📄 প্রত্যেক সময়ের দু‘আ ভিন্ন
পোষাক পরার সময় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই দু'আ পাঠ করতেন। এটা তাঁর সুন্নাত। কারো যদি এই শব্দমালা মুখস্থ না থাকে তাহলে নিজ ভাষাতেই পোষাক পরিধানের সময় এসব কথা বলবে। উম্মতের উপরে হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একটি বিরাট ইহসান ও দয়া এই যে, তিনি পদে পদে আল্লাহ জাল্লা শানুহুর নিকট দু'আর পদ্ধতি শিক্ষা দিয়েছেন। আমরা সীমাহীন মুখাপেক্ষী হলেও চাওয়ার পদ্ধতি জানি না। কি চাইতে হবে এবং কীভাবে চাইতে হবে তাও আমাদের জানা নেই?
হুযূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে পদ্ধতিও শিখিয়েছেন যে, আল্লাহর কাছে এভাবে চাও। সকাল থেকে নিয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত অসংখ্য কাজ মানুষকে সম্পাদন করতে হয়। প্রায় প্রত্যেক আমলের জন্য পৃথক দু'আ হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শিক্ষা দিয়েছেন। যেমন বলেছেন, সকাল বেলা যখন ঘুম থেকে জাগবে তখন এই দু'আ পাঠ করবে। যখন ইস্তেঞ্জার জন্য যাবে, তখন এই দু'আ পাঠ করবে। এস্তেঞ্জা শেষ হলে বাইরে এসে এই দু'আ পাঠ করবে। যখন ওযু শুরু করবে তখন এই দু'আ পাঠ করবে। ওযুর মাঝে এই দু'আ পাঠ করতে থাকবে। ওযু শেষ করে এই দু'আ পাঠ করবে। যখন নামাযের জন্য মসজিদে প্রবেশ করবে তখন এই দু'আ পাঠ করবে। অতঃপর মসজিদে ইবাদত করতে থাকবে। মসজিদ থেকে যখন বাইরে বের হবে তখন এই দু'আ পাঠ করবে। যখন নিজের ঘরে প্রবেশ করবে তখন এই দু'আ পাঠ করবে। যখন বাজারে যাবে তখন এই দু'আ পাঠ করবে। যেন প্রত্যেক নড়া-চড়া, চলা-ফেরা, ওঠা-বসার বিষয়ে হুযূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু'আ শিক্ষা দিয়েছেন যে, এই সব দু'আ এভাবে পাঠ করবে।
টিকাঃ
১. সুনানে তিরমিযী, হাদীস নং ১৬৮৯, সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং ৩৫০৪, মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং ১০৮১৮
পোষাক পরার সময় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই দু'আ পাঠ করতেন। এটা তাঁর সুন্নাত। কারো যদি এই শব্দমালা মুখস্থ না থাকে তাহলে নিজ ভাষাতেই পোষাক পরিধানের সময় এসব কথা বলবে। উম্মতের উপরে হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একটি বিরাট ইহসান ও দয়া এই যে, তিনি পদে পদে আল্লাহ জাল্লা শানুহুর নিকট দু'আর পদ্ধতি শিক্ষা দিয়েছেন। আমরা সীমাহীন মুখাপেক্ষী হলেও চাওয়ার পদ্ধতি জানি না। কি চাইতে হবে এবং কীভাবে চাইতে হবে তাও আমাদের জানা নেই?
হুযূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে পদ্ধতিও শিখিয়েছেন যে, আল্লাহর কাছে এভাবে চাও। সকাল থেকে নিয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত অসংখ্য কাজ মানুষকে সম্পাদন করতে হয়। প্রায় প্রত্যেক আমলের জন্য পৃথক দু'আ হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শিক্ষা দিয়েছেন। যেমন বলেছেন, সকাল বেলা যখন ঘুম থেকে জাগবে তখন এই দু'আ পাঠ করবে। যখন ইস্তেঞ্জার জন্য যাবে, তখন এই দু'আ পাঠ করবে। এস্তেঞ্জা শেষ হলে বাইরে এসে এই দু'আ পাঠ করবে। যখন ওযু শুরু করবে তখন এই দু'আ পাঠ করবে। ওযুর মাঝে এই দু'আ পাঠ করতে থাকবে। ওযু শেষ করে এই দু'আ পাঠ করবে। যখন নামাযের জন্য মসজিদে প্রবেশ করবে তখন এই দু'আ পাঠ করবে। অতঃপর মসজিদে ইবাদত করতে থাকবে। মসজিদ থেকে যখন বাইরে বের হবে তখন এই দু'আ পাঠ করবে। যখন নিজের ঘরে প্রবেশ করবে তখন এই দু'আ পাঠ করবে। যখন বাজারে যাবে তখন এই দু'আ পাঠ করবে। যেন প্রত্যেক নড়া-চড়া, চলা-ফেরা, ওঠা-বসার বিষয়ে হুযূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু'আ শিক্ষা দিয়েছেন যে, এই সব দু'আ এভাবে পাঠ করবে।
টিকাঃ
১. সুনানে তিরমিযী, হাদীস নং ১৬৮৯, সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং ৩৫০৪, মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং ১০৮১৮
📄 আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ার পদ্ধতি
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেক চলা-ফেরা, ওঠা-বসা, নড়া-চড়ার সময় পৃথক পৃথক দু’আ কেন শিক্ষা দিলেন? এটা মূলত হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহ তা’আলার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ার এক অব্যর্থ ব্যবস্থাপত্র দিয়েছেন। আল্লাহ তা’আলার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ার সহজতম এবং সংক্ষিপ্ততম পথ হলো, সব সময় মানুষ আল্লাহ তা’আলার কাছে চাইতে থাকবে এবং দু’আ করতে থাকবে। কুরআনে কারীম আমাদেরকে হুকুম দিয়েছে,
يٰٓاَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوا اذْكُرُوا اللّٰهَ ذِكْرًا كَثِيْرًاۙ
‘হে ঈমানদারগণ! আল্লাহ তা’আলাকে অধিক পরিমাণে স্মরণ করো, অধিক পরিমাণে তাঁর যিকির করো।’
হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করলো, ইয়া আল্লাহর রাসূল! সব চেয়ে উত্তম আমল কোনটি? তিনি ইরশাদ করলেন, সব চেয়ে উত্তম আমল হলো,
لَايَزَالُ لِّسَانُكَ رَطْبًا مِّنْ ذِكْرِ اللّٰهِ
অর্থাৎ, তোমার জিহ্বা সবসময় যেন আল্লাহর যিকিরে সিক্ত থাকে। সবসময় যেন আল্লাহর যিকির অব্যাহত থাকে।’
সারকথা হলো, কুরআনে কারীমও অধিকহারে যিকির করার হুকুম দিয়েছে এবং হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও হাদীস শরীফে তার ফযীলতের বর্ণনা দিয়েছেন।
টিকাঃ
১. সূরা আহ্যাব, আয়াত-৪১
২. সুনানে তিরমিযী, হাদীস নং ৩৩৭৫, সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং ৩৭৯০, মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং ১৭০২০
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেক চলা-ফেরা, ওঠা-বসা, নড়া-চড়ার সময় পৃথক পৃথক দু’আ কেন শিক্ষা দিলেন? এটা মূলত হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহ তা’আলার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ার এক অব্যর্থ ব্যবস্থাপত্র দিয়েছেন। আল্লাহ তা’আলার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ার সহজতম এবং সংক্ষিপ্ততম পথ হলো, সব সময় মানুষ আল্লাহ তা’আলার কাছে চাইতে থাকবে এবং দু’আ করতে থাকবে। কুরআনে কারীম আমাদেরকে হুকুম দিয়েছে,
يٰٓاَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوا اذْكُرُوا اللّٰهَ ذِكْرًا كَثِيْرًاۙ
‘হে ঈমানদারগণ! আল্লাহ তা’আলাকে অধিক পরিমাণে স্মরণ করো, অধিক পরিমাণে তাঁর যিকির করো।’
হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করলো, ইয়া আল্লাহর রাসূল! সব চেয়ে উত্তম আমল কোনটি? তিনি ইরশাদ করলেন, সব চেয়ে উত্তম আমল হলো,
لَايَزَالُ لِّسَانُكَ رَطْبًا مِّنْ ذِكْرِ اللّٰهِ
অর্থাৎ, তোমার জিহ্বা সবসময় যেন আল্লাহর যিকিরে সিক্ত থাকে। সবসময় যেন আল্লাহর যিকির অব্যাহত থাকে।’
সারকথা হলো, কুরআনে কারীমও অধিকহারে যিকির করার হুকুম দিয়েছে এবং হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও হাদীস শরীফে তার ফযীলতের বর্ণনা দিয়েছেন।
টিকাঃ
১. সূরা আহ্যাব, আয়াত-৪১
২. সুনানে তিরমিযী, হাদীস নং ৩৩৭৫, সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং ৩৭৯০, মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং ১৭০২০
📄 আলাহ তা‘আলা যিকিরের মুখাপেক্ষী নন
এখন প্রশ্ন জাগে যে, আল্লাহ তা’আলা আমাদেরকে অধিক পরিমাণে যিকির করার হুকুম দিলেন কেন? আল্লাহ তা’আলার কি আমাদের যিকির দ্বারা কোনো লাভ হয়? নাউযুবিল্লাহ। আল্লাহ তা’আলার কি এ কথায় মজা লাগে যে, আমার বান্দা আমার যিকির করছে? এর দ্বারা কি তাঁর স্বাদ লাভ হয়? তার কোনো উপকার হয়? বলা বাহুল্য যে, আল্লাহ তা'আলার সম্পর্কে যার মারেফত আছে, তাঁর উপর যার ঈমান আছে, সে এ কথা কল্পনাও করতে পারে না। কারণ, সমস্ত জগত সবসময় প্রতি মুহূর্তে যদি আল্লাহ তা'আলার যিকির করতে থাকে তাহলে তাঁর বড়ত্ব, তাঁর প্রতিপত্তি এবং তাঁর শ্রেষ্ঠত্ব সামান্যতম বৃদ্ধি পাবে না। আর যদি নাউযুবিল্লাহ সারা জগত মিলে এ কথার অঙ্গীকার করে যে, আল্লাহ তা'আলার যিকির করবে না, আল্লাহ তা'আলাকে বিস্মৃত হবে, যিকির থেকে গাফেল থাকবে, গোনাহ্ কাজে লিপ্ত থাকবে, নাফরমানীর মধ্যে লিপ্ত থাকবে তাহলেও আল্লাহর বড়ত্ব এবং শ্রেষ্ঠত্বের মধ্যে সামান্যতম হ্রাস পাবে না। আল্লাহর মহান সত্ত্বা তো বেনিয়াজ, অমুখাপেক্ষী, আল্লাহুসসামাদ। তিনি আমাদের যিকির থেকেও অমুখাপেক্ষী, আমাদের সিজদা থেকেও অমুখাপেক্ষী, আমাদের তাসবীহ থেকেও অমুখাপেক্ষী, আমাদের যিকিরের-ও তাঁর কোনো প্রয়োজন নেই।
এখন প্রশ্ন জাগে যে, আল্লাহ তা’আলা আমাদেরকে অধিক পরিমাণে যিকির করার হুকুম দিলেন কেন? আল্লাহ তা’আলার কি আমাদের যিকির দ্বারা কোনো লাভ হয়? নাউযুবিল্লাহ। আল্লাহ তা’আলার কি এ কথায় মজা লাগে যে, আমার বান্দা আমার যিকির করছে? এর দ্বারা কি তাঁর স্বাদ লাভ হয়? তার কোনো উপকার হয়? বলা বাহুল্য যে, আল্লাহ তা'আলার সম্পর্কে যার মারেফত আছে, তাঁর উপর যার ঈমান আছে, সে এ কথা কল্পনাও করতে পারে না। কারণ, সমস্ত জগত সবসময় প্রতি মুহূর্তে যদি আল্লাহ তা'আলার যিকির করতে থাকে তাহলে তাঁর বড়ত্ব, তাঁর প্রতিপত্তি এবং তাঁর শ্রেষ্ঠত্ব সামান্যতম বৃদ্ধি পাবে না। আর যদি নাউযুবিল্লাহ সারা জগত মিলে এ কথার অঙ্গীকার করে যে, আল্লাহ তা'আলার যিকির করবে না, আল্লাহ তা'আলাকে বিস্মৃত হবে, যিকির থেকে গাফেল থাকবে, গোনাহ্ কাজে লিপ্ত থাকবে, নাফরমানীর মধ্যে লিপ্ত থাকবে তাহলেও আল্লাহর বড়ত্ব এবং শ্রেষ্ঠত্বের মধ্যে সামান্যতম হ্রাস পাবে না। আল্লাহর মহান সত্ত্বা তো বেনিয়াজ, অমুখাপেক্ষী, আল্লাহুসসামাদ। তিনি আমাদের যিকির থেকেও অমুখাপেক্ষী, আমাদের সিজদা থেকেও অমুখাপেক্ষী, আমাদের তাসবীহ থেকেও অমুখাপেক্ষী, আমাদের যিকিরের-ও তাঁর কোনো প্রয়োজন নেই।
📄 আল্লাহ তা‘আলা থেকে গাফলত সমস্ত গোনাহের মূল
তাহলে যে, অধিকহারে আল্লাহ তা'আলার যিকির করতে বলা হচ্ছে? এর দ্বারা মূলত আমাদেরই লাভ। কারণ, দুনিয়াতে যতো অপরাধ, যতো অপকর্ম এবং যতো মন্দ কাজ সংঘটিত হচ্ছে, এর সবগুলোর মূল যদি দেখা হয় তা হবে আল্লাহ তা'আলার থেকে গাফলত। যখন মানুষ আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফেল হয়ে যায়, আল্লাহকে ভুলে যায়, তখন গোনাহে লিপ্ত হয়। তবে যদি আল্লাহ তা'আলার স্মরণ অন্তরে থাকে, আল্লাহর যিকির অন্তরে থাকে এবং আল্লাহর সামনে জওয়াব দেওয়ার অনুভূতি অন্তরে জাগ্রত থাকে যে, একদিন আল্লাহ তা'আলার সামনে আমাকে দাঁড়াতে হবে, তখন আর গোনাহ সংঘটিত হবে না।
চোর যখন চুরি করে তখন সে আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফেল থাকে। আল্লাহর স্মরণ যদি তার অন্তরে থাকতো তাহলে চুরি করতো না। ব্যভিচারকারী যখন ব্যভিচার করে তখন সে আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফেল থাকে। আল্লাহর স্মরণ থেকে যদি গাফেল না হতো তাহলে ব্যভিচারে লিপ্ত হতে পারতো না। এ বিষয়টিই হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এভাবে বলেছেন,
তাহলে যে, অধিকহারে আল্লাহ তা'আলার যিকির করতে বলা হচ্ছে? এর দ্বারা মূলত আমাদেরই লাভ। কারণ, দুনিয়াতে যতো অপরাধ, যতো অপকর্ম এবং যতো মন্দ কাজ সংঘটিত হচ্ছে, এর সবগুলোর মূল যদি দেখা হয় তা হবে আল্লাহ তা'আলার থেকে গাফলত। যখন মানুষ আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফেল হয়ে যায়, আল্লাহকে ভুলে যায়, তখন গোনাহে লিপ্ত হয়। তবে যদি আল্লাহ তা'আলার স্মরণ অন্তরে থাকে, আল্লাহর যিকির অন্তরে থাকে এবং আল্লাহর সামনে জওয়াব দেওয়ার অনুভূতি অন্তরে জাগ্রত থাকে যে, একদিন আল্লাহ তা'আলার সামনে আমাকে দাঁড়াতে হবে, তখন আর গোনাহ সংঘটিত হবে না।
চোর যখন চুরি করে তখন সে আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফেল থাকে। আল্লাহর স্মরণ যদি তার অন্তরে থাকতো তাহলে চুরি করতো না। ব্যভিচারকারী যখন ব্যভিচার করে তখন সে আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফেল থাকে। আল্লাহর স্মরণ থেকে যদি গাফেল না হতো তাহলে ব্যভিচারে লিপ্ত হতে পারতো না। এ বিষয়টিই হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এভাবে বলেছেন,