📄 চোখ কান জিহ্বা বন্ধ করুন
মাওলানা রূমী রহ. বলেন,
چشم بند و گوش بند ولب بند گر نه بینی نور حق بر من بخند
মাওলানা রূমী রহ. বলেন, নিজের চোখ বন্ধ করো। বন্ধ করার অর্থ হলো, যত্ন নাও যাতে এই চোখ নাজায়েয জায়গা না দেখে। কান বন্ধ করো। কান বন্ধ করার অর্থ হলো, কান যেন গোনাহের কথা না শোনে, সে ব্যাপারে যত্নশীল হও। যেমন গান শোনা, গীবত ও মিথ্যা কথা শোনা। ঠোট বন্ধ করো, কোনো নাজায়েয কথা যেন মুখ দিয়ে বের না হয়। এই তিনটি কাজ করো। এই তিন কাজ করার পরও যদি আল্লাহর নূর দৃষ্টিগোচর না হয় তাহলে আমাকে নিয়ে হাসাহাসি করো। একথা এমন ব্যক্তি বলছেন, যার সারাটি জীবন আল্লাহ তা'আলার পথে অতিবাহিত হয়েছে। আল্লাহর নূর তখন দৃষ্টি গোচর হয়, যখন মানুষ নিজেকে এসব গোনাহ থেকে হেফাজত করে। আল্লাহ তা'আলা নিজ অনুগ্রহে এই হাদীসের নির্দেশের উপর আমল করার তাওফীক দান করুন। আমীন।
আজ এই হাদীসের একটি বাক্যের উপর বয়ান হলো, বাকী বিষয়ের বয়ান ইনশাআল্লাহ কাল করবো। আল্লাহ তা'আলা আমাকে এবং আপনাদের সকলকে এর উপর আমল করার তাওফীক দান করুন।
وَاخِرُ دَعْوَانَا أَنِ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَلَمِينَ
মাওলানা রূমী রহ. বলেন,
چشم بند و گوش بند ولب بند گر نه بینی نور حق بر من بخند
মাওলানা রূমী রহ. বলেন, নিজের চোখ বন্ধ করো। বন্ধ করার অর্থ হলো, যত্ন নাও যাতে এই চোখ নাজায়েয জায়গা না দেখে। কান বন্ধ করো। কান বন্ধ করার অর্থ হলো, কান যেন গোনাহের কথা না শোনে, সে ব্যাপারে যত্নশীল হও। যেমন গান শোনা, গীবত ও মিথ্যা কথা শোনা। ঠোট বন্ধ করো, কোনো নাজায়েয কথা যেন মুখ দিয়ে বের না হয়। এই তিনটি কাজ করো। এই তিন কাজ করার পরও যদি আল্লাহর নূর দৃষ্টিগোচর না হয় তাহলে আমাকে নিয়ে হাসাহাসি করো। একথা এমন ব্যক্তি বলছেন, যার সারাটি জীবন আল্লাহ তা'আলার পথে অতিবাহিত হয়েছে। আল্লাহর নূর তখন দৃষ্টি গোচর হয়, যখন মানুষ নিজেকে এসব গোনাহ থেকে হেফাজত করে। আল্লাহ তা'আলা নিজ অনুগ্রহে এই হাদীসের নির্দেশের উপর আমল করার তাওফীক দান করুন। আমীন।
আজ এই হাদীসের একটি বাক্যের উপর বয়ান হলো, বাকী বিষয়ের বয়ান ইনশাআল্লাহ কাল করবো। আল্লাহ তা'আলা আমাকে এবং আপনাদের সকলকে এর উপর আমল করার তাওফীক দান করুন।
وَاخِرُ دَعْوَانَا أَنِ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَلَمِينَ
📄 গোনাহের ক্ষতিসমূহ
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাযি. হলেন হুযূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চাচাত ভাই। হযরত আব্বাস রাযি. ছিলেন হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চাচা। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাযি. তাঁর ছেলে। হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বরকতময় যুগে তিনি ছিলেন খুব অল্প বয়সী। হুযূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইন্তিকালের সময় তাঁর বয়স হয়েছিলো দশ বছরের মতো। কমবয়সী হওয়া সত্ত্বেও আল্লাহ তা'আলা তাঁকে ইলমের অনেক উঁচু স্তর দান করেছিলেন। কারণ, একবার হযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর জন্য দু'আ করেছিলেন-
اللَّهُمَّ عَلِّمْهُ الْكِتَابَ وَ فَقِّهْهُ فِي الدِّينِ
'হে আল্লাহ! তাকে কুরআনে কারীমের ইলম দান করুন এবং দ্বীনের ফিকহ দান করুন।'
যদিও হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইন্তিকালের সময় তার বয়স ছিলোমাত্র দশ বছর। দশ বছর আর এমন কি বয়স! কিন্তু একদিকে তিনি হুযূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগের কথাসমূহ মন-মগজে গেঁথে নিয়েছিলেন। উপরন্ত হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইন্তিকালের পর তিনি চিন্তা করলেন এখন তো হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়ে গেছেন, কিন্তু বড়ো বড়ো সাহাবী তো এখনো বিদ্যমান আছেন। আমি তাদের খেদমতে গিয়ে নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীস ও শিক্ষা অর্জন করি। তিনি সাহাবায়ে কেরামের নিকট যেতেন। এতদোদ্দেশ্যে সফর করতেন। কষ্ট করতেন। এভাবে তিনি বড়ো বড়ো সাহাবী থেকে ইলম অর্জন করেন। ফলে আজ তাঁকে ইমামুল মুফাসসিরীন বলা হয়। অর্থাৎ, সকল মুফাসসিরের ইমাম। কারণ, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর জন্য দু'আ করেছিলেন, হে আল্লাহ! তাকে কিতাবুল্লাহর ইলম দান করুন। কুরআনের তাফসীরের বিষয়ে তাঁর চেয়ে অধিক নির্ভরযোগ্য কথা আর কারো নেই। আমি এখন যে কথাটি আপনাদের সামনে পাঠ করলাম তা তাঁরই উক্তি。
টিকাঃ
১. কিতাবুয যুহদ, ইবনুল মুবারক কৃত, খণ্ড-১, পৃষ্ঠা-২২, হাদীস নং ৬৬, আযযুহদ, হান্নাদ কৃত, খণ্ড-২, পৃষ্ঠা-৪৫৪, হাদীস নং ৯০২, ফাতহুল বারী, খণ্ড-১১, পৃষ্ঠা-২৫৭, রওযাতুল মুহাদ্দিসীন, খণ্ড-৬, পৃষ্ঠা-৩৩০, হাদীস নং ২৬০৫
১. হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাযি.-কে দু'টি দু'আ দিয়েছিলেন, প্রথম দু'আ হলো اللَّهُمَّ عَلِّمْهُ الْكِتَابَ সহীহ বুখারী, হাদীস ৭৩, মুসনাদে আহমাদ, হাদীস ৩২০৬, দ্বিতীয় দু'আটি ছিলো ﴿ وَفَقِّهَهُ فِي الدِّينِ সহীহ বুখারী, হাদীস ১৪০০, মুসনাদে আহমাদ, হাদীস ২২৭৪
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাযি. হলেন হুযূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চাচাত ভাই। হযরত আব্বাস রাযি. ছিলেন হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চাচা। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাযি. তাঁর ছেলে। হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বরকতময় যুগে তিনি ছিলেন খুব অল্প বয়সী। হুযূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইন্তিকালের সময় তাঁর বয়স হয়েছিলো দশ বছরের মতো। কমবয়সী হওয়া সত্ত্বেও আল্লাহ তা'আলা তাঁকে ইলমের অনেক উঁচু স্তর দান করেছিলেন। কারণ, একবার হযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর জন্য দু'আ করেছিলেন-
اللَّهُمَّ عَلِّمْهُ الْكِتَابَ وَ فَقِّهْهُ فِي الدِّينِ
'হে আল্লাহ! তাকে কুরআনে কারীমের ইলম দান করুন এবং দ্বীনের ফিকহ দান করুন।'
যদিও হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইন্তিকালের সময় তার বয়স ছিলোমাত্র দশ বছর। দশ বছর আর এমন কি বয়স! কিন্তু একদিকে তিনি হুযূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগের কথাসমূহ মন-মগজে গেঁথে নিয়েছিলেন। উপরন্ত হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইন্তিকালের পর তিনি চিন্তা করলেন এখন তো হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়ে গেছেন, কিন্তু বড়ো বড়ো সাহাবী তো এখনো বিদ্যমান আছেন। আমি তাদের খেদমতে গিয়ে নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীস ও শিক্ষা অর্জন করি। তিনি সাহাবায়ে কেরামের নিকট যেতেন। এতদোদ্দেশ্যে সফর করতেন। কষ্ট করতেন। এভাবে তিনি বড়ো বড়ো সাহাবী থেকে ইলম অর্জন করেন। ফলে আজ তাঁকে ইমামুল মুফাসসিরীন বলা হয়। অর্থাৎ, সকল মুফাসসিরের ইমাম। কারণ, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর জন্য দু'আ করেছিলেন, হে আল্লাহ! তাকে কিতাবুল্লাহর ইলম দান করুন। কুরআনের তাফসীরের বিষয়ে তাঁর চেয়ে অধিক নির্ভরযোগ্য কথা আর কারো নেই। আমি এখন যে কথাটি আপনাদের সামনে পাঠ করলাম তা তাঁরই উক্তি。
টিকাঃ
১. কিতাবুয যুহদ, ইবনুল মুবারক কৃত, খণ্ড-১, পৃষ্ঠা-২২, হাদীস নং ৬৬, আযযুহদ, হান্নাদ কৃত, খণ্ড-২, পৃষ্ঠা-৪৫৪, হাদীস নং ৯০২, ফাতহুল বারী, খণ্ড-১১, পৃষ্ঠা-২৫৭, রওযাতুল মুহাদ্দিসীন, খণ্ড-৬, পৃষ্ঠা-৩৩০, হাদীস নং ২৬০৫
১. হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাযি.-কে দু'টি দু'আ দিয়েছিলেন, প্রথম দু'আ হলো اللَّهُمَّ عَلِّمْهُ الْكِتَابَ সহীহ বুখারী, হাদীস ৭৩, মুসনাদে আহমাদ, হাদীস ৩২০৬, দ্বিতীয় দু'আটি ছিলো ﴿ وَفَقِّهَهُ فِي الدِّينِ সহীহ বুখারী, হাদীস ১৪০০, মুসনাদে আহমাদ, হাদীস ২২৭৪
📄 পছন্দনীয় ব্যক্তি কে?
আব্দুল্লাহ ইবনে মুবারক রহ. বর্ণনা করেন, এক ব্যক্তি হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাযি.-কে জিজ্ঞাসা করলো, বলুন তো! এক ব্যক্তি আমল তো কম করে অর্থাৎ নফল ইবাদত ও নফল নামায খুব বেশি পড়ে না, বেশির ভাগ ফরয ওয়াজিব আদায় করে। নফল ইবাদত, যিকির-আযকার, ওযীফা ও তাসবীহ অধিক পাঠ করে না, কিন্তু তার গোনাহ কম। এমন ব্যক্তি আপনার নিকট অধিক পছন্দনীয়, নাকি ঐ ব্যক্তি আপনার নিকট অধিক পছন্দনীয়, যার নফল ইবাদতও অধিক এবং গোনাহও অধিক। যেমন তাহাজ্জুদ নামাযও পড়ে, ইশরাকও পড়ে, আওয়াবিনও পড়ে, তিলাওয়াতও খুব করে, ওযীফা ও তাসবীহ্-ও খুব পাঠ করে সাথে সাথে গোনাহের কাজও খুব করে। আপনার নিকট এই দুই ব্যক্তির মধ্যে কে উত্তম? প্রথম ব্যক্তির আমলও কম গোনাহও কম, দ্বিতীয় ব্যক্তির আমলও বেশি গোনাহও বেশি। উত্তরে হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাযি. বললেন, গোনাহ থেকে বেঁচে থাকার সমান আমি অন্য কিছুকে মনে করি না। অর্থাৎ, মানুষ গোনাহ থেকে বেঁচে থাকবে এটা এতো বড়ো নেয়ামত এবং এতো বেশি কল্যাণকর যে, অন্য কোনো আমল এর সমান নয়। গোনাহ থেকে বাঁচার ব্যাপারে যত্ন নেয়ার তুলনায় নফল ইবাদতের কোনো গুরুত্ব নেই।
আব্দুল্লাহ ইবনে মুবারক রহ. বর্ণনা করেন, এক ব্যক্তি হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাযি.-কে জিজ্ঞাসা করলো, বলুন তো! এক ব্যক্তি আমল তো কম করে অর্থাৎ নফল ইবাদত ও নফল নামায খুব বেশি পড়ে না, বেশির ভাগ ফরয ওয়াজিব আদায় করে। নফল ইবাদত, যিকির-আযকার, ওযীফা ও তাসবীহ অধিক পাঠ করে না, কিন্তু তার গোনাহ কম। এমন ব্যক্তি আপনার নিকট অধিক পছন্দনীয়, নাকি ঐ ব্যক্তি আপনার নিকট অধিক পছন্দনীয়, যার নফল ইবাদতও অধিক এবং গোনাহও অধিক। যেমন তাহাজ্জুদ নামাযও পড়ে, ইশরাকও পড়ে, আওয়াবিনও পড়ে, তিলাওয়াতও খুব করে, ওযীফা ও তাসবীহ্-ও খুব পাঠ করে সাথে সাথে গোনাহের কাজও খুব করে। আপনার নিকট এই দুই ব্যক্তির মধ্যে কে উত্তম? প্রথম ব্যক্তির আমলও কম গোনাহও কম, দ্বিতীয় ব্যক্তির আমলও বেশি গোনাহও বেশি। উত্তরে হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাযি. বললেন, গোনাহ থেকে বেঁচে থাকার সমান আমি অন্য কিছুকে মনে করি না। অর্থাৎ, মানুষ গোনাহ থেকে বেঁচে থাকবে এটা এতো বড়ো নেয়ামত এবং এতো বেশি কল্যাণকর যে, অন্য কোনো আমল এর সমান নয়। গোনাহ থেকে বাঁচার ব্যাপারে যত্ন নেয়ার তুলনায় নফল ইবাদতের কোনো গুরুত্ব নেই।
📄 আসল জিনিস গোনাহ থেকে বাঁচা
এই হাদীসে এ কথা বলা উদ্দেশ্য যে, যতো নফল ইবাদত আছে তা যথাস্থানে অনেক বেশি ফযীলতের জিনিস, কিন্তু এই নফল ইবাদতের উপর ভরসা করে মানুষ যদি চিন্তা করে যে, আমি তো নফল ইবাদত অনেক করি, তাই সে গোনাহ থেকে পরহেয করলো না তাহলে এটা হবে বড়ো ধরনের আত্ম প্রবঞ্চনা। আসল জিনিস হলো গোনাহ থেকে বাঁচার ফিকির করা। গোনাহ থেকে বাঁচার পর মনে করুন তার যদি অধিক পরিমাণে নফল ইবাদত করার সুযোগ নাও হয় তাহলেও সে ক্ষতিগ্রস্থ হবে না। ইনশাআল্লাহ সে আল্লাহর নিকট নাজাত পেয়ে যাবে। কিন্তু যদি নফল ইবাদত খুব করে সাথে অনেক গোনাহও করে তাহলে তার মুক্তির কোনো নিশ্চয়তা নেই। এটা খুবই বিপজ্জনক ব্যাপার।
এই হাদীসে এ কথা বলা উদ্দেশ্য যে, যতো নফল ইবাদত আছে তা যথাস্থানে অনেক বেশি ফযীলতের জিনিস, কিন্তু এই নফল ইবাদতের উপর ভরসা করে মানুষ যদি চিন্তা করে যে, আমি তো নফল ইবাদত অনেক করি, তাই সে গোনাহ থেকে পরহেয করলো না তাহলে এটা হবে বড়ো ধরনের আত্ম প্রবঞ্চনা। আসল জিনিস হলো গোনাহ থেকে বাঁচার ফিকির করা। গোনাহ থেকে বাঁচার পর মনে করুন তার যদি অধিক পরিমাণে নফল ইবাদত করার সুযোগ নাও হয় তাহলেও সে ক্ষতিগ্রস্থ হবে না। ইনশাআল্লাহ সে আল্লাহর নিকট নাজাত পেয়ে যাবে। কিন্তু যদি নফল ইবাদত খুব করে সাথে অনেক গোনাহও করে তাহলে তার মুক্তির কোনো নিশ্চয়তা নেই। এটা খুবই বিপজ্জনক ব্যাপার।