📘 তাওহিদ ও তার উপকারিতা > 📄 তাওহীদের উপকারিতা

📄 তাওহীদের উপকারিতা


(ক) দুনিয়াতে:
১. নিরাপত্তা ও হেদায়েত লাভ।
২. আল্লাহ তা'য়ালার পক্ষ থেকে সাহায্য ও মদদ লাভ।
৩. প্রকৃত সুখ-শান্তি লাভ।
৪. একতা ও ঐক্য সৃষ্টি।
৫. মুসলিম উম্মার শক্তি অর্জন।
৬. আল্লাহ তা'য়ালার সন্তুষ্টি ও সওয়াব হাসিল।
৭. রিজিকে বরকত হাসিল।
৮. অন্তরে প্রশান্তি ও স্থিরতা লাভ এবং অস্থিরতা দূর হওয়া।
৯. শারীরিক ও মানসিক আরাম-আয়েশ।
১০. বিপর্যয় সৃষ্টি হওয়া থেকে নিরাপদ।
১১. বিবেক ও চরিত্রের হেফাজত।
১২. সকল এবাদত কবুল হওয়ার আশা।
১৩. ভ্রষ্টতা ও বক্রতা থেকে হেফাজত।
১৪. দুঃখ-কষ্ট এবং শাস্তি লাঘব।
১৫. ভাল কাজ করতে ও খারাপ কাজ ছাড়তে সহজ হওয়া।
১৬. অপছন্দনীয় জিনিসসমূহ হালকা অনুভব করা এবং দুঃখ-দুর্দশা সহজ হওয়া।
১৭. মানুষের গোলামী, ভয়-ভীতি এবং তাদের থেকে আশা-আকাঙ্খা ও মখলুকের উদ্দেশ্যে আমল করা থেকে সম্পূর্ণ আজাদ ও স্বাধীন হওয়া।
১৮. ঈমানের ভালবাসা এবং হৃদয়ের সৌন্দর্য এবং কুফরি, অপকর্ম ও অবাধ্যতার ঘৃণা।
(খ) আখেরাতে:
১. কবরের ফেতনা ও আজাব থেকে নিস্কৃতি লাভ।
২. হাশরের ময়দানে ভয়-ভীতি না হওয়া।
৩. জাহান্নামে প্রবেশ করলেও চিরস্থায়ী জাহান্নামী না হওয়া।
৪. পরিপূর্ণ তাওহীদ হলে সরাসরি জান্নাত লাভ।
৫. রোজ কিয়ামতের দ্বীনে রসূলুল্লাহ ﷺ-এর শাফা'আত তথা সুপারিশ লাভ।

📘 তাওহিদ ও তার উপকারিতা > 📄 তাওহীদ বিনষ্টকারী কারণসমূহ

📄 তাওহীদ বিনষ্টকারী কারণসমূহ


১. দ্বীন সম্পর্কে অজ্ঞতা।
২. অন্যান্য ধর্মের অনুপ্রবেশ ও কুপ্রভাব। যেমন: ইহুদি, খ্রীষ্টান, হিন্দু, মাজুসী তথা অগ্নিপূজকদের আকিদা ও বিভিন্ন দর্শন।
৩. দ্বীন সম্পর্কে গাফেল তথা অবহেলা।
৪. নক্স তথা কুপ্রবৃত্তির অনুসরণ।
৫. বিভিন্ন প্রকার বাতিল দলের অসংখ্য সংশয় ও সন্দেহ।
৬. ইসলামের নামে বিভিন্ন প্রকার বাতিল তরীকা, ফের্কা ও আকিদার কুপ্রভাব।
৭. বিজাতীয়দের দুশমনি ও তাদের তাওহীদ ধ্বংসের বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচী।
৮. অলিদের নামে ও তাদের কবর নিয়ে অতিরঞ্জন বাড়াবাড়ি।
৯. শয়তানের অলিদেরকে আল্লাহর অলি বানিয়ে সাধারণ মানুষের নিকট প্রচার-প্রসার।
১০. জিন ও মানুষ শয়তানের ষড়যন্ত্র।
১১. ব্যক্তিগত রুচি দ্বারা বিভিন্ন বাতিল আকিদার আবিষ্কার, যা প্রচলিত ভ্রষ্ট সূফীদের কারবার। এরা যার যার আপন রুচিমত আকিদা রচনা করেছে।
১২. কুরআন ও বিশুদ্ধ হাদীসের উপরে নিজেদের বিবেক বুদ্ধিকে প্রাধান্য দেয়া। আর ইহা করেছে বিভিন্ন ইসলামী যুক্তিবাদী, চিন্তাবিদ ও বুদ্ধিজীবীরা।

১. দ্বীন সম্পর্কে অজ্ঞতা।
২. অন্যান্য ধর্মের অনুপ্রবেশ ও কুপ্রভাব। যেমন: ইহুদি, খ্রীষ্টান, হিন্দু, মাজুসী তথা অগ্নিপূজকদের আকিদা ও বিভিন্ন দর্শন।
৩. দ্বীন সম্পর্কে গাফেল তথা অবহেলা।
৪. নক্স তথা কুপ্রবৃত্তির অনুসরণ।
৫. বিভিন্ন প্রকার বাতিল দলের অসংখ্য সংশয় ও সন্দেহ।
৬. ইসলামের নামে বিভিন্ন প্রকার বাতিল তরীকা, ফের্কা ও আকিদার কুপ্রভাব।
৭. বিজাতীয়দের দুশমনি ও তাদের তাওহীদ ধ্বংসের বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচী।
৮. অলিদের নামে ও তাদের কবর নিয়ে অতিরঞ্জন বাড়াবাড়ি।
৯. শয়তানের অলিদেরকে আল্লাহর অলি বানিয়ে সাধারণ মানুষের নিকট প্রচার-প্রসার।
১০. জিন ও মানুষ শয়তানের ষড়যন্ত্র।
১১. ব্যক্তিগত রুচি দ্বারা বিভিন্ন বাতিল আকিদার আবিষ্কার, যা প্রচলিত ভ্রষ্ট সূফীদের কারবার। এরা যার যার আপন রুচিমত আকিদা রচনা করেছে।
১২. কুরআন ও বিশুদ্ধ হাদীসের উপরে নিজেদের বিবেক বুদ্ধিকে প্রাধান্য দেয়া। আর ইহা করেছে বিভিন্ন ইসলামী যুক্তিবাদী, চিন্তাবিদ ও বুদ্ধিজীবীরা।

📘 তাওহিদ ও তার উপকারিতা > 📄 তাওহীদ প্রতিষ্ঠা ও প্রসারের জন্য করণীয়

📄 তাওহীদ প্রতিষ্ঠা ও প্রসারের জন্য করণীয়


তাওহীদের সঠিক জ্ঞান লাভ এবং তার প্রচার ও প্রতিষ্ঠার জন্য করণীয় অনেক কিছু তার মধ্য হতে:
(ক) তাওহীদ বিষয়ের বই-পুস্তক পাঠ এবং ক্যাসেট, ওডিও-ভিডিও সিডি শুনা ও দেখা।
(খ) তাওহীদের উপর আলোচনা শুনা ও প্রশ্ন করা।
(গ) তাওহিদপন্থী ব্যক্তি, জামাত ও সমাজের সঙ্গে থাকা।
(ঘ) তাওহীদ পরিপন্থী ব্যক্তি ও বই-পুস্তক এবং দল থেকে দূরে থাকা।
(ঙ) তাওহীদের উপরে বিভিন্ন কোর্সের প্রশিক্ষণ দেয়া ও তাতে অংশ গ্রহণ করা।
(চ) দুনিয়া-আখেরাতের তাওহীদের সুফল সম্পর্কে জ্ঞাত হওয়া।
(ছ) তাওহিদী বই-পুস্তক মুদ্রণ ও ক্যাসেট, ওডিও-ভিডিও সিডির কপি করে তার বেশি বেশি প্রচার-প্রসার করা।
(জ) শিরকের আখড়া ও মাধ্যমগুলো বন্ধ করা।
(ঝ) তাওহীদের উপর বেশি বেশি ক্লাশ ও আলোচনার সুব্যবস্থা করা।
(ঞ) মানুষকে শিরকের পরিণতি ও তাওহীদের সুফল সম্পর্কে জ্ঞান দান করা।
(ট) শির্কী বই-পুস্তক পড়া থেকে বিরত থাকা।
(ঠ) তাওহীদ প্রচারের জন্য দাওয়াত-তাবলিগ করা।
(ড) প্রতিটি মসজিদ, মকতব, মাদরাসা, স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে তাওহীদ শিক্ষার বিষয় জরুরি ভিত্তিতে সিলেবাসভুক্ত করা।
(ঢ) জুমার খুৎবাগুলোতে তাওহীদের আলোচনাকে গুরুত্ব সহকারে আলোচনা করা।

তাওহীদের সঠিক জ্ঞান লাভ এবং তার প্রচার ও প্রতিষ্ঠার জন্য করণীয় অনেক কিছু তার মধ্য হতে:
(ক) তাওহীদ বিষয়ের বই-পুস্তক পাঠ এবং ক্যাসেট, ওডিও-ভিডিও সিডি শুনা ও দেখা।
(খ) তাওহীদের উপর আলোচনা শুনা ও প্রশ্ন করা।
(গ) তাওহিদপন্থী ব্যক্তি, জামাত ও সমাজের সঙ্গে থাকা।
(ঘ) তাওহীদ পরিপন্থী ব্যক্তি ও বই-পুস্তক এবং দল থেকে দূরে থাকা।
(ঙ) তাওহীদের উপরে বিভিন্ন কোর্সের প্রশিক্ষণ দেয়া ও তাতে অংশ গ্রহণ করা।
(চ) দুনিয়া-আখেরাতের তাওহীদের সুফল সম্পর্কে জ্ঞাত হওয়া।
(ছ) তাওহিদী বই-পুস্তক মুদ্রণ ও ক্যাসেট, ওডিও-ভিডিও সিডির কপি করে তার বেশি বেশি প্রচার-প্রসার করা।
(জ) শিরকের আখড়া ও মাধ্যমগুলো বন্ধ করা।
(ঝ) তাওহীদের উপর বেশি বেশি ক্লাশ ও আলোচনার সুব্যবস্থা করা।
(ঞ) মানুষকে শিরকের পরিণতি ও তাওহীদের সুফল সম্পর্কে জ্ঞান দান করা।
(ট) শির্কী বই-পুস্তক পড়া থেকে বিরত থাকা।
(ঠ) তাওহীদ প্রচারের জন্য দাওয়াত-তাবলিগ করা।
(ড) প্রতিটি মসজিদ, মকতব, মাদরাসা, স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে তাওহীদ শিক্ষার বিষয় জরুরি ভিত্তিতে সিলেবাসভুক্ত করা।
(ঢ) জুমার খুৎবাগুলোতে তাওহীদের আলোচনাকে গুরুত্ব সহকারে আলোচনা করা।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00