📄 মদপান ও নেশাদ্রব্য গ্রহণ
আল্লাহ পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেছেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِنَّمَا الْخَمْرُ وَالْمَيْسِرُ وَالْأَنصَابُ وَالْأَزْلَامُ رِجْسٌ مِّنْ عَمَلِ الشَّيْطَانِ فَاجْتَنِبُوهُ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ
হে ঈমানদারগণ! নিঃসন্দেহে মদ, জুয়া, প্রতিমা ও ভাগ্য নির্ণায়ক তীরসমূহ শয়তানের অপবিত্র কাজ। সুতরাং, তোমরা তা থেকে বিরত থাক, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার। [সূরা মায়েদা : ৯০]
রাসূলুল্লাহ এক হাদীসে ইরশাদ করেছেন-
إِنَّ عَلَى اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ عَهْدًا لِمَن يَشْرَبُ الْمُسْكِرَ أَن يَسْقِيَهُ مِنْ طِينَةِ الْخَبَالِ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ وَمَا طِينَةُ الْخَبَالِ قَالَ عَرَقُ أَهْلِ النَّارِ أَوْ عُصَارَةُ أَهْلِ النَّارِ
যে ব্যক্তি মদপান করে, তার জন্য আল্লাহর অঙ্গীকার হল, তিনি তাকে ‘তীনাতুল খাবাল' পান করাবেন। সাহাবায়ে কেরাম জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! ‘তীনাতুল খাবাল’ কী? তিনি বললেন, জাহান্নামীদের ঘাম অথবা পুঁজ-রক্ত। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৫০০৯]
অপর এক হাদীসে তিনি ইরশাদ করেছেন-
مَنْ مَاتَ مُدْمِنَ خَمْرٍ لَقِيَ اللَّهَ كَعَابِدِ وَثَنٍ
যে ব্যক্তি মদপানে অভ্যস্ত অবস্থায় মারা গেল, সে মূর্তিপূজারীর ন্যায় আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে। [হিলয়তুল আউলিয়া- ৯/২৫০]
অন্যান্য তিনি ইরশাদ করেছেন-
مَنْ شَرِبَ الْخَمْرَ وَسَكِرَ لَمْ تُقْبَلْ لَهُ صَلَاةٌ أَرْبَعِينَ صَبَاحًا وَإِنْ مَاتَ دَخَلَ النَّارَ فَإِن تَابَ تَابَ اللَّهُ عَلَيْهِ وَإِن عَادَ فَشَرِبَ فَسَكِرَ لَمْ تُقْبَلْ لَهُ صَلَاةٌ أَرْبَعِينَ صَبَاحًا فَإِن مَّاتَ دَخَلَ النَّارَ فَإِن تَابَ تَابَ اللَّهُ عَلَيْهِ وَإِن عَادَ فَشَرِبَ فَسَكِرَ لَمْ تُقْبَلْ لَهُ صَلَاةٌ أَرْبَعِينَ صَبَاحًا فَإِن مَّاتَ دَخَلَ النَّارَ فَإِن تَابَ تَابَ اللَّهُ عَلَيْهِ وَإِنْ عَادَ كَانَ حَقًّا عَلَى اللَّهِ أَن يَسْقِيَهُ مِنْ رَدْغَةِ الْخَبَالِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ وَمَا رَدْغَةُ الْخَبَالِ ؟ قَالَ عُصَارَةُ أَهْلِ النَّارِ
যে ব্যক্তি মদ পান করে ও নেশাগ্রস্ত হয়, তার চল্লিশ দিনের সালাত কবুল হবে না। যদি সে ওই অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে, তা হলে সে জাহান্নামে যাবে। আর যদি সে তাওবা করে নেয়, তা হলে আল্লাহ তায়ালা তার তাওবা কবুল করবেন। পুনরায় যদি সে মদ পান করে ও নেশাগ্রস্ত হয়, তা হলে তার চল্লিশ দিনের সালাত কবুল হবে না। যদি সে ওই অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে, তা হলে সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে। পুনরায় যদি সে মদ পান করে ও নেশাগ্রস্ত হয়, তা হলে তার চল্লিশ দিনের সালাত কবুল হবে না। যদি সে ওই অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে, তা হলে সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে। পুনরায় যদি সে মদ পান করে, তা হলে কেয়ামতের দিন তাকে ‘রাদ্গাতুল খাবাল’ পান করানো আল্লাহর জন্য কর্তব্য হয়ে দাঁড়াবে। সাহাবায়ে কেরام রাযিয়াল্লাহু আনহুম জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! ‘রাদ্গাতুল খাবাল’ কী? তিনি বললেন, জাহান্নামীদের দেহ নিঃসৃত পূঁজ-রক্ত। [সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং ৩০৭৭]