📘 তাতারীদের ইতিহাস > 📄 ১. মুসলিম শক্তি

📄 ১. মুসলিম শক্তি


মুসলিম শক্তির রয়েছে এক সুবিশাল ইতিহাস। তবে সময়ে সময়ে এই শক্তি দুর্বলতার শিকার হয়েছে। কিন্তু অমুসলিমদের অন্তর থেকে চিরতরে কখনো মুসলিম শক্তির ভীতি দূরীভূত হয়নি। কারণ, মুসলমানদের শত্রুরা ভালভাবে জানত যে, মুসলিম জাতির সহযোগিতা লাভের উপায় ও তাদের শক্তি সঞ্চারের উপকরণ হৃদয়ের গহিনে প্রোথিত। তারা কেবল সেই মহান ব্যক্তিত্বের অভাব অনুভব করত, যিনি তাদের অভ্যন্তরীণ শক্তিকে বৃদ্ধি করবেন এবং সেই শক্তির পুনঃউন্মেষ ঘটাবেন।

📘 তাতারীদের ইতিহাস > 📄 ২. ক্রুশেড শক্তি

📄 ২. ক্রুশেড শক্তি


যদিও তদানীন্তন সময়ে ক্রুশেড বাহিনীর শক্তি দুর্বল হয়ে পড়েছিল। আর বর্তমান বিশ্বের মুসলিম শক্তি ও ক্রুশেড শক্তির মধ্যকার তুলনামূলক জ্ঞান আমার নেই, তথাপি একথা অনস্বীকার্য যে, ক্রুশেড শক্তিকে কখনো অবহেলা করা যায় না। কারণ, তাদের মাঝে তিনটি বৈশিষ্ট্য রয়েছে— ১. তাদের সংখ্যাধিক্য। ২. মুসলমানদের প্রতি চরম বিদ্বেষ। ৩. যুদ্ধে মুসলমানদের পরাভূত করার তীব্র প্রচেষ্টা। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন যথার্থ বলেছেন। তাদের বর্ণনায় আল্লাহ তা'আলা বলেন—

وَلَا يَزَالُونَ يُقَاتِلُونَكُمْ حَتَّى يَرُدُّوكُمْ عَنْ دِينِكُمْ إِنِ اسْتَطَاعُوا

"তারা (কাফেররা) ক্রমাগত তোমাদের (মুসলমানদের) সঙ্গে যুদ্ধ করতে থাকবে, এমনকি পারলে তারা তোমাদেরকে তোমাদের দ্বীন থেকে ফেরাতে চেষ্টা করবে।"১১

তৎকালীন বিশ্বে মুসলিম শক্তি ও ক্রুশেড শক্তিকে সমপর্যায়ের শক্তি মনে করা হতো。

টিকাঃ
১১ সুরা বাকারা : ২১৭।

📘 তাতারীদের ইতিহাস > 📄 ৩. তাতারী শক্তি

📄 ৩. তাতারী শক্তি


মুসলিম জাতির ওপর ওই সময় যত বিপদ ও দুর্যোগ নেমে এসেছিল, তার মধ্যে বর্বর তাতারী জাতির হামলাই ছিল সবচেয়ে ভয়াবহ ও নির্মম। তাতারী শক্তি ছিল পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে নিকৃষ্ট ও বর্বর শক্তি। ইতিহাসে এর কোনো দৃষ্টান্ত খুঁজে পাওয়া যায় না। আকস্মিক আবির্ভূত এক পরাশক্তি। অন্যের ওপর বিজয় লাভ ও প্রভাব বিস্তার করার মতো তাদের কোনো সভ্যতা, সংস্কৃতি কিংবা ধর্ম ছিল না। ফলে বর্বরতা ও পাশবিকতাই ছিল তাদের একমাত্র অবলম্বন, যার মাধ্যমে তারা অন্যের ওপর প্রভাব বিস্তার করত। বর্তমান বিশ্বের অমুসলিম শক্তি ও তৎকালীন বর্বর তাতারী শক্তির মাঝে পূর্ণ সাদৃশ্য বিদ্যমান রয়েছে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00