📄 সব ধরনের গোনাহ ত্যাগ করুন!
এজন্য কোনো গোনাহই এমন নেই, যার ব্যাপারে উদাসীন হওয়া যায়। না জাহেরী গোনাহ, না বাতেনী গোনাহ। এমন যেন না হয় যে, কিছু মোটা মোটা গোনাহ তো ছেড়ে দিলো কিন্তু অবশিষ্ট গোনাহ ছাড়ার দিকে কোনো মনযোগ নেই। যেমন মজলিসে গীবত করা হচ্ছে, মানুষের মনে কষ্ট দিয়ে কথা বলা হচ্ছে, অন্যের প্রতি হিংসা ও বিদ্বেষ পোষণ করা হচ্ছে, কিংবা অন্তরে অহঙ্কার ভরা। সম্পদের ভালোবাসা, পদ পদবীর ভালোবাসা, দুনিয়ার ভালোবাসা অন্তরে পরিপূর্ণ। তাহলে তো গোনাহ ছাড়া হলো না। প্রত্যেক এমন কাজ, যাকে আল্লাহ ও রাসূল গোনাহ সাব্যস্ত করেছেন সেগুলো ত্যাগ করতে হবে। সে বিষয়ে মানুষকে চিন্তাশীল হতে হবে।
এজন্য কোনো গোনাহই এমন নেই, যার ব্যাপারে উদাসীন হওয়া যায়। না জাহেরী গোনাহ, না বাতেনী গোনাহ। এমন যেন না হয় যে, কিছু মোটা মোটা গোনাহ তো ছেড়ে দিলো কিন্তু অবশিষ্ট গোনাহ ছাড়ার দিকে কোনো মনযোগ নেই। যেমন মজলিসে গীবত করা হচ্ছে, মানুষের মনে কষ্ট দিয়ে কথা বলা হচ্ছে, অন্যের প্রতি হিংসা ও বিদ্বেষ পোষণ করা হচ্ছে, কিংবা অন্তরে অহঙ্কার ভরা। সম্পদের ভালোবাসা, পদ পদবীর ভালোবাসা, দুনিয়ার ভালোবাসা অন্তরে পরিপূর্ণ। তাহলে তো গোনাহ ছাড়া হলো না। প্রত্যেক এমন কাজ, যাকে আল্লাহ ও রাসূল গোনাহ সাব্যস্ত করেছেন সেগুলো ত্যাগ করতে হবে। সে বিষয়ে মানুষকে চিন্তাশীল হতে হবে।
📄 পরিবার-পরিজনকে গোনাহ থেকে বাঁচান!
আরেকটি কথা বলছি, এসব গোনাহ ততক্ষণ পর্যন্ত ছুটবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত নিজের পরিবেশকে সংশোধন করার চিন্তা-চেষ্টা না করা হবে। কোনো ব্যক্তি যদি গোনাহ থেকে বাঁচতে চায় আর পরিবার-পরিজন ভুল পথে চলছে সেদিকে কোনো মনযোগ না দেয়, মনে রাখবেন! এভাবে কখনোই গোনাহ ছাড়তে পারবে না। গোনাহ ছাড়ার জন্য যতো চেষ্টাই করেন না কেন ঘরের পরিবেশ যদি খারাপ থাকে, পরিবার-পরিজন যদি ভুল পথে চলে আর সে বিষয়ে আপনার কোনো ফিকির না থাকে, তাহলে এই পরিবার-পরিজন একদিন না একদিন আপনাকে অবশ্যই গোনাহে লিপ্ত করবে। সুতরাং একজন মানুষের জন্য গোনাহ থেকে বাঁচা যেমন জরুরী, তেমনই জরুরী পরিবার-পরিজনকে বাঁচানো। সব সময় চিন্তা ফিকির থাকতে হবে পরিবার-পরিজন যেন কোনো গোনাহে লিপ্ত না হয়।
আরেকটি কথা বলছি, এসব গোনাহ ততক্ষণ পর্যন্ত ছুটবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত নিজের পরিবেশকে সংশোধন করার চিন্তা-চেষ্টা না করা হবে। কোনো ব্যক্তি যদি গোনাহ থেকে বাঁচতে চায় আর পরিবার-পরিজন ভুল পথে চলছে সেদিকে কোনো মনযোগ না দেয়, মনে রাখবেন! এভাবে কখনোই গোনাহ ছাড়তে পারবে না। গোনাহ ছাড়ার জন্য যতো চেষ্টাই করেন না কেন ঘরের পরিবেশ যদি খারাপ থাকে, পরিবার-পরিজন যদি ভুল পথে চলে আর সে বিষয়ে আপনার কোনো ফিকির না থাকে, তাহলে এই পরিবার-পরিজন একদিন না একদিন আপনাকে অবশ্যই গোনাহে লিপ্ত করবে। সুতরাং একজন মানুষের জন্য গোনাহ থেকে বাঁচা যেমন জরুরী, তেমনই জরুরী পরিবার-পরিজনকে বাঁচানো। সব সময় চিন্তা ফিকির থাকতে হবে পরিবার-পরিজন যেন কোনো গোনাহে লিপ্ত না হয়।
📄 মহিলাদের কাজের গুরুত্ব
এ বিষয়ে মহিলাদের কৃতিত্ব অনেক গুরুত্বপূর্ণ। মহিলাদের অন্তরে যদি এই চিন্তা জাগে যে, আমাকে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিধান মোতাবেক জীবন কাটাতে হবে এবং গোনাহ থেকে বাঁচতে হবে, তাহলে বাড়ির পরিবেশ ঠিক হয়ে যাবে। কারণ, মহিলারা হলো ঘরের ভিত্তি। মহিলাদের অন্তরে যদি আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আনুগত্যের উদ্দীপনা সৃষ্টি হয় তাহলে পুরো পরিবার পরিশুদ্ধ হয়ে উঠবে। কিন্তু মহিলার অবস্থা যদি এই হয় যে, পর্দার বিষয়ে তার কোনো চিন্তা নেই, মাথা উন্মুক্ত, চুল খোলা, মনমস্তিষ্কে খারাপ চিন্তা, অহেতুক বিষয়ে নিমগ্ন, তাহলে এর পরিণতিতে ঘরের পরিবেশ নষ্ট হয়ে যাবে। এজন্য মহিলাদের উপর গোনাহের কাজ ত্যাগ করার ব্যাপারে দায়িত্ব অধিক বর্তায়।
এ বিষয়ে মহিলাদের কৃতিত্ব অনেক গুরুত্বপূর্ণ। মহিলাদের অন্তরে যদি এই চিন্তা জাগে যে, আমাকে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিধান মোতাবেক জীবন কাটাতে হবে এবং গোনাহ থেকে বাঁচতে হবে, তাহলে বাড়ির পরিবেশ ঠিক হয়ে যাবে। কারণ, মহিলারা হলো ঘরের ভিত্তি। মহিলাদের অন্তরে যদি আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আনুগত্যের উদ্দীপনা সৃষ্টি হয় তাহলে পুরো পরিবার পরিশুদ্ধ হয়ে উঠবে। কিন্তু মহিলার অবস্থা যদি এই হয় যে, পর্দার বিষয়ে তার কোনো চিন্তা নেই, মাথা উন্মুক্ত, চুল খোলা, মনমস্তিষ্কে খারাপ চিন্তা, অহেতুক বিষয়ে নিমগ্ন, তাহলে এর পরিণতিতে ঘরের পরিবেশ নষ্ট হয়ে যাবে। এজন্য মহিলাদের উপর গোনাহের কাজ ত্যাগ করার ব্যাপারে দায়িত্ব অধিক বর্তায়।
📄 গোনাহ কী জিনিস?
এ সব গোনাহ কী জিনিস? গোনাহের পরিণতি কী হয়? প্রথমে এটা জানা জরুরী। গোনাহের অর্থ হলো অবাধ্যতা। যেমন আপনার বড়ো কেউ আপনাকে আদেশ করলো, এ কাজটি এভাবে করো। আপনি বললেন, আমি করবো না। বা বড়ো কেউ বললো, এ কাজ থেকে বিরত থাকো। আপনি বললেন, আমি এ কাজ অবশ্যই করবো। বড়োর কথা না মানাকেই নাফরমানী ও অবাধ্যতা বলে। এই নাফরমানী যদি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের হুকুমের ক্ষেত্রে করা হয় তাহলে তার নামই হলো গোনাহ। আল্লাহ তা'আলার নাফরমানীর প্রভাব এতো সুদূর প্রসারী, এতো খারাপ ও এতো জঘন্য যে, তা অনুমান করাও কঠিন।
এ সব গোনাহ কী জিনিস? গোনাহের পরিণতি কী হয়? প্রথমে এটা জানা জরুরী। গোনাহের অর্থ হলো অবাধ্যতা। যেমন আপনার বড়ো কেউ আপনাকে আদেশ করলো, এ কাজটি এভাবে করো। আপনি বললেন, আমি করবো না। বা বড়ো কেউ বললো, এ কাজ থেকে বিরত থাকো। আপনি বললেন, আমি এ কাজ অবশ্যই করবো। বড়োর কথা না মানাকেই নাফরমানী ও অবাধ্যতা বলে। এই নাফরমানী যদি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের হুকুমের ক্ষেত্রে করা হয় তাহলে তার নামই হলো গোনাহ। আল্লাহ তা'আলার নাফরমানীর প্রভাব এতো সুদূর প্রসারী, এতো খারাপ ও এতো জঘন্য যে, তা অনুমান করাও কঠিন।