বাস্তবায়নে অগ্রসেনা কখনো দ্বিধাদ্বন্দ্বের অবকাশ থাকে না এবং নির্দেশের বিপরীত করে না। কোন নির্দেশ হলে সাথে সাথে তা বাস্তবায়ন করে আর কোন নিষেধ হলে দ্রুত তা হতে বিরত থাকে।
৩. এ জাতি শুধু নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকে না বরং তাদের কাঁধে সমস্ত মানব জাতিকে ভ্রষ্টতা থেকে বাঁচানোর পবিত্র দায়িত্ব অনুভব করে। কারণ সে নিজে যে হেদায়েত পেয়েছে সে হেদায়েতের প্রতি অন্যান্য জাতিকে আহ্বান করা পবিত্র দায়িত্ব মনে করে।
আল্লাহ তা'য়ালার বাণী:
“তোমরাই উত্তম উম্মত, মানুষদের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে যাতে করে সৎকাজের আদেশ কর এবং অসৎকাজ হতে নিষেধ কর এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান আন।” [সূরা আল-ইমরান: ১১০]
আরো আল্লাহ তা'য়ালার বাণী:
“এমনিভাবে আমি তোমাদেরকে মধ্যমপন্থী জাতি করেছি- যাতে করে তোমরা সাক্ষ্যদাতা হও মানবমণ্ডলীর জন্যে।” [সূরা বাকারা: ১৪৩]
৪. তওহিদী সমাজে সকল মানুষ সমান। সেখানে রাজা-প্রজা, গরিব-ধনী সকলেই সমান। একজন সাধারণ মানুষও কোন ভয়-ভীতি ছাড়াই বাদশাহকে নসিহত করতে পারে; কারণ সে জানে বাদশাহ তিনি দ্বীনের বাস্তবায়নকারী ও শরীয়তের হেফাজতকারী।
৫. তাওহিদী উম্মত যুদ্ধ ও চুক্তি সব সম্পর্কই সঠিক আকিদার ভিত্তিতে করে; কারণ তাদের উদ্দেশ্য হলো মানবতার আজাদ করা।
৬. তাওহিদী উম্মতের সকল ব্যক্তির আপোসের সম্পর্ক তাওহীদের ভিত্তিতে; কারণ দুনিয়ার রঙ, ভাষা, ভৌগোলিক সীমা-রেখা ও নাগরিক সম্পর্ক যাতে মানুষের কোন এখতিয়ার নেই। সে চাইলে ভাষা, রঙ ইত্যাদি পরিবর্তন বা এখতিয়ার করতে পারে না। আর এসব সম্পর্ক দ্রুত লোপ পায় কিন্তু তাওহীদের সম্পর্ক বড় শক্তিশালী যা কখনো দুর্বল হয় না। তাই তো মদিনার সর্বপ্রথম তাওহিদী সমাজে একত্রিত হয়েছিল আরবি, পারসিক, রোমান, হাবাশি (আবিসীনীয়) ও হিন্দী, যাঁদের মাঝে ছিল না কোন সম্প্রদায়িকতা ও জাতীয়তাবাদী এবং বংশের ভেদাভেদ। যেমন অতীতে গ্রীক সাম্রাজ্যে সম্ভ্রান্ত ও অসম্ভ্রান্তের সাম্প্রদায়িকতা ও কমিনিউনিষ্টদের (সাম্যবাদীদের) মাঝে কর্মচারী ও মালিকের ভাগ এবং পাশ্চাত্যে সাদা-কালো ও জাতীয়তার ভাগ। ইহা প্রমাণ করে যে, ইসলামী সমাজ ব্যতীত অন্য কোন সমাজ আন্তর্জাতিক মানবীয় সমাজ নয়, যেখানে মানব জাতির সকল সন্তানের জন্য দরজা উন্মুক্ত থাকে।
৭. তাওহিদী সমাজ অগ্রগতি, উন্নয়ন ও চরম সভ্যতার উন্মুক্ত ময়দান।
৮. তাওহিদী সমাজ তার সৃষ্টির শুরু নিয়ে গৌরব করে যে, তাদের আসল আদম [ ] যাঁর মাঝে আল্লাহ তা'য়ালা তাঁর নিজ হাতে রূহ ফুঁকে দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। আর এ জগতে সবই তাদের খেদমত ও উপকারের জন্য। আল্লাহ তা'য়ালার বাণী:
“এবং নৌকাকে তোমাদের আজ্ঞাবহ করেছেন, যাতে তাঁর আদেশে সমুদ্রে চলাফেরা করে এবং নদ-নদীকে তোমাদের সেবায় নিয়োজিত করেছেন। আর তোমাদের সেবায় নিয়োজিত করেছেন সূর্যকে এবং চন্দ্রকে সর্বদা এক নিয়মে এবং রাত্রি ও দিনকে তোমাদের কাজে লাগিয়েছেন।” [সূরা ইবরাহীম: ৩২-৩৩]
আল্লাহ তা'য়ালার বাণী:
“তোমরা কি দেখ না আল্লাহ আসমান ও জমিনে যা কিছু, সবই তোমাদের কাজে নিয়োজিত করে দিয়েছেন এবং তোমাদের প্রতি তাঁর প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য নেয়ামতসমূহ পরিপূর্ণ করে দিয়েছেন।” [সূরা লোকমান: ২০]
৯. তাওহিদী সমাজে আপোসের মাঝে সম্পর্ক সীসা ঢালা প্রাচীরের ন্যায়। একটি শরীরের ন্যায় যার একটি অঙ্গে ব্যথা হলে সমস্ত শরীর ব্যথাতুর হয়। যেখানে সকলের আশা-আকাংখা ও ব্যথা একই। সকলে ইনসাফ, ভালবাসা ও ভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে, যাতে করে এ সমাজে প্রতিটি মানুষ তার দ্বীন, আত্মা, বিবেক, সম্পদ ও ইজ্জত- সম্মান নিয়ে বসবাস করতে পারে।
১০. তাওহিদী সমাজ যেখানে থাকবে না কোন প্রকার খুন-খারাবি, জুলুম-অত্যাচার, প্রতারণা- ধোঁকাবাজি, চুরি-ডাকাতি, রাহাজানি-ছিনতাই, মারামারি-হানাহানি, জেনা-ব্যভিচার, অপবাদ ও চোগলখোরী। যেখানে থাকবে শান্তি ও নিরাপত্বা। যেখানে লাগবে না পুলিশ বরং আল্লাহ তা'য়ালার ভয় হবে সকলের পাহারাদার।
📄 রাষ্ট্রের উপর তাওহীদের সুপ্রভাব
তাওহীদ প্রতিষ্টার উপরেই নির্ভর করে একটি সুন্দর ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা। পৃথিবীতে তাওহীদ ছাড়া অন্যান্য যতই আন্দলন বা বিপ্লব উঠেছে প্রায় সবই পরিশেষে নিঃশেষ হয়ে গেছে। যেমন: আফগানিস্তান, ফিলিস্তিন, তুর্কিস্তান, আলজেরিয়া ইত্যাদি। কিন্তু সৌদি আরবে তাওহীদের দা'ওয়াতের ভিত্তিতে আরম্ভ হয়েছিল বলে আজ পর্যন্ত একটি ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত রয়েছে।
যে দেশে তাওহীদ থাকবে সেখানে থাকবে শান্তি ও নিরাপত্ত্বা। যার প্রমণ সৌদি আরবের নজীর বিহীন নিরাপত্ত্বা।
যে দেশে তাওহীদ থাকবে সেখানের জনগণ পাবে সর্বপ্রকর নাগরিক সুযোগ-সুবিধা ও সব ধরনের খেদমত। তাই তো সৌদি আরবের জনগণ সরকারীভাবে যে সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে তা পৃথিবীতে আর অন্য কোন রাষ্ট্রে কেউ তা পায় না।
একটি রাষ্ট্রে তাওহীদ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আল্লাহ তা'য়ালা দান করবেন সর্বপ্রকার প্রাচুর্যের ব্যবস্থা। থাকবে না সেখানে কোন প্রকার অভাব-অনটন ও ক্ষুধা ও ভিক্ষার ঝুলি।
যে রাষ্ট্রে থাকবে না তাওহীদ সে দেশের ধ্বংস অনিবার্য। যেমন: আফগানিস্তান, ফিলিস্তীন, ইরাক, লিবিয়া ইত্যাদি দেশের ধ্বংসলীলার দিকে একবার তাকিয়ে দেখুন।
তাওহীদ প্রতিষ্টার উপরেই নির্ভর করে একটি সুন্দর ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা। পৃথিবীতে তাওহীদ ছাড়া অন্যান্য যতই আন্দলন বা বিপ্লব উঠেছে প্রায় সবই পরিশেষে নিঃশেষ হয়ে গেছে। যেমন: আফগানিস্তান, ফিলিস্তিন, তুর্কিস্তান, আলজেরিয়া ইত্যাদি। কিন্তু সৌদি আরবে তাওহীদের দা'ওয়াতের ভিত্তিতে আরম্ভ হয়েছিল বলে আজ পর্যন্ত একটি ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত রয়েছে।
যে দেশে তাওহীদ থাকবে সেখানে থাকবে শান্তি ও নিরাপত্ত্বা। যার প্রমণ সৌদি আরবের নজীর বিহীন নিরাপত্ত্বা।
যে দেশে তাওহীদ থাকবে সেখানের জনগণ পাবে সর্বপ্রকর নাগরিক সুযোগ-সুবিধা ও সব ধরনের খেদমত। তাই তো সৌদি আরবের জনগণ সরকারীভাবে যে সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে তা পৃথিবীতে আর অন্য কোন রাষ্ট্রে কেউ তা পায় না।
একটি রাষ্ট্রে তাওহীদ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আল্লাহ তা'য়ালা দান করবেন সর্বপ্রকার প্রাচুর্যের ব্যবস্থা। থাকবে না সেখানে কোন প্রকার অভাব-অনটন ও ক্ষুধা ও ভিক্ষার ঝুলি।
যে রাষ্ট্রে থাকবে না তাওহীদ সে দেশের ধ্বংস অনিবার্য। যেমন: আফগানিস্তান, ফিলিস্তীন, ইরাক, লিবিয়া ইত্যাদি দেশের ধ্বংসলীলার দিকে একবার তাকিয়ে দেখুন।