📘 তাতারীদের ইতিহাস > 📄 কোন অবস্থার মৃত্যু সম্মানজনক

📄 কোন অবস্থার মৃত্যু সম্মানজনক


বন্ধুরা, বলুন তো, কোন অবস্থার মৃত্যু সম্মানজনক? সমুদ্রপৃষ্ঠের উপত্যকায় অপমানিত অবস্থায় মুসলিম সম্রাটের মৃত্যুবরণ, নাকি জিহাদের ময়দানে প্রশান্ত মনে মাথা উঁচিয়ে মৃত্যুবরণ সম্মানজনক?! অগ্রবর্তী অবস্থায় নাকি পশ্চাৎপদ অবস্থায় মৃত্যুবরণ সম্মানজনক? পলায়নপর অবস্থার নাকি শহীদের অমীয় সুধা পান করা অবস্থার মৃত্যুবরণ উত্তম?

মানুষ নিজের মৃত্যুক্ষণ নির্ধারণ করতে পারে না। তবে মৃত্যুপদ্ধতি নির্ধারণ করতে পারে। কোনো বীর বাহাদুর হায়াত হ্রাস করতে পারে না, যেমন কাপুরুষতা ও পলায়নপরতা হায়াত বৃদ্ধি করতে পারে না। যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় মুজাহিদ হয়ে বেঁচে থাকে, সে আল্লাহর রাস্তায় মুজাহিদ অবস্থায় ইন্তেকাল করে। যদিও তার মৃত্যু হয় নিজ বিছানার ওপর।

ইমাম মুসলিম রহ. হযরত সাহল ইবনে হুনাইফ রা. এর সূত্রে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন—

"যে ব্যক্তি হৃদয়ের গভীর থেকে শাহাদাত কামনা করে। আল্লাহ তা'আলা তাকে শহীদদের মর্যাদা দান করবেন। যদিও সে নিজ বিছানার শোয়া অবস্থায় ইন্তেকাল করে।”

ইবনে আছীর রহ. মুহাম্মদ ইবনে খাওয়ারেষম শাহের ব্যক্তিগত জীবন আলোচনা করতে গিয়ে কিছু অদ্ভুত বিষয়ের অবতারণা করেছেন। তার গুণাবলি পাঠ করলে আপনার মনে হবে আপনি যেন বিখ্যাত কোনো মুসলিম মনীষীর সামনে দাঁড়িয়ে আছেন। পক্ষান্তরে যখন তাঁর জীবনের শেষ মুহূর্তে তার পলায়নপরতা এবং কাপুরুষতা নিয়ে আলোচনা করবেন, তখন সম্পূর্ণ ভিন্নরূপ ফুটে উঠবে।

ইবনে আছীর রহ. তার জীবনী আলোচনা করতে গিয়ে বলেন—

"তাঁর রাজত্বকাল ছিল প্রায় একুশ বছর কয়েক মাস। তা সুবিশাল বিস্তৃতি লাভ করেছিল। গোটা বিশ্ব তার অনুগত হয়েছিল। ইরাক থেকে তুরকিস্তান, আফগানিস্তান, হিন্দুস্তানের কিছু প্রদেশ, সিজিস্তান, পাকিস্তান, তবারিস্তান, জুরজান, খোরাসান এবং পারস্যের কিছু এলাকা পর্যন্ত তাঁর রাজত্ব বিস্তৃত ছিল।”

ইবনে আছীর রহ. এর উল্লেখিত বক্তব্য থেকে একথা সুস্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয় যে, তিনি নিজ রাজত্ব ও মহিমায় ছিলেন সুমহান ব্যক্তিত্ব। এখান থেকে তাঁর রাজ্য পরিচালনার দক্ষতা ও বিচক্ষণতার বিষয়টিই প্রতিভাত হয়। এমনকি ইবনে আছীর রহ. বলেন—

"তিনি কষ্ট-ক্লেশে পাহাড়সম ধৈর্যশীল ছিলেন। প্রচুর সফর করতেন। আয়েষী বা বিলাসী ছিলেন না। সর্বদা তিনি রাজ্য পরিচালনা ও রক্ষা এবং প্রজাদের জান-মাল হেফাজতের বিষয়ে ব্যস্ত থাকতেন।" এবং তার ইলমী জীবন পর্যালোচনা করতে গিয়ে তিনি বলেন—

"তিনি ছিলেন মহৎ আলেম। উলামায়ে কেরামকে যথার্থ সম্মান করতেন। তাদের ভালোবাসতেন। তাদের প্রতি সদাচরণ করতেন। তার দরবারে উলামায়ে কেরামের মজলিস ও মুনাজারা (তর্ক-বিতর্ক) অনুষ্ঠান প্রচুর পরিমাণে আয়োজিত হতো। তিনি দ্বীনদার লোকদের খুব সম্মান করতেন। নিজে তাদের কাছে যেতেন এবং তাদের সাহচর্যে বরকত লাভ করতেন।"

মুহাম্মদ ইবনে খাওয়ারেষম শাহের উল্লেখিত গুণাবলি পাঠকমহলকে ধাঁধায় ফেলে দেয় যে, এমন উত্তম গুণাবলির অধিকারী হওয়া সত্ত্বেও এরূপ নিকৃষ্ট পরাজয়ের শিকার কেন হলেন? কী করে? কেন তিনি তাতারী বাহিনীকে প্রতিহত করার জন্য সুবিশাল বিস্তৃত রাজ্যের প্রদেশগুলোর সহযোগিতা পেলেন না? ফলে এই নিকৃষ্ট সমাপ্তির শিকার হলেন?!

আমিও বিষয়টি নিয়ে দ্বিধাগ্রস্ত ছিলাম। এর সঠিক কারণ অনুসন্ধান করছিলাম। বহু খোঁজাখুঁজির পর অন্য এক জায়গায় ইবনে আছীর রহ.-এর লিখিত এক বক্তব্য খুঁজে পেলাম। তার এই বক্তব্যে মুহাম্মদ ইবনে খাওয়ারেষম শাহের পরাজয় ও সহযোগিতা না পাওয়ার কারণ ফুটে উঠেছে। ইবনে আছীর রহ. বলেন—

“মুহাম্মদ ইবনে খাওয়ারেষম শাহ সাম্রাজ্যের প্রত্যেকটি প্রদেশের ওপর প্রভাব বিস্তার করেছিলেন। রাজা-বাদশাদের হত্যা করেছিলেন। সাম্রাজ্যের একনায়করূপে তিনিই অবশিষ্ট ছিলেন। ফলে তাতারী হামলার সময় তাঁর পাশে দাঁড়ানোর মতো কিংবা তাঁকে সাহায্য করার মতো কেউই বেঁচে ছিল না।”

উল্লেখিত বক্তব্য তৎকালীন মুসলিম জাতির ব্যাপক অধঃপতনের সুস্পষ্ট বিবরণ তুলে ধরছে। একথা চিরসত্য যে, ব্যক্তিগত জীবন ও রাজ্য পরিচালনায় মুহাম্মদ ইবনে খাওয়ারেষম শাহ ছিলেন দক্ষ ও বিচক্ষণ সম্রাট। তবে তিনি পার্শ্ববর্তী মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে যাবতীয় সম্পর্ক ছিন্ন করেছিলেন। তাদের প্রতি কখনোই সহযোগিতার হাত সম্প্রসারিত করেননি; বরং বিপরীতে একের পর এক সবাইকে হত্যা করেছেন। রাজাদের হত্যা করে তিনি সেসব রাজ্য নিজের দখলে নিয়ে নিতেন। নিঃসন্দেহে তাঁর এই কূটকৌশল এসব অঞ্চলের প্রজাদের ভেতরে চাপা ক্ষোভ সৃষ্টি করেছিল। এক্ষেত্রে তিনি প্রজ্ঞা ও বিচক্ষণতার পরিচয় দিতে ব্যর্থ হয়েছেন। পক্ষান্তরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর জীবনচরিত্রের দিকে দেখুন, তিনি কোনো অঞ্চল নিজের করলে পূর্বেকার রাজাকে সেই রাজ্য পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করতেন। তাদের ঘরবাড়ি অক্ষত রাখতেন। এতে মুসলিম রাজ্যের পরিধি বিস্তৃতি লাভ করার পাশাপাশি মানুষের ভালোবাসা অর্জিত হতো।

এই ছিল সুবিশাল বিস্তৃত রাজ্যের সম্রাট, প্রতাপপ্রবল বিপুল সৈন্যের সেনাপতি মুহাম্মদ ইবনে খাওয়ারেষম শাহের অধঃপতনের মূল রহস্য। যার শেষ পরিণতি হয়েছিল পলায়নপর অবস্থায় সমুদ্রপৃষ্ঠে নির্জন দ্বীপে একাকী অনাহারে মৃত্যু!!

টিকাঃ
১৯. সুরা নিসা: ৭৮।
২০. মুসলিম: ১৯০৯।

📘 তাতারীদের ইতিহাস > 📄 পারস্য আক্রমণ

📄 পারস্য আক্রমণ


বিশ হাজার তাতারী বাহিনীর ক্ষুদ্র দল চেঙ্গিজ খানের প্রধান ঘাঁটি সমরকন্দ থেকে ৬৫০ কিলোমিটারেরও দূরে অবস্থান করছিল। এই দূরত্ব নির্ধারিত হয়েছে মহাসড়কের হিসাব অনুযায়ী। যদি আপনি সে অঞ্চলে পাহাড়ি পথের দূরত্ব কিংবা নদীপথের হিসাব করেন, তাহলে তা বহু গুণে বৃদ্ধি পাবে। উপরন্তু তাতারী বাহিনী অত্র অঞ্চলের অধিবাসী ছিল না। তারা এ অঞ্চলের পথ-ঘাট, গিরিপথ ও অলিগলিও চিনত না। আপনি যদি উক্ত বিষয়গুলোর আলোকে বিবেচনা করেন, তাহলে দেখবেন, বাহ্যত তাতারী বাহিনীর বড় বিপর্যয়ের মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল, যে বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠা বড় দুরূহ ব্যাপার ছিল। কারণ, সংখ্যায় তারা খুব বেশি ছিল না। তারা ছিল মাত্র বিশ হাজার। সুতরাং—
১. সৈন্য স্বল্পতা।
২. নিজ এলাকা থেকে ৬৫০ কিলোমিটারের দূরত্ব।
৩. পথ-ঘাট অপরিচিত ইত্যাদি বিষয়াদি বিবেচনায় বলা যায়, তাতারী বাহিনী ধ্বংস হবে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। যদি মুসলিম সৈন্যরা তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াত যারা সংখ্যায় কয়েক মিলিয়ন ছিল, তাহলে তাতারীরা কোনোভাবেই বিজয় লাভ করতে পারত না।

এটি ছিল খাতা-কলমের ফলাফল। কিন্তু পরবর্তী সময় কী ঘটেছে?!

আমরা প্রত্যক্ষ করেছি আশ্চর্যজনক লাঞ্ছনা, অবক্ষয় ও অধঃপতন!!

মুসলমানদের অন্তর কাপুরুষতার কালো ছায়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছিল। নিকৃষ্ট দুনিয়ার অর্থহীন মোহে তারা মত্ত ছিল। ঘরের চার দেয়ালের ভেতর ক্ষুদ্র তাতারী বাহিনীর হাতে অকাল মৃত্যুবরণ করার অপেক্ষায় তারা দিন গুনছিল।

পার্থিব মোহ ও দুনিয়া প্রীতিতে তাদের অন্তর মোহাপিষ্ট ছিল। মুসলমানরা আল্লাহর পথে শাহাদাতবরণকে অপছন্দ করতে শুরু করেছিল। ফলে তারা নদীর স্রোতে ভাসমান খড়কুটার মতো হয়েছিল। স্রোতের আবহে তারা গা হেলিয়ে দিত। স্রোত যেদিকে মোড় নিত, তারাও সেদিকে মোড় নিত। তাদের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি, লক্ষ্য-উদ্দেশ্য বলতে কিছুই ছিল না। আল্লাহ তা'আলা তাতারী বাহিনীর অন্তর থেকে মুসলমানদের ভয়ভীতি দূর করে দিয়েছিলেন। ফলে ক্ষুদ্র তাতারী বাহিনী মুসলমানদের বিশাল বাহিনী দেখে ভীতিবিহ্বল হয়ে পশ্চাদ্গমন করেনি। অন্য দিকে মুসলমানদের অন্তরে কাপুরুষতা, মনোবলহীনতা ও দুর্বলতা ঢেলে দিয়েছিলেন। ফলে একশজন মুসলিম সৈন্য একজন সাধারণ তাতারী সৈন্যের সামনে পা শক্ত করে দাঁড়াতে পারেনি। লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।

টিকাঃ
২১. সুরা সাফ: ৪।
২২. নাসায়ী: ৮৪৭, মুসনাদে আহমদ: ২৭৫১৪।

📘 তাতারীদের ইতিহাস > 📄 তাতারীদের বিশেষ ফোর্স কী পদক্ষেপ গ্রহণ করল?

📄 তাতারীদের বিশেষ ফোর্স কী পদক্ষেপ গ্রহণ করল?


সম্রাট মুহাম্মদ ইবনে খাওয়ারেষম শাহকে ধরতে না পেরে তাতারী বাহিনী কাযবীন সমুদ্রতীর থেকে প্রত্যাবর্তন করে ইরানের মাঝের প্রদেশটি দখল করে ফেলল। অথচ তৎকালীন মুসলিমবিশ্বের সবচেয়ে সুরক্ষিত অঞ্চল ছিল মাজিন্দারান। তাতে ছিল বহু শক্তিশালী দুর্গ। এটি সে সময় মুসলিম দেশসমূহের মাঝে সবচেয়ে শক্তিধর বিবেচিত হতো। এমনকি খলিফা ওমর ইবনুল খাত্তাব রা. এর যুগে মুসলমানগণ ইরাক থেকে খোরাসান পর্যন্ত সুবিশাল ভূখণ্ড দখল করলেও মাজিন্দারান প্রদেশে প্রবেশ করতে পারেনি। সবশেষে বিখ্যাত উমাইয়া খলিফা সুলাইমান ইবনে আবদুল মালেক রহ. এর যুগে মুসলমানগণ তা জয় করেন। অথচ তাতারী বাহিনী তা খুব সহজে অতিদ্রুত দখল করে ফেলে। তাতারীরা তা শক্তিবলে দখল করেছে, বিষয়টি এমন নয়; বরং মুসলমানদের মনোবলহীনতার সুযোগে তারা তা দখল করেছিল। অঞ্চলটি দখল করার পর ছিনতাই, হত্যা, বন্দী, শাস্তি প্রদান, জনপদ জ্বালিয়ে দেওয়াসহ তারা তা-ই করেছে, যা তারা অন্যান্য অঞ্চলে করেছিল।

এরপর তারা ইরানের বিখ্যাত 'রায়' নগরীর দিকে কুদৃষ্টি নিক্ষেপ করে। সুবহানাল্লাহ! মুহাম্মদ ইবনে খাওয়ারেষম শাহের মৃত্যুর পরও আল্লাহ তা'আলা তাকে লাঞ্ছিত করতে চেয়েছিলেন। মাজিন্দারান থেকে 'রায়' নগরীর দিকে ফেরার পথে পথিমধ্যে তারা সম্রাট মুহাম্মদ ইবনে খাওয়ারেষম শাহের শ্রদ্ধেয় মাতা ও তার স্ত্রীদের দেখতে পায়। তাদের সঙ্গে ছিল বিপুল পরিমাণ মূল্যবান ধন-সম্পত্তি। তারা তাদের সবাইকে বন্দী করে এবং গনিমতস্বরূপ ধন-সম্পত্তি দখল করে। তৎক্ষণাৎ তাদের ক্ষমতাসীন চেঙ্গিজ খানের কাছে পাঠিয়ে দেয়।

এরপর তাতারী বাহিনী রায়নগরীতে পৌঁছে তাও দখল করে নেয়। তাতে তারা ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চালায়। ছিনতাই করে শহরের সব মূল্যবান সম্পত্তি। শিশু বাচ্চাদের চুরি করে এবং এমনসব হীন কাজ আঞ্জাম দেয়, যা পৃথিবীর ইতিহাস কখনো শোনেনি!! এরপর তারা ইরানের শহর কাযবীনে প্রবেশ করে। যেখানে তারা চল্লিশ হাজার ঊর্ধ্ব মুসলমান হত্যা করে। লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।

টিকাঃ
২৩. আবু দাউদ: ৪২৯৬।

📘 তাতারীদের ইতিহাস > 📄 আযারবাইজান আক্রমণ

📄 আযারবাইজান আক্রমণ


কাযবিন শহর ধ্বংসস্তূপে পরিণত করার পর তাতারী বাহিনী কাযবিন সমুদ্রের পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত আযারবাইজান অভিমুখে রওনা হয়।

পথিমধ্যে তারা তিবরিয শহর গমন করে। তিবরিয সে সময়ের আযারবাইজান দেশের একটি শহর। বর্তমানে তা ইরানের উত্তরে অবস্থিত। দেশটির প্রধানমন্ত্রী উজবেক ইবনে বাহলাওয়ান (তিনি তিবরিয শহরে অবস্থান করতেন) তাতারী বাহিনীর সঙ্গে ধন-সম্পত্তি, আসবাবপত্র ও বাহন জন্তু সম্পর্কে সন্ধিচুক্তি করতে চাইলেন। মোটেও যুদ্ধে অবতীর্ণ হওয়ার চিন্তা করলেন না। কারণ, তিনি সর্বদা মদের নেশায় ডুবে থাকতেন। কখনো হুঁশ ফিরে পেতেন না!! তাতারীরা সন্ধিচুক্তি করতে সম্মত হলো। তিবরিয শহরে প্রবেশ করল না। কারণ তিবরিয হলো শীতপ্রধান অঞ্চল। উপরন্তু তখন ছিল হাড় কাঁপানো শীত। ফলে তারা কাযবিন সমুদ্রের পশ্চিম প্রান্ত অভিমুখে রওনা হলো এবং আযারবাইজানের পশ্চিমাঞ্চলসমূহে আক্রমণ শুরু করল।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00