📄 চারিত্রিক পরিশুদ্ধির অর্থ কি?
দ্বিতীয় তাফসীর অনুপাতে وَالَّذِينَ هُمْ لِلزَّكُوةِ فَاعِلُونَ আয়াতের অর্থ এই যে, সফলতা তারা লাভ করে, যারা নিজেদের আমল-আখলাককে পবিত্র করার জন্য পরিপূর্ণরূপে চেষ্টা করে। এখন প্রশ্ন হলো, পবিত্র করার অর্থ কি? শরীর পাক করতে হলে পানি দ্বারা নাপাকী ধুয়ে ফেলতে হয়। কাপড় পাক করতে হলে পানি দ্বারা নাপাকী ধুয়ে ফেলতে হয়। কিন্তু আমল ও আখলাক পাক করার পদ্ধতি কি? এগুলো কি পানি দিয়ে ধুতে হবে? নাকি গোসল দেওয়ায়ে হবে?
দ্বিতীয় তাফসীর অনুপাতে وَالَّذِينَ هُمْ لِلزَّكُوةِ فَاعِلُونَ আয়াতের অর্থ এই যে, সফলতা তারা লাভ করে, যারা নিজেদের আমল-আখলাককে পবিত্র করার জন্য পরিপূর্ণরূপে চেষ্টা করে। এখন প্রশ্ন হলো, পবিত্র করার অর্থ কি? শরীর পাক করতে হলে পানি দ্বারা নাপাকী ধুয়ে ফেলতে হয়। কাপড় পাক করতে হলে পানি দ্বারা নাপাকী ধুয়ে ফেলতে হয়। কিন্তু আমল ও আখলাক পাক করার পদ্ধতি কি? এগুলো কি পানি দিয়ে ধুতে হবে? নাকি গোসল দেওয়ায়ে হবে?
📄 আত্মা মানুষের আমলের উৎস
খুব ভালো করে বুঝুন! মানুষের যাবতীয় আমলের মূল উৎস ও কেন্দ্র তার আত্মা। সর্ব প্রথম মানুষের অন্তরে আমলের ইচ্ছা সৃষ্টি হয় তারপর তার দ্বারা ঐ আমল সম্পাদিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, আপনি জুমার নামায আদায় করার জন্য মসজিদে আসলেন। তখন সর্বপ্রথম আপনার অন্তরে ইচ্ছা সৃষ্টি হয়েছে যে, আজকে জুমার দিন। মসজিদে গিয়ে আমার জুমার নামায আদায় করা উচিত। প্রথমে ইচ্ছা সৃষ্টি হয়েছে, তারপর ঐ ইচ্ছা পোক্ত হয়েছে। মনের অলসতার বিরোধিতা করে ইচ্ছাকে সংকল্পে পরিণত করতে হয়েছে। এই সংকল্পের ফলে আপনার পা মসজিদের দিকে ধাবিত হয়েছে। আপনি যদি সংকল্প না করতেন তাহলে আপনার পা মসজিদের দিকে চলতে আর করতো না। হ্যাঁ, কেউ যদি পাগল হয়ে যায় তাহলে তার হাত-পা ইচ্ছ ছাড়াও নড়াচড়া করতে পারে। কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত মানুষের মধ্যে জ্ঞান-বুদ্ধি আছে, অনুভূতি আছে, ততক্ষণ পর্যন্ত অন্তরে ইচ্ছা না জাগলে কোনো কাজ করতে পারবে না। সে কাজ ভালো হোক বা মন্দ। এতে বোঝা গেলো যে মানুষের সমস্ত কাজের উৎস তার আত্মা।
খুব ভালো করে বুঝুন! মানুষের যাবতীয় আমলের মূল উৎস ও কেন্দ্র তার আত্মা। সর্ব প্রথম মানুষের অন্তরে আমলের ইচ্ছা সৃষ্টি হয় তারপর তার দ্বারা ঐ আমল সম্পাদিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, আপনি জুমার নামায আদায় করার জন্য মসজিদে আসলেন। তখন সর্বপ্রথম আপনার অন্তরে ইচ্ছা সৃষ্টি হয়েছে যে, আজকে জুমার দিন। মসজিদে গিয়ে আমার জুমার নামায আদায় করা উচিত। প্রথমে ইচ্ছা সৃষ্টি হয়েছে, তারপর ঐ ইচ্ছা পোক্ত হয়েছে। মনের অলসতার বিরোধিতা করে ইচ্ছাকে সংকল্পে পরিণত করতে হয়েছে। এই সংকল্পের ফলে আপনার পা মসজিদের দিকে ধাবিত হয়েছে। আপনি যদি সংকল্প না করতেন তাহলে আপনার পা মসজিদের দিকে চলতে আর করতো না। হ্যাঁ, কেউ যদি পাগল হয়ে যায় তাহলে তার হাত-পা ইচ্ছ ছাড়াও নড়াচড়া করতে পারে। কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত মানুষের মধ্যে জ্ঞান-বুদ্ধি আছে, অনুভূতি আছে, ততক্ষণ পর্যন্ত অন্তরে ইচ্ছা না জাগলে কোনো কাজ করতে পারবে না। সে কাজ ভালো হোক বা মন্দ। এতে বোঝা গেলো যে মানুষের সমস্ত কাজের উৎস তার আত্মা।
📄 আত্মার মধ্যে সূক্ষ্ম শক্তিসমূহ গচ্ছিত রাখা হয়েছে
আল্লাহ তা'আলা 'দিল' নামক বিস্ময়কর এক জিনিস সৃষ্টি করেছেন। বাহ্যিক দৃষ্টিতে একে রক্তের একটি টুকরা মনে হয়। কিন্তু আল্লাহ তা'আলা ঐ রক্তের টুকরার সঙ্গে কিছু সূক্ষ্ম শক্তি সংযুক্ত করে দিয়েছেন। সেসব শক্তি চোখে দেখা যায় না। কোনো ল্যাবরেটরিতে এগুলোর টেস্টও করা যায় না কিন্তু এসব শক্তি আত্মার সঙ্গে সংযুক্ত আছে। আত্মার মধ্যে বিভিন্ন কাম বাসনা সৃষ্টি হয়। এ কাজ করবো, ও কাজ করবো। অন্তরেই এসব বাসন সৃষ্টি হয়। অন্তরেই ইচ্ছা জাগ্রত হয়। অন্তরেই আবেগ উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়। অন্তরেই ক্রোধ সৃষ্টি হয়। অন্তরেই চাহিদা সৃষ্টি হয়। অন্তরেই দুনিয়া জোড়া কামনা সৃষ্টি হয়। অন্তরেই বেদনা সৃষ্টি হয়। অন্তরেই দুশ্চিন্তা সৃষ্টি হয়। অন্তরেই আনন্দ সৃষ্টি হয়। এসব কিছুই আত্মাকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়।
আল্লাহ তা'আলা 'দিল' নামক বিস্ময়কর এক জিনিস সৃষ্টি করেছেন। বাহ্যিক দৃষ্টিতে একে রক্তের একটি টুকরা মনে হয়। কিন্তু আল্লাহ তা'আলা ঐ রক্তের টুকরার সঙ্গে কিছু সূক্ষ্ম শক্তি সংযুক্ত করে দিয়েছেন। সেসব শক্তি চোখে দেখা যায় না। কোনো ল্যাবরেটরিতে এগুলোর টেস্টও করা যায় না কিন্তু এসব শক্তি আত্মার সঙ্গে সংযুক্ত আছে। আত্মার মধ্যে বিভিন্ন কাম বাসনা সৃষ্টি হয়। এ কাজ করবো, ও কাজ করবো। অন্তরেই এসব বাসন সৃষ্টি হয়। অন্তরেই ইচ্ছা জাগ্রত হয়। অন্তরেই আবেগ উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়। অন্তরেই ক্রোধ সৃষ্টি হয়। অন্তরেই চাহিদা সৃষ্টি হয়। অন্তরেই দুনিয়া জোড়া কামনা সৃষ্টি হয়। অন্তরেই বেদনা সৃষ্টি হয়। অন্তরেই দুশ্চিন্তা সৃষ্টি হয়। অন্তরেই আনন্দ সৃষ্টি হয়। এসব কিছুই আত্মাকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়।
📄 অন্তরে ভালো ইচ্ছা জাগ্রত হওয়া উচিত
অন্তরে ভালো ইচ্ছা জাগ্রত হলে মানুষের দ্বারা ভালো কর্ম সম্পাদিত হয়। আর যদি মন্দ বাসনা জাগে তাহলে তার ইচ্ছাও মন্দ হয় এবং আমলও মন্দ হয়। এজন্য মানুষের যাবতীয় কল্যাণের ভিত্তি তার অন্তরে এমন কামনা বাসনা জাগ্রত হওয়ার উপর, যা সদিচ্ছা জন্ম দেয় এবং তার ফলে উত্তম আমল অস্তিত্ব লাভ করে। এমন কামনা বাসনা যেন অন্তরে সৃষ্টি না হয়, যার ফলে মানুষ ভুল পথে পতিত হয়। এমন ইচ্ছা জাগলেও তা যেন পরাভূত হয়। যাতে মানুষ ভুল পথে পতিত হওয়া থেকে বেঁচে যায়। মানুষের সমস্ত কর্ম এই মূলনীতির অধীনেই আবর্তিত হয়।
অন্তরে ভালো ইচ্ছা জাগ্রত হলে মানুষের দ্বারা ভালো কর্ম সম্পাদিত হয়। আর যদি মন্দ বাসনা জাগে তাহলে তার ইচ্ছাও মন্দ হয় এবং আমলও মন্দ হয়। এজন্য মানুষের যাবতীয় কল্যাণের ভিত্তি তার অন্তরে এমন কামনা বাসনা জাগ্রত হওয়ার উপর, যা সদিচ্ছা জন্ম দেয় এবং তার ফলে উত্তম আমল অস্তিত্ব লাভ করে। এমন কামনা বাসনা যেন অন্তরে সৃষ্টি না হয়, যার ফলে মানুষ ভুল পথে পতিত হয়। এমন ইচ্ছা জাগলেও তা যেন পরাভূত হয়। যাতে মানুষ ভুল পথে পতিত হওয়া থেকে বেঁচে যায়। মানুষের সমস্ত কর্ম এই মূলনীতির অধীনেই আবর্তিত হয়।