📘 তাতারীদের ইতিহাস > 📄 কুনজা অভিমুখে তাতারী হামলা

📄 কুনজা অভিমুখে তাতারী হামলা


তাতারী বাহিনী কুনজা অভিমুখে রওয়ানা হয়। কুনজাবাসী তিবরিযবাসীর আদর্শ গ্রহণ করে এবং তাতারীরা তাদের সঙ্গে তা-ই করল, যা করেছিল তিবরিযবাসীর সঙ্গে। কুনজাবাসী জিহাদের ঘোষণা দেয় এবং যথাসাধ্য প্রস্তুতি গ্রহণ করে। ফলে একজন তাতারীও কুনজা শহরে প্রবেশ করেনি। এ শহর ছেড়ে অন্যত্র পলায়ন করে।

এটি কোনো আকস্মিক ঘটনা ছিল না। যেই দেশ জিহাদের পতাকা হাতে তুলে নেয় এবং জিহাদের প্রস্তুতি গ্রহণ করে, তাতারী বাহিনী তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে ভয় পায়। এটা কোনো আকস্মিক ঘটনা ছিল না। এটি আল্লাহর অমোঘনীতি। যদি প্রত্যেক শহরবাসী এ কাজ করত, শুধু তাতারী নয়, বরং কেউই মুসলিম ভূখণ্ডের ওপর অপবিত্র পা ফেলার দুঃসাহস পেত না।

মুসলমানগণ বছরের পর বছর এই দেশগুলোকে শত্রুর আক্রমণ থেকে সুরক্ষিত রেখেছিল। সংখ্যাধিক্যের বলে নয়, অন্যের সঙ্গে সন্ধিচুক্তি করে নয়, বরং তারা এই ভূখণ্ডগুলোকে সংরক্ষিত রেখেছিল একনিষ্ঠ জিহাদ, পবিত্র রক্ত ও ইখলাছপূর্ণ পবিত্রাত্মার বিনিময়ে। আল্লাহর রীতি-নীতিতে কোনো পরিবর্তন ঘটে না; পরিবর্তন ঘটে বান্দার রীতিতে, বান্দার আমলে। আল্লাহ তা'আলা কারও প্রতি সামান্য জুলুম করেন না। কিন্তু মানুষ নিজেরাই নিজেদের প্রতি জুলুম করে।

📘 তাতারীদের ইতিহাস > 📄 দাগিস্তান ও শিশান আক্রমণ

📄 দাগিস্তান ও শিশান আক্রমণ


দাগিস্তান ও শিশান দেশ দুটি আযারবাইজানের উত্তরে কাযবিন সমুদ্রতীরে অবস্থিত। বর্তমানে দেশ দুটি রাশিয়া মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত। আমরা আল্লাহর কাছে দেশ দুটির পূর্ণ স্বাধীনতা কামনা করছি। তাতারীরা স্বভাব অনুযায়ী দেশ দুটিকে তছনছ করে দিয়েছিল। রাস্তায় যাদের পেয়েছিল, অধিকাংশকে হত্যা করেছিল।

📘 তাতারীদের ইতিহাস > 📄 রাশিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে আক্রমণ

📄 রাশিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে আক্রমণ


তাতারীরা উত্তর প্রান্তে ক্রমশ ধাবিত হচ্ছে। শিশান ধ্বংসের পর তারা রাশিয়ার ভোলগা নদীর তীরে পৌঁছে। তারা নির্বিচারে এসব অঞ্চলের অধিবাসীদের হত্যা করতে থাকে। তারা সবাই ছিল খ্রিস্টান। এমন দুর্বিপাকের মাঝেই ৬১৮ হিজরী শেষ হয়। ইতিমধ্যে বর্বর তাতারী বাহিনী রাশিয়া ভূখণ্ড পর্যন্ত পৌঁছে যায়। চীনের পূর্ব ও রাশিয়ার পশ্চিম প্রান্ত তাতারীদের চারণভূমিতে পরিণত হয়।

📘 তাতারীদের ইতিহাস > 📄 ৬১৯ হিজরীতে তাতারীদের অবস্থান

📄 ৬১৯ হিজরীতে তাতারীদের অবস্থান


এ বছর তাতারীরা রাশিয়া ভূখণ্ডে তাদের অভিযান চালায়। চীন ও ইরাকজোড়া সুবিশাল মুসলিম ভূখণ্ডে তারা প্রভাব বিস্তারে মরিয়া হয়ে ওঠে। ৬১৯ হিজরীতে তারা সে সকল অঞ্চলে রাজত্ব বিস্তার করেছিল বর্তমান বিশ্বমানচিত্রে সে সব অঞ্চলের তালিকা নিম্নরূপ-
১. কাজাখস্তান
২. কিরগিস্তান
৩. তাজিকিস্তান
৪. তুরমেনিস্তান
৫. উজবেকিস্তান
৬. পাকিস্তান (কিরমান অঞ্চল ব্যতীত)
৭. আফগানিস্তান
৮. ইরানের বৃহদাংশ (ইরাকসংলগ্ন ইরানের পশ্চিম সীমান্ত এলাকা ও ইসমাঈলিয়া অঞ্চল ব্যতীত)
৯. আযারবাইজান।
১০. আরমেনিয়া
১১. জুর্জিয়া
১২. রাশিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00