📘 তাসাওউফ ও আত্মশুদ্ধি আত্মশুদ্ধির গুরুত্ব, প্রয়োজনীয়তা, পথ পদ্ধতি > 📄 মাসনূন দু‘আর গুরুত্ব

📄 মাসনূন দু‘আর গুরুত্ব


প্রত্যেক জায়গায় আল্লাহ তা'আলার কাছে চাওয়ার পদ্ধতি হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এভাবে শিখিয়েছেন যে, চাওয়ার বিশেষ বিশেষ জায়গা বলে দিয়েছেন যে, এই এই জায়গায় অবশ্যই চাও। হুযূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এই বিরাট দয়ার জন্য নিজেকে কতাওবান করুন যে, তিনি দু'আ করাও শিখিয়েছেন। আরে! তুমি কি চাইবে, কিভাবে চাইবে, কোন শব্দে চাইবে, তোমার তো চাওয়ার পদ্ধতিও জানা নেই। এই চাওয়ার পদ্ধতিও আমি তোমাদেরকে বলে দিচ্ছি। এটা চাও, এভাবে চাও, এই ভাষায় চাও। এ সবকিছু হুযূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শিক্ষা দিয়েছেন। এখন আমাদের কাজ হলো এ সমস্ত দু'আ মুখস্থ করা এবং যথা সময়ে মনযোগ সহকারে এসব দু'আ করা। আমাদের কাজ মাত্র এতোটুকু। সব কাজ হুযূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম করে গেছেন। উম্মতের সামনে পাকানো রুটি দিয়ে গেছেন। এখন উম্মতের কাজ হলো রুটি উঠিয়ে গলাধঃকরণ করা।

আমাদের দ্বারা এতোটুকু কাজও হয় না। ওলামায়ে কেরাম দু'আয়ে মাছূরা এবং মাসনূন দু'আর নামে অসংখ্য কিতাব লিখে দিয়েছেন এবং তার মধ্যে এসব দু'আ একত্রিত করেছেন। যাতে প্রত্যেক মুসলিম সহজে এগুলোকে মুখস্থ করতে পারে। আগের যুগে মুসলিম পরিবারের রেওয়াজ ছিলো যখন বাচ্চারা কথা বলতে আরম্ভ করতো, তখন সর্ব প্রথম এসব দু'আ শিখানো হতো যে, বেটা বিসমিল্লাহ পড়ে খানা খাও, খানা খাওয়ার পর এই দু'আ পড়ো, বিছানায় গিয়ে এই দু'আ পড়ো, কাপড় পরে এই দু'আ পড়ো; এর ফলে এ সব কাজের জন্য ক্লাস করার প্রয়োজন পড়তো না। আর শিশুকালের স্মরণশক্তি এমন হয় যে, পাথরের উপর অঙ্কন করার মতো সারা জীবন মনে থাকে। বয়স বেড়ে গেলে মুখস্থ করা সহজ নয়। যাইহোক, এই কাজ করতে হবে। প্রত্যেক মুসলিম একে গণীমত মনে করবে। এ সমস্ত মাসনূন দু'আ লম্বা চওড়া নয়। বরং ছোট ছোট দু'আ। প্রতিদিন এসব দু'আর মধ্যে থেকে একটি করে মুখস্থ করুন। এরপর দেখুন আল্লাহ তা'আলা তাঁর কি পরিমাণ নূর এবং বরকত দান করেন। আল্লাহ তা'আলা আমাদের সকলকে সব সময় তাঁর যিকিরে মশগুল থাকার তাওফীক দান করুন। আমীন।

প্রত্যেক জায়গায় আল্লাহ তা'আলার কাছে চাওয়ার পদ্ধতি হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এভাবে শিখিয়েছেন যে, চাওয়ার বিশেষ বিশেষ জায়গা বলে দিয়েছেন যে, এই এই জায়গায় অবশ্যই চাও। হুযূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এই বিরাট দয়ার জন্য নিজেকে কতাওবান করুন যে, তিনি দু'আ করাও শিখিয়েছেন। আরে! তুমি কি চাইবে, কিভাবে চাইবে, কোন শব্দে চাইবে, তোমার তো চাওয়ার পদ্ধতিও জানা নেই। এই চাওয়ার পদ্ধতিও আমি তোমাদেরকে বলে দিচ্ছি। এটা চাও, এভাবে চাও, এই ভাষায় চাও। এ সবকিছু হুযূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শিক্ষা দিয়েছেন। এখন আমাদের কাজ হলো এ সমস্ত দু'আ মুখস্থ করা এবং যথা সময়ে মনযোগ সহকারে এসব দু'আ করা। আমাদের কাজ মাত্র এতোটুকু। সব কাজ হুযূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম করে গেছেন। উম্মতের সামনে পাকানো রুটি দিয়ে গেছেন। এখন উম্মতের কাজ হলো রুটি উঠিয়ে গলাধঃকরণ করা।

আমাদের দ্বারা এতোটুকু কাজও হয় না। ওলামায়ে কেরাম দু'আয়ে মাছূরা এবং মাসনূন দু'আর নামে অসংখ্য কিতাব লিখে দিয়েছেন এবং তার মধ্যে এসব দু'আ একত্রিত করেছেন। যাতে প্রত্যেক মুসলিম সহজে এগুলোকে মুখস্থ করতে পারে। আগের যুগে মুসলিম পরিবারের রেওয়াজ ছিলো যখন বাচ্চারা কথা বলতে আরম্ভ করতো, তখন সর্ব প্রথম এসব দু'আ শিখানো হতো যে, বেটা বিসমিল্লাহ পড়ে খানা খাও, খানা খাওয়ার পর এই দু'আ পড়ো, বিছানায় গিয়ে এই দু'আ পড়ো, কাপড় পরে এই দু'আ পড়ো; এর ফলে এ সব কাজের জন্য ক্লাস করার প্রয়োজন পড়তো না। আর শিশুকালের স্মরণশক্তি এমন হয় যে, পাথরের উপর অঙ্কন করার মতো সারা জীবন মনে থাকে। বয়স বেড়ে গেলে মুখস্থ করা সহজ নয়। যাইহোক, এই কাজ করতে হবে। প্রত্যেক মুসলিম একে গণীমত মনে করবে। এ সমস্ত মাসনূন দু'আ লম্বা চওড়া নয়। বরং ছোট ছোট দু'আ। প্রতিদিন এসব দু'আর মধ্যে থেকে একটি করে মুখস্থ করুন। এরপর দেখুন আল্লাহ তা'আলা তাঁর কি পরিমাণ নূর এবং বরকত দান করেন। আল্লাহ তা'আলা আমাদের সকলকে সব সময় তাঁর যিকিরে মশগুল থাকার তাওফীক দান করুন। আমীন।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00