📘 তাসাওউফ ও আত্মশুদ্ধি আত্মশুদ্ধির গুরুত্ব, প্রয়োজনীয়তা, পথ পদ্ধতি > 📄 পাশ্চাত্যে প্রকাশ্যে ব্যভিচারের ঢল

📄 পাশ্চাত্যে প্রকাশ্যে ব্যভিচারের ঢল


পাশ্চাত্য সমাজে নারী-পুরুষ পরস্পরে জৈবিক চাহিদা পুরা করতে চাইলে কোনো বাধা নেই। কেউ ঠেকাবে না। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, এমন এক সময় আসবে, যখন ব্যভিচার এতো ব্যাপক আকার ধারণ করবে যে, দুনিয়াতে সবচে' নেককার ব্যক্তি সে হবে, চৌরাস্তার মোড়ে দুই ব্যক্তি ব্যভিচারে লিপ্ত হলে যে বলবে গাছের আড়ালে গিয়ে করো। সে তাদেকে ব্যভিচার করতে নিষেধ করবে না। বলবে না যে, এটা মন্দ কাজ। বরং সে বলবে যে, সবার সম্মুখে না করে গাছের আড়ালে গিয়ে করো। এ ব্যক্তি হবে সবচে' নেককার।' আজ সেই যুগ প্রায় চলে এসেছে। কোনো প্রকার প্রতিবন্ধকতা ছাড়া খোলামেলাভাবে ব্যভিচার হচ্ছে।

টিকাঃ
১. কানযুল উম্মাল, হাদীস নং ৩৮৮৮৬, খণ্ড-১৪, পৃষ্ঠা-৩৪৫, তারীখে দামেশক, খণ্ড-৬৪, পৃষ্ঠা-২৬৮

📘 তাসাওউফ ও আত্মশুদ্ধি আত্মশুদ্ধির গুরুত্ব, প্রয়োজনীয়তা, পথ পদ্ধতি > 📄 আম আমেরিকায় ধর্ষণের আধিক্য কেন

📄 আম আমেরিকায় ধর্ষণের আধিক্য কেন


আমেরিকাতে কোনো ব্যক্তি যদি তার জৈবিক চাহিদা পুরা করার জন্য অবৈধ পন্থা অবলম্বন করতে চায় তার জন্য সব দরজা উন্মুক্ত। উভয়পক্ষের সম্মতিক্রমে এ কাজ করতে সেখানে কোনো বাধা নেই। প্রত্যেকে নিজের ইচ্ছা মতো এ চাহিদা পুরা করতে পারে। এতদসত্ত্বেও ধর্ষণের যতো ঘটনা আমেরিকায় ঘটে পৃথিবীর অন্য কোথাও তা ঘটে না। এর কারণ কী? এর কারণ এই যে, সম্মতিক্রমে ব্যভিচার করে এবং তার স্বাদ ভোগ করে দেখেছে, কিন্তু প্রশান্তি লাভ হয়নি। তাই জোরপূর্বক ব্যভিচার করার আবেগ সৃষ্টি হচ্ছে, যাতে করে ধর্ষণের স্বাদও উপভোগ করতে পারে। তাই মানুষের এ চাহিদা কোনো পর্যায়ে গিয়ে ক্ষ্যান্ত হয় না, বরং আরো অগ্রসর হতে থাকে। এ কামনার অন্ত নেই।

📘 তাসাওউফ ও আত্মশুদ্ধি আত্মশুদ্ধির গুরুত্ব, প্রয়োজনীয়তা, পথ পদ্ধতি > 📄 এ পিপাসা নিবারিত হওয়ার নয়

📄 এ পিপাসা নিবারিত হওয়ার নয়


আপনারা 'গো-ক্ষুধা' নামে এক ব্যাধির কথা শুনেছেন। সেই ব্যাধির বৈশিষ্ট্য হলো, তাতে কেবলই ক্ষুধা লেগে থাকে। যা মন চায় খাও, যতো মন চায় খাও, কিন্তু ক্ষুধা মেটে না। এমন আরেকটি ব্যাধি রয়েছে যাকে 'ইসতিসকা' বলে। এ রোগে মানুষের কেবলই পিপাসা লেগে থাকে। কলসের পর কলস পান করলেও এমনকি কুপের সব পানি পান করলেও পিপাসা নিবারিত হয় না। মানুষের কামনা-বাসনার অবস্থাও একই। তা যদি নিয়ন্ত্রণ করা না হয়, আয়ত্তে রাখা না হয়, শরীয়ত ও নীতি চরিত্রের বন্ধনে আবদ্ধ রাখা না হয় তাহলে 'ইসতিসকা' রোগীর ন্যায় ভোগ-উপভোগের কোনো পর্যায়ে গিয়েই স্থিরতা লাভ হয় না। এ কামনা শুধু বৃদ্ধিই পেতে থাকে।

📘 তাসাওউফ ও আত্মশুদ্ধি আত্মশুদ্ধির গুরুত্ব, প্রয়োজনীয়তা, পথ পদ্ধতি > 📄 সামান্য কষ্ট সহ্য করুন

📄 সামান্য কষ্ট সহ্য করুন


এ কারণে আল্লাহ তাবারকা ওয়া তা'আলা এবং তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন যে, প্রবৃত্তির কামনার অনুগামী হয়ো না, তার পিছনে পড়ো না। কারণ, তা তোমাকে ধ্বংসের অতল গহ্বরে নিক্ষেপ করবে। তাকে সামান্য নিয়ন্ত্রণে রাখো, তাকে শরীয়তের যৌক্তিক সীমার মধ্যে রাখো। তাকে সীমার মধ্যে রাখতে গেলে প্রথম প্রথম প্রবৃত্তি তোমাকে কষ্ট দিবে, উত্ত্যক্ত করবে, ব্যথা হবে, বেদনা হবে। একটি কাজ করতে মনে চাহিদা জাগছে কিন্তু আপনি তাকে থামিয়ে রাখছেন। উদাহরণস্বরূপ, মন চাচ্ছে টিভি দেখবে, টিভির খারাপ খারাপ ফিল্ম দেখবে। এখন যে ব্যক্তি এতে অভ্যস্থ তাকে যদি বলা হয় যে, এটা দেখো না, প্রবৃত্তির এ চাহিদা অনুপাতে কাজ করো না। এখন সে যদি তা না দেখে চোখকে নিয়ন্ত্রণ করে তাহলে প্রথম প্রথম তার কষ্ট হবে, খারাপ লাগবে। কারণ সে দেখতে অভ্যস্থ। না দেখলে শান্তি পায় না, মজা পায় না।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00