📄 এরই নাম ‘তাযকিয়া’
এমনিভাবে হিংসা আত্মার একটি ব্যাধি। অর্থাৎ, অন্য কোনো ব্যক্তি কোনো একটা নেয়ামত লাভ করেছে। এই নেয়ামত দেখে অন্তরে জ্বালা সৃষ্টি হচ্ছে যে, এই নেয়ামত সে কেন পেলো? এই নেয়ামত তার হাতছাড়া হোক। এই যে বাসনা তার অন্তরে জাগ্রত হচ্ছে, এটা হারাম। মোটকথা, বাহ্যিক আমলসমূহের মধ্যে যেমন কিছু ফরয, ওয়াজিব, আর কিছু হারাম রয়েছে, তেমনিভাবে মানুষের আবেগ-উদ্দীপনা, কামনা-বাসনা ও ইচ্ছা-সংকল্পের মধ্যেই কিছু রয়েছে ফরয ওয়াজিব, আর কিছু রয়েছে হারাম। ফরয ও ওয়াজিবসমূহকে মানুষ ঠিক রাখবে, আর যেগুলো গোনাহ ও হারাম সেগুলো থেকে নিজের আত্মাকে রক্ষা করবে, এরই নাম তাযকিয়া, এরই নাম আত্মাকে পরিশুদ্ধ করা। তাই এ আয়াতের মধ্যে যে বলা হয়েছে,
وَالَّذِينَ هُمْ لِلرَّكُوةِ فَعِلُونَ
সে সব লোক, যারা তাযকিয়া করে। অর্থাৎ, নিজেদের আত্মাকে অপবিত্র চরিত্র, উদ্দীপনা ও ইচ্ছা থেকে পবিত্র করে তারা সফলকাম।
এমনিভাবে হিংসা আত্মার একটি ব্যাধি। অর্থাৎ, অন্য কোনো ব্যক্তি কোনো একটা নেয়ামত লাভ করেছে। এই নেয়ামত দেখে অন্তরে জ্বালা সৃষ্টি হচ্ছে যে, এই নেয়ামত সে কেন পেলো? এই নেয়ামত তার হাতছাড়া হোক। এই যে বাসনা তার অন্তরে জাগ্রত হচ্ছে, এটা হারাম। মোটকথা, বাহ্যিক আমলসমূহের মধ্যে যেমন কিছু ফরয, ওয়াজিব, আর কিছু হারাম রয়েছে, তেমনিভাবে মানুষের আবেগ-উদ্দীপনা, কামনা-বাসনা ও ইচ্ছা-সংকল্পের মধ্যেই কিছু রয়েছে ফরয ওয়াজিব, আর কিছু রয়েছে হারাম। ফরয ও ওয়াজিবসমূহকে মানুষ ঠিক রাখবে, আর যেগুলো গোনাহ ও হারাম সেগুলো থেকে নিজের আত্মাকে রক্ষা করবে, এরই নাম তাযকিয়া, এরই নাম আত্মাকে পরিশুদ্ধ করা। তাই এ আয়াতের মধ্যে যে বলা হয়েছে,
وَالَّذِينَ هُمْ لِلرَّكُوةِ فَعِلُونَ
সে সব লোক, যারা তাযকিয়া করে। অর্থাৎ, নিজেদের আত্মাকে অপবিত্র চরিত্র, উদ্দীপনা ও ইচ্ছা থেকে পবিত্র করে তারা সফলকাম।
📄 তাসাউফের প্রকৃত স্বরূপ
আপনারা তাসাওউফ শব্দটি অনেকবার শুনে থাকবেন। মানুষ তাসাওউফ সম্পর্কে অনেক ভুল বুঝাবুঝি সৃষ্টি করে একে একটি অপবিত্র জিনিস বানিয়ে দিয়েছে। অথচ তাসাওউফের মূল উদ্দেশ্য হলো আপনার আবেগ-অনুভূতি বিশুদ্ধ হওয়া উচিত। আপনার স্বভাব-চরিত্র বিশুদ্ধ হওয়া উচিত। আপনার কামনা-বাসনা বিশুদ্ধ হওয়া উচিত। এগুলোকে বিশুদ্ধ করার পদ্ধতিই তাসাওউফের মধ্যে বলা হয়। এতোটুকুই হলো তাসাওউফের হাকীকত। এর অতিরিক্ত মানুষ যেসব বিষয়কে তাসাওউফের অন্তর্ভুক্ত করেছে, তাসাওউফের সাথে সেগুলোর কোনো সম্পর্ক নেই। ফকীহগণ যেভাবে নামায, রোযা, হজ্ব, যাকাত, বেচা-কেনা, বিবাহ-তালাক ইত্যাদি বাহ্যিক আমলসমূহের বিধান বর্ণনা করে থাকেন, তেমনিভাবে সূফীয়ায়ে কেরام আত্মার মধ্যে সৃষ্ট আবেগ- অনুভূতির বিধানসমূহ বর্ণনা করে থাকেন।
আপনারা তাসাওউফ শব্দটি অনেকবার শুনে থাকবেন। মানুষ তাসাওউফ সম্পর্কে অনেক ভুল বুঝাবুঝি সৃষ্টি করে একে একটি অপবিত্র জিনিস বানিয়ে দিয়েছে। অথচ তাসাওউফের মূল উদ্দেশ্য হলো আপনার আবেগ-অনুভূতি বিশুদ্ধ হওয়া উচিত। আপনার স্বভাব-চরিত্র বিশুদ্ধ হওয়া উচিত। আপনার কামনা-বাসনা বিশুদ্ধ হওয়া উচিত। এগুলোকে বিশুদ্ধ করার পদ্ধতিই তাসাওউফের মধ্যে বলা হয়। এতোটুকুই হলো তাসাওউফের হাকীকত। এর অতিরিক্ত মানুষ যেসব বিষয়কে তাসাওউফের অন্তর্ভুক্ত করেছে, তাসাওউফের সাথে সেগুলোর কোনো সম্পর্ক নেই। ফকীহগণ যেভাবে নামায, রোযা, হজ্ব, যাকাত, বেচা-কেনা, বিবাহ-তালাক ইত্যাদি বাহ্যিক আমলসমূহের বিধান বর্ণনা করে থাকেন, তেমনিভাবে সূফীয়ায়ে কেরام আত্মার মধ্যে সৃষ্ট আবেগ- অনুভূতির বিধানসমূহ বর্ণনা করে থাকেন।
📄 সারকথা
মোটকথা, কুরআনে কারীম হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নবীরূপে প্রেরীত হওয়ার যেসব উদ্দেশ্য বর্ণনা করেছে, তার মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য মানুষের চরিত্র পরিশুদ্ধ করা। আল্লাহ তা'আলা وَالَّذِيْنَ هُمْ لِلَّرَكُوةِ فَاعِلُونَ আয়াতে সেদিকে ইঙ্গিত করেছেন।
এ প্রসঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা ইনশাআল্লাহ আগামী জুমাগুলোতে পেশ করবে। আল্লাহ তা'আলা আমাকে এবং আপনাদের সকলকে এর উপর আমল করার তাওফিক দান করুন। আমীন।
وَاخِرُ دَعْوَانَا أَنِ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَلَمِينَ
মোটকথা, কুরআনে কারীম হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নবীরূপে প্রেরীত হওয়ার যেসব উদ্দেশ্য বর্ণনা করেছে, তার মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য মানুষের চরিত্র পরিশুদ্ধ করা। আল্লাহ তা'আলা وَالَّذِيْنَ هُمْ لِلَّرَكُوةِ فَاعِلُونَ আয়াতে সেদিকে ইঙ্গিত করেছেন।
এ প্রসঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা ইনশাআল্লাহ আগামী জুমাগুলোতে পেশ করবে। আল্লাহ তা'আলা আমাকে এবং আপনাদের সকলকে এর উপর আমল করার তাওফিক দান করুন। আমীন।
وَاخِرُ دَعْوَانَا أَنِ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَلَمِينَ