📄 দেহের সুস্থতা আত্মার সুস্থতার উপর নির্ভরশীল
এজন্য হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আত্মা যদি সুস্থ, সবল ও শক্তিশালী হয় তাহলে পুরা দেহ সুস্থ, সবল ও শক্তিশালী হয়। আত্মা অসুস্থ হওয়ার চেয়ে মানুষের দেহের জন্য বড়ো কোনো বিপদ নেই। এজন্য জনৈক কবি বলেছেন,
نیست بیماری چوں بیماری دل 'আত্মার ব্যাধির সমান কোনো ব্যাধি নেই।' এটা তো হলো আত্মার বাহ্যিক অবস্থা।
এজন্য হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আত্মা যদি সুস্থ, সবল ও শক্তিশালী হয় তাহলে পুরা দেহ সুস্থ, সবল ও শক্তিশালী হয়। আত্মা অসুস্থ হওয়ার চেয়ে মানুষের দেহের জন্য বড়ো কোনো বিপদ নেই। এজন্য জনৈক কবি বলেছেন,
نیست بیماری چوں بیماری دل 'আত্মার ব্যাধির সমান কোনো ব্যাধি নেই।' এটা তো হলো আত্মার বাহ্যিক অবস্থা।
📄 আত্মার ইচ্ছা পবিত্র হওয়া উচিত
আত্মার অভ্যন্তরীণ অবস্থা এই যে, আল্লাহ তা'আলা আত্মার মধ্যে সূক্ষ্ম শক্তিসমূহ সৃষ্টি করেছেন। যার প্রভাবে কামনা-বাসনা সৃষ্টি হয় এবং আবেগ- উদ্দীপনা জন্ম গ্রহণ করে। যার দ্বারা ইচ্ছা সৃষ্টি হয়। সেসব সূক্ষ্ম শক্তি যদি পাক-পবিত্র হয় তাহলে মানুষের আমলসমূহও পাক-পবিত্র হয়। আর যদি সেগুলো পাক-পবিত্র না হয়, বরং নোংরা ও নাপাক হয় তাহলে আমল- আখলাকও নাপাক হয়। একটি কাজ বাহ্যিকভাবে নেক আমল বলে দৃষ্টিগোচর হলেও আত্মার যেই ইচ্ছা ও প্রেরণা একে জন্ম দিয়েছে তা পাক না হলে ঐ আমলও পাক হবে না।
আত্মার অভ্যন্তরীণ অবস্থা এই যে, আল্লাহ তা'আলা আত্মার মধ্যে সূক্ষ্ম শক্তিসমূহ সৃষ্টি করেছেন। যার প্রভাবে কামনা-বাসনা সৃষ্টি হয় এবং আবেগ- উদ্দীপনা জন্ম গ্রহণ করে। যার দ্বারা ইচ্ছা সৃষ্টি হয়। সেসব সূক্ষ্ম শক্তি যদি পাক-পবিত্র হয় তাহলে মানুষের আমলসমূহও পাক-পবিত্র হয়। আর যদি সেগুলো পাক-পবিত্র না হয়, বরং নোংরা ও নাপাক হয় তাহলে আমল- আখলাকও নাপাক হয়। একটি কাজ বাহ্যিকভাবে নেক আমল বলে দৃষ্টিগোচর হলেও আত্মার যেই ইচ্ছা ও প্রেরণা একে জন্ম দিয়েছে তা পাক না হলে ঐ আমলও পাক হবে না।
📄 সদিচ্ছার দৃষ্টান্ত
উদাহরণস্বরূপ, এখন আমরা সকলে এখানে আল্লাহ তা'আলার অনুগ্রহে জুমার নামায পড়ার জন্য একত্রিত হয়েছি। নামায পড়া বাহ্যিকভাবে একটি ভালো আমল। আপনার আত্মা যদি আপনার দ্বারা এই নেক আমলটি এজন্য করায় যে, নামায পড়া আল্লাহ তা'আলার হুকুম। আল্লাহ তা'আলার হুকুম তামিল করলে তিনি সন্তুষ্ট হবেন। ছওয়াব দান করবেন। এই ইচ্ছায় যদি আমলটি করেন তাহলে এটা নেক আমল বলে গণ্য হবে। কিন্তু মন যদি এই ইচ্ছা করে যে, আমি জুমার নামায পড়ছি, যাতে মানুষের মধ্যে খ্যাতি লাভ হয় যে, এই লোকটি অত্যন্ত নামাযী, অত্যন্ত ইবাদতগুজার, অত্যন্ত পরহেযগার, মসজিদের মধ্যে প্রথম কাতারে গিয়ে নামায পড়ে, তাহলে আমলটি যদিও ভালো, কিন্তু ইচ্ছা খারাপ, কামনা খারাপ এবং আত্মা খারাপ হওয়ার ফলে তা বদ আমল রূপে পরিগণিত হবে। এজন্যই হুযূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করছেন যে, তোমাদের আত্মা যদি সঠিক থাকে, সঠিক আবেগ অনুভূতি সৃষ্টি করে এবং সঠিক ইচ্ছা ও সংকল্প সৃষ্টি করে তাহলে তোমাদের সমস্ত আমল সঠিক হবে। কিন্তু আত্মা যদি ঠিক না থাকে, সে যদি ভুল পথ দেখায় তাহলে তোমাদের আমলও ভুল হবে। বাহ্যিকভাবে দেখতে তা যতো ভালোই হোক না কেন।
উদাহরণস্বরূপ, এখন আমরা সকলে এখানে আল্লাহ তা'আলার অনুগ্রহে জুমার নামায পড়ার জন্য একত্রিত হয়েছি। নামায পড়া বাহ্যিকভাবে একটি ভালো আমল। আপনার আত্মা যদি আপনার দ্বারা এই নেক আমলটি এজন্য করায় যে, নামায পড়া আল্লাহ তা'আলার হুকুম। আল্লাহ তা'আলার হুকুম তামিল করলে তিনি সন্তুষ্ট হবেন। ছওয়াব দান করবেন। এই ইচ্ছায় যদি আমলটি করেন তাহলে এটা নেক আমল বলে গণ্য হবে। কিন্তু মন যদি এই ইচ্ছা করে যে, আমি জুমার নামায পড়ছি, যাতে মানুষের মধ্যে খ্যাতি লাভ হয় যে, এই লোকটি অত্যন্ত নামাযী, অত্যন্ত ইবাদতগুজার, অত্যন্ত পরহেযগার, মসজিদের মধ্যে প্রথম কাতারে গিয়ে নামায পড়ে, তাহলে আমলটি যদিও ভালো, কিন্তু ইচ্ছা খারাপ, কামনা খারাপ এবং আত্মা খারাপ হওয়ার ফলে তা বদ আমল রূপে পরিগণিত হবে। এজন্যই হুযূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করছেন যে, তোমাদের আত্মা যদি সঠিক থাকে, সঠিক আবেগ অনুভূতি সৃষ্টি করে এবং সঠিক ইচ্ছা ও সংকল্প সৃষ্টি করে তাহলে তোমাদের সমস্ত আমল সঠিক হবে। কিন্তু আত্মা যদি ঠিক না থাকে, সে যদি ভুল পথ দেখায় তাহলে তোমাদের আমলও ভুল হবে। বাহ্যিকভাবে দেখতে তা যতো ভালোই হোক না কেন।
📄 আত্মার আমল হালাল হারাম উভয় প্রকার হয়ে থাকে
মোটকথা, অন্তরে ভালো কামনা সৃষ্টি হওয়া, ভালো উদ্দীপনা সৃষ্টি হওয়া এবং বিশুদ্ধ সংকল্প সৃষ্টি হওয়ার নাম 'তাযকিয়া'। কারণ, তাযকিয়া অর্থ হলো আত্মাকে মন্দ কামনা, মন্দ উদ্দীপনা ও মন্দ সংকল্প থেকে পবিত্র করা। যেভাবে নামায, রোযা, হজ্ব, যাকাত ইত্যাদি বাহ্যিক আমলসমূহ আমাদের দায়িত্বে ফরয এবং মদ পান করা, মিথ্যা বলা, ঘুষ নেওয়া, ঘুষ দেওয়া এ সমস্ত বাহ্যিক আমল হারাম, ঠিক একইভাবে আত্মারও কিছু আমল আল্লাহ তা'আলা ফরয ও ওয়াজিব সাব্যস্ত করেছেন এবং কিছু আমলকে হারাম ও নাজায়েয সাব্যস্ত করেছেন।
মোটকথা, অন্তরে ভালো কামনা সৃষ্টি হওয়া, ভালো উদ্দীপনা সৃষ্টি হওয়া এবং বিশুদ্ধ সংকল্প সৃষ্টি হওয়ার নাম 'তাযকিয়া'। কারণ, তাযকিয়া অর্থ হলো আত্মাকে মন্দ কামনা, মন্দ উদ্দীপনা ও মন্দ সংকল্প থেকে পবিত্র করা। যেভাবে নামায, রোযা, হজ্ব, যাকাত ইত্যাদি বাহ্যিক আমলসমূহ আমাদের দায়িত্বে ফরয এবং মদ পান করা, মিথ্যা বলা, ঘুষ নেওয়া, ঘুষ দেওয়া এ সমস্ত বাহ্যিক আমল হারাম, ঠিক একইভাবে আত্মারও কিছু আমল আল্লাহ তা'আলা ফরয ও ওয়াজিব সাব্যস্ত করেছেন এবং কিছু আমলকে হারাম ও নাজায়েয সাব্যস্ত করেছেন।