📄 ৬৩৯ হিজরী থেকে ৬৪৯ হিজরীর মধ্যবর্তী সময়
তাতারীদের নতুন সম্রাট কায়ুক ইবনে উকিতাই ক্ষমতা গ্রহণের পর ব্যাপক হামলানীতি প্রত্যাহার করে এবং তাতারী অধ্যুষিত বিক্ষিপ্ত অঞ্চলসমূহে নিজের ক্ষমতা সুদৃঢ় করার প্রতি মনোযোগ দেয়। সম্রাট কায়ুকু ৬৩৯ হিজরী থেকে ৬৪৬ হিজরী পর্যন্ত রাজত্ব পরিচালনা করে। এই সাত বছরে তাতারীরা দু-একটি অঞ্চল ব্যতীত নতুন কোনো অঞ্চলে প্রবেশ করে না।
পশ্চিম ইউরোপের খ্রিস্টানরা যখন দেখতে পেল, সম্রাট কায়ুক কোনো যুদ্ধ-সম্প্রসারণ নীতি অবলম্বন করছে না, তখন তাতারীদের পক্ষ থেকে মুসলমানদের বিরুদ্ধে সহযোগিতা লাভের কামনা তাদের মাঝে তীব্র আকার ধারণ করল। তারা ইনোসেন্ট রাবে' পোপকে ৬৪৩ হিজরীতে দূত হিসেবে মঙ্গোলিয়ায় প্রেরণ করে। তাকে দূত বানানোর উদ্দেশ্য ছিল মিশর ও সিরিয়ার মুসলমানদের বিরুদ্ধে তাতারীদের সমর্থন জোগানো। (তাকে দূত বানানোর উদ্দেশ্য এটা ছিল না যে, তিনি রাশিয়া ও ইউরোপের খ্রিস্টানদের ওপর থেকে জুলুম ও অত্যাচার রোধ করবেন।) তাতারী সম্রাট কায়ুক খ্রিস্টান দূতকে মোঘল অঞ্চলে খ্রিস্টানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ বলে উষ্ণ সংবর্ধনা জানাল। কিন্তু সম্রাট কায়ুক দূতের চিঠি পাঠ করে দেখতে পেল, মুসলমানদের বিরুদ্ধে সামরিক সহযোগিতা কামনার তুলনায় চিঠিতে তাকে খ্রিস্টধর্মের প্রতি আকৃষ্ট করা হয়েছে। সে এটিকে একপ্রকার সীমালঙ্ঘন মনে করে। কীভাবে খ্রিস্টানরা তাতারী সম্রাটের ধর্মপরিবর্তন কামনা করে?!
সম্রাট কায়ুক চিঠির উত্তরে লেখে, তারা যেন পশ্চিম ইউরোপের আমীর-উমারাদের একত্রিত করে সম্রাটের আনুগত্য প্রদর্শনার্থে মঙ্গোলিয়ায় নিয়ে আসে। এরপর সহযোগিতা প্রদান করা হবে। স্বভাবতই পশ্চিম ইউরোপের আমীর-উমারারা তার এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। এ কারণে তাদের দৃঢ় উদ্দেশ্য সাধন ব্যর্থ হয়।
কিন্তু ক্যাথলিক পোপ ইনোসেন্ট রাবে' এতে নিরাশ না হয়ে আরেকটি চিঠি পাঠান। তবে এবার তিনি চিঠিটি ইসলামী খেলাফতের পারস্য অঞ্চলের তিবরিয শহরের তাতারী কমান্ডারের কাছে পাঠান। এই তাতারী কমান্ডারের নাম ছিল বিজু। এটি ৬৪৫ হিজরীর ঘটনা। পোপ তার পক্ষ থেকে আক্রমণ কিংবা সীমালঙ্ঘনের আশঙ্কা টের পায়নি; বরং সে তাকে সহযোগী হিসেবে পেয়েছে। পোপ বিজুর পক্ষ থেকে অভিনন্দিত হয়। বিজু মনে করে, মিশর ও সিরিয়ার মুসলমানদের ওপর খ্রিস্টানরা আক্রমণ করলে মুসলমানরা ইরাকের আব্বাসী খেলাফত রক্ষায় ব্যস্ত থাকবে। ফলে তাদের আক্রমণ করা খুবই সহজ হবে। কিন্তু একথা দিবালোকের মতো সুস্পষ্ট যে, খ্রিস্টানদের সহযোগিতা করার জন্য যে সামরিক যোগ্যতার প্রয়োজন, তা বিজুর মাঝে নেই। এদিকে কায়ুক ইবনে উকিতাই রাজ্য অসম্প্রসারণ নীতি এবং খ্রিস্টানদের সহযোগিতা প্রদান না করার নীতিতে অটল। তবে খ্রিস্টানরা যদি বিনয়াবত হয়ে তার কাছে আসে তবে তা ভিন্ন বিষয়। এভাবে দ্বিতীয় বারের সহযোগিতা কামনাও ভেস্তে যায়।
এ সময় ফ্রান্সের অধিপতি লুইস তাসে মিশর আক্রমণের প্রস্তুতি গ্রহণ করে। ইতিহাস পাঠ করে আমি জানতে পেরেছি এটি ছিল খ্রিস্ট-আক্রমণ। সে সাইপ্রাস দ্বীপে সৈন্যবাহিনী একত্রিত করতে থাকে। এটি ৬৪৬ হিজরীর ঘটনা। লুইস দেখল, মুসলমানদের বিরুদ্ধে তাতারীদের সমর্থনের সম্ভাবনা এখনো শেষ হয়নি। তাই সে তৃতীয় বারের মতো সাইপ্রাস থেকে মঙ্গোলিয়া যায়। তাতারী সম্রাট কায়ুকের সহযোগিতা কামনা করে চিঠি পাঠায়। চিঠির সঙ্গে বহু মূল্যবান হাদিয়া উপঢৌকন ও দামি দামি হিরা জহরত পাঠায়। কিন্তু চিঠিটা যখন মঙ্গোলিয়ার রাজধানী কারাকুরামে পৌঁছে তখন তাতারী সম্রাট কায়ুকের আকস্মিক মৃত্যু ঘটে। কায়ুক ছোট তিনজন সন্তান রেখে মারা যায়। তাদের কেউ এই বয়সে রাজত্ব গ্রহণের উপযুক্ত নয়। ফলে কায়ুকের স্ত্রী উগল কিউমেশ (Oogol Qemesh) ক্ষমতা গ্রহণ করে। এটি ৬৪৬ হিজরীর প্রথম দিকের ঘটনা। তার ক্ষমতা তিন বছর দীর্ঘায়িত হয়।
লুইস নতুন তাতারী সম্রাজ্ঞীর কাছে দূত প্রেরণ করে। সম্রাজ্ঞী তাকে সাদর সম্ভাষণ জানায়। কিন্তু সে খ্রিস্টানদের সহযোগিতা করতে না পারায় অপারগতা প্রকাশ করে। কারণ, কায়ুকের অকালমৃত্যুর কারণে তাতারী সাম্রাজ্যে যেসব বিপর্যয় দেখা দিয়েছে, সে তা সমাধানে ব্যতিব্যস্ত রয়েছে। উপরন্তু অধিকাংশ তাতারী নেতা সুবিশাল তাতারী সাম্রাজ্যের উপর নারীর ক্ষমতায়নকে মেনে নিতে পারছিল না, যেই সাম্রাজ্যের মূল বুনিয়াদ হলো শক্তি, ক্ষমতা ও দৌরাত্ম্য। কিন্তু লুইস তাতারীদের অংশগ্রহণ ব্যতীতই আক্রমণের সিদ্ধান্তে অটল থাকে। তাই সে সাইপ্রাস থেকে মিশর অভিমুখে রওয়ানা হয় এবং ৬৪৭ হিজরীতে দামিয়েত্তা নগরীতে অবতরণ করে তা ধ্বংস করে নীলনদ পাড়ি দিয়ে মিশরে পৌঁছে যায়। কিন্তু মানসুরা নামক স্থানে মিশরীয় বাহিনী তাদের মুখোমুখি হয়। তাদের সঙ্গে মিশরের সুলতান সালেহ আইয়ূবী ছিলেন। তিনি যুদ্ধ শুরু হওয়ার তিনদিন পর 'মানসুরা' স্থানে মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর পর মিশরের রাজক্ষমতা তার স্ত্রী শাজারাতুদ দুর গ্রহণ করেন। তিনি স্বামীর মৃত্যুর সংবাদ গোপন রাখেন এবং তুর্কীর এক প্রদেশের আমীর তাওরান শাহ ইবনে মালিক সালেহ নাজমুদ্দীন আইয়ূবীকে চলে আসতে বলেন। শাজারাতুদ দুর ক্রুশেডবিরোধী প্রসিদ্ধ যুদ্ধ মানসুরায় ফারেস উদ্দীন আকতাই ও রুকন উদ্দীন বাইবার্সের সঙ্গে অংশগ্রহণ করেন। এ যুদ্ধে মুসলমানরা বিজয়লাভ করেন। অতঃপর তাওরান শাহ মিশর পৌঁছে রাজকর্মে মনোনিবেশ করেন। তিনি ফারেসকুর অঞ্চলে আরেকবার ক্রুশেডারদের বিরুদ্ধে জয়লাভ করেন এবং ফ্রান্স সম্রাট লুইস যুদ্ধে বন্দী হয়। এটি ৬৪৮ হিজরীর ঘটনা। এরপর মিশরে বেশ কিছু যুদ্ধ সংঘটিত হয়। তাওরান শাহ নিহত হন। শাজারাতুদ দুর প্রকাশ্যে মিশরের ক্ষমতা হাতে তুলে নেন। কিন্তু মিশরের পরিবেশ-পরিস্থিতি নারী নেতৃত্ব মেনে নেয় না। তাই তিনি ইজ্জুদ্দীন আইবেকের বিবাহ-বন্ধনে আবদ্ধ হন। ইজ্জুদ্দীন ছিলেন মিশরের একজন সেনাপতি। তিনি সম্রাজ্ঞীর বিবাহ-বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে মিশরের সম্রাটে পরিণত হন। ইজ্জুদ্দীন আইবেক ছিলেন দাস বংশের। তার মাধ্যমে আইয়ূবীদের পর মিশরে দাসবংশের ক্ষমতার সূচনা ঘটে। তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা সামনে আসবে ইনশাআল্লাহ।
দাস শক্তির উত্থান, খ্রিস্টানদের সপ্তম আক্রমণের ব্যর্থতা সম্পর্কে সামান্য আলোকপাত করাকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছি। নিঃসন্দেহে পরাজয় খ্রিস্টানদের সুপ্তক্ষোভের তীব্রতা বাড়িয়ে দিয়েছে এবং মুসলমানদের বিরুদ্ধে তাতারীদের সহযোগিতা প্রদানের বিষয়টি আরও জোরালো করেছে।
এদিকে মঙ্গোলিয়ার অবস্থা স্থিতিশীল ছিল না। তাতারীরা সম্রাট কায়ুকের স্ত্রীর নেতৃত্ব মেনে নিতে পারছিল না। এ কারণেই ৬৪৯ হিজরীতে বালকুরালতাই নামক একটি জাতীয় কাউন্সিল সংঘটিত হয়। তারা নতুন সম্রাট নির্বাচনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এ পরিপ্রেক্ষিতে তারা মানকু খানকে তাতারীদের নতুন সম্রাট হিসেবে নির্বাচন করে।
মানকু খান তাতারী সাম্রাজ্যের সম্রাট নির্বাচিত হওয়ার পর তাতারী রাজনীতি ও পার্শ্ববর্তী দেশসমূহে ব্যাপক পরিবর্তন সাধিত হয়। তাতারী সাম্রাজ্যের প্রধান স্থপতি চেঙ্গিজ খানের রাজনীতির সঙ্গে মানকু খানের রাজনীতির খুব মিল ছিল এবং ইউরোপ-বিজেতা উকিতাইর রাজনীতির সঙ্গেও যথেষ্ট সাদৃশ্য ছিল। মানকু খান প্রথমত নতুনভাবে আব্বাসী খেলাফত পতনের চিন্তা করে, এরপর অন্যান্য অঞ্চল।
অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, মানকু খান ক্ষমতা গ্রহণের সময় মুসলিম আমীর-ওমারাগণ সঠিক মতাদর্শের উপর প্রতিষ্ঠিত ছিলেন না। যদিও মুসলমানরা ৬৪৮ হিজরীতে মানসুরার যুদ্ধে জয় লাভ করে। তথাপি তারা নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত ছিল। অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব-কলহ তো আছেই, মুসলমানদের পরস্পর বহু রক্তক্ষয়ী যুদ্ধও সংঘটিত হতো।
এমনই এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ মিশরী ও সিরিয়ার সেনাবাহিনীর মাঝে সংঘটিত হয়েছিল। মিশরীয় বাহিনীর কমান্ডার ছিলেন ইজ্জুদ্দীন আইবেক। সিরিয়ার সেনাবাহিনীকে পাঠিয়েছিলেন আলেপ্পো ও দামেস্কের আমীর নাসের ইউসুফ। আব্বাসিয়া নামক স্থানে যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এটি বর্তমানে মিশরীয় শহর জাগাজিগের থেকে আঠারো কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত। যুদ্ধে মিশরীয় বাহিনী জয়লাভ করে। আমি [লেখক] জানি না, এসব যুদ্ধে তারা কী স্বাদ খুঁজে পেত? অপর দিকে ক্রুশেড আক্রমণ অব্যাহত ছিল। আর তাতারী বাহিনী আব্বাসী খেলাফতের দোরগোড়ায় পৌঁছে গিয়েছিল।
বড় আশ্চর্যের বিষয় হলো, এ সময় সমাজের জ্ঞানী-গুণী, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ—এমনকি উলামায়ে কেরামও একদম ভুলে গিয়েছিলেন যে, অর্ধেক মুসলিম জাতি তাতারী আক্রমণের শিকার হয়েছিল এবং তারা একথাও ভুলে গিয়েছিলেন যে, তাতারীরা আব্বাসী খেলাফত, হেজাজ, মিশর ও সিরিয়ার দুই ধনুক দূরে কিংবা আরও কাছে পৌঁছেছে। এই মধ্যবর্তী সময়ে ঐতিহাসিকগণ তাতারীদের কোনো বিষয় উল্লেখ করেননি।
উদাহরণস্বরূপ, পাঠকবৃন্দ এ সময়ের তাতারীদের আলোচনা ইবনে কাছীর রহ. রচিত আল বিদায়া ওয়ান নিহায়ায় অস্পষ্ট আকারে সম্রাট কায়ুকের বিদায় ও স্ত্রীর ক্ষমতায়ন (শিরোনামে) খুঁজে পাবেন।
ইবনে কাছীর রহ. এ সময়ের তাতারীদের ইতিহাস উল্লেখ না করার কারণ হলো, উৎসস্বল্পতা ও তথ্যস্বল্পতা। এ সময়ের ইতিহাস ইতিহাসের কোনো গ্রন্থেই পাওয়া যায়নি। ইরাক, সিরিয়া, মিশরবাসীও এ বিষয়ে খুব সামান্য আলোচনা করেছেন। এমনকি তাতারীদের অত্যাচার ও জুলুম নিষ্পেষিত মাজলুম মুসলমানদের থেকে এ বিষয়ে কোনো বর্ণনা পাওয়া যায়নি।
এমনকি আপনি দেখবেন, ৬৩৯ থেকে ৬৪৯ হিজরী পর্যন্ত ইরাক, সিরিয়া ও মিশরবাসীর জীবনযাপন উল্লেখ করতে গিয়ে ইবনে কাছীর তাদের স্বাভাবিক জীবনযাপনের চিত্র তুলে ধরেন। যেমন: খলিফা অর্থনৈতিক সমস্যা সুরাহা করছেন, ফকীর-মিসকীনদের মাঝে দান সদকা-করছেন, বিপদাপদ দূর করছেন, বাজারমূল্য বৃদ্ধি পেলে খলিফা উপযুক্ত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন। কেউ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু করছে। কেউ সরাইখানা উদ্বোধন করছে। আবার কেউ চিকিৎসাকেন্দ্র খুলছে। এ সময়ের আরও কিছু ঘটনা — অমুক কবি, অমুক সাহিত্যিক, অমুক মান্যবর ব্যক্তি, অমুক মন্ত্রী ইন্তেকাল করেছেন ইত্যাদি।
কিন্তু কোথায় জ্ঞানীগুণী উলামায়ে কেরামের সুবিশাল জামাত, যারা মিম্বরে ও মতবিনিময় সভায় বসে জাতিকে তাতারী ফেতনা সম্পর্কে সচেতন করবেন? তাতারী অধ্যুষিত অঞ্চলসমূহে তাতারীদের বিপদাপদ ও নির্যাতনের কথা উল্লেখ করবেন?! সেদিন কোথায় ছিলেন প্রজ্ঞাবানরা, যারা অবশ্যম্ভাবী দিবসের জন্য জাতিকে প্রস্তুত করবেন? সত্যিকার অর্থে তৎকালে এসব বিষয় ছিল না বললেই চলে। এ কারণেই ইতিহাসের কিতাবাদিতে তা স্থান পায়নি।
মোটকথা, তৎকালীন ঘটনাবলি এ কথার প্রতি অকুণ্ঠ স্বীকৃতি প্রদান করে যে, তাতারীদের নতুন আক্রমণ শীঘ্রই সংঘটিত হবে। আর তা চেঙ্গিজ খানের যুগে সংঘটিত তাতারীদের প্রথম আক্রমণ ও উকিতাই-এর যুগে সংঘটিত তাতারীদের দ্বিতীয় আক্রমণের মতোই হবে কিংবা আরও ভয়াবহ দুর্বোধ্য। কারণ, মুসলমানরা যতই নতি স্বীকার করে, তাতারীদের স্পর্ধা ততবেশি বৃদ্ধি পায়। মুসলমানরা কোনো কিছু ছেড়ে দিলে তাতারীরা পার্শ্ববর্তী বস্তুটির দিকে হিংস্র থাবা সম্প্রসারিত করে। এটাই বাতেলপন্থীদের চরিত্র। পাঠকবৃন্দ সমীপে ইতিহাস পাঠের আবেদন রইল।