📄 গোনাহ শয়তানের বুদ্ধিকে উল্টিয়ে দিয়েছে
দেখুন! ইবলীস শয়তান হলো গোনাহের উৎস, কেন্দ্র ও প্রতিষ্ঠাতা। কারণ, সর্বপ্রথম সেই এই দুনিয়াতে গোনাহ আবিষ্কার করেছে। নিজেও গোনাহে লিপ্ত হয়েছে এবং হযরত আদম আলাইহিস সালামের মতো মহান নবীকেও বিপথগামী করেছে। এই গোনাহ করার ফলে তার বুদ্ধি উল্টে গেছে। তাই যখন আল্লাহ তা'আলা তাকে হযরত আদম আলাইহিস সালামের সামনে সিজদা করার হুকুম দিলেন তখন সে হুকুম না মেনে উল্টা যুক্তি পেশ করতে আরম্ভ করলো যে, আপনি আমাকে আগুন দ্বারা সৃষ্টি করেছেন আর আদমকে সৃষ্টি করেছেন মাটি দ্বারা। বাহ্যিকভাবে প্রমাণটি খুব চমৎকার। আগুন উত্তম আর তার তুলনায় মাটি অনুত্তম। কিন্তু তার বুদ্ধিতে ধরেনি যে, আগুনও আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন এবং মাটিও আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন। সৃষ্টিকর্তা যখন হুকুম দিচ্ছেন যে, আগুনের উচিত মাটিকে সিজদা করা তাহলে আগুনের শ্রেষ্ঠত্ব কিভাবে থাকলো, আর মাটিই বা অনুত্তম হলো কিভাবে। একথা তার বুঝে আসেনি। পরিণতিতে সে বিতাড়িত হলো। মারদূদ হলো, লাঞ্ছিত হলো। তাছাড়া আল্লাহ তা'আলার নিকট তাওবার দরজা তো খোলা, মানুষের জন্যও এবং শয়তানের জন্যও। সে যদি বুদ্ধিকে সঠিকভাবে ব্যবহার করে আল্লাহ তা'আলাকে বলতো আমার ভুল হয়ে গেছে আমাকে মাফ করে দিন। আপনি যা বলেছেন আমি তা করবো, কিন্তু এ কথা বলতে সে আজও প্রস্তুত নয়।
দেখুন! ইবলীস শয়তান হলো গোনাহের উৎস, কেন্দ্র ও প্রতিষ্ঠাতা। কারণ, সর্বপ্রথম সেই এই দুনিয়াতে গোনাহ আবিষ্কার করেছে। নিজেও গোনাহে লিপ্ত হয়েছে এবং হযরত আদম আলাইহিস সালামের মতো মহান নবীকেও বিপথগামী করেছে। এই গোনাহ করার ফলে তার বুদ্ধি উল্টে গেছে। তাই যখন আল্লাহ তা'আলা তাকে হযরত আদম আলাইহিস সালামের সামনে সিজদা করার হুকুম দিলেন তখন সে হুকুম না মেনে উল্টা যুক্তি পেশ করতে আরম্ভ করলো যে, আপনি আমাকে আগুন দ্বারা সৃষ্টি করেছেন আর আদমকে সৃষ্টি করেছেন মাটি দ্বারা। বাহ্যিকভাবে প্রমাণটি খুব চমৎকার। আগুন উত্তম আর তার তুলনায় মাটি অনুত্তম। কিন্তু তার বুদ্ধিতে ধরেনি যে, আগুনও আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন এবং মাটিও আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন। সৃষ্টিকর্তা যখন হুকুম দিচ্ছেন যে, আগুনের উচিত মাটিকে সিজদা করা তাহলে আগুনের শ্রেষ্ঠত্ব কিভাবে থাকলো, আর মাটিই বা অনুত্তম হলো কিভাবে। একথা তার বুঝে আসেনি। পরিণতিতে সে বিতাড়িত হলো। মারদূদ হলো, লাঞ্ছিত হলো। তাছাড়া আল্লাহ তা'আলার নিকট তাওবার দরজা তো খোলা, মানুষের জন্যও এবং শয়তানের জন্যও। সে যদি বুদ্ধিকে সঠিকভাবে ব্যবহার করে আল্লাহ তা'আলাকে বলতো আমার ভুল হয়ে গেছে আমাকে মাফ করে দিন। আপনি যা বলেছেন আমি তা করবো, কিন্তু এ কথা বলতে সে আজও প্রস্তুত নয়।
📄 শয়তানের তাওবার শিক্ষণীয় ঘটনা
আমি আমার শাইখের নিকট একটা ঘটনা শুনেছি। যদিও তা বাহ্যত ইসরাঈলী রেওয়ায়েত, তবে ঘটনাটি খুব শিক্ষণীয়। তাহলো যখন হযরত মূসা আলাইহিস সালাম আল্লাহ তা'আলার সঙ্গে কথা বলার জন্য তুর পাহাড়ে যাচ্ছিলেন। তখন পথে শয়তানের সঙ্গে সাক্ষাত হয়। সে বলে, আপনি আল্লাহ তা'আলার সঙ্গে কথা বলার জন্য যাচ্ছেন তাই আমার ছোট একটি কাজ করে দিবেন। হযরত মূসা আ. জিজ্ঞাসা করলেন কি কাজ? শয়তান বললো, এখন তো আমি বিতাড়িত, মারদূদ, মালাউন ও অভিশপ্ত হয়ে গেছি। আমার নাজাতের কোনো পথ দেখছি না। আপনি আল্লাহ তা'আলা কাছে আমার জন্য সুপারিশ করবেন, যেন আমারও তাওবার পথ হয়, নাজাতের কোনো উসিলা হয়। হযরত মূসা আ. বললেন, খুব ভালো। হযরত মূসা আ. তূর পাহাড়ে পৌছলেন। সেখানে আল্লাহ তা'আলার সাথে যখন কথা হলো তখন তিনি শয়তানের বিষয়টি পৌছানোর কথা ভুলে গেলেন। চলে আসার সময় আল্লাহ তা'আলা নিজে স্মরণ করিয়ে দিয়ে বললেন, তোমাকে কেউ কোনো পয়গাম দিয়েছিলো কি? তখন মুসা আ. বললেন, হে আল্লাহ! হ্যাঁ, পয়গাম দিয়েছিলো, আমি ভুলে গেছিলাম। আসার পথে আমার ইবলীসের সাথে দেখা হয়। সে খুব অস্থিরতা প্রকাশ করছিলো আর আবেদন করছিলো যে, আমর জন্যও যেন মুক্তির কোনো পথ হয়। হে আল্লাহ! আপনি তো বড়ো দয়ালু, সবাইকে মাফ করে থাকেন। সে তাওবা করছে তাকেও আপনি মাফ করে দিন। আল্লাহ তা'আলা বললেন, আমি কবে বলেছি যে, তাওবার দরজা বন্ধ। আমি তো মাফ করতে প্রস্তুত আছি। তাকে বলুন, তোমার তাওবা কবুল হবে। আর তার পথ হলো, আমি তাকে বলেছিলাম আদমকে সিজদা করো, তখন তুমি আমার কথা মানোনি। এখনও বিষয়টি সহজ। তার কবরে গিয়ে সিজদা করো, আমি তোমাকে মাফ করে দেবো। হযরত মূসা আ. বললেন, ব্যাপারটি তো খুব সহজে সমাধান হলো। এই পয়গাম নিয়ে তিনি ফিরে এলেন। রাস্তায় শয়তানের সাথে আবার দেখা হলো। জিজ্ঞাসা করলো, আমার মাফের কী ব্যবস্থা হলো? হযরত মুসা আ. তাকে বললেন তোমার ব্যাপারে তো আল্লাহ তা'আলা খুব সহজ পথ বলে দিয়েছেন। তখন তোমার এই ভুল হয়েছিলো যে, আদমকে সিজদা করোনি। আল্লাহ তা'আলা বলেছেন, আদমের কবরে সিজদা করো তাহলে তোমার গোনাহ মাফ হয়ে যাবে। শয়তান সাথে সাথে উত্তরে বললো, বাহ আমি জীবিতকে সিজদা করি নাই, এখন মৃতকে কিভাবে সিজদা করবো! তার কবরকে কিভাবে সিজদা করবো। এটা আমার দ্বারা হবে না। এই উত্তর এজন্য দিয়েছে যে, তার বুদ্ধি উল্টে গেছে। যাইহোক, গোনাহের বৈশিষ্ট্য হলো, তা মানুষের বুদ্ধিকে উল্টে দেয়, মানুষের মতকে উল্টে দেয়। তখন সঠিক কথা মানুষের বুঝে আসে না।
আমি আমার শাইখের নিকট একটা ঘটনা শুনেছি। যদিও তা বাহ্যত ইসরাঈলী রেওয়ায়েত, তবে ঘটনাটি খুব শিক্ষণীয়। তাহলো যখন হযরত মূসা আলাইহিস সালাম আল্লাহ তা'আলার সঙ্গে কথা বলার জন্য তুর পাহাড়ে যাচ্ছিলেন। তখন পথে শয়তানের সঙ্গে সাক্ষাত হয়। সে বলে, আপনি আল্লাহ তা'আলার সঙ্গে কথা বলার জন্য যাচ্ছেন তাই আমার ছোট একটি কাজ করে দিবেন। হযরত মূসা আ. জিজ্ঞাসা করলেন কি কাজ? শয়তান বললো, এখন তো আমি বিতাড়িত, মারদূদ, মালাউন ও অভিশপ্ত হয়ে গেছি। আমার নাজাতের কোনো পথ দেখছি না। আপনি আল্লাহ তা'আলা কাছে আমার জন্য সুপারিশ করবেন, যেন আমারও তাওবার পথ হয়, নাজাতের কোনো উসিলা হয়। হযরত মূসা আ. বললেন, খুব ভালো। হযরত মূসা আ. তূর পাহাড়ে পৌছলেন। সেখানে আল্লাহ তা'আলার সাথে যখন কথা হলো তখন তিনি শয়তানের বিষয়টি পৌছানোর কথা ভুলে গেলেন। চলে আসার সময় আল্লাহ তা'আলা নিজে স্মরণ করিয়ে দিয়ে বললেন, তোমাকে কেউ কোনো পয়গাম দিয়েছিলো কি? তখন মুসা আ. বললেন, হে আল্লাহ! হ্যাঁ, পয়গাম দিয়েছিলো, আমি ভুলে গেছিলাম। আসার পথে আমার ইবলীসের সাথে দেখা হয়। সে খুব অস্থিরতা প্রকাশ করছিলো আর আবেদন করছিলো যে, আমর জন্যও যেন মুক্তির কোনো পথ হয়। হে আল্লাহ! আপনি তো বড়ো দয়ালু, সবাইকে মাফ করে থাকেন। সে তাওবা করছে তাকেও আপনি মাফ করে দিন। আল্লাহ তা'আলা বললেন, আমি কবে বলেছি যে, তাওবার দরজা বন্ধ। আমি তো মাফ করতে প্রস্তুত আছি। তাকে বলুন, তোমার তাওবা কবুল হবে। আর তার পথ হলো, আমি তাকে বলেছিলাম আদমকে সিজদা করো, তখন তুমি আমার কথা মানোনি। এখনও বিষয়টি সহজ। তার কবরে গিয়ে সিজদা করো, আমি তোমাকে মাফ করে দেবো। হযরত মূসা আ. বললেন, ব্যাপারটি তো খুব সহজে সমাধান হলো। এই পয়গাম নিয়ে তিনি ফিরে এলেন। রাস্তায় শয়তানের সাথে আবার দেখা হলো। জিজ্ঞাসা করলো, আমার মাফের কী ব্যবস্থা হলো? হযরত মুসা আ. তাকে বললেন তোমার ব্যাপারে তো আল্লাহ তা'আলা খুব সহজ পথ বলে দিয়েছেন। তখন তোমার এই ভুল হয়েছিলো যে, আদমকে সিজদা করোনি। আল্লাহ তা'আলা বলেছেন, আদমের কবরে সিজদা করো তাহলে তোমার গোনাহ মাফ হয়ে যাবে। শয়তান সাথে সাথে উত্তরে বললো, বাহ আমি জীবিতকে সিজদা করি নাই, এখন মৃতকে কিভাবে সিজদা করবো! তার কবরকে কিভাবে সিজদা করবো। এটা আমার দ্বারা হবে না। এই উত্তর এজন্য দিয়েছে যে, তার বুদ্ধি উল্টে গেছে। যাইহোক, গোনাহের বৈশিষ্ট্য হলো, তা মানুষের বুদ্ধিকে উল্টে দেয়, মানুষের মতকে উল্টে দেয়। তখন সঠিক কথা মানুষের বুঝে আসে না।
📄 তোমার হিকমত জিজ্ঞাসা করার অধিকার নেই
কুরআন ও হাদীস সুস্পষ্ট ভাষায় যেসব গোনাহকে হারাম সাব্যস্ত করেছে, যেসব লোক তাতে লিপ্ত তাদেরকে যদি বলা হয়, এই গোনাহের কাজটা হারাম। তখন সাথে সাথে এর বিরুদ্ধে যুক্তি পেশ করতে আরম্ভ করে। বুদ্ধিবৃত্তিক প্রমাণ দিতে থাকে। বলে, এই গোনাহকে কেন হারাম করা হয়েছে, এর মধ্যে তো এই উপকার আছে, ঐ কল্যাণ আছে? একে হারাম সাব্যস্ত করার মাঝে কী কল্যাণ আছে? কী হিকমত আছে? তাকে জিজ্ঞাসা করুন, তুমি এই দুনিয়াতে খোদা হয়ে এসেছো, নাকি বান্দা হয়ে? তুমি যদি বান্দা হয়ে এসে থাকো তাহলে নিজের এই প্রশ্নকে নিজের চাকরের প্রশ্নের সাথে তুলনা করে দেখো, যাকে তুমি নিজের বাড়িতে চাকর রেখেছো। উদাহরণস্বরূপ, আপনি বাড়ির বাজার করার জন্য একজন চাকর রেখেছেন। আপনি চাকরকে বললেন, বাজারে গিয়ে এতো টাকার অমুক জিনিস ক্রয় করে আনো। এখন চাকর বলতে আরম্ভ করলো, আগে বলুন আমাকে এই সওদায় আনতে বলা হচ্ছে কেন? এই পরিমাণ আনতে বলা হচ্ছে কেন? এই অপচয়ের পিছনে কী কল্যাণ আছে? আগে আমাকে এর উত্তর দিন। কোনো চাকর যদি আমাদের কাজের হিকমত আর কল্যাণ জিজ্ঞাসা করে তাহলে সে কান ধরে বের করে দেওয়ার যোগ্য। চাকুরিচ্যুত করার যোগ্য। কারণ, চাকরের এই অধিকারই নেই যে, সে প্রশ্ন করবে এই জিনিস কেন আনানো হচ্ছে? তাকে চাকর রাখাই হয়েছে এ জন্য যে, তাকে যে কাজের কথা বলা হবে, তা সে করবে। বুঝে আসলেও করবে, বুঝে না আসলেও করবে। কারণ সে চাকর। কাজের কল্যাণ আর রহস্য জিজ্ঞাসা করা চাকরের কাজ নয়।
কুরআন ও হাদীস সুস্পষ্ট ভাষায় যেসব গোনাহকে হারাম সাব্যস্ত করেছে, যেসব লোক তাতে লিপ্ত তাদেরকে যদি বলা হয়, এই গোনাহের কাজটা হারাম। তখন সাথে সাথে এর বিরুদ্ধে যুক্তি পেশ করতে আরম্ভ করে। বুদ্ধিবৃত্তিক প্রমাণ দিতে থাকে। বলে, এই গোনাহকে কেন হারাম করা হয়েছে, এর মধ্যে তো এই উপকার আছে, ঐ কল্যাণ আছে? একে হারাম সাব্যস্ত করার মাঝে কী কল্যাণ আছে? কী হিকমত আছে? তাকে জিজ্ঞাসা করুন, তুমি এই দুনিয়াতে খোদা হয়ে এসেছো, নাকি বান্দা হয়ে? তুমি যদি বান্দা হয়ে এসে থাকো তাহলে নিজের এই প্রশ্নকে নিজের চাকরের প্রশ্নের সাথে তুলনা করে দেখো, যাকে তুমি নিজের বাড়িতে চাকর রেখেছো। উদাহরণস্বরূপ, আপনি বাড়ির বাজার করার জন্য একজন চাকর রেখেছেন। আপনি চাকরকে বললেন, বাজারে গিয়ে এতো টাকার অমুক জিনিস ক্রয় করে আনো। এখন চাকর বলতে আরম্ভ করলো, আগে বলুন আমাকে এই সওদায় আনতে বলা হচ্ছে কেন? এই পরিমাণ আনতে বলা হচ্ছে কেন? এই অপচয়ের পিছনে কী কল্যাণ আছে? আগে আমাকে এর উত্তর দিন। কোনো চাকর যদি আমাদের কাজের হিকমত আর কল্যাণ জিজ্ঞাসা করে তাহলে সে কান ধরে বের করে দেওয়ার যোগ্য। চাকুরিচ্যুত করার যোগ্য। কারণ, চাকরের এই অধিকারই নেই যে, সে প্রশ্ন করবে এই জিনিস কেন আনানো হচ্ছে? তাকে চাকর রাখাই হয়েছে এ জন্য যে, তাকে যে কাজের কথা বলা হবে, তা সে করবে। বুঝে আসলেও করবে, বুঝে না আসলেও করবে। কারণ সে চাকর। কাজের কল্যাণ আর রহস্য জিজ্ঞাসা করা চাকরের কাজ নয়।
📄 তুমি চাকর নও বান্দা
এক ব্যক্তিকে আপনি আট ঘণ্টার জন্য চাকর রেখেছেন, সে চাকর আপনার দাস নয়। আপনি তাকে সৃষ্টি করেন নি। সে আপনার বান্দা নয়, আর আপনি তার খোদা নন। সে শুধু বেতনভুক্ত কর্মচারী। সে যদি আপনার কাজের কারণ ও রহস্য জিজ্ঞাসা করতে আরম্ভ করে তাহলে তা আপনার সহ্য হয় না। কিন্তু আপনি তো আল্লাহ তা'আলার কর্মচারী নন, কৃতদাস নন, আপনি তো আল্লাহ তা'আলার বান্দা। তিনি আপনাকে সৃষ্টি করেছেন। তিনি যদি আপনাকে কোনো কাজ করতে বলেন আর আপনি বলেন যে, আগে আমাকে কারণ বলুন, রহস্য ও কল্যাণ বলুন, তাহলে আমি এ কাজ করবো। এভাবে রহস্য ও কল্যাণ জানতে চাওয়া তেমনই চরম নির্বুদ্ধিতা, যেমন চরম নির্বুদ্ধিতা ঐ কর্মচারী করছে। বরং তার চেয়েও মারাত্মক ও জঘন্য নির্বুদ্ধিতা। কারণ, ঐ কর্মচারীও মানুষ, আর আপনিও মানুষ। তারও জ্ঞান-বুদ্ধি আছে, আপনারও জ্ঞান-বুদ্ধি আছে। দুজনের জ্ঞান-বুদ্ধি সমান। কিন্তু কোথায় আল্লাহ তা'আলার রহস্য ও কল্যাণ, আর কোথায় আপনার এই সামান্য বুদ্ধি! এই দুইয়ের মধ্যে কোনো তুলনা হয় না। তারপরও আপনি রহস্য জানতে চাচ্ছেন, কল্যাণ জানতে চাচ্ছেন যে, শরীয়তের এই বিধানের মধ্যে কি কল্যাণ আছে? প্রথমে কল্যাণ বলো, রহস্য বলো, তাহলে আমল করবো, অন্যথায় করবো না। এই দাবির কারণ এই যে, বুদ্ধি উল্টে গেছে। গোনাহের আধিক্য বুদ্ধিকে উল্টে দিয়েছে।
এক ব্যক্তিকে আপনি আট ঘণ্টার জন্য চাকর রেখেছেন, সে চাকর আপনার দাস নয়। আপনি তাকে সৃষ্টি করেন নি। সে আপনার বান্দা নয়, আর আপনি তার খোদা নন। সে শুধু বেতনভুক্ত কর্মচারী। সে যদি আপনার কাজের কারণ ও রহস্য জিজ্ঞাসা করতে আরম্ভ করে তাহলে তা আপনার সহ্য হয় না। কিন্তু আপনি তো আল্লাহ তা'আলার কর্মচারী নন, কৃতদাস নন, আপনি তো আল্লাহ তা'আলার বান্দা। তিনি আপনাকে সৃষ্টি করেছেন। তিনি যদি আপনাকে কোনো কাজ করতে বলেন আর আপনি বলেন যে, আগে আমাকে কারণ বলুন, রহস্য ও কল্যাণ বলুন, তাহলে আমি এ কাজ করবো। এভাবে রহস্য ও কল্যাণ জানতে চাওয়া তেমনই চরম নির্বুদ্ধিতা, যেমন চরম নির্বুদ্ধিতা ঐ কর্মচারী করছে। বরং তার চেয়েও মারাত্মক ও জঘন্য নির্বুদ্ধিতা। কারণ, ঐ কর্মচারীও মানুষ, আর আপনিও মানুষ। তারও জ্ঞান-বুদ্ধি আছে, আপনারও জ্ঞান-বুদ্ধি আছে। দুজনের জ্ঞান-বুদ্ধি সমান। কিন্তু কোথায় আল্লাহ তা'আলার রহস্য ও কল্যাণ, আর কোথায় আপনার এই সামান্য বুদ্ধি! এই দুইয়ের মধ্যে কোনো তুলনা হয় না। তারপরও আপনি রহস্য জানতে চাচ্ছেন, কল্যাণ জানতে চাচ্ছেন যে, শরীয়তের এই বিধানের মধ্যে কি কল্যাণ আছে? প্রথমে কল্যাণ বলো, রহস্য বলো, তাহলে আমল করবো, অন্যথায় করবো না। এই দাবির কারণ এই যে, বুদ্ধি উল্টে গেছে। গোনাহের আধিক্য বুদ্ধিকে উল্টে দিয়েছে।