📘 তাওহিদ ও তার উপকারিতা > 📄 লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ-এর গুরুত্ব, অর্থ

📄 লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ-এর গুরুত্ব, অর্থ


(ক) এর গুরুত্ব:
ইহা কালেমা তুইয়িবা (পবিত্র বাণী)।
ইহা কালেমাতুত্তাওহীদ (তাওহীদের মূল বাণী)।
ইহা কালেমাতুত্তাকওয়া (তাকওয়ার বাণী)।
ইহা জান্নাত লাভের বাণী।
ইহা জাহান্নাম থেকে নাজাতের বাণী।
ইহা মুসলিমের সর্বপ্রথম ও সর্বশেষ বাণী।
ইহা ইসলামে প্রবেশকারী বাণী।
ইহা আল-উরওয়াতুল উসকা (সুদৃঢ় হাতল)।
ইহা ঈমানের সর্বোচ্চ শাখা।
এর জন্যই সবকিছুর সৃষ্টি।
এর জন্যই সকল নবী-রসূলগণের প্রেরণ।
এর জন্যই সমস্ত আসমানী কিতাবের নাজিল।
এর জন্যই হক ও বাতিলের লড়াই।
এর জন্যই জন্নাত-জাহান্নাম।
এর জন্যই মুওয়াহ্হীদ ও মুশরিক এবং মুমিন ও কাফির।
এহাই না থাকার জন্য কিয়ামত অনুষ্ঠিত হবে।
(খ) এর অর্থ:
“লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ”-এর অর্থ: একমাত্র আল্লাহ ছাড়া আর কোন সত্য ইলাহ তথা মা'বুদ-উপাস্য নেই। এ কালেমাটির দু'টি রোকন রয়েছে। (এক) লা ইলাহা। (দুই) ইল্লাল্লাহ। প্রথমটির অর্থ আল্লাহ ব্যতীত সকল প্রকার উপাস্যকে অস্বীকার করা এবং বাতিল বলে বিশ্বাস করা। আর আল্লাহ ছাড়া কেউ এবাদতের হকদার নয় দৃঢ়ভাবে আকিদা পোষণ করা। আর দ্বিতীয় রোকটির অর্থ হলো: সকল প্রকার ও সর্ব অবস্থায় একমাত্র এবাদতের হকদার আল্লাহ তা'য়ালা। তাঁরই জন্য সমস্ত এবাদত নির্দিষ্ট করা এবং অন্যান্য সকল উপাস্যর এবাদত ত্যাগ করা।
"আল্লাহ” শব্দটির মূল "ইলাহ”-এর অর্থ সেই মহান সত্ত্বা যাঁকে পরম ও চরম শ্রদ্ধাভরে, দিল উজাড় করে ভালবেসে, আশা-আকাঙ্খা, ভয়-ভীতি, ভরসা ও কাকুতিমিনতি সহকারে যাঁর এবাদত করা হয়।
এছাড়া এ কালেমার কিছু অর্থ ইসলামী সমাজ ও ইসলামী দলে প্রচলিত রয়েছে যা বাতিল ও অগ্রহণযোগ্য। যেমন:
১. “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ”-এর অর্থ: আল্লাহ ছাড়া নেই কোন বিধানদাতা। ইহা হাকেমিয়্যা দলের বাতিল অর্থ।
২. "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ”-এর অর্থ: কিছুইতে কিছু হয় না, যাকিছু হয় সবই আল্লাহর দ্বারাই হয়। ইহা মুরজিয়্যা দলের বাতিল অর্থ।
৩. “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ”-এর অর্থ: অস্তিত্বে যাকিছু আছে সবই আল্লাহ। ইহা অস্তিত্ববাদী দলের বাতিল আকিদা। তারা বলে আল্লাহ তাঁর সৃষ্টির মাঝে লুকিয়ে আছে। আর ফানা ফিল্লাহ তথা স্রষ্টা ও সৃষ্টির মাধ্যে কোন পার্থক্য নেই বরং একজন আরেক জনের মাঝে একাকার হয়ে যায়।
(গ) এর ফজিলত:
† এ কলেমা এক পাল্লায় এবং সাত তবক আসমান ও সাত তবক জমিন অন্য পাল্লায় দিলে কালেমার পাল্লা ভারী হয়ে যাবে। [বিশুদ্ধ হাদীস]
† এ কালেমা সর্বোত্তম জিকির। [হাসান হাদীস]
† এ কালেমা মৃত্যুর সময় যার শেষ বাণী হবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। [বিশুদ্ধ হাদীস]
† এ কালেমার যে সত্যকারে সাক্ষ্য দেবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। [বিশুদ্ধ হাদীস]
† এ কালেমা যে নিষ্ঠার সাথে বলবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। [বিশুদ্ধ হাদীস]
† এ কালেমা যে বলবে তার জীবন, সম্পদ ও ইজ্জত নিরাপদ লাভ করবে। [বিশুদ্ধ হাদীস]
(ঘ) এর শর্তাবলী:
এ কালেমার ৮টি শর্ত রয়েছে যতক্ষণ এগুলো এক সঙ্গে না পাওয়া যাবে ততক্ষণ তার উপকারিতা আশা করা যাবে না।
১. জ্ঞান: এ কালেমার নেতিবাচক (শিরক) ও ইতিবাচক (তাওহীদ) অর্থের জ্ঞান রাখা। এ জ্ঞান ছাড়া শুধুমাত্র অন্ধের মত পড়লে পাঠকারীর কোন উপকারে আসবে না। আর এর বিপরীত অজ্ঞতা হতে মুক্ত থাকা জরুরি। [দলিল: সূরা মুহাম্মাদ: ৯, সূরা জুখরুফ: ৮৬]
২. একিন: এ কালেমার মর্মার্থকে একিন ও দৃঢ়তার সাথে বিশ্বাস করা এবং এর বিপরীত সন্দেহ ও সংশয় হতে দূরে থাকা। এ ছাড়া কালেমা উপকারে আসবে না। [দলিল: সূরা হুজুরাত:১৫]
৩. এখলাস: এ কালেমা নিখাদ ও নিষ্ঠার সাথে পাঠ করা। আর এখলাসের বিপরীত সর্বপ্রকার শিরক থেকে মুক্ত থাকা নচেৎ পাঠকারীর কোন উপকারে আসবে না। [দলিল: সূরা বায়্যিনাহ:৫]
৪. সত্যতা: এ কালেমা অন্তর থেকে সত্যতার সাথে পড়া। আর সত্যতার বিপরীত মিথ্যা হতে সম্পূর্ণরূপে দূরে থাকা আবশ্যকীয়। [দলিল: সূরা আনকাবূত: ১-৩]
৫. মহব্বত: এ কালেমাকে ভালবাসা এবং এর দাবী মোতাবেক আমলকারীদেরকেও মহব্বত করা। [দলিল: সূরা বাকারা: ১৬৫ সূরা মায়েদা: ৫৪]
৬. আনুগত্য: এ কালেমা যা প্রমাণ করে তার প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য সকল আমলের অনুগত হওয়া এবং এর বিপরীত পরিত্যাগ করা হতে বিরত থাকা। [দলিল: সূরা জুমার: ৫৪ সূরা নিসা: ১২৫, ৬৫]
৭. গ্রহণ: এ কালেমার দাবী তথা কোন শরিক ছাড়া এক আল্লাহর এবাদত করা। এ ছাড়া অন্যান্য সকল উপাস্যকে ত্যাগ করা। আর এর বিপরীত গ্রহণ না করা হতে মুক্ত থাকা; কারণ যারা এ কালেমা বলল কিন্তু গ্রহণ করল না এবং কর্তব্য পালন করল না তাদের সম্পর্কে আল্লাহ বলেন: "তাদের যখন বলা হত, আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই তখন তারা ঔদ্ধত প্রদর্শন করত। আর বলত, আমরা কি এক উম্মাদ কবির কথায় আমাদের উপাস্যদেরকে পরিত্যাগ করব? [সূরা সাফফাত:৩৫-৩৬]
৮. অস্বীকার: আল্লাহ তা'য়ালা ব্যতীত যেসব তাগূতের এবাদত করা হয় সেগুলোকে অস্বীকার করা। আর সকল এবাতদকে একমাত্র আল্লাহ ওয়াহদাহু লা শারীকের জন্য নির্দিষ্ট করা। [দলিল: সূরা বাকারা: ২৫৬]

📘 তাওহিদ ও তার উপকারিতা > 📄 তাওহীদের উপকারিতা

📄 তাওহীদের উপকারিতা


(ক) দুনিয়াতে:
১. নিরাপত্তা ও হেদায়েত লাভ।
২. আল্লাহ তা'য়ালার পক্ষ থেকে সাহায্য ও মদদ লাভ।
৩. প্রকৃত সুখ-শান্তি লাভ।
৪. একতা ও ঐক্য সৃষ্টি।
৫. মুসলিম উম্মার শক্তি অর্জন।
৬. আল্লাহ তা'য়ালার সন্তুষ্টি ও সওয়াব হাসিল।
৭. রিজিকে বরকত হাসিল।
৮. অন্তরে প্রশান্তি ও স্থিরতা লাভ এবং অস্থিরতা দূর হওয়া।
৯. শারীরিক ও মানসিক আরাম-আয়েশ।
১০. বিপর্যয় সৃষ্টি হওয়া থেকে নিরাপদ।
১১. বিবেক ও চরিত্রের হেফাজত।
১২. সকল এবাদত কবুল হওয়ার আশা।
১৩. ভ্রষ্টতা ও বক্রতা থেকে হেফাজত।
১৪. দুঃখ-কষ্ট এবং শাস্তি লাঘব।
১৫. ভাল কাজ করতে ও খারাপ কাজ ছাড়তে সহজ হওয়া।
১৬. অপছন্দনীয় জিনিসসমূহ হালকা অনুভব করা এবং দুঃখ-দুর্দশা সহজ হওয়া।
১৭. মানুষের গোলামী, ভয়-ভীতি এবং তাদের থেকে আশা-আকাঙ্খা ও মখলুকের উদ্দেশ্যে আমল করা থেকে সম্পূর্ণ আজাদ ও স্বাধীন হওয়া।
১৮. ঈমানের ভালবাসা এবং হৃদয়ের সৌন্দর্য এবং কুফরি, অপকর্ম ও অবাধ্যতার ঘৃণা।
(খ) আখেরাতে:
১. কবরের ফেতনা ও আজাব থেকে নিস্কৃতি লাভ।
২. হাশরের ময়দানে ভয়-ভীতি না হওয়া।
৩. জাহান্নামে প্রবেশ করলেও চিরস্থায়ী জাহান্নামী না হওয়া।
৪. পরিপূর্ণ তাওহীদ হলে সরাসরি জান্নাত লাভ।
৫. রোজ কিয়ামতের দ্বীনে রসূলুল্লাহ ﷺ-এর শাফা'আত তথা সুপারিশ লাভ।

📘 তাওহিদ ও তার উপকারিতা > 📄 তাওহীদ বিনষ্টকারী কারণসমূহ

📄 তাওহীদ বিনষ্টকারী কারণসমূহ


১. দ্বীন সম্পর্কে অজ্ঞতা।
২. অন্যান্য ধর্মের অনুপ্রবেশ ও কুপ্রভাব। যেমন: ইহুদি, খ্রীষ্টান, হিন্দু, মাজুসী তথা অগ্নিপূজকদের আকিদা ও বিভিন্ন দর্শন।
৩. দ্বীন সম্পর্কে গাফেল তথা অবহেলা।
৪. নক্স তথা কুপ্রবৃত্তির অনুসরণ।
৫. বিভিন্ন প্রকার বাতিল দলের অসংখ্য সংশয় ও সন্দেহ।
৬. ইসলামের নামে বিভিন্ন প্রকার বাতিল তরীকা, ফের্কা ও আকিদার কুপ্রভাব।
৭. বিজাতীয়দের দুশমনি ও তাদের তাওহীদ ধ্বংসের বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচী।
৮. অলিদের নামে ও তাদের কবর নিয়ে অতিরঞ্জন বাড়াবাড়ি।
৯. শয়তানের অলিদেরকে আল্লাহর অলি বানিয়ে সাধারণ মানুষের নিকট প্রচার-প্রসার।
১০. জিন ও মানুষ শয়তানের ষড়যন্ত্র।
১১. ব্যক্তিগত রুচি দ্বারা বিভিন্ন বাতিল আকিদার আবিষ্কার, যা প্রচলিত ভ্রষ্ট সূফীদের কারবার। এরা যার যার আপন রুচিমত আকিদা রচনা করেছে।
১২. কুরআন ও বিশুদ্ধ হাদীসের উপরে নিজেদের বিবেক বুদ্ধিকে প্রাধান্য দেয়া। আর ইহা করেছে বিভিন্ন ইসলামী যুক্তিবাদী, চিন্তাবিদ ও বুদ্ধিজীবীরা।

১. দ্বীন সম্পর্কে অজ্ঞতা।
২. অন্যান্য ধর্মের অনুপ্রবেশ ও কুপ্রভাব। যেমন: ইহুদি, খ্রীষ্টান, হিন্দু, মাজুসী তথা অগ্নিপূজকদের আকিদা ও বিভিন্ন দর্শন।
৩. দ্বীন সম্পর্কে গাফেল তথা অবহেলা।
৪. নক্স তথা কুপ্রবৃত্তির অনুসরণ।
৫. বিভিন্ন প্রকার বাতিল দলের অসংখ্য সংশয় ও সন্দেহ।
৬. ইসলামের নামে বিভিন্ন প্রকার বাতিল তরীকা, ফের্কা ও আকিদার কুপ্রভাব।
৭. বিজাতীয়দের দুশমনি ও তাদের তাওহীদ ধ্বংসের বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচী।
৮. অলিদের নামে ও তাদের কবর নিয়ে অতিরঞ্জন বাড়াবাড়ি।
৯. শয়তানের অলিদেরকে আল্লাহর অলি বানিয়ে সাধারণ মানুষের নিকট প্রচার-প্রসার।
১০. জিন ও মানুষ শয়তানের ষড়যন্ত্র।
১১. ব্যক্তিগত রুচি দ্বারা বিভিন্ন বাতিল আকিদার আবিষ্কার, যা প্রচলিত ভ্রষ্ট সূফীদের কারবার। এরা যার যার আপন রুচিমত আকিদা রচনা করেছে।
১২. কুরআন ও বিশুদ্ধ হাদীসের উপরে নিজেদের বিবেক বুদ্ধিকে প্রাধান্য দেয়া। আর ইহা করেছে বিভিন্ন ইসলামী যুক্তিবাদী, চিন্তাবিদ ও বুদ্ধিজীবীরা।

📘 তাওহিদ ও তার উপকারিতা > 📄 তাওহীদ প্রতিষ্ঠা ও প্রসারের জন্য করণীয়

📄 তাওহীদ প্রতিষ্ঠা ও প্রসারের জন্য করণীয়


তাওহীদের সঠিক জ্ঞান লাভ এবং তার প্রচার ও প্রতিষ্ঠার জন্য করণীয় অনেক কিছু তার মধ্য হতে:
(ক) তাওহীদ বিষয়ের বই-পুস্তক পাঠ এবং ক্যাসেট, ওডিও-ভিডিও সিডি শুনা ও দেখা।
(খ) তাওহীদের উপর আলোচনা শুনা ও প্রশ্ন করা।
(গ) তাওহিদপন্থী ব্যক্তি, জামাত ও সমাজের সঙ্গে থাকা।
(ঘ) তাওহীদ পরিপন্থী ব্যক্তি ও বই-পুস্তক এবং দল থেকে দূরে থাকা।
(ঙ) তাওহীদের উপরে বিভিন্ন কোর্সের প্রশিক্ষণ দেয়া ও তাতে অংশ গ্রহণ করা।
(চ) দুনিয়া-আখেরাতের তাওহীদের সুফল সম্পর্কে জ্ঞাত হওয়া।
(ছ) তাওহিদী বই-পুস্তক মুদ্রণ ও ক্যাসেট, ওডিও-ভিডিও সিডির কপি করে তার বেশি বেশি প্রচার-প্রসার করা।
(জ) শিরকের আখড়া ও মাধ্যমগুলো বন্ধ করা।
(ঝ) তাওহীদের উপর বেশি বেশি ক্লাশ ও আলোচনার সুব্যবস্থা করা।
(ঞ) মানুষকে শিরকের পরিণতি ও তাওহীদের সুফল সম্পর্কে জ্ঞান দান করা।
(ট) শির্কী বই-পুস্তক পড়া থেকে বিরত থাকা।
(ঠ) তাওহীদ প্রচারের জন্য দাওয়াত-তাবলিগ করা।
(ড) প্রতিটি মসজিদ, মকতব, মাদরাসা, স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে তাওহীদ শিক্ষার বিষয় জরুরি ভিত্তিতে সিলেবাসভুক্ত করা।
(ঢ) জুমার খুৎবাগুলোতে তাওহীদের আলোচনাকে গুরুত্ব সহকারে আলোচনা করা।

তাওহীদের সঠিক জ্ঞান লাভ এবং তার প্রচার ও প্রতিষ্ঠার জন্য করণীয় অনেক কিছু তার মধ্য হতে:
(ক) তাওহীদ বিষয়ের বই-পুস্তক পাঠ এবং ক্যাসেট, ওডিও-ভিডিও সিডি শুনা ও দেখা।
(খ) তাওহীদের উপর আলোচনা শুনা ও প্রশ্ন করা।
(গ) তাওহিদপন্থী ব্যক্তি, জামাত ও সমাজের সঙ্গে থাকা।
(ঘ) তাওহীদ পরিপন্থী ব্যক্তি ও বই-পুস্তক এবং দল থেকে দূরে থাকা।
(ঙ) তাওহীদের উপরে বিভিন্ন কোর্সের প্রশিক্ষণ দেয়া ও তাতে অংশ গ্রহণ করা।
(চ) দুনিয়া-আখেরাতের তাওহীদের সুফল সম্পর্কে জ্ঞাত হওয়া।
(ছ) তাওহিদী বই-পুস্তক মুদ্রণ ও ক্যাসেট, ওডিও-ভিডিও সিডির কপি করে তার বেশি বেশি প্রচার-প্রসার করা।
(জ) শিরকের আখড়া ও মাধ্যমগুলো বন্ধ করা।
(ঝ) তাওহীদের উপর বেশি বেশি ক্লাশ ও আলোচনার সুব্যবস্থা করা।
(ঞ) মানুষকে শিরকের পরিণতি ও তাওহীদের সুফল সম্পর্কে জ্ঞান দান করা।
(ট) শির্কী বই-পুস্তক পড়া থেকে বিরত থাকা।
(ঠ) তাওহীদ প্রচারের জন্য দাওয়াত-তাবলিগ করা।
(ড) প্রতিটি মসজিদ, মকতব, মাদরাসা, স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে তাওহীদ শিক্ষার বিষয় জরুরি ভিত্তিতে সিলেবাসভুক্ত করা।
(ঢ) জুমার খুৎবাগুলোতে তাওহীদের আলোচনাকে গুরুত্ব সহকারে আলোচনা করা।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00