📄 গোনাহে অভ্যস্ত হওয়ার দৃষ্টান্ত
আমাদের অন্তরে গোনাহের অন্ধকার এজন্য অনুভূত হয় না যে, আমরা এগুলোতে অভ্যস্ত হয়ে গেছি। এর দৃষ্টান্ত এমন, যেমন একটি দুর্গন্ধময় ঘর। তার মধ্যে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। পঁচা জিনিস ঐ ঘরে পড়ে আছে। বাহির থেকে কোনো ব্যক্তি ঐ ঘরে গেলে সেখানে সামান্য সময় দাঁড়ানোও তার জন্য কঠিন হয়ে পড়বে, কিন্তু কোনো ব্যক্তি যদি ঐ ঘরেই বসবাস করে, তাহলে ঐ দুর্গন্ধ তার অনুভব হবে না। কারণ, সে তাতে অভ্যস্ত হয়ে গেছে। তার সুগন্ধ আর দুর্গন্ধের বোধশক্তিই নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে সে আরামে ঐ বাড়িতে বাস করে। কেউ যদি তাকে বলে, তুমি এমন নোংরা ও দুর্গন্ধ ঘরে বাস করো! তাহলে সে তাকে পাগল বলবে। বলবে, আমি তো খুব আরামে এ বাড়িতে রয়েছি। এখানে কোনো প্রকার কষ্ট নেই। কারণ ঐ ব্যক্তি এই দুর্গন্ধে অভ্যস্ত হয়ে গেছে। আর যে ব্যক্তিকে আল্লাহ তা'আলা ঐ দুর্গন্ধ থেকে হেফাজত করেছেন, বরং সুগন্ধ পরিবেশে রেখেছেন, তার অবস্থা তো এমন হবে যে, দূর থেকে সামান্য দুর্গন্ধ আসলেও তার মাথা খারাপ হয়ে যাবে। এমনিভাবে যারা প্রকৃত ঈমানদার এবং যাদের আত্মা তাকওয়ার কারণে আয়নার মতো স্বচ্ছ, তারা গোনাহের অন্ধকারকে ও ঘৃণা করেন ও তা খুব বেশি অনুভব করেন। মোটকথা, গোনাহের তৃতীয় বড়ো খারাবি ও পরিণতি অন্তরে অন্ধকার সৃষ্টি হওয়া।
আমাদের অন্তরে গোনাহের অন্ধকার এজন্য অনুভূত হয় না যে, আমরা এগুলোতে অভ্যস্ত হয়ে গেছি। এর দৃষ্টান্ত এমন, যেমন একটি দুর্গন্ধময় ঘর। তার মধ্যে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। পঁচা জিনিস ঐ ঘরে পড়ে আছে। বাহির থেকে কোনো ব্যক্তি ঐ ঘরে গেলে সেখানে সামান্য সময় দাঁড়ানোও তার জন্য কঠিন হয়ে পড়বে, কিন্তু কোনো ব্যক্তি যদি ঐ ঘরেই বসবাস করে, তাহলে ঐ দুর্গন্ধ তার অনুভব হবে না। কারণ, সে তাতে অভ্যস্ত হয়ে গেছে। তার সুগন্ধ আর দুর্গন্ধের বোধশক্তিই নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে সে আরামে ঐ বাড়িতে বাস করে। কেউ যদি তাকে বলে, তুমি এমন নোংরা ও দুর্গন্ধ ঘরে বাস করো! তাহলে সে তাকে পাগল বলবে। বলবে, আমি তো খুব আরামে এ বাড়িতে রয়েছি। এখানে কোনো প্রকার কষ্ট নেই। কারণ ঐ ব্যক্তি এই দুর্গন্ধে অভ্যস্ত হয়ে গেছে। আর যে ব্যক্তিকে আল্লাহ তা'আলা ঐ দুর্গন্ধ থেকে হেফাজত করেছেন, বরং সুগন্ধ পরিবেশে রেখেছেন, তার অবস্থা তো এমন হবে যে, দূর থেকে সামান্য দুর্গন্ধ আসলেও তার মাথা খারাপ হয়ে যাবে। এমনিভাবে যারা প্রকৃত ঈমানদার এবং যাদের আত্মা তাকওয়ার কারণে আয়নার মতো স্বচ্ছ, তারা গোনাহের অন্ধকারকে ও ঘৃণা করেন ও তা খুব বেশি অনুভব করেন। মোটকথা, গোনাহের তৃতীয় বড়ো খারাবি ও পরিণতি অন্তরে অন্ধকার সৃষ্টি হওয়া।
📄 গোনাহের চতুর্থ খারাবি বুদ্ধি নষ্ট হয়ে যাওয়া
গোনাহের চতুর্থ খারাবি এই যে, মানুষ যখন গোনাহ করতে থাকে তখন তার বুদ্ধি নষ্ট হয়ে যায়। তার মত উল্টা হয়ে যায়। তার চিন্তা ও বুঝ ভুল পথে পরিচালিত হয়। তখন সে ভালো জিনিসকে খারাপ এবং খারাপ জিনিসকে ভালো মনে করতে আরম্ভ করে। তাকে যদি সঠিক কথাও নরমভাবে বুঝানো হয় তাহলে তা তার মগজে ঢুকবে না। তার সম্পর্কেই আল্লাহ তা'আলা বলেন, আল্লাহ যাকে বিপথগামী করেন তার হেদায়েতের কোনো পথ নেই। আল্লাহ তা'আলা অহেতুক কাউকে বিপথগামী করেন না। কোনো মানুষ অব্যাহতভাবে নাফরমানী করতে থাকলে তার অকল্যাণে সঠিক কথা তার বুঝেই আসে না।
গোনাহের চতুর্থ খারাবি এই যে, মানুষ যখন গোনাহ করতে থাকে তখন তার বুদ্ধি নষ্ট হয়ে যায়। তার মত উল্টা হয়ে যায়। তার চিন্তা ও বুঝ ভুল পথে পরিচালিত হয়। তখন সে ভালো জিনিসকে খারাপ এবং খারাপ জিনিসকে ভালো মনে করতে আরম্ভ করে। তাকে যদি সঠিক কথাও নরমভাবে বুঝানো হয় তাহলে তা তার মগজে ঢুকবে না। তার সম্পর্কেই আল্লাহ তা'আলা বলেন, আল্লাহ যাকে বিপথগামী করেন তার হেদায়েতের কোনো পথ নেই। আল্লাহ তা'আলা অহেতুক কাউকে বিপথগামী করেন না। কোনো মানুষ অব্যাহতভাবে নাফরমানী করতে থাকলে তার অকল্যাণে সঠিক কথা তার বুঝেই আসে না।
📄 গোনাহ শয়তানের বুদ্ধিকে উল্টিয়ে দিয়েছে
দেখুন! ইবলীস শয়তান হলো গোনাহের উৎস, কেন্দ্র ও প্রতিষ্ঠাতা। কারণ, সর্বপ্রথম সেই এই দুনিয়াতে গোনাহ আবিষ্কার করেছে। নিজেও গোনাহে লিপ্ত হয়েছে এবং হযরত আদম আলাইহিস সালামের মতো মহান নবীকেও বিপথগামী করেছে। এই গোনাহ করার ফলে তার বুদ্ধি উল্টে গেছে। তাই যখন আল্লাহ তা'আলা তাকে হযরত আদম আলাইহিস সালামের সামনে সিজদা করার হুকুম দিলেন তখন সে হুকুম না মেনে উল্টা যুক্তি পেশ করতে আরম্ভ করলো যে, আপনি আমাকে আগুন দ্বারা সৃষ্টি করেছেন আর আদমকে সৃষ্টি করেছেন মাটি দ্বারা। বাহ্যিকভাবে প্রমাণটি খুব চমৎকার। আগুন উত্তম আর তার তুলনায় মাটি অনুত্তম। কিন্তু তার বুদ্ধিতে ধরেনি যে, আগুনও আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন এবং মাটিও আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন। সৃষ্টিকর্তা যখন হুকুম দিচ্ছেন যে, আগুনের উচিত মাটিকে সিজদা করা তাহলে আগুনের শ্রেষ্ঠত্ব কিভাবে থাকলো, আর মাটিই বা অনুত্তম হলো কিভাবে। একথা তার বুঝে আসেনি। পরিণতিতে সে বিতাড়িত হলো। মারদূদ হলো, লাঞ্ছিত হলো। তাছাড়া আল্লাহ তা'আলার নিকট তাওবার দরজা তো খোলা, মানুষের জন্যও এবং শয়তানের জন্যও। সে যদি বুদ্ধিকে সঠিকভাবে ব্যবহার করে আল্লাহ তা'আলাকে বলতো আমার ভুল হয়ে গেছে আমাকে মাফ করে দিন। আপনি যা বলেছেন আমি তা করবো, কিন্তু এ কথা বলতে সে আজও প্রস্তুত নয়।
দেখুন! ইবলীস শয়তান হলো গোনাহের উৎস, কেন্দ্র ও প্রতিষ্ঠাতা। কারণ, সর্বপ্রথম সেই এই দুনিয়াতে গোনাহ আবিষ্কার করেছে। নিজেও গোনাহে লিপ্ত হয়েছে এবং হযরত আদম আলাইহিস সালামের মতো মহান নবীকেও বিপথগামী করেছে। এই গোনাহ করার ফলে তার বুদ্ধি উল্টে গেছে। তাই যখন আল্লাহ তা'আলা তাকে হযরত আদম আলাইহিস সালামের সামনে সিজদা করার হুকুম দিলেন তখন সে হুকুম না মেনে উল্টা যুক্তি পেশ করতে আরম্ভ করলো যে, আপনি আমাকে আগুন দ্বারা সৃষ্টি করেছেন আর আদমকে সৃষ্টি করেছেন মাটি দ্বারা। বাহ্যিকভাবে প্রমাণটি খুব চমৎকার। আগুন উত্তম আর তার তুলনায় মাটি অনুত্তম। কিন্তু তার বুদ্ধিতে ধরেনি যে, আগুনও আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন এবং মাটিও আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন। সৃষ্টিকর্তা যখন হুকুম দিচ্ছেন যে, আগুনের উচিত মাটিকে সিজদা করা তাহলে আগুনের শ্রেষ্ঠত্ব কিভাবে থাকলো, আর মাটিই বা অনুত্তম হলো কিভাবে। একথা তার বুঝে আসেনি। পরিণতিতে সে বিতাড়িত হলো। মারদূদ হলো, লাঞ্ছিত হলো। তাছাড়া আল্লাহ তা'আলার নিকট তাওবার দরজা তো খোলা, মানুষের জন্যও এবং শয়তানের জন্যও। সে যদি বুদ্ধিকে সঠিকভাবে ব্যবহার করে আল্লাহ তা'আলাকে বলতো আমার ভুল হয়ে গেছে আমাকে মাফ করে দিন। আপনি যা বলেছেন আমি তা করবো, কিন্তু এ কথা বলতে সে আজও প্রস্তুত নয়।
📄 শয়তানের তাওবার শিক্ষণীয় ঘটনা
আমি আমার শাইখের নিকট একটা ঘটনা শুনেছি। যদিও তা বাহ্যত ইসরাঈলী রেওয়ায়েত, তবে ঘটনাটি খুব শিক্ষণীয়। তাহলো যখন হযরত মূসা আলাইহিস সালাম আল্লাহ তা'আলার সঙ্গে কথা বলার জন্য তুর পাহাড়ে যাচ্ছিলেন। তখন পথে শয়তানের সঙ্গে সাক্ষাত হয়। সে বলে, আপনি আল্লাহ তা'আলার সঙ্গে কথা বলার জন্য যাচ্ছেন তাই আমার ছোট একটি কাজ করে দিবেন। হযরত মূসা আ. জিজ্ঞাসা করলেন কি কাজ? শয়তান বললো, এখন তো আমি বিতাড়িত, মারদূদ, মালাউন ও অভিশপ্ত হয়ে গেছি। আমার নাজাতের কোনো পথ দেখছি না। আপনি আল্লাহ তা'আলা কাছে আমার জন্য সুপারিশ করবেন, যেন আমারও তাওবার পথ হয়, নাজাতের কোনো উসিলা হয়। হযরত মূসা আ. বললেন, খুব ভালো। হযরত মূসা আ. তূর পাহাড়ে পৌছলেন। সেখানে আল্লাহ তা'আলার সাথে যখন কথা হলো তখন তিনি শয়তানের বিষয়টি পৌছানোর কথা ভুলে গেলেন। চলে আসার সময় আল্লাহ তা'আলা নিজে স্মরণ করিয়ে দিয়ে বললেন, তোমাকে কেউ কোনো পয়গাম দিয়েছিলো কি? তখন মুসা আ. বললেন, হে আল্লাহ! হ্যাঁ, পয়গাম দিয়েছিলো, আমি ভুলে গেছিলাম। আসার পথে আমার ইবলীসের সাথে দেখা হয়। সে খুব অস্থিরতা প্রকাশ করছিলো আর আবেদন করছিলো যে, আমর জন্যও যেন মুক্তির কোনো পথ হয়। হে আল্লাহ! আপনি তো বড়ো দয়ালু, সবাইকে মাফ করে থাকেন। সে তাওবা করছে তাকেও আপনি মাফ করে দিন। আল্লাহ তা'আলা বললেন, আমি কবে বলেছি যে, তাওবার দরজা বন্ধ। আমি তো মাফ করতে প্রস্তুত আছি। তাকে বলুন, তোমার তাওবা কবুল হবে। আর তার পথ হলো, আমি তাকে বলেছিলাম আদমকে সিজদা করো, তখন তুমি আমার কথা মানোনি। এখনও বিষয়টি সহজ। তার কবরে গিয়ে সিজদা করো, আমি তোমাকে মাফ করে দেবো। হযরত মূসা আ. বললেন, ব্যাপারটি তো খুব সহজে সমাধান হলো। এই পয়গাম নিয়ে তিনি ফিরে এলেন। রাস্তায় শয়তানের সাথে আবার দেখা হলো। জিজ্ঞাসা করলো, আমার মাফের কী ব্যবস্থা হলো? হযরত মুসা আ. তাকে বললেন তোমার ব্যাপারে তো আল্লাহ তা'আলা খুব সহজ পথ বলে দিয়েছেন। তখন তোমার এই ভুল হয়েছিলো যে, আদমকে সিজদা করোনি। আল্লাহ তা'আলা বলেছেন, আদমের কবরে সিজদা করো তাহলে তোমার গোনাহ মাফ হয়ে যাবে। শয়তান সাথে সাথে উত্তরে বললো, বাহ আমি জীবিতকে সিজদা করি নাই, এখন মৃতকে কিভাবে সিজদা করবো! তার কবরকে কিভাবে সিজদা করবো। এটা আমার দ্বারা হবে না। এই উত্তর এজন্য দিয়েছে যে, তার বুদ্ধি উল্টে গেছে। যাইহোক, গোনাহের বৈশিষ্ট্য হলো, তা মানুষের বুদ্ধিকে উল্টে দেয়, মানুষের মতকে উল্টে দেয়। তখন সঠিক কথা মানুষের বুঝে আসে না।
আমি আমার শাইখের নিকট একটা ঘটনা শুনেছি। যদিও তা বাহ্যত ইসরাঈলী রেওয়ায়েত, তবে ঘটনাটি খুব শিক্ষণীয়। তাহলো যখন হযরত মূসা আলাইহিস সালাম আল্লাহ তা'আলার সঙ্গে কথা বলার জন্য তুর পাহাড়ে যাচ্ছিলেন। তখন পথে শয়তানের সঙ্গে সাক্ষাত হয়। সে বলে, আপনি আল্লাহ তা'আলার সঙ্গে কথা বলার জন্য যাচ্ছেন তাই আমার ছোট একটি কাজ করে দিবেন। হযরত মূসা আ. জিজ্ঞাসা করলেন কি কাজ? শয়তান বললো, এখন তো আমি বিতাড়িত, মারদূদ, মালাউন ও অভিশপ্ত হয়ে গেছি। আমার নাজাতের কোনো পথ দেখছি না। আপনি আল্লাহ তা'আলা কাছে আমার জন্য সুপারিশ করবেন, যেন আমারও তাওবার পথ হয়, নাজাতের কোনো উসিলা হয়। হযরত মূসা আ. বললেন, খুব ভালো। হযরত মূসা আ. তূর পাহাড়ে পৌছলেন। সেখানে আল্লাহ তা'আলার সাথে যখন কথা হলো তখন তিনি শয়তানের বিষয়টি পৌছানোর কথা ভুলে গেলেন। চলে আসার সময় আল্লাহ তা'আলা নিজে স্মরণ করিয়ে দিয়ে বললেন, তোমাকে কেউ কোনো পয়গাম দিয়েছিলো কি? তখন মুসা আ. বললেন, হে আল্লাহ! হ্যাঁ, পয়গাম দিয়েছিলো, আমি ভুলে গেছিলাম। আসার পথে আমার ইবলীসের সাথে দেখা হয়। সে খুব অস্থিরতা প্রকাশ করছিলো আর আবেদন করছিলো যে, আমর জন্যও যেন মুক্তির কোনো পথ হয়। হে আল্লাহ! আপনি তো বড়ো দয়ালু, সবাইকে মাফ করে থাকেন। সে তাওবা করছে তাকেও আপনি মাফ করে দিন। আল্লাহ তা'আলা বললেন, আমি কবে বলেছি যে, তাওবার দরজা বন্ধ। আমি তো মাফ করতে প্রস্তুত আছি। তাকে বলুন, তোমার তাওবা কবুল হবে। আর তার পথ হলো, আমি তাকে বলেছিলাম আদমকে সিজদা করো, তখন তুমি আমার কথা মানোনি। এখনও বিষয়টি সহজ। তার কবরে গিয়ে সিজদা করো, আমি তোমাকে মাফ করে দেবো। হযরত মূসা আ. বললেন, ব্যাপারটি তো খুব সহজে সমাধান হলো। এই পয়গাম নিয়ে তিনি ফিরে এলেন। রাস্তায় শয়তানের সাথে আবার দেখা হলো। জিজ্ঞাসা করলো, আমার মাফের কী ব্যবস্থা হলো? হযরত মুসা আ. তাকে বললেন তোমার ব্যাপারে তো আল্লাহ তা'আলা খুব সহজ পথ বলে দিয়েছেন। তখন তোমার এই ভুল হয়েছিলো যে, আদমকে সিজদা করোনি। আল্লাহ তা'আলা বলেছেন, আদমের কবরে সিজদা করো তাহলে তোমার গোনাহ মাফ হয়ে যাবে। শয়তান সাথে সাথে উত্তরে বললো, বাহ আমি জীবিতকে সিজদা করি নাই, এখন মৃতকে কিভাবে সিজদা করবো! তার কবরকে কিভাবে সিজদা করবো। এটা আমার দ্বারা হবে না। এই উত্তর এজন্য দিয়েছে যে, তার বুদ্ধি উল্টে গেছে। যাইহোক, গোনাহের বৈশিষ্ট্য হলো, তা মানুষের বুদ্ধিকে উল্টে দেয়, মানুষের মতকে উল্টে দেয়। তখন সঠিক কথা মানুষের বুঝে আসে না।