📘 তাতারীদের ইতিহাস > 📄 ৩. মারওয়ার বিপর্যয়

📄 ৩. মারওয়ার বিপর্যয়


মারওয়া সে সময়ের বিশ্ববিখ্যাত শহর। বর্তমানে শহরটি তুর্কমেনিস্তানে অবস্থিত। বলখ থেকে আনুমানিক ৪৫০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত। শহরটি দখলের জন্য বিপুলসংখ্যক তাতারী বাহিনী গমন করে। নেতৃত্ব দেয় চেঙ্গিজ খানের কতিপয় সন্তান। এ আক্রমণেও তাতারীরা বলখবাসী মুসলমানদের কাজে লাগায়। বিপুলসংখ্যক ভয়ংকর তাতারী বাহিনীও যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়। তাদের সংখ্যার সঠিক পরিমাণ ইতিহাসে পাওয়া যায় না। তবে একথা অনস্বীকার্য যে, লক্ষ লক্ষ মুসলমানদের বিপরীতে তারা অতি নগণ্যই ছিল। আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলের মুসলমানগণ ব্যতীতই তারা ছিল লক্ষ লক্ষ। তাতারী বাহিনী মারওয়া শহরের প্রধান ফটকে পৌঁছতেই শহরের বাইরে দুই লাখ মুসলিমকে সঙ্ঘবদ্ধ দেখতে পায়। দুই লক্ষ সৈন্য সে যুগ অনুযায়ী ছিল বিশাল সৈন্যবহর। মারওয়ার প্রধান ফটকে দুই পক্ষের মাঝে ভয়ংকর যুদ্ধ সংঘটিত হয়। মুসলমানদের ওপর আবর্তিত হয় এক মহা বিপর্যয়। তাতারীরা মুসলিম সেনাপতিদের নির্দয়ভাবে জবাই করে এবং অবশিষ্টদের বন্দী করে ফেলে। অতি অল্পসংখ্যক মুসলমান রেহাই পায়। ধন-সম্পত্তি, বাহনজন্তু, অস্ত্র-শস্ত্র; সবকিছুই লুট করে। ঐতিহাসিক ইবনে আছীর রহ. সেই যুদ্ধের বিভীষিকাময় করুণ পরিস্থিতির বিবরণ দিতে গিয়ে বলেন—

"বর্বর তাতারী বাহিনী তাদের নিকট পৌঁছলে মুসলমানগণ মুখোমুখি যুদ্ধে লিপ্ত হন। মুসলমানগণ ধৈর্যধারণ করেন। আর তাতারীরা তো পরাজয় কাকে বলে তা জানে না।"

কোনো সৈন্যদল যদি এই বিশ্বাস রেখে শত্রুপক্ষের মোকাবেলা করে যে, শত্রুবাহিনী অপরাজেয়, তারা পরাজিত হবে না, কেমন হবে তাদের মনোবল? কেমন হবে তাদের দৃঢ়তা?

যুদ্ধে মুসলিম বাহিনীর তিক্ত পরাজয় ঘটে। তাতারী বাহিনীর জন্য মারওয়া শহরের দরজা উন্মুক্ত হয়। সেখানে সাত লক্ষ মুসলমান নারী-পুরুষ ও শিশু বসবাস করত। সুবিশাল শহরটিকে তাতারীরা অবরোধ করে ফেলে। চোখের সামনে সৈন্যবাহিনীর অমানবিক ধ্বংস দেখে মারওয়াবাসীর অন্তরে তাতারীত্রাস ছড়িয়ে পড়ে। তবুও তারা চারদিন পর্যন্ত প্রধান ফটক বন্ধ রেখেছিল। পঞ্চম দিনের মাথায় (চেঙ্গিজ খানের পুত্র) তাতারী বাহিনীর সেনাপতি মারওয়া-প্রধানের কাছে এই মর্মে চিঠি প্রেরণ করে—

"নিজেকে ও শহরবাসীকে ধ্বংস কোরো না। আমাদের সামনে বের হয়ে এসো। আমরা তোমাকে এই শহরের আমীর নিযুক্ত করে চলে যাব।”

মারওয়ার সেনাপতি তাতারী সেনাপতির কথাকে বিশ্বাস করল অথবা বিশ্বাসের নামে নিজেকে ধোঁকা দিল। সে তাতারী সেনাপতির কাছে বের হয়ে আসল। তাতারীরা তাকে উষ্ণ সংবর্ধনা জানাল। সম্মান প্রদর্শনপূর্বক তাকে নৈকট্যশীল বানিয়ে নিল। এরপর এই বলে তাদের দুরভিসন্ধি প্রকাশ করল যে, 'তুমি তোমার সাথী, আত্মীয় ও গোত্রপ্রধানদের বের করে নিয়ে এসো। যাকে আমরা খেদমতের যোগ্য মনে করব, তাকে আমরা আমাদের সঙ্গে রেখে দেব। বিনিময়ে তাকে আকর্ষণীয় উপঢৌকন ও নির্ধারিত ভাতা প্রদান করব।' ধোঁকাগ্রস্ত আমীর তাতারী সেনাপতির কথায় প্রলুব্ধ হয়ে তার সহযোগী, বড় বড় আমীর ও সৈন্যবাহিনীর নিকট এই মর্মে বার্তা পাঠায় যে, তারা যেন চেঙ্গিজ খানের পুত্রের সঙ্গে আয়োজিত একটি গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায় উপস্থিত হয়। এই সংবাদ পেয়ে একটি বিরাট দল বের হয়ে আসে। তাতারীরা তাদের হাতের মোয়ার মতো কাছে পেয়ে সবাইকে রশি দিয়ে বেঁধে ফেলে।

অতঃপর তাদের দুটি দীর্ঘ তালিকা তৈরি করার নির্দেশ দেয়—
এক. মারওয়া শহরের বড় বড় ব্যবসায়ী ও ধনবানদের তালিকা।
দুই. পেশাজীবী ও ইঞ্জিনিয়ারদের তালিকা।

এরপর চেঙ্গিজ খানের পুত্র তাতারীদের গোটা শহরবাসীকে একত্রিত করার নির্দেশ দেয়। তাদের প্রবলপ্রতাপে শহরের সকলেই বের হয়ে আসে। এমনকি আক্ষরিক অর্থে শহরের কেউই অবশিষ্ট ছিল না। অতঃপর স্বর্ণনির্মিত একটি চেয়ার আনা হয়। চেঙ্গিজ খানের পুত্র সেই চেয়ারে বসে তাতারী বাহিনীকে নিম্নবর্ণিত নির্দেশ প্রদান করে—

এক. শহরের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ সেনাপতি ও আমীর সাহেবকে এনে জনসাধারণের সামনে হত্যা করা হোক!! বাস্তবেই তারা বিশাল বাহিনীকে উপস্থিত করে এক এক করে সবাইকে হত্যা করল! সাধারণ লোকেরা তাকিয়ে তাকিয়ে এই হত্যাযজ্ঞ দেখছিল আর কাঁদছিল।

দুই. প্রকৌশলী ও পেশাজীবীদের বের করে মঙ্গোলিয়ায় প্রেরণ করা হোক। যাতে তারা তাদের মাধ্যমে উপকৃত হতে পারে।

তিন. সম্পদশালীদের বের করে শাস্তি প্রদান করা হোক। যাতে তারা তাদের সব ধন-সম্পত্তির সন্ধান দেয়। তাতারী বাহিনী তা-ই করল। তাদের অনেকেই বেত্রাঘাতে নিহত হলো; কিন্তু মুক্তিপণ দেওয়ার মতো কিছুই পেল না।

চার. শহরে প্রবেশ করে প্রত্যেক বাড়ি থেকে তন্ন তন্ন করে আসবাবপত্র ও মালামাল বের করা হোক। এই হুকুম তামিলে তারা স্বর্ণ-রুপা পাবে, এই আশায় বাদশা সাঞ্জারের কবর পর্যন্ত খনন করেছিল। তিনদিন পর্যন্ত হন্যে হয়ে তারা ধন-সম্পদ খুঁজতে থাকে।

পাঁচ. পঞ্চম বিষয়টি ছিল সবচেয়ে ভয়ংকর। চেঙ্গিজ খানের পুত্র শহরবাসী সবাইকে হত্যা করার নির্দেশ দিয়েছিল!! ...!!

এই নির্দেশ পেয়ে বর্বর তাতারী বাহিনী মারওয়ার সকল অধিবাসীকে নির্মমভাবে হত্যা শুরু করে। নারী-পুরুষ, শিশু-বাচ্চা নির্বিশচারে সবাইকে হত্যা করে। তারা বলেছিল, মারওয়া শহরবাসী আমাদের অবাধ্য হয়েছে। আমাদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে। যারা আমাদের বিরুদ্ধে দাঁড়ায় তাদের শেষ পরিণতি এমনই হয়। ইবনে আছীর রহ. বলেন—

"শহরবাসীর সবাইকে হত্যা করার পর চেঙ্গিজ খানের পুত্র তাতারী বাহিনীকে নিহতের সংখ্যা গণনার নির্দেশ দেয়। তাদের গণনার হিসাব দাঁড়িয়েছিল সাত লক্ষ। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন!!

মারওয়া শহরের সাত লাখ মুসলিম নারী-পুরুষকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল। এটি কোনো কল্পনার বিষয় নয়, স্বপ্নলোকের কথা নয়—এটি সত্য! মহা সত্য!! আদম সৃষ্টির পর থেকে আজ অবধি কাছের দূরের কোনো সময়েই মানবজাতির ওপর এমন নির্মম হত্যাকাণ্ড দ্বিতীয় আর ঘটেনি। লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ!

মারওয়া নগরী ধ্বংসস্তূপে পরিণত হলো। ইতিহাসের পাতা থেকে তার আলোচনা চিরতরে মুছে গেল।

📘 তাতারীদের ইতিহাস > 📄 ৪. নিশাপুর আক্রমণ

📄 ৪. নিশাপুর আক্রমণ


খোরাসান সাম্রাজ্যের আরেকটি বড় শহর হলো নিশাপুর। (বর্তমানে তা ইরানের উত্তর-পূর্ব কোণে অবস্থিত) মারওয়া শহর ধ্বংসস্তূপে পরিণত করার পর তাতারী বাহিনী নিশাপুর আক্রমণের জন্য অগ্রসর হয়েছিল। পাঁচদিন পর্যন্ত তারা নিশাপুর শহর অবরোধ করে রেখেছিল। এ সত্ত্বেও শহরবাসী দৃঢ় মনোবলে সঙ্ঘবদ্ধ অবস্থান করেছিল। তবে মারওয়া বিপর্যয়ের সংবাদ নিশাপুরে পৌঁছেছিল বিধায় তাদের অন্তরে তাতারীভীতি বিস্তার লাভ করেছিল। তাতারী বাহিনীর মোকাবেলা করার মতো শক্তি-সামর্থ্য তাদের ছিল না। তারা সকল শহরবাসীকে মরুভূমিতে এনে দাঁড় করায়। এমন সময় জনৈক ব্যক্তি এসে চেঙ্গিজ খানের পুত্রকে সংবাদ প্রদান করে, মারওয়ার কতিপয় অধিবাসীর প্রাণরক্ষা পেয়েছে। অর্থাৎ তারা তাদের তলোয়ারের আঘাত করেছিল বটে তবে নিহত ধারণায় তাদের ছেড়ে দিয়েছিল। কিন্তু মূলত তারা নিহত হয়নি। এ সংবাদ পেয়ে চেঙ্গিজ খানের পুত্র নিশাপুরের সকল পুরুষকে হত্যার নির্দেশ প্রদান করে এবং মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার জন্য ধড় থেকে মাথা ছিন্ন করার নির্দেশ দেয়। এরপর অভিশপ্ত চেঙ্গিজ খানের পুত্র মুসলিম নারীদের বন্দী করে। তাতারীরা দীর্ঘ পনেরো দিন নিশাপুরের ধন-সম্পত্তি হন্যে হয়ে খোঁজে। এরপর তারা নিশাপুর ত্যাগ করে। লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।

📘 তাতারীদের ইতিহাস > 📄 ৫. হেরাত আক্রমণ

📄 ৫. হেরাত আক্রমণ


মুসলিম সাম্রাজ্যের সুরক্ষিত শহরগুলোর অন্যতম হলো হেরাত শহর। এটি মারওয়ার মতই বৃহৎ শহর ছিল। তা আফগানিস্তানের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত। চেঙ্গিজ খানের পুত্র হেরাত নগরীর দিকে কুদৃষ্টি নিক্ষেপ করে। এই শহরটিও সেই নিকৃষ্ট পরিণতি থেকে রেহাই পায়নি, যেই পরিণতির শিকার হয়েছিল মারওয়া ও নিশাপুর। সেখানকার সকল পুরুষ নিহত হয়। নারীরা বন্দী হয়। গোটা শহর বিরানভূমিতে পরিণত হয়। যদিও তৎকালীন সে অঞ্চলের রাজা 'মালিক খান' একদল সৈন্য নিয়ে আফগানিস্তানের দক্ষিণে অবস্থিত গজনী অভিমুখে পালিয়ে প্রাণে বাঁচে। তৎকালীন সকল মুসলিম রাজা বাদশা আত্মরক্ষামূলক পলায়নপরতার ব্যাপারে একমত ছিল, যখন তাদের প্রজাদের জীবন বর্বর তাতারী বাহিনীর হাতে নির্মমভাবে বলি হতো। এমনই ছিল তাদের চরিত্র-সুষমা!!

হেরাত পতনের মধ্য দিয়ে খোরাসান সাম্রাজ্যের শেষ ভূখণ্ডও তাতারীদের হাতে পরাজিত হয়। একটি শহরও তাতারী আগ্রাসনের সর্বনাশা থাবা থেকে রক্ষা পায় না। এ সকল দুর্যোগ ও বিপর্যয় মাত্র এক বছরেই সংঘটিত হয়। সেটি হলো ৬১৭ হিজরী। এটি ভূপৃষ্ঠে সংঘটিত আশ্চর্য ঘটনাবলির অন্যতম!!

📘 তাতারীদের ইতিহাস > 📄 খাওয়ারেষম আক্রমণ

📄 খাওয়ারেষম আক্রমণ


খাওয়ারেযম ছিল মুসলিম সম্রাট মুহাম্মদ ইবনে খাওয়ারেষম শাহের প্রধান কার্যালয়। সেখানে হাজার হাজার মুসলমানদের সমাগম হতো। প্রতিরক্ষা ও সুরক্ষার বিবেচনায় সেখানকার দুর্গগুলো ছিল পৃথিবী-বিখ্যাত। বর্তমানে খাওয়ারেষম সাম্রাজ্য উজবেকিস্তান ও তুর্কমেনিস্তানের সীমান্তসীমা এবং জাইহুন নদীর গা ঘেঁষে অবস্থিত। অর্থনীতি, রণকৌশল ও আধুনিক রাজনীতির বিবেচনায় খাওয়ারেষম ছিল মুসলিম জাতির আদর্শ শহর।

সার্বিক দিক বিবেচনায় পৃথিবীর অন্যতম প্রধান শহর হওয়ার কারণে চেঙ্গিজ খান তার প্রধান ও শক্তিশালী দলটিকে খাওয়ারেষম আক্রমণ করার জন্য পাঠায়। তাতারী বাহিনী দীর্ঘ পাঁচ মাসব্যাপী শহরটি অবরোধ করে রাখে। তবুও তারা শহরে প্রবেশ করতে পারে না। অপারগতাবশত তারা চেঙ্গিজ খানের কাছে অতিরিক্ত সহযোগিতা কামনা করে। চেঙ্গিজ খান বিপুলসংখ্যক 'বাহিনী' দিয়ে তাদের সহযোগিতা প্রদান করে।

সঙ্ঘবদ্ধভাবে শহরে প্রবেশের অব্যাহত চেষ্টা করতে থাকে। বিভিন্ন স্থানে প্রাচীর ধ্বংসের চেষ্টা করে। অবশেষে তারা একটি সুড়ঙ্গপথ খুঁজে পায়। সে পথ দিয়ে তারা শহরে প্রবেশ করে। শুরু হলো মুসলমান ও তাতারী বাহিনীর মাঝে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ। উভয় দলের বহুসংখ্যক সৈন্য নিহত হয়। তবে ময়দানে তাতারীরাই প্রভাব বিস্তার করে রেখেছিল। হঠাৎ তাতারীদের নতুন এক বাহিনী শহরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। এতেই মুসলমানদের পরাজয় নেমে আসে। নির্বিচারে মুসলিম-নিধন শুরু হয়। মুসলমানগণ পালাতে শুরু করে। অলি-গলিতে, গর্ত-খন্দকে, ঘর-বাড়িতে আত্মগোপন করতে শুরু করে। আহ! বর্বর তাতারী বাহিনী!! মুসলমানদের সমূলে ধ্বংস করার জন্য কী জঘন্য পন্থা অবলম্বন করল?!

জাইহুন নদীর পানি আটকে রাখার জন্য একটি বিশাল বাঁধ নির্মিত ছিল। তাতারীরা সেই বাঁধ ভেঙে দেয়। এতে গোটা খাওয়ারেষম শহর পানিতে তলিয়ে যায়। বাঁধভাঙা স্রোত ঘর-বাড়ি, খাল-বিল, গর্ত-খন্দক, সর্বত্র পৌঁছে যায়। তুফান স্রোতে ঘর-বাড়ি ভেসে যায়। শহরবাসীর একজনও প্রাণে রক্ষা পায় না। ঘটনাচক্রে কেউ যুদ্ধে প্রাণ রক্ষা পেলেও বাঁধ ভেঙে কিংবা পানিতে ডুবে মারা যায়। সুবিশাল সাম্রাজ্য বিরানভূমিতে পরিণত হয়। পরবর্তী সময় দর্শনার্থী সেই এলাকা পরিদর্শন করলে কোনো জীব-জন্তুর চিহ্ন খুঁজে পেত না। এমন সর্বনাশা দুর্যোগ পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। হয়তোবা নূহ আ. এর সম্প্রদায়ের ওপর এমন ব্যাপক প্লাবন এসেছিল। বিজয়ের পর পরাজয় ও সম্মানের পর বেইজ্জতি হতে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।

৬১৭ হিজরীতেই এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল!!

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00