📄 সাহসিকতার সাথে কাজ করুন
বাস্তবতা এই যে, মানুষ যখন নিজের দৃষ্টিশক্তিকে আল্লাহ তা'আলার নাফরমানীর কাজে ব্যবহার করে, তখন বাস্তবে তা দৃষ্টিশক্তি নয়, তা তো অন্ধত্ব, তার দৃষ্টিশক্তি তো হারিয়ে গেছে। কুরআনে কারীমে আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেন,
مَنْ كَانَ فِي هَذِةٍ أَعْنَى فَهُوَ فِي الْآخِرَةِ أَعْنَى وَأَضَلُّ سَبِيلًا
'যে ব্যক্তি দুনিয়াতে অন্ধ হয়ে থাকতো সে আখেরাতে অন্ধ বরং অধিকতর পথহারা থাকবে।'
এজন্য মানুষ অঙ্গীকার করবে, আমি দৃষ্টিশক্তিকে নাজায়েয জায়গায় ব্যবহার করবো না। আল্লাহ তা'আলা মানুষের হিম্মত ও সাহসিকতার মধ্যে এবং অঙ্গীকার ও সংকল্পের মধ্যে বিরাট শক্তি রেখেছেন। মানুষের সাহসিকতা রাবারের মতো। ইচ্ছা মতো তা টেনে লম্বা করা যায়। মানুষ যখন সাহসকে ব্যবহার করে আল্লাহ তা'আলা তার মধ্যে বরকত ও উন্নতি দান করেন。
টিকাঃ
১. সূরা বানী ইসরাঈল, আয়াত-৭২
📄 সারকথা
মোটকথা, দৃষ্টিশক্তির উপর দুটি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। একটি হলো পরনারীকে কামনার দৃষ্টিতে দেখা, আরেকটি হলো কোনো মুসলিমকে তাচ্ছিল্যের দৃষ্টিতে দেখা। কোনো মুসলমানের প্রতি তাচ্ছিল্যের দৃষ্টিতে তাকানোও চোখের গোনাহ। এই দুই গোনাহ থেকে বাঁচার প্রতি যত্ন নিলে ইনশাআল্লাহ জীবন পরিশুদ্ধ হয়ে যাবে। চিন্তা ও উদ্দীপনা পবিত্র হবে। আল্লাহ তা'আলা সন্তুষ্ট হবেন। আখেরাতের প্রস্তুতি হবে। আর যদি আল্লাহর দেয়া এ মেশিনকে বল্গাহীনভাবে ব্যবহার করা হয়, তাকে নিয়ন্ত্রণ করা না হয়, তাহলে এই চোখই আপনাকে জাহান্নামের গর্তে নিক্ষেপ করবে। আল্লাহ তা'আলার আযাবের হকদার বানাবে। এ জন্য চোখের হেফাজতের প্রয়োজন রয়েছে। আল্লাহ তা'আলা আমাদের সকলকে চোখের হেফাজত করার তাওফীক দান করুন। আমীন। আলোচনা এখনো রয়ে গেছে কিন্তু সময় শেষ হয়ে গেছে, বেঁচে থাকলে ইনশাআল্লাহ আগামী জুমায় আলোচনা করবো।
وَاخِرُ دَعْوَانَا أَنِ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَلَمِينَ