📄 এটি একটি ছোট ব্যবস্থাপত্র
যদিও বাহ্যিকভাবে এটা ছোট একটা বিষয়, কারণ এটা সীমাহীন সহজ কাজ। এ জন্য আমাদের নিকট এর কোনো মূল্য নেই। কিন্তু এই ব্যবস্থাপত্রের উপর আমল করে দেখুন, আল্লাহ তা'আলার কাছে চেয়ে দেখুন। সবসময় আল্লাহ তা'আলার কাছে দু'আ চাইতে থাকুন। যে বিষয়ই সামনে আসবে, যে সমস্যাই দেখা দিবে তা আল্লাহ তা'আলার সামনে পেশ করুন, বলুন, হে আল্লাহ এ কাজ করে দিন। এটা যদি অভ্যাস করতে পারেন তাহলে কোনো মুহূর্ত আল্লাহ তা'আলার কাছে চাওয়া থেকে খালি যাবে না। যেমন সামনের দিক থেকে এক ব্যক্তি আপনার সাথে দেখা করতে আসছে, আপনি মুহূর্তের মধ্যে আল্লাহ তা'আলার দিকে রুজু হন এবং বলুন, হে আল্লাহ এ ব্যক্তি যেন ভালো খবর নিয়ে আসে, কোনো খারাপ খবর যেন না নিয়ে আসে। হে আল্লাহ এ ব্যক্তি যে কথা বলতে চায় তার ভালো ফল দান করুন। ডাক্তারের কাছে ঔষধের জন্য যাচ্ছেন তো বলুন, হে আল্লাহ ডাক্তারের অন্তরে সঠিক ব্যবস্থাপত্র ঢেলে দিন। সঠিক ঔষধ তার অন্তরে ঢেলে দিন। প্রত্যেক বিষয় আল্লাহ তা'আলার কাছে চাওয়ার অভ্যাস করুন। এটা ছোট্ট ব্যবস্থাপত্র। হযরত ডা. ছাহেব বলতেন, এই ছোট্ট ব্যবস্থার উপর আমল করে দেখো কি থেকে কি হয়ে যায়! এর কারণে মানুষ কতো উর্ধ্বে উঠে যায়!
যদিও বাহ্যিকভাবে এটা ছোট একটা বিষয়, কারণ এটা সীমাহীন সহজ কাজ। এ জন্য আমাদের নিকট এর কোনো মূল্য নেই। কিন্তু এই ব্যবস্থাপত্রের উপর আমল করে দেখুন, আল্লাহ তা'আলার কাছে চেয়ে দেখুন। সবসময় আল্লাহ তা'আলার কাছে দু'আ চাইতে থাকুন। যে বিষয়ই সামনে আসবে, যে সমস্যাই দেখা দিবে তা আল্লাহ তা'আলার সামনে পেশ করুন, বলুন, হে আল্লাহ এ কাজ করে দিন। এটা যদি অভ্যাস করতে পারেন তাহলে কোনো মুহূর্ত আল্লাহ তা'আলার কাছে চাওয়া থেকে খালি যাবে না। যেমন সামনের দিক থেকে এক ব্যক্তি আপনার সাথে দেখা করতে আসছে, আপনি মুহূর্তের মধ্যে আল্লাহ তা'আলার দিকে রুজু হন এবং বলুন, হে আল্লাহ এ ব্যক্তি যেন ভালো খবর নিয়ে আসে, কোনো খারাপ খবর যেন না নিয়ে আসে। হে আল্লাহ এ ব্যক্তি যে কথা বলতে চায় তার ভালো ফল দান করুন। ডাক্তারের কাছে ঔষধের জন্য যাচ্ছেন তো বলুন, হে আল্লাহ ডাক্তারের অন্তরে সঠিক ব্যবস্থাপত্র ঢেলে দিন। সঠিক ঔষধ তার অন্তরে ঢেলে দিন। প্রত্যেক বিষয় আল্লাহ তা'আলার কাছে চাওয়ার অভ্যাস করুন। এটা ছোট্ট ব্যবস্থাপত্র। হযরত ডা. ছাহেব বলতেন, এই ছোট্ট ব্যবস্থার উপর আমল করে দেখো কি থেকে কি হয়ে যায়! এর কারণে মানুষ কতো উর্ধ্বে উঠে যায়!
📄 যিকিরের জন্য কোনো শর্ত নেই
মাসনূন দু'আসমূহের মাধ্যমে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মূলত আমাদেরকে এই ব্যবস্থাপত্রের দিকে অগ্রসর করছেন যে, যখনই কোনো সমস্যা দেখা দিবে তখনই আল্লাহ তা'আলার কাছে চাইবে এবং দু'আ করবে। আল্লাহ তা'আলা চাওয়াকে এবং প্রার্থনাকে এতো সহজ করে দিয়েছেন যে, এর জন্য কোনো শর্ত নেই। যে কোনো অবস্থায় আল্লাহ তা'আলার কাছে চাওয়া যায়। ওযুর শর্ত নেই, কিবলামুখী হওয়ার শর্ত নেই, এমনকি গোসল ফরয হলেও দু'আ করা নিষেধ নয়। যদিও এ অবস্থায় কুরআনে কারীম তিলাওয়াত জায়েয নেই। কিন্তু দু'আ করা যায়। এমনকি পেশাব পায়খানার সময় মৌখিকভাবে তো কোনো যিকির করা উচিত নয়, কিন্তু তখনও মনে মনে যিকির করতে কোনো বাধা নেই। যাইহোক, আল্লাহ তা'আলা যিকিরকে এতো সহজ করে দিয়েছেন যে, এর জন্য কোনো শর্ত আরোপ করেননি। এর জন্য কোনো বিশেষ পদ্ধতি দেননি। সুযোগ সুবিধা হলে ওযুর সাথে কিবলামুখী হয়ে হাত উঠিয়ে দু'আ করুন। যদি এমন সুযোগ না থাকে তাহলে ওযুর শর্ত নেই, হাত উঠানোর শর্ত নেই, মুখে বলার শর্ত নেই, অন্তরে অন্তরে আল্লাহর কাছে চান- হে আল্লাহ! আমার এ কাজটি করে দিন।
হযরত থানভী (কু.সি.) বলেন, যখন কোনো মানুষ প্রশ্ন করতে এসে বলে, হযরত একটি কথা জিজ্ঞাসা করবো, তখন সাথে সাথে মনে মনে আল্লাহর দিকে মনযোগী হয়ে দু'আ করি, হে আল্লাহ! জানা নেই এই ব্যক্তি কি জিজ্ঞাসা করবে? হে আল্লাহ তার প্রশ্নের সঠিক উত্তর আমার অন্তরে ঢেলে দিন এবং কখনোই এর ব্যতিক্রম হয় না। সব সময় আমি এর উপর আমল করি।
মাসনূন দু'আসমূহের মাধ্যমে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মূলত আমাদেরকে এই ব্যবস্থাপত্রের দিকে অগ্রসর করছেন যে, যখনই কোনো সমস্যা দেখা দিবে তখনই আল্লাহ তা'আলার কাছে চাইবে এবং দু'আ করবে। আল্লাহ তা'আলা চাওয়াকে এবং প্রার্থনাকে এতো সহজ করে দিয়েছেন যে, এর জন্য কোনো শর্ত নেই। যে কোনো অবস্থায় আল্লাহ তা'আলার কাছে চাওয়া যায়। ওযুর শর্ত নেই, কিবলামুখী হওয়ার শর্ত নেই, এমনকি গোসল ফরয হলেও দু'আ করা নিষেধ নয়। যদিও এ অবস্থায় কুরআনে কারীম তিলাওয়াত জায়েয নেই। কিন্তু দু'আ করা যায়। এমনকি পেশাব পায়খানার সময় মৌখিকভাবে তো কোনো যিকির করা উচিত নয়, কিন্তু তখনও মনে মনে যিকির করতে কোনো বাধা নেই। যাইহোক, আল্লাহ তা'আলা যিকিরকে এতো সহজ করে দিয়েছেন যে, এর জন্য কোনো শর্ত আরোপ করেননি। এর জন্য কোনো বিশেষ পদ্ধতি দেননি। সুযোগ সুবিধা হলে ওযুর সাথে কিবলামুখী হয়ে হাত উঠিয়ে দু'আ করুন। যদি এমন সুযোগ না থাকে তাহলে ওযুর শর্ত নেই, হাত উঠানোর শর্ত নেই, মুখে বলার শর্ত নেই, অন্তরে অন্তরে আল্লাহর কাছে চান- হে আল্লাহ! আমার এ কাজটি করে দিন।
হযরত থানভী (কু.সি.) বলেন, যখন কোনো মানুষ প্রশ্ন করতে এসে বলে, হযরত একটি কথা জিজ্ঞাসা করবো, তখন সাথে সাথে মনে মনে আল্লাহর দিকে মনযোগী হয়ে দু'আ করি, হে আল্লাহ! জানা নেই এই ব্যক্তি কি জিজ্ঞাসা করবে? হে আল্লাহ তার প্রশ্নের সঠিক উত্তর আমার অন্তরে ঢেলে দিন এবং কখনোই এর ব্যতিক্রম হয় না। সব সময় আমি এর উপর আমল করি।
📄 মাসনূন দু‘আর গুরুত্ব
প্রত্যেক জায়গায় আল্লাহ তা'আলার কাছে চাওয়ার পদ্ধতি হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এভাবে শিখিয়েছেন যে, চাওয়ার বিশেষ বিশেষ জায়গা বলে দিয়েছেন যে, এই এই জায়গায় অবশ্যই চাও। হুযূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এই বিরাট দয়ার জন্য নিজেকে কতাওবান করুন যে, তিনি দু'আ করাও শিখিয়েছেন। আরে! তুমি কি চাইবে, কিভাবে চাইবে, কোন শব্দে চাইবে, তোমার তো চাওয়ার পদ্ধতিও জানা নেই। এই চাওয়ার পদ্ধতিও আমি তোমাদেরকে বলে দিচ্ছি। এটা চাও, এভাবে চাও, এই ভাষায় চাও। এ সবকিছু হুযূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শিক্ষা দিয়েছেন। এখন আমাদের কাজ হলো এ সমস্ত দু'আ মুখস্থ করা এবং যথা সময়ে মনযোগ সহকারে এসব দু'আ করা। আমাদের কাজ মাত্র এতোটুকু। সব কাজ হুযূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম করে গেছেন। উম্মতের সামনে পাকানো রুটি দিয়ে গেছেন। এখন উম্মতের কাজ হলো রুটি উঠিয়ে গলাধঃকরণ করা।
আমাদের দ্বারা এতোটুকু কাজও হয় না। ওলামায়ে কেরাম দু'আয়ে মাছূরা এবং মাসনূন দু'আর নামে অসংখ্য কিতাব লিখে দিয়েছেন এবং তার মধ্যে এসব দু'আ একত্রিত করেছেন। যাতে প্রত্যেক মুসলিম সহজে এগুলোকে মুখস্থ করতে পারে। আগের যুগে মুসলিম পরিবারের রেওয়াজ ছিলো যখন বাচ্চারা কথা বলতে আরম্ভ করতো, তখন সর্ব প্রথম এসব দু'আ শিখানো হতো যে, বেটা বিসমিল্লাহ পড়ে খানা খাও, খানা খাওয়ার পর এই দু'আ পড়ো, বিছানায় গিয়ে এই দু'আ পড়ো, কাপড় পরে এই দু'আ পড়ো; এর ফলে এ সব কাজের জন্য ক্লাস করার প্রয়োজন পড়তো না। আর শিশুকালের স্মরণশক্তি এমন হয় যে, পাথরের উপর অঙ্কন করার মতো সারা জীবন মনে থাকে। বয়স বেড়ে গেলে মুখস্থ করা সহজ নয়। যাইহোক, এই কাজ করতে হবে। প্রত্যেক মুসলিম একে গণীমত মনে করবে। এ সমস্ত মাসনূন দু'আ লম্বা চওড়া নয়। বরং ছোট ছোট দু'আ। প্রতিদিন এসব দু'আর মধ্যে থেকে একটি করে মুখস্থ করুন। এরপর দেখুন আল্লাহ তা'আলা তাঁর কি পরিমাণ নূর এবং বরকত দান করেন। আল্লাহ তা'আলা আমাদের সকলকে সব সময় তাঁর যিকিরে মশগুল থাকার তাওফীক দান করুন। আমীন।
প্রত্যেক জায়গায় আল্লাহ তা'আলার কাছে চাওয়ার পদ্ধতি হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এভাবে শিখিয়েছেন যে, চাওয়ার বিশেষ বিশেষ জায়গা বলে দিয়েছেন যে, এই এই জায়গায় অবশ্যই চাও। হুযূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এই বিরাট দয়ার জন্য নিজেকে কতাওবান করুন যে, তিনি দু'আ করাও শিখিয়েছেন। আরে! তুমি কি চাইবে, কিভাবে চাইবে, কোন শব্দে চাইবে, তোমার তো চাওয়ার পদ্ধতিও জানা নেই। এই চাওয়ার পদ্ধতিও আমি তোমাদেরকে বলে দিচ্ছি। এটা চাও, এভাবে চাও, এই ভাষায় চাও। এ সবকিছু হুযূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শিক্ষা দিয়েছেন। এখন আমাদের কাজ হলো এ সমস্ত দু'আ মুখস্থ করা এবং যথা সময়ে মনযোগ সহকারে এসব দু'আ করা। আমাদের কাজ মাত্র এতোটুকু। সব কাজ হুযূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম করে গেছেন। উম্মতের সামনে পাকানো রুটি দিয়ে গেছেন। এখন উম্মতের কাজ হলো রুটি উঠিয়ে গলাধঃকরণ করা।
আমাদের দ্বারা এতোটুকু কাজও হয় না। ওলামায়ে কেরাম দু'আয়ে মাছূরা এবং মাসনূন দু'আর নামে অসংখ্য কিতাব লিখে দিয়েছেন এবং তার মধ্যে এসব দু'আ একত্রিত করেছেন। যাতে প্রত্যেক মুসলিম সহজে এগুলোকে মুখস্থ করতে পারে। আগের যুগে মুসলিম পরিবারের রেওয়াজ ছিলো যখন বাচ্চারা কথা বলতে আরম্ভ করতো, তখন সর্ব প্রথম এসব দু'আ শিখানো হতো যে, বেটা বিসমিল্লাহ পড়ে খানা খাও, খানা খাওয়ার পর এই দু'আ পড়ো, বিছানায় গিয়ে এই দু'আ পড়ো, কাপড় পরে এই দু'আ পড়ো; এর ফলে এ সব কাজের জন্য ক্লাস করার প্রয়োজন পড়তো না। আর শিশুকালের স্মরণশক্তি এমন হয় যে, পাথরের উপর অঙ্কন করার মতো সারা জীবন মনে থাকে। বয়স বেড়ে গেলে মুখস্থ করা সহজ নয়। যাইহোক, এই কাজ করতে হবে। প্রত্যেক মুসলিম একে গণীমত মনে করবে। এ সমস্ত মাসনূন দু'আ লম্বা চওড়া নয়। বরং ছোট ছোট দু'আ। প্রতিদিন এসব দু'আর মধ্যে থেকে একটি করে মুখস্থ করুন। এরপর দেখুন আল্লাহ তা'আলা তাঁর কি পরিমাণ নূর এবং বরকত দান করেন। আল্লাহ তা'আলা আমাদের সকলকে সব সময় তাঁর যিকিরে মশগুল থাকার তাওফীক দান করুন। আমীন।