📄 এটা মারাত্মক বিপজ্জনক বিষয়
আমি যে বললাম, আমাদের অন্তরে নফল ইবাদতের গুরুত্ব তো রয়েছে, কিন্তু গোনাহ থেকে বাঁচার ফিকির নেই। এটা এমন এক ব্যাধি, যার মধ্যে আমরা সবাই আক্রান্ত। আল্লাহর খুব কম বান্দাই এর ব্যতিক্রম রয়েছে।
কতক গোনাহ এমন রয়েছে, যেগুলোকে আমরা গোনাহ মনে করি। গোনাহ মনে করার কারণে তার প্রতি ঘৃণাও রয়েছে। তার থেকে নিজেকে বাঁচানোর কিছুটা চিন্তাও থাকে। আলহামদুলিল্লাহ। কিন্তু অনেক গোনাহ এমন আছে, যেগুলোকে গোনাহই মনে করা হয় না। এটা মারাত্মক বিপজ্জনক কথা। কারণ মানুষ রোগকে রোগ মনে করলে তার চিকিৎসাও করাবে। বিশেষ করে শরীয়তের এই তিনটি শাখা, মুআমালাত, মুআশারাত ও আখলাকিয়াত এমন, যেগুলোর উপর আমল না করার ফলে আমাদের সমস্ত চেষ্টা বৃথা যাচ্ছে। মুআমালার ক্ষেত্রে হালাল-হারামের চিন্তা, মুআশারাতের ক্ষেত্রে হালাল- হারামের চিন্তা এবং আখলাকিয়াতের ক্ষেত্রে হালাল-হারামের চিন্তা বিলুপ্ত হয়ে চলছে। এগুলোকে আমরা দ্বীন থেকে বাহির করে দিয়েছি। মুখের হেফাজত, চোখের হেফাজত এবং কানের হেফাজতের দিকে আমাদের মনযোগ নেই।
আমি যে বললাম, আমাদের অন্তরে নফল ইবাদতের গুরুত্ব তো রয়েছে, কিন্তু গোনাহ থেকে বাঁচার ফিকির নেই। এটা এমন এক ব্যাধি, যার মধ্যে আমরা সবাই আক্রান্ত। আল্লাহর খুব কম বান্দাই এর ব্যতিক্রম রয়েছে।
কতক গোনাহ এমন রয়েছে, যেগুলোকে আমরা গোনাহ মনে করি। গোনাহ মনে করার কারণে তার প্রতি ঘৃণাও রয়েছে। তার থেকে নিজেকে বাঁচানোর কিছুটা চিন্তাও থাকে। আলহামদুলিল্লাহ। কিন্তু অনেক গোনাহ এমন আছে, যেগুলোকে গোনাহই মনে করা হয় না। এটা মারাত্মক বিপজ্জনক কথা। কারণ মানুষ রোগকে রোগ মনে করলে তার চিকিৎসাও করাবে। বিশেষ করে শরীয়তের এই তিনটি শাখা, মুআমালাত, মুআশারাত ও আখলাকিয়াত এমন, যেগুলোর উপর আমল না করার ফলে আমাদের সমস্ত চেষ্টা বৃথা যাচ্ছে। মুআমালার ক্ষেত্রে হালাল-হারামের চিন্তা, মুআশারাতের ক্ষেত্রে হালাল- হারামের চিন্তা এবং আখলাকিয়াতের ক্ষেত্রে হালাল-হারামের চিন্তা বিলুপ্ত হয়ে চলছে। এগুলোকে আমরা দ্বীন থেকে বাহির করে দিয়েছি। মুখের হেফাজত, চোখের হেফাজত এবং কানের হেফাজতের দিকে আমাদের মনযোগ নেই।
📄 কুধারণা ত্যাগ করুন
কিছু গোনাহ সম্পর্কে তো আমাদের জ্ঞান আছে যে এগুলো গোনাহ, তাই এগুলো থেকে বাঁচতে হবে। আলহামদুলিল্লাহ! সেগুলো থেকে বাঁচিও। যেমন আল্লাহর শোকর, মদ পান করি না। আল্লাহর মেহেরবানীতে শূকর খাই না। আল্লাহর দয়ায় যেনায় লিপ্ত হই না, কিন্তু আরো যে অসংখ্য গোনাহ রয়েছে, যেমন গীবতের গোনাহ তা থেকে আমরা বাঁচি না। আমাদের মজলিসগুলো দিনরাত গীবতে পরিপূর্ণ। কুধারণার গোনাহে আমরা আক্রান্ত। কুরআনে কারীমে আছে,
إِنَّ بَعْضَ الظَّنِّ إِثْمٌ
'কতক ধারণা গোনাহ।"
কিন্তু আমরা অন্য মানুষের ব্যাপারে মনে মনে কুধারণা পোষণ করি, তা নিয়ে চিন্তা করি, কিন্তু এটাকে আমরা গোনাহই মনে করি না। মনে করি যে, অমুকে হয়তো আমার বিরুদ্ধে এই কাজ করেছে। তারপর এটাকেই মন- মগজে বসিয়ে নিয়েছি। আমাদের এই কাজ إِنَّ بَعْضَ الظَّنِّ (কতক ধারণা গোনাহ।)-এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেলো। কিন্তু এই অনুভূতি নেই যে, এটা গোনাহের কাজ。
টিকাঃ
১. সূরা হুজুরাত, আয়াত-১২
কিছু গোনাহ সম্পর্কে তো আমাদের জ্ঞান আছে যে এগুলো গোনাহ, তাই এগুলো থেকে বাঁচতে হবে। আলহামদুলিল্লাহ! সেগুলো থেকে বাঁচিও। যেমন আল্লাহর শোকর, মদ পান করি না। আল্লাহর মেহেরবানীতে শূকর খাই না। আল্লাহর দয়ায় যেনায় লিপ্ত হই না, কিন্তু আরো যে অসংখ্য গোনাহ রয়েছে, যেমন গীবতের গোনাহ তা থেকে আমরা বাঁচি না। আমাদের মজলিসগুলো দিনরাত গীবতে পরিপূর্ণ। কুধারণার গোনাহে আমরা আক্রান্ত। কুরআনে কারীমে আছে,
إِنَّ بَعْضَ الظَّنِّ إِثْمٌ
'কতক ধারণা গোনাহ।"
কিন্তু আমরা অন্য মানুষের ব্যাপারে মনে মনে কুধারণা পোষণ করি, তা নিয়ে চিন্তা করি, কিন্তু এটাকে আমরা গোনাহই মনে করি না। মনে করি যে, অমুকে হয়তো আমার বিরুদ্ধে এই কাজ করেছে। তারপর এটাকেই মন- মগজে বসিয়ে নিয়েছি। আমাদের এই কাজ إِنَّ بَعْضَ الظَّنِّ (কতক ধারণা গোনাহ।)-এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেলো। কিন্তু এই অনুভূতি নেই যে, এটা গোনাহের কাজ。
টিকাঃ
১. সূরা হুজুরাত, আয়াত-১২
📄 উড়ো কথা ছড়ানো গোনাহ
একটা উড়ো কথা শুনলাম। কথাটা ঠিক না বেঠিক তা যাচাই না করেই আরেকজনের কাছে তা বর্ণনা করলাম। উড়ো কথা ছড়িয়ে দিলাম। এটাকে কেউই গোনাহ মনে করে না। অথচ হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন,
كَفَى بِالْمَرْءِ كَذِبًا أَنْ يُحَدِّثَ بِكُلِّ مَا سَمِعَ
'একজন মানুষের মিথুক হওয়ার জন্য এটাই যথেষ্ট যে, সে যাই শোনে তাই বর্ণনা করে।"
অর্থাৎ, এটাও মিথ্যার অন্তর্ভুক্ত যে, মানুষ উল্টা-সিধা ও সঠিক-বেঠিক যাই শুনলো, যাচাই না করে অন্যের নিকট তাই বলতে আরম্ভ করলো। এটা গোনাহের কাজ, কিন্তু আমরা এটাকে গোনাহই মনে করি না。
টিকাঃ
১. সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৬, সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং ৪৩৪০
একটা উড়ো কথা শুনলাম। কথাটা ঠিক না বেঠিক তা যাচাই না করেই আরেকজনের কাছে তা বর্ণনা করলাম। উড়ো কথা ছড়িয়ে দিলাম। এটাকে কেউই গোনাহ মনে করে না। অথচ হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন,
كَفَى بِالْمَرْءِ كَذِبًا أَنْ يُحَدِّثَ بِكُلِّ مَا سَمِعَ
'একজন মানুষের মিথুক হওয়ার জন্য এটাই যথেষ্ট যে, সে যাই শোনে তাই বর্ণনা করে।"
অর্থাৎ, এটাও মিথ্যার অন্তর্ভুক্ত যে, মানুষ উল্টা-সিধা ও সঠিক-বেঠিক যাই শুনলো, যাচাই না করে অন্যের নিকট তাই বলতে আরম্ভ করলো। এটা গোনাহের কাজ, কিন্তু আমরা এটাকে গোনাহই মনে করি না。
টিকাঃ
১. সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৬, সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং ৪৩৪০
📄 চাকরির পুরো সময় দিচ্ছেন তো?
মানুষ বলে, আল্লাহর শোকর আমরা হালাল খাচ্ছি। আল্লাহর শোকর আমরা সুদ খাচ্ছি না। আল্লাহর শোকর জুয়া খেলছি না। আল্লাহর শোকর মদ বিক্রি করে পয়সা কামাচ্ছি না। কিন্তু একটু লক্ষ্য করুন! আপনি - চাকরিজীবী হয়ে থাকলে চাকুরির নির্ধারিত সময় পুরোটা চাকুরির কাজে ব্যয় করছেন কি না? না কি ফাঁকি দিচ্ছেন? যদি পুরো সময় না দিয়ে থাকেন তার অর্থ হলো যতটুকু সময় আপনি বিক্রি করেছেন, যার বিনিময়ে আপনি বেতন পাচ্ছেন, তা থেকে যে সময়টুকু আপনি চাকুরির কাজে লাগাচ্ছেন না, তার বিনিময়ে যেই বেতন আপনি নিলেন তা হারাম হয়ে গেলো। বেতন হারাম হলে সেই টাকা দিয়ে যেই খাবার কিনলেন তাও হারাম হলো। যেই ইফতারি আপনি কিনলেন তাও হারাম হলো। তাই এটাও হারাম খাওয়ার অন্তর্ভুক্ত।
মানুষ বলে, আল্লাহর শোকর আমরা হালাল খাচ্ছি। আল্লাহর শোকর আমরা সুদ খাচ্ছি না। আল্লাহর শোকর জুয়া খেলছি না। আল্লাহর শোকর মদ বিক্রি করে পয়সা কামাচ্ছি না। কিন্তু একটু লক্ষ্য করুন! আপনি - চাকরিজীবী হয়ে থাকলে চাকুরির নির্ধারিত সময় পুরোটা চাকুরির কাজে ব্যয় করছেন কি না? না কি ফাঁকি দিচ্ছেন? যদি পুরো সময় না দিয়ে থাকেন তার অর্থ হলো যতটুকু সময় আপনি বিক্রি করেছেন, যার বিনিময়ে আপনি বেতন পাচ্ছেন, তা থেকে যে সময়টুকু আপনি চাকুরির কাজে লাগাচ্ছেন না, তার বিনিময়ে যেই বেতন আপনি নিলেন তা হারাম হয়ে গেলো। বেতন হারাম হলে সেই টাকা দিয়ে যেই খাবার কিনলেন তাও হারাম হলো। যেই ইফতারি আপনি কিনলেন তাও হারাম হলো। তাই এটাও হারাম খাওয়ার অন্তর্ভুক্ত।