📘 তাসাওউফ ও আত্মশুদ্ধি আত্মশুদ্ধির গুরুত্ব, প্রয়োজনীয়তা, পথ পদ্ধতি > 📄 পঞ্চম পদ্ধতি: নিয়মিত ইবাদত করা

📄 পঞ্চম পদ্ধতি: নিয়মিত ইবাদত করা


হযরত বলেন, আল্লাহর মহব্বত লাভের পঞ্চম উপকরণ 'নিয়মিত ইবাদত করা'। অর্থাৎ, আল্লাহ তা'আলার বিধিবিধান মেনে চলা। যতো বেশি আনুগত্য করবে ততো বেশি মহব্বত বৃদ্ধি পাবে। আল্লাহ তা'আলা 'মহব্বত' ও 'আনুগত্যে'-র মধ্যে অদ্ভুত সম্পর্ক রেখেছেন। তা হচ্ছে এই যে, 'আনুগত্য' দ্বারা মহব্বত সৃষ্টি হয় এবং সেই 'মহব্বত' দ্বারা অধিক 'আনুগত্য' লাভ হয়। আবার এই আনুগত্যের ফলে আরো অধিক 'মহব্বত' লাভ হয়। এ এক অনিঃশেষ ধারা, যা কখনও শেষ হয় না।

📘 তাসাওউফ ও আত্মশুদ্ধি আত্মশুদ্ধির গুরুত্ব, প্রয়োজনীয়তা, পথ পদ্ধতি > 📄 এর দ্বারা পরস্পর পরস্পরের উপর নিরভশীল হওয়া আবশ্যক হচ্ছে

📄 এর দ্বারা পরস্পর পরস্পরের উপর নিরভশীল হওয়া আবশ্যক হচ্ছে


এখানে প্রশ্ন জাগে যে, বলা হচ্ছে- আল্লাহর হুকুমের আনুগত্য করতে হলে এবং দ্বীনের ওপর চলতে হলে মহব্বত পয়দা করো। আর মহব্বত পয়দা করার জন্য দ্বীনের ওপর চলো। তাহলে তো মহব্বত ও আনুগত্য একে অপরের উপর নিভরশীল হলো। তাহলে এগুলো কীভাবে অর্জন করবো। এ প্রশ্নের উত্তর খুব গভীরভাবে বুঝতে হবে।

📘 তাসাওউফ ও আত্মশুদ্ধি আত্মশুদ্ধির গুরুত্ব, প্রয়োজনীয়তা, পথ পদ্ধতি > 📄 শুরুতে সামান্য মেহনত ও হিম্মত প্রয়োজন

📄 শুরুতে সামান্য মেহনত ও হিম্মত প্রয়োজন


এর জবাব এই যে, আল্লাহ পাক তাঁর আনুগত্যের মধ্যে এই বৈশিষ্ট্য রেখেছেন যে, যখন কোনো বান্দা শুরুতে সামান্য মেহনت করে আনুগত্য করে তখন আল্লাহ তা'আলা এর ফলে 'মহব্বতের' এক বিশেষ স্তর তাকে দান করেন। পরে বিশেষ স্তরের এই 'মহব্বতের' পরিণতিতে অতিরিক্ত আনুগত্যের জযবা পয়দা হয়। সারকথা হলো, শুরুতে মেহনত ও আমল ছাড়া এমনিতেই কোনো প্রকার মহব্বত পয়দা হয় না। আর এমনিতেই আনুগত্য করা সহজ হয় না। বরং দ্বীন শুরুতে কিছু ত্যাগ চায়। সামান্য হিম্মত ও মেহনত চায়। এই হিম্মত ও মেহনত ছাড়া এই দৌলত অর্জন করা যায় না। সুতরাং শুরুতে মানুষের এই কাজ করতে হবে যে, প্রবৃত্তির কামনা-বাসনা এবং পার্থিব ও মানবিক চাহিদার বিপরীত মেহনত করতে হবে। মানুষ একবার যখন এই মেহনত করে তখন আল্লাহ তা'আলা তাঁর অন্তরে মহব্বতের একটি নূর পয়াদা করে দেন।

📘 তাসাওউফ ও আত্মশুদ্ধি আত্মশুদ্ধির গুরুত্ব, প্রয়োজনীয়তা, পথ পদ্ধতি > 📄 বাম্পের চাপে রেলগাড়ি জোরে চলে

📄 বাম্পের চাপে রেলগাড়ি জোরে চলে


বিষয়টিকে হযরত থানভী রহ. অন্য একজায়গায় একটি উপমা দ্বারা বুঝিয়েছেন। তিনি বলেন, যদি রেলগাড়ির ইঞ্জিনে বাষ্প ভরা থাকে (সে যুগে বাষ্পীয় ইঞ্জিন চলতো, পেট্রোল ও ডিজেল পাওয়া যেতো না) তাহলে রেলগাড়ি খুব জোরে চলে। আর যদি গাড়িতে সবকিছু মওজুদ থাকে, চাকার লাগানো থাকে, কিন্তু ইঞ্জিনে বাষ্প না থাকে, এমতাবস্থায় ধাক্কা লাগিয়ে ট্রেন চালাতে চাইলে সারাদিনে বড়জোর এক-দু'কিলোমিটার যেতে পারবে। পক্ষান্তরে ইঞ্জিনে বাষ্প ভরা থাকলে একদিনে চার-পাঁচশো মাইল পথ অতিক্রম করবে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00