📄 আত্মার আমল হালাল হারাম উভয় প্রকার হয়ে থাকে
মোটকথা, অন্তরে ভালো কামনা সৃষ্টি হওয়া, ভালো উদ্দীপনা সৃষ্টি হওয়া এবং বিশুদ্ধ সংকল্প সৃষ্টি হওয়ার নাম 'তাযকিয়া'। কারণ, তাযকিয়া অর্থ হলো আত্মাকে মন্দ কামনা, মন্দ উদ্দীপনা ও মন্দ সংকল্প থেকে পবিত্র করা। যেভাবে নামায, রোযা, হজ্ব, যাকাত ইত্যাদি বাহ্যিক আমলসমূহ আমাদের দায়িত্বে ফরয এবং মদ পান করা, মিথ্যা বলা, ঘুষ নেওয়া, ঘুষ দেওয়া এ সমস্ত বাহ্যিক আমল হারাম, ঠিক একইভাবে আত্মারও কিছু আমল আল্লাহ তা'আলা ফরয ও ওয়াজিব সাব্যস্ত করেছেন এবং কিছু আমলকে হারাম ও নাজায়েয সাব্যস্ত করেছেন।
মোটকথা, অন্তরে ভালো কামনা সৃষ্টি হওয়া, ভালো উদ্দীপনা সৃষ্টি হওয়া এবং বিশুদ্ধ সংকল্প সৃষ্টি হওয়ার নাম 'তাযকিয়া'। কারণ, তাযকিয়া অর্থ হলো আত্মাকে মন্দ কামনা, মন্দ উদ্দীপনা ও মন্দ সংকল্প থেকে পবিত্র করা। যেভাবে নামায, রোযা, হজ্ব, যাকাত ইত্যাদি বাহ্যিক আমলসমূহ আমাদের দায়িত্বে ফরয এবং মদ পান করা, মিথ্যা বলা, ঘুষ নেওয়া, ঘুষ দেওয়া এ সমস্ত বাহ্যিক আমল হারাম, ঠিক একইভাবে আত্মারও কিছু আমল আল্লাহ তা'আলা ফরয ও ওয়াজিব সাব্যস্ত করেছেন এবং কিছু আমলকে হারাম ও নাজায়েয সাব্যস্ত করেছেন।
📄 ইখলাস আত্মার হালাল আমল
যেমন, ইখলাস আত্মার একটি হালাল আমল। এটা হাত, পা, নাক, কান, জবানের কাজ নয়। কারণ ইখলাস জন্ম নেয় অন্তরে। এটা অভ্যন্তরীণ আমল। ইখলাস অর্জন করা তেমনি ফরয, যেমন ফরয নামায পড়া এবং রমাযানের রোযা রাখা। বরং ইখলাস এরচেয়েও বড়ো ফরয। কারণ অন্তরে ইখলাস না থাকলে বাহ্যিক সব আমল বেকার হয়ে যায়। নামায যদি ইখলাস ছাড়া পড়েন তাহলে তা অর্থহীন হয়ে পড়বে।
যেমন, ইখলাস আত্মার একটি হালাল আমল। এটা হাত, পা, নাক, কান, জবানের কাজ নয়। কারণ ইখলাস জন্ম নেয় অন্তরে। এটা অভ্যন্তরীণ আমল। ইখলাস অর্জন করা তেমনি ফরয, যেমন ফরয নামায পড়া এবং রমাযানের রোযা রাখা। বরং ইখলাস এরচেয়েও বড়ো ফরয। কারণ অন্তরে ইখলাস না থাকলে বাহ্যিক সব আমল বেকার হয়ে যায়। নামায যদি ইখলাস ছাড়া পড়েন তাহলে তা অর্থহীন হয়ে পড়বে।
📄 শোকর ও সবর আত্মার আমল
এমনিভাবে নেয়ামতের জন্য আল্লাহ তা'আলার শোকর আদায় করা আত্মার একটা অমল। মানুষ আত্মা দিয়ে একথা চিন্তা করবে যে, আমি এই নেয়ামতের যোগ্য ছিলাম না। কিন্তু আল্লাহ তা'আলা কেবলই দয়া করে আমাকে এই নেয়ামত দ্বারা ভূষিত করেছেন। একে শোকর বলে, এটা আত্মার আমল। এটা ফরয।
আত্মার আরেকটি আমল হলো সবর। সবরের অর্থ হলো, অনাকাঙ্খিত কোনো ঘটনা ঘটলে বা কোনো কষ্টের শিকার হলে মানুষ চিন্তা করবে যে, যদিও আমার কষ্ট হচ্ছে কিন্তু আমি আল্লাহ তা'আলার ফয়সালার উপর রাযি আছি। আল্লাহ তা'আলা যা কিছু করছেন তা হিকমতের দাবিতেই করছেন। এর নাম সবর, এটা আত্মার কাজ। এ গুণটি অর্জন করা ফরয। এরকম আরো অনেক আমল আছে, যেগুলোর সম্পর্ক মানুষের আত্মার সাথে, এগুলোকে 'আখলাক' বলা হয়। উত্তম আখলাক অর্জন করা ফরয।
এমনিভাবে নেয়ামতের জন্য আল্লাহ তা'আলার শোকর আদায় করা আত্মার একটা অমল। মানুষ আত্মা দিয়ে একথা চিন্তা করবে যে, আমি এই নেয়ামতের যোগ্য ছিলাম না। কিন্তু আল্লাহ তা'আলা কেবলই দয়া করে আমাকে এই নেয়ামত দ্বারা ভূষিত করেছেন। একে শোকর বলে, এটা আত্মার আমল। এটা ফরয।
আত্মার আরেকটি আমল হলো সবর। সবরের অর্থ হলো, অনাকাঙ্খিত কোনো ঘটনা ঘটলে বা কোনো কষ্টের শিকার হলে মানুষ চিন্তা করবে যে, যদিও আমার কষ্ট হচ্ছে কিন্তু আমি আল্লাহ তা'আলার ফয়সালার উপর রাযি আছি। আল্লাহ তা'আলা যা কিছু করছেন তা হিকমতের দাবিতেই করছেন। এর নাম সবর, এটা আত্মার কাজ। এ গুণটি অর্জন করা ফরয। এরকম আরো অনেক আমল আছে, যেগুলোর সম্পর্ক মানুষের আত্মার সাথে, এগুলোকে 'আখলাক' বলা হয়। উত্তম আখলাক অর্জন করা ফরয।
📄 তাকাব্বুর আত্মার হারাম কাজ
আত্মার সাথে সম্পৃক্ত কিছু আমল এমন আছে, যেগুলো হারাম। যেমন অহংকার করা, নিজেকে নিজে বড়ো মনে করা। এমন মনে করা যে, আমার মতো আর কেউ নেই। আমার তুলনায় অন্য সবাই তুচ্ছ। তাদের কোনোই গুরুত্ব নেই। আমি সবচেয়ে বড়ো। এটা তাকাব্বুর। এটা অন্তরে সৃষ্টি হয়। অনেক সময় এই অহংকার মুখে প্রকাশ পায় না। মুখে তো বলে যে, আমি খুবই তুচ্ছ, খুবই অধম, খুবই খারাপ, কিন্তু অন্তরে অহংকার ভরা থাকে। কারণ, সে অন্যদেরকে তুচ্ছ জ্ঞান করে। এই অহংকার আত্মার ব্যাধি, যা হারাম। অহংকার এতো মারাত্মক যে, শূকরের মাংস খাওয়ার চেয়েও তা অধিক হারাম। মদ পান করার চেয়েও অধিক হারাম। কারণ, অহংকারকারী প্রকৃতপক্ষে আল্লাহ তা'আলার সঙ্গে যুদ্ধকারী। কারণ বড়ত্ব শুধু আল্লাহ তা'আলার জন্যই অবধারিত। যে ব্যক্তি বলে যে, আমি বড়ো, সে মূলত আল্লাহ তা'আলার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। মোটকথা, অহংকার অনেক বড়ো বিপদ ও হারাম।
আত্মার সাথে সম্পৃক্ত কিছু আমল এমন আছে, যেগুলো হারাম। যেমন অহংকার করা, নিজেকে নিজে বড়ো মনে করা। এমন মনে করা যে, আমার মতো আর কেউ নেই। আমার তুলনায় অন্য সবাই তুচ্ছ। তাদের কোনোই গুরুত্ব নেই। আমি সবচেয়ে বড়ো। এটা তাকাব্বুর। এটা অন্তরে সৃষ্টি হয়। অনেক সময় এই অহংকার মুখে প্রকাশ পায় না। মুখে তো বলে যে, আমি খুবই তুচ্ছ, খুবই অধম, খুবই খারাপ, কিন্তু অন্তরে অহংকার ভরা থাকে। কারণ, সে অন্যদেরকে তুচ্ছ জ্ঞান করে। এই অহংকার আত্মার ব্যাধি, যা হারাম। অহংকার এতো মারাত্মক যে, শূকরের মাংস খাওয়ার চেয়েও তা অধিক হারাম। মদ পান করার চেয়েও অধিক হারাম। কারণ, অহংকারকারী প্রকৃতপক্ষে আল্লাহ তা'আলার সঙ্গে যুদ্ধকারী। কারণ বড়ত্ব শুধু আল্লাহ তা'আলার জন্যই অবধারিত। যে ব্যক্তি বলে যে, আমি বড়ো, সে মূলত আল্লাহ তা'আলার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। মোটকথা, অহংকার অনেক বড়ো বিপদ ও হারাম।