📄 বর্তমানে আমাদের অবস্থা
এখন যদি আমি পতাকা হাতে নিয়ে ব্যাজ লাগিয়ে সমাজ সংস্কারের শ্লোগান দিয়ে ঘুরতে থাকি আর আমার নিজের অবস্থা এই হয় যে, ঘুষ নেওয়ার সুযোগ হলে আমি কারো থেকে পিছিয়ে থাকি না। মানুষকে ধোঁকা দিয়ে পয়সা হাতিয়ে নেওয়ার সুযোগ পেলে ডরাই না। সুদী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে শ্লোগান দেওয়ার ক্ষেত্রে তো সবার আগে, কিন্তু সুদী কারবার করার সুযোগ হলে চুপচাপ তা করে ফেলি, বলুন! তাহলে সমাজ সংস্কার কীভাবে হবে? সারা দুনিয়ার লোক সম্পর্কে মন্তব্য করে বলি, মানুষ মিথুক হয়ে গেছে, ধোঁকা ও প্রতারণা বিস্তার লাভ করেছে, ঠকবাজি চলছে, পাপ ও অনাচার বৃদ্ধি পেয়েছে, কিন্তু যখন মিথ্যা বলার সুযোগ হয় এবং ছুটি বাড়ানোর জন্যে মিথ্যা ও জাল মেডিকেল সার্টিফিকেট বানানোর প্রয়োজন পড়ে, তখন কি চিন্তা করি যে, এটা মিথ্যা মেডিকেল সার্টিফিকেট? এটাও এই মিথ্যা আল্লাহর রোষ টেনে আনবে। এসব মন্দ কাজ যখন আমি ছাড়ি না, তাহলে আমার সমাজ সংস্কারের শ্লোগান দ্বারা, সভা-সমাবেশ করার দ্বারা, মিছিল করার দ্বারা কী লাভ হবে? এমনিভাবে আমি যদি অন্যদেরকে তিরস্কার করি যে, তারা দ্বীন থেকে দূরে সরে গেছে, দ্বীনের বিধি-বিধানের উপর আমল করছে না, কিন্তু আমার কোনো মজলিস গীবত থেকে খালি থাকে না, কখনো ওর দোষ বলছি, কখনো এর দোষ বলছি, এভাবে কুরআনে কারীমের ভাষ্য মতো প্রতিদিন ও প্রতিমুহূর্তে নিজের মরা ভাইয়ের গোশত খাচ্ছি, তাহলে বলুন! সমাজের সংশোধন কীভাবে হবে?
এখন যদি আমি পতাকা হাতে নিয়ে ব্যাজ লাগিয়ে সমাজ সংস্কারের শ্লোগান দিয়ে ঘুরতে থাকি আর আমার নিজের অবস্থা এই হয় যে, ঘুষ নেওয়ার সুযোগ হলে আমি কারো থেকে পিছিয়ে থাকি না। মানুষকে ধোঁকা দিয়ে পয়সা হাতিয়ে নেওয়ার সুযোগ পেলে ডরাই না। সুদী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে শ্লোগান দেওয়ার ক্ষেত্রে তো সবার আগে, কিন্তু সুদী কারবার করার সুযোগ হলে চুপচাপ তা করে ফেলি, বলুন! তাহলে সমাজ সংস্কার কীভাবে হবে? সারা দুনিয়ার লোক সম্পর্কে মন্তব্য করে বলি, মানুষ মিথুক হয়ে গেছে, ধোঁকা ও প্রতারণা বিস্তার লাভ করেছে, ঠকবাজি চলছে, পাপ ও অনাচার বৃদ্ধি পেয়েছে, কিন্তু যখন মিথ্যা বলার সুযোগ হয় এবং ছুটি বাড়ানোর জন্যে মিথ্যা ও জাল মেডিকেল সার্টিফিকেট বানানোর প্রয়োজন পড়ে, তখন কি চিন্তা করি যে, এটা মিথ্যা মেডিকেল সার্টিফিকেট? এটাও এই মিথ্যা আল্লাহর রোষ টেনে আনবে। এসব মন্দ কাজ যখন আমি ছাড়ি না, তাহলে আমার সমাজ সংস্কারের শ্লোগান দ্বারা, সভা-সমাবেশ করার দ্বারা, মিছিল করার দ্বারা কী লাভ হবে? এমনিভাবে আমি যদি অন্যদেরকে তিরস্কার করি যে, তারা দ্বীন থেকে দূরে সরে গেছে, দ্বীনের বিধি-বিধানের উপর আমল করছে না, কিন্তু আমার কোনো মজলিস গীবত থেকে খালি থাকে না, কখনো ওর দোষ বলছি, কখনো এর দোষ বলছি, এভাবে কুরআনে কারীমের ভাষ্য মতো প্রতিদিন ও প্রতিমুহূর্তে নিজের মরা ভাইয়ের গোশত খাচ্ছি, তাহলে বলুন! সমাজের সংশোধন কীভাবে হবে?
📄 সংশোধনের পদ্ধতি এই
সমাজের সংশোধন তো তখন হবে যখন চিন্তা করবো যে, আমার মিথ্যা বলার অভ্যাস আছে, তা কীভাবে ছাড়তে পারি? আমি অন্যদের গীবত করি, এটা কীভাবে ছাড়তে পারি? মানুষকে ধোঁকা দেই, কীভাবে তা ত্যাগ করতে পারি? যদি ঘুষ নেই তাহলে ঘুষ নেওয়া ছেড়ে দেই। যদি সুদ খাই তাহলে সুদ খাওয়া ছেড়ে দেই। যদি বেপর্দা, উলঙ্গপনা ও অশ্লীলতায় লিপ্ত থাকি তাহলে তা পরিহার করি। যতক্ষণ পর্যন্ত আমার অন্তরে এ চিন্তা জাগ্রত না হবে, মনে রাখবেন! ততক্ষণ পর্যন্ত ইসলাহের এ ফিকির অন্যদের মধ্যে স্থানান্তরিত হবে না। এজন্য কুরআনে কারীম বলেছে,
عَلَيْكُمْ أَنْفُسَكُمْ لَا يَضُرُّكُمْ مَنْ ضَلَّ إِذَا اهْتَدَيْتُمْ
'নিজেদের জানের চিন্তা করো, অন্যেরা যদি বিপথগামী হয় তাহলে তাদের বিপথগামিতা তোমাদের ক্ষতি করতে পারবে না, যদি তোমরা সঠিক পথে থাকো।'
সমাজের সংশোধন তো তখন হবে যখন চিন্তা করবো যে, আমার মিথ্যা বলার অভ্যাস আছে, তা কীভাবে ছাড়তে পারি? আমি অন্যদের গীবত করি, এটা কীভাবে ছাড়তে পারি? মানুষকে ধোঁকা দেই, কীভাবে তা ত্যাগ করতে পারি? যদি ঘুষ নেই তাহলে ঘুষ নেওয়া ছেড়ে দেই। যদি সুদ খাই তাহলে সুদ খাওয়া ছেড়ে দেই। যদি বেপর্দা, উলঙ্গপনা ও অশ্লীলতায় লিপ্ত থাকি তাহলে তা পরিহার করি। যতক্ষণ পর্যন্ত আমার অন্তরে এ চিন্তা জাগ্রত না হবে, মনে রাখবেন! ততক্ষণ পর্যন্ত ইসলাহের এ ফিকির অন্যদের মধ্যে স্থানান্তরিত হবে না। এজন্য কুরআনে কারীম বলেছে,
عَلَيْكُمْ أَنْفُسَكُمْ لَا يَضُرُّكُمْ مَنْ ضَلَّ إِذَا اهْتَدَيْتُمْ
'নিজেদের জানের চিন্তা করো, অন্যেরা যদি বিপথগামী হয় তাহলে তাদের বিপথগামিতা তোমাদের ক্ষতি করতে পারবে না, যদি তোমরা সঠিক পথে থাকো।'
📄 হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কীভাবে তারবিয়াত করেছেন
হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দুনিয়াতে তাশরীফ এনেছিলেন। নবুওয়্যাত লাভের পর তেইশ বছর ইহজগতে অবস্থান করেছেন। এমন এক সময় তিনি তাশরীফ আনেন, যখন পুরো আরব উপদ্বীপ গোমরাহী ও অজ্ঞতার অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিলো। আশার কোনো কিরণ চোখে পড়ছিলো না। হেদায়াতের কোনো আলো বিদ্যমান ছিলো না। এমতাবস্থায় তিনি একা তাশরীফ আনেন। তাঁকে নির্দেশ দেওয়া হয় যে, এ পুরো সমাজ পরিবর্তন করতে হবে। এর মধ্যে বিপ্লব ঘটাতে হবে। তেইশ বছর পর যখন তিনি দুনিয়া থেকে চলে যান, তখন আরব উপদ্বীপ থেকে কুফুর ও শিরক বিলুপ্ত হয়ে গেছে। যে জাতি ভ্রষ্টতা ও অজ্ঞতার মধ্যে নিমজ্জিত ছিলো, তেইশ বছর পর সেই জাতি সমগ্র জগতবাসীর জন্য এক আদর্শ নমুনা রূপে দঁড়িয়ে যায়। এ বিপ্লব কীভাবে ঘটেছে?
এই তেইশ বছর সময়ের তেরো বছর অতিবাহিত হয়েছে মক্কায়। এ তেরো বছরে না জিহাদের নির্দেশ ছিলো, না কোনো রাজত্ব ও রাষ্ট্র ক্ষমতা ছিলো, না কোনো আইন কানুন ছিলো। এ সময় হুকুম ছিলো, কেউ তোমাকে মারলেও তার প্রতিশোধ নিবে না। মার খাবে। কুরআনে মাজীদে আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেন,
وَاصْبِرْ وَ مَا صَبْرُكَ إِلَّا بِاللَّهِ
'(হে নবী) আপনি ধৈর্য ধারণ করুন, আপনার ধৈর্যধারণ আল্লাহর তাওফীকেই হবে।'
টিকাঃ
১. সূরা নাহল, আয়াত-১২৭
হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দুনিয়াতে তাশরীফ এনেছিলেন। নবুওয়্যাত লাভের পর তেইশ বছর ইহজগতে অবস্থান করেছেন। এমন এক সময় তিনি তাশরীফ আনেন, যখন পুরো আরব উপদ্বীপ গোমরাহী ও অজ্ঞতার অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিলো। আশার কোনো কিরণ চোখে পড়ছিলো না। হেদায়াতের কোনো আলো বিদ্যমান ছিলো না। এমতাবস্থায় তিনি একা তাশরীফ আনেন। তাঁকে নির্দেশ দেওয়া হয় যে, এ পুরো সমাজ পরিবর্তন করতে হবে। এর মধ্যে বিপ্লব ঘটাতে হবে। তেইশ বছর পর যখন তিনি দুনিয়া থেকে চলে যান, তখন আরব উপদ্বীপ থেকে কুফুর ও শিরক বিলুপ্ত হয়ে গেছে। যে জাতি ভ্রষ্টতা ও অজ্ঞতার মধ্যে নিমজ্জিত ছিলো, তেইশ বছর পর সেই জাতি সমগ্র জগতবাসীর জন্য এক আদর্শ নমুনা রূপে দঁড়িয়ে যায়। এ বিপ্লব কীভাবে ঘটেছে?
এই তেইশ বছর সময়ের তেরো বছর অতিবাহিত হয়েছে মক্কায়। এ তেরো বছরে না জিহাদের নির্দেশ ছিলো, না কোনো রাজত্ব ও রাষ্ট্র ক্ষমতা ছিলো, না কোনো আইন কানুন ছিলো। এ সময় হুকুম ছিলো, কেউ তোমাকে মারলেও তার প্রতিশোধ নিবে না। মার খাবে। কুরআনে মাজীদে আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেন,
وَاصْبِرْ وَ مَا صَبْرُكَ إِلَّا بِاللَّهِ
'(হে নবী) আপনি ধৈর্য ধারণ করুন, আপনার ধৈর্যধারণ আল্লাহর তাওফীকেই হবে।'
টিকাঃ
১. সূরা নাহল, আয়াত-১২৭
📄 সাহাবায়ে কেরাম খাটি স্বর্ণে পরিণত হয়েছিলেন
আঘাত করার অনুমতি নেই। অথচ অন্য ব্যক্তি দশবার মারতে পারছে তিনি তো একবার হলেও মারতে পারতেন। হযরত বেলাল হাবশী রাযি.-কে উত্তপ্ত বালির মধ্যে শোয়ানো হচ্ছে। বুকের উপর ভারী পাথর রাখা হচ্ছে আর বলা হচ্ছে যে, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ কালেমাকে অস্বীকার করো। হযরত বেলাল রাযি.-তাঁর উপর জুলুমের প্রতি-উত্তরে একটা থাপ্পড় তো মারতে পারতেন। কিন্তু তখন হুকুম ছিলো যে, মার খেতে থাকো। তাবারী উঠানোর বা হাত উঠানোর অনুমতি নেই।
এসব কেন করা হয়েছিলো? কারণ, পরীক্ষার এ হাঁপড়ে জ্বালিয়ে তাদেরকে নিখাদ স্বর্ণে পরিণত করা উদ্দেশ্য ছিলো। মার খাবে, আর ধৈর্য ধরবে। কোন্ মানুষ এমন আছে, যাকে অন্য মানুষ মারবে আর তার রাগ হবে না? কিন্তু হুকুম দেওয়া হচ্ছে যে, রাগকে দমন করো। যখন আল্লাহর উদ্দেশ্যে রাগকে দমন করবে, তখন নিজের প্রবৃত্তির চাহিদাকে আল্লাহর হুকুমের সামনে কতাওবান করার উদ্দীপনা সৃষ্টি হবে। এজন্যে মক্কী জীবনের তেরো বছর এভাবে অতিবাহিত হয় যে, তাতে হুকুম ছিলো, অন্যের থেকে প্রতিশোধ গ্রহণের জন্যে হাত উঠাবে না। বরং ইবাদতের মধ্যে মগ্ন থাকবে। আল্লাহমুখী হবে। আল্লাহকে স্মরণ করবে। আখেরাতের কথা চিন্তা করবে। জান্নাত জাহান্নামের কথা চিন্তা করবে। নিজের আমল আখলাকের ইসলাহ করবে। দীর্ঘ তেরো বছর সময়ে সাহাবায়ে কেরামের জামাত যখন ধৈর্য ও পরীক্ষার কঠিন সময় অতিক্রম করে নিখাদ স্বর্ণে পরিণত হন, তখন মদীনা শরীফের জীবনের সূচনা হয়। তখন তিনি সেখানে এমন রাজত্ব এবং এমন রাষ্ট্রব্যবস্থা কায়েম করেন যে, আকাশ-বাতাস এমন ব্যবস্থা না ইতিপূর্বে কখনো দেখেছে, না এরপরে কখনো দেখেছে। কারণ, প্রত্যেকে নিজ্যে ইসলাহের চিন্তায় বিভোর হয়ে নিজেকে নিজে নিখাদ স্বর্ণে পরিণত করেছিলেন। এজন্য প্রথম কাজ হলো নিজের ইসলাহের ফিকির করা। নিজের ইসলাহের পর মানুষ যখন অন্যের ইসলাহের জন্য অগ্রসর হবে, তখন ইনশাআল্লাহ কামিয়াব হবে। সাহাবায়ে কেরাম যে জায়গাতেই পৌছেছেন, আল্লাহ তা'আলা বিজয় ও সফলতা তাঁদের ভাগ্য লিপিতে পরিণত করেছেন। কারণ, তাঁরা নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মাধ্যমে নিজেদের ইসলাহ করিয়েছিলেন।
আঘাত করার অনুমতি নেই। অথচ অন্য ব্যক্তি দশবার মারতে পারছে তিনি তো একবার হলেও মারতে পারতেন। হযরত বেলাল হাবশী রাযি.-কে উত্তপ্ত বালির মধ্যে শোয়ানো হচ্ছে। বুকের উপর ভারী পাথর রাখা হচ্ছে আর বলা হচ্ছে যে, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ কালেমাকে অস্বীকার করো। হযরত বেলাল রাযি.-তাঁর উপর জুলুমের প্রতি-উত্তরে একটা থাপ্পড় তো মারতে পারতেন। কিন্তু তখন হুকুম ছিলো যে, মার খেতে থাকো। তাবারী উঠানোর বা হাত উঠানোর অনুমতি নেই।
এসব কেন করা হয়েছিলো? কারণ, পরীক্ষার এ হাঁপড়ে জ্বালিয়ে তাদেরকে নিখাদ স্বর্ণে পরিণত করা উদ্দেশ্য ছিলো। মার খাবে, আর ধৈর্য ধরবে। কোন্ মানুষ এমন আছে, যাকে অন্য মানুষ মারবে আর তার রাগ হবে না? কিন্তু হুকুম দেওয়া হচ্ছে যে, রাগকে দমন করো। যখন আল্লাহর উদ্দেশ্যে রাগকে দমন করবে, তখন নিজের প্রবৃত্তির চাহিদাকে আল্লাহর হুকুমের সামনে কতাওবান করার উদ্দীপনা সৃষ্টি হবে। এজন্যে মক্কী জীবনের তেরো বছর এভাবে অতিবাহিত হয় যে, তাতে হুকুম ছিলো, অন্যের থেকে প্রতিশোধ গ্রহণের জন্যে হাত উঠাবে না। বরং ইবাদতের মধ্যে মগ্ন থাকবে। আল্লাহমুখী হবে। আল্লাহকে স্মরণ করবে। আখেরাতের কথা চিন্তা করবে। জান্নাত জাহান্নামের কথা চিন্তা করবে। নিজের আমল আখলাকের ইসলাহ করবে। দীর্ঘ তেরো বছর সময়ে সাহাবায়ে কেরামের জামাত যখন ধৈর্য ও পরীক্ষার কঠিন সময় অতিক্রম করে নিখাদ স্বর্ণে পরিণত হন, তখন মদীনা শরীফের জীবনের সূচনা হয়। তখন তিনি সেখানে এমন রাজত্ব এবং এমন রাষ্ট্রব্যবস্থা কায়েম করেন যে, আকাশ-বাতাস এমন ব্যবস্থা না ইতিপূর্বে কখনো দেখেছে, না এরপরে কখনো দেখেছে। কারণ, প্রত্যেকে নিজ্যে ইসলাহের চিন্তায় বিভোর হয়ে নিজেকে নিজে নিখাদ স্বর্ণে পরিণত করেছিলেন। এজন্য প্রথম কাজ হলো নিজের ইসলাহের ফিকির করা। নিজের ইসলাহের পর মানুষ যখন অন্যের ইসলাহের জন্য অগ্রসর হবে, তখন ইনশাআল্লাহ কামিয়াব হবে। সাহাবায়ে কেরাম যে জায়গাতেই পৌছেছেন, আল্লাহ তা'আলা বিজয় ও সফলতা তাঁদের ভাগ্য লিপিতে পরিণত করেছেন। কারণ, তাঁরা নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মাধ্যমে নিজেদের ইসলাহ করিয়েছিলেন।