📘 তাসাওউফ ও আত্মশুদ্ধি আত্মশুদ্ধির গুরুত্ব, প্রয়োজনীয়তা, পথ পদ্ধতি > 📄 তুমি চাকর নও বান্দা

📄 তুমি চাকর নও বান্দা


এক ব্যক্তিকে আপনি আট ঘণ্টার জন্য চাকর রেখেছেন, সে চাকর আপনার দাস নয়। আপনি তাকে সৃষ্টি করেন নি। সে আপনার বান্দা নয়, আর আপনি তার খোদা নন। সে শুধু বেতনভুক্ত কর্মচারী। সে যদি আপনার কাজের কারণ ও রহস্য জিজ্ঞাসা করতে আরম্ভ করে তাহলে তা আপনার সহ্য হয় না। কিন্তু আপনি তো আল্লাহ তা'আলার কর্মচারী নন, কৃতদাস নন, আপনি তো আল্লাহ তা'আলার বান্দা। তিনি আপনাকে সৃষ্টি করেছেন। তিনি যদি আপনাকে কোনো কাজ করতে বলেন আর আপনি বলেন যে, আগে আমাকে কারণ বলুন, রহস্য ও কল্যাণ বলুন, তাহলে আমি এ কাজ করবো। এভাবে রহস্য ও কল্যাণ জানতে চাওয়া তেমনই চরম নির্বুদ্ধিতা, যেমন চরম নির্বুদ্ধিতা ঐ কর্মচারী করছে। বরং তার চেয়েও মারাত্মক ও জঘন্য নির্বুদ্ধিতা। কারণ, ঐ কর্মচারীও মানুষ, আর আপনিও মানুষ। তারও জ্ঞান-বুদ্ধি আছে, আপনারও জ্ঞান-বুদ্ধি আছে। দুজনের জ্ঞান-বুদ্ধি সমান। কিন্তু কোথায় আল্লাহ তা'আলার রহস্য ও কল্যাণ, আর কোথায় আপনার এই সামান্য বুদ্ধি! এই দুইয়ের মধ্যে কোনো তুলনা হয় না। তারপরও আপনি রহস্য জানতে চাচ্ছেন, কল্যাণ জানতে চাচ্ছেন যে, শরীয়তের এই বিধানের মধ্যে কি কল্যাণ আছে? প্রথমে কল্যাণ বলো, রহস্য বলো, তাহলে আমল করবো, অন্যথায় করবো না। এই দাবির কারণ এই যে, বুদ্ধি উল্টে গেছে। গোনাহের আধিক্য বুদ্ধিকে উল্টে দিয়েছে।

এক ব্যক্তিকে আপনি আট ঘণ্টার জন্য চাকর রেখেছেন, সে চাকর আপনার দাস নয়। আপনি তাকে সৃষ্টি করেন নি। সে আপনার বান্দা নয়, আর আপনি তার খোদা নন। সে শুধু বেতনভুক্ত কর্মচারী। সে যদি আপনার কাজের কারণ ও রহস্য জিজ্ঞাসা করতে আরম্ভ করে তাহলে তা আপনার সহ্য হয় না। কিন্তু আপনি তো আল্লাহ তা'আলার কর্মচারী নন, কৃতদাস নন, আপনি তো আল্লাহ তা'আলার বান্দা। তিনি আপনাকে সৃষ্টি করেছেন। তিনি যদি আপনাকে কোনো কাজ করতে বলেন আর আপনি বলেন যে, আগে আমাকে কারণ বলুন, রহস্য ও কল্যাণ বলুন, তাহলে আমি এ কাজ করবো। এভাবে রহস্য ও কল্যাণ জানতে চাওয়া তেমনই চরম নির্বুদ্ধিতা, যেমন চরম নির্বুদ্ধিতা ঐ কর্মচারী করছে। বরং তার চেয়েও মারাত্মক ও জঘন্য নির্বুদ্ধিতা। কারণ, ঐ কর্মচারীও মানুষ, আর আপনিও মানুষ। তারও জ্ঞান-বুদ্ধি আছে, আপনারও জ্ঞান-বুদ্ধি আছে। দুজনের জ্ঞান-বুদ্ধি সমান। কিন্তু কোথায় আল্লাহ তা'আলার রহস্য ও কল্যাণ, আর কোথায় আপনার এই সামান্য বুদ্ধি! এই দুইয়ের মধ্যে কোনো তুলনা হয় না। তারপরও আপনি রহস্য জানতে চাচ্ছেন, কল্যাণ জানতে চাচ্ছেন যে, শরীয়তের এই বিধানের মধ্যে কি কল্যাণ আছে? প্রথমে কল্যাণ বলো, রহস্য বলো, তাহলে আমল করবো, অন্যথায় করবো না। এই দাবির কারণ এই যে, বুদ্ধি উল্টে গেছে। গোনাহের আধিক্য বুদ্ধিকে উল্টে দিয়েছে।

📘 তাসাওউফ ও আত্মশুদ্ধি আত্মশুদ্ধির গুরুত্ব, প্রয়োজনীয়তা, পথ পদ্ধতি > 📄 মাহমুদ ও আয়াযের শিক্ষণীয় ঘটনা

📄 মাহমুদ ও আয়াযের শিক্ষণীয় ঘটনা


আমার শাইখ হযরত ডা. আব্দুল হাই ছাহেব (কু.সি.) একটি ঘটনা শুনিয়েছিলেন, যা খুবই শিক্ষণীয়। হযরত বলেন, বিখ্যাত বিজয়ী ও সম্রাট মাহমুদ গজনবীর একটি প্রিয় গোলাম ছিলো। তার নাম ছিলো আয়ায। আয়ায যেহেতু বাদশাহের খুব প্রিয় ছিলো, এজন্য মানুষ বলতো, সে খুব অহঙ্কারী। মাহমুদ গজনবী এই গোলামকে অন্য বড়ো বড়ো ব্যক্তিদের উপরে প্রাধান্য দিয়ে থাকে। বাস্তবতাও এমনই ছিলো। মাহমুদ গজনবী বড়ো বড়ো উযীর ও আমীরদের কথা এই পরিমাণ মানতেন না, যেই পরিমাণ আয়াযের কথা মানতেন。

মাহমুদ গজনবী চাইলেন এসব উযীর ও আমীরদেরকে দেখাই, তোমাদের মধ্যে আর আয়াযের মধ্যে কি পার্থক্য? একবার একটি অনেক বড়ো ও মূল্যবান হীরা উপঢৌকন স্বরূপ মাহমুদ গজনবীর কাছে আসে। হীরাটি অত্যন্ত মূল্যবান, অত্যন্ত সুন্দর ও অত্যন্ত জাঁকালো ছিলো। বাদশাহের দরবার বসেছে। সবাই সেই মূল্যবান হীরাটি দেখলো এবং তার প্রশংসা করলো। তারপর মাহমুদ গজনবী ওযীরে আযমকে নিজের কাছে ডেকে নিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, আপনি হীরাটি দেখেছেন? হীরাটি কেমন? উযীরে আযম বললেন, মহারাজ এটা অত্যন্ত মূল্যবান হীরা। সারা পৃথিবীতে এর মতো হীরা আর নেই। এটা অনেক বড়ো হীরা। বাদশাহ বললেন, হীরাটি মাটিতে ছুড়ে মেরে ভেঙ্গে ফেলুন। ওযীরে আযম দাঁড়িয়ে করোজোড়ে নিবেদন করলেন, জাহাপনা! এটা অনেক মূল্যবান হীরা, এটা আপনার নিকট ঐতিহাসিক উপঢৌকন, আপনি তা ভাঙ্গার নির্দেশ দিচ্ছেন! আমার আবেদন, আপনি এটাকে ভাঙ্গাবেন না। বাদশাহ বললেন, আচ্ছা বসুন। তারপর আরেক উযীরকে ডাকলেন। তাকে বললেন, তুমি এটা ভাঙ্গো। সে উযীরও দাঁড়িয়ে গেলো এবং বলতে লাগলো, বাদশাহ সালামত! এটা অনেক দামি হীরা, এটা ভাঙ্গার সাহস আমার হচ্ছে না। এভাবে তিনি অনেক উযীর ও আমীরকে ডেকে হীরাটি ভাঙ্গতে বললেন। কিন্তু সবাই মাফ চাইলো এবং ভাঙ্গতে অপারগতা জানালো।

অবশেষে মাহমুদ গজনবী আয়াযকে ডাকলেন। আয়ায এসে বললো, জি জাঁহাপনা। মাহমুদ গজনবী বললেন, এই যে, হীরাটি রাখা আছে তা ছুড়ে মেরে ভেঙ্গে ফেলো। আয়ায হীরাটি উঠালো এবং মাটিতে ছুড়ে মেরে ভেঙ্গে ফেললো। হীরা চূর্ণ বিচূর্ণ হয়ে গেলো। বাদশাহ যখন দেখলেন, আয়ায হীরাটি ভেঙ্গে ফেলেছে, তখন তিনি তাকে ধমক দিলেন। তুমি হীরাটি কেন ভাঙ্গলে? এখানে উপবিষ্ট বড়ো বড়ো বুদ্ধিমান উযীর ও আমীরদেরকে হীরাটি ভাঙ্গতে বলা হলে তারা তা ভাঙ্গার সাহস করেনি। এরা কি পাগল? তুমি তাহলে ভাঙ্গলে কেন? আয়ায প্রথমে বললো, জাহাপনা ভুল হয়েছে। বাদশাহ জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি ভাঙ্গলে কেন? আয়ায বললো, আমার অন্তরে চিন্তা জাগলো এটা একটা হীরা। এর মূল্য যতো বেশিই হোক না কেন এটা ভাঙ্গলেও আপনার হুকুম ভাঙ্গা উচিত হবে না। আপনার হুকুমকে হীরার চেয়ে অধিক দামী মনে করে আমি চিন্তা করলাম এই হীরা ভাঙ্গার তুলনায় আপনার নির্দেশ অমান্য করা বেশি খারাপ বিষয়। এজন্য আমি হীরাটি ভেঙ্গে ফেলেছি।

তারপর মাহমুদ গজনবী উযীরদেরকে লক্ষ্য করে বললেন, এই হলো আপনাদের মধ্যে আর আয়াযের মধ্যে পার্থক্য। আপনাদেরকে কোনো কাজের হুকুম দেওয়া হলে তার হিকমত আর রহস্য তালাশ করেন, আর আয়ায হুকুমের গোলাম। তাকে যা বলা হবে, তাই করবে। তার সামনে রহস্য আর কল্যাণের কোনো মূল্য নেই।

আমার শাইখ হযরত ডা. আব্দুল হাই ছাহেব (কু.সি.) একটি ঘটনা শুনিয়েছিলেন, যা খুবই শিক্ষণীয়। হযরত বলেন, বিখ্যাত বিজয়ী ও সম্রাট মাহমুদ গজনবীর একটি প্রিয় গোলাম ছিলো। তার নাম ছিলো আয়ায। আয়ায যেহেতু বাদশাহের খুব প্রিয় ছিলো, এজন্য মানুষ বলতো, সে খুব অহঙ্কারী। মাহমুদ গজনবী এই গোলামকে অন্য বড়ো বড়ো ব্যক্তিদের উপরে প্রাধান্য দিয়ে থাকে। বাস্তবতাও এমনই ছিলো। মাহমুদ গজনবী বড়ো বড়ো উযীর ও আমীরদের কথা এই পরিমাণ মানতেন না, যেই পরিমাণ আয়াযের কথা মানতেন。

মাহমুদ গজনবী চাইলেন এসব উযীর ও আমীরদেরকে দেখাই, তোমাদের মধ্যে আর আয়াযের মধ্যে কি পার্থক্য? একবার একটি অনেক বড়ো ও মূল্যবান হীরা উপঢৌকন স্বরূপ মাহমুদ গজনবীর কাছে আসে। হীরাটি অত্যন্ত মূল্যবান, অত্যন্ত সুন্দর ও অত্যন্ত জাঁকালো ছিলো। বাদশাহের দরবার বসেছে। সবাই সেই মূল্যবান হীরাটি দেখলো এবং তার প্রশংসা করলো। তারপর মাহমুদ গজনবী ওযীরে আযমকে নিজের কাছে ডেকে নিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, আপনি হীরাটি দেখেছেন? হীরাটি কেমন? উযীরে আযম বললেন, মহারাজ এটা অত্যন্ত মূল্যবান হীরা। সারা পৃথিবীতে এর মতো হীরা আর নেই। এটা অনেক বড়ো হীরা। বাদশাহ বললেন, হীরাটি মাটিতে ছুড়ে মেরে ভেঙ্গে ফেলুন। ওযীরে আযম দাঁড়িয়ে করোজোড়ে নিবেদন করলেন, জাহাপনা! এটা অনেক মূল্যবান হীরা, এটা আপনার নিকট ঐতিহাসিক উপঢৌকন, আপনি তা ভাঙ্গার নির্দেশ দিচ্ছেন! আমার আবেদন, আপনি এটাকে ভাঙ্গাবেন না। বাদশাহ বললেন, আচ্ছা বসুন। তারপর আরেক উযীরকে ডাকলেন। তাকে বললেন, তুমি এটা ভাঙ্গো। সে উযীরও দাঁড়িয়ে গেলো এবং বলতে লাগলো, বাদশাহ সালামত! এটা অনেক দামি হীরা, এটা ভাঙ্গার সাহস আমার হচ্ছে না। এভাবে তিনি অনেক উযীর ও আমীরকে ডেকে হীরাটি ভাঙ্গতে বললেন। কিন্তু সবাই মাফ চাইলো এবং ভাঙ্গতে অপারগতা জানালো।

অবশেষে মাহমুদ গজনবী আয়াযকে ডাকলেন। আয়ায এসে বললো, জি জাঁহাপনা। মাহমুদ গজনবী বললেন, এই যে, হীরাটি রাখা আছে তা ছুড়ে মেরে ভেঙ্গে ফেলো। আয়ায হীরাটি উঠালো এবং মাটিতে ছুড়ে মেরে ভেঙ্গে ফেললো। হীরা চূর্ণ বিচূর্ণ হয়ে গেলো। বাদশাহ যখন দেখলেন, আয়ায হীরাটি ভেঙ্গে ফেলেছে, তখন তিনি তাকে ধমক দিলেন। তুমি হীরাটি কেন ভাঙ্গলে? এখানে উপবিষ্ট বড়ো বড়ো বুদ্ধিমান উযীর ও আমীরদেরকে হীরাটি ভাঙ্গতে বলা হলে তারা তা ভাঙ্গার সাহস করেনি। এরা কি পাগল? তুমি তাহলে ভাঙ্গলে কেন? আয়ায প্রথমে বললো, জাহাপনা ভুল হয়েছে। বাদশাহ জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি ভাঙ্গলে কেন? আয়ায বললো, আমার অন্তরে চিন্তা জাগলো এটা একটা হীরা। এর মূল্য যতো বেশিই হোক না কেন এটা ভাঙ্গলেও আপনার হুকুম ভাঙ্গা উচিত হবে না। আপনার হুকুমকে হীরার চেয়ে অধিক দামী মনে করে আমি চিন্তা করলাম এই হীরা ভাঙ্গার তুলনায় আপনার নির্দেশ অমান্য করা বেশি খারাপ বিষয়। এজন্য আমি হীরাটি ভেঙ্গে ফেলেছি।

তারপর মাহমুদ গজনবী উযীরদেরকে লক্ষ্য করে বললেন, এই হলো আপনাদের মধ্যে আর আয়াযের মধ্যে পার্থক্য। আপনাদেরকে কোনো কাজের হুকুম দেওয়া হলে তার হিকমত আর রহস্য তালাশ করেন, আর আয়ায হুকুমের গোলাম। তাকে যা বলা হবে, তাই করবে। তার সামনে রহস্য আর কল্যাণের কোনো মূল্য নেই।

📘 তাসাওউফ ও আত্মশুদ্ধি আত্মশুদ্ধির গুরুত্ব, প্রয়োজনীয়তা, পথ পদ্ধতি > 📄 বান্দা তো সেই, যে হুকুম পালন করে

📄 বান্দা তো সেই, যে হুকুম পালন করে


মাহমুদ গজনবীর হুকুমের কি মূল্য আছে! তার নিজের বুদ্ধিও সীমিত। তার উযীর ও আয়াযের বুদ্ধিও সীমাবদ্ধ। এ অবস্থান তো রয়েছে মূলত সেই সত্তার, যিনি সমগ্র বিশ্ব সৃষ্টি করেছেন। হীরা ভেঙ্গে যাক, দিল ভেঙ্গে যাক, মানুষের আবেগ-উদ্দীপনা ভেঙ্গে যাক, কামনা-বাসনা ভেঙ্গে যাক, চিন্তা ও কল্পনা ভেঙ্গে যাক, কিন্তু তাঁর হুকুম যেন না ভাঙ্গে। এই মর্যাদা মূলত একমাত্র আল্লাহ তা'আলার। এ কারণে আল্লাহ তা'আলার হুকুমের মধ্যে হিকমত ও রহস্য তালাশ করা নির্বুদ্ধিতা। আর এই নির্বুদ্ধিতার মূল কারণ গোনাহ। যতো গোনাহ করবে, ততো বুদ্ধি উল্টে যাবে। মোটকথা, গোনাহের অকল্যাণে মানুষের বুদ্ধি নষ্ট হয়ে যায়।

📘 তাসাওউফ ও আত্মশুদ্ধি আত্মশুদ্ধির গুরুত্ব, প্রয়োজনীয়তা, পথ পদ্ধতি > 📄 গোনাহ ছাড়লে নূর লাভ হয়

📄 গোনাহ ছাড়লে নূর লাভ হয়


আল্লাহ তা'আলার দরবারে এসব গোনাহ থেকে সামান্য সময়ের জন্য তাওবা করেই দেখুন! কয়েকদিনের জন্য গোনাহ ছেড়ে দেখুন, আল্লাহ তা'আলার পক্ষ থেকে কেমন নূর ও বরকত লাভ হয়! তখন এমন সব কথা বুঝে আসবে, যা পূর্বে বুঝে আসতো না। কুরআনে কারীমে আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেন,
إِنْ تَتَّقُوا اللَّهَ يَجْعَلْ لَكُمْ فُرْقَانًا
তোমরা যদি আল্লাহ তা'আলাকে ভয় করো অর্থাৎ, আল্লাহ তা'আলার হারাম করা গোনাহ থেকে বাঁচো তাহলে আল্লাহ তা'আলা তোমাদের অন্তরে হক ও বাতিলের মধ্যে পার্থক্য করার একটি নিক্তি সৃষ্টি করবেন। যা সুস্পষ্টভাবে তোমাদেরকে বলে দিবে, এটা হক এটা বাতিল। এটা ঠিক, এটা ভুল। আজ হক ও বাতিলের মধ্যে পার্থক্যও মিটে গেছে। কারণ, আমরা গোনাহ করে নিজেদের বুদ্ধি নষ্ট করে দিয়েছি।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00