📄 ‘আনফাসে ঈসা’ কিতাবের সংকলকের পরিচয়
এখন যে কিতাবটি আমার সামনে রয়েছে, এর নাম 'আনফাসে ঈসা'। এ কিতাবটি হযরত থানভী রহ.-এর ইসলাহী মালফুযাত, তারবিয়াতী হিদায়াত এবং আধ্যাত্মিক রোগসমূহের উপকারী ও পরীক্ষিত ব্যবস্থাপত্রের সারনির্যাস। হযরতের বিশিষ্ট খলীফা ও মুজায হযরত মাওলানা মুহাম্মাদ ঈসা ছাহেব এটি সংকলন করেছেন। হযরত থানভী রহ.-এর খলীফাদের সংখ্যা অনেক। তাঁরা প্রত্যেকে নিজ নিজ সামর্থ্য ও যোগ্যতা অনুপাতে হযরতের নিকট থেকে ফয়েয লাভ করেছেন। তাঁদের প্রত্যেকে আমাদের জন্য চন্দ্র-সূর্য তুল্য। কিন্তু প্রত্যেক খলীফার মধ্যে এমন কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা তাকে অন্যদের থেকে বৈশিষ্টমণ্ডিত করেছে। হযরত মাওলানা ঈসা ছাহেব রহ. হযরত থানভী রহ.-এর প্রথম যুগের খলীফাদের অন্যতম। তাঁর সম্পর্কে প্রসিদ্ধ আছে যে, হযরতের সঙ্গে সাদৃশ্যের ব্যাপারে তিনি ছিলেন অতুলনীয়। বাহ্যিক চেহারা-সুরত, পোষাক-পরিচ্ছদ, চাল-চলন, কথা-বার্তা সব বিষয়ে হযরতের সঙ্গে তাঁর খুব সাদৃশ্য ছিলো। এমনকি কণ্ঠস্বরের মধ্যেও সাদৃশ্য ছিলো। তিনি যখন কুরআন তিলাওয়াত করতেন তখন বাহির থেকে শ্রোতার ধোঁকা হতো যে, তিনি তিলাওয়াত করছেন, নাকি হযরত থানভী রহ. তিলাওয়াত করছেন? এতো বেশি সাদৃশ্য ছিলো! বাহ্যিকভাবে যখন এতো বেশি সাদৃশ্য ছিলো, তখন অভ্যন্তরীণভাবে কতো ফয়েয যে তিনি লাভ করেছেন, তা আমরা অনুমানও করতে পারবো না।
কারো যখন নিজের শাইখের সঙ্গে তীব্র মহব্বত ও পরিপূর্ণ মুনাসাবাত সৃষ্টি হয়, উপরন্তু দীর্ঘ সোহবত লাভ হয় এবং মজবুতভাবে ফয়েয হাসেল করে, তখন অনেক সময় বাহ্যিক অভ্যাস ইত্যাদির মধ্যেও সাদৃশ্য সৃষ্টি হয়।
হযরাতে সাহাবায়ে কেরামের জামানাতেও এর দৃষ্টান্ত পাওয়া যায়। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযি. সম্পর্কে বর্ণনা এসেছে যে,
كَانَ أَشْبَهُ النَّاسِ سَمْتًا وَ دَلَّا وَهَدْيًا بِرَسُوْلِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ابْنَ أُمْ عَبْدٍ
ভাব-ভঙ্গি, উঠা-বসা, চাল-চলন ও লেবাস-পোষাকে হুযূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গে হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযি.-এর যেই পরিমাণ সাদৃশ্য ছিলো, অন্য কারো তা ছিলো না।'
মানুষ তাঁকে দেখে নিজেদের চক্ষু জুড়াতো, যেমন কি না হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যিয়ারত লাভ করে চক্ষু জুড়াতো।
হযরাতে সাহাবায়ে কেরام এবং হুযূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ব্যাপার তো অনন্য মর্যাদাপূর্ণ বিষয়। তবে এর সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ নমুনা উম্মতের মধ্যেও পাওয়া যায়। এরই একটি নমুনা হযরত মাওলানা ঈসা ছাহেব রহ এবং তাঁর শাইখ। যার মধ্যে এমন বাহ্যিক সাদৃশ্য পাওয়া যায় তার সম্পর্কে ধারণা করা হয় যে, তিনি নিজের শাইখের রুচি-প্রকৃতি এবং ইলম ও ফয়েয আহরণ করেছেন এবং তা পুরোপুরি আত্মস্থ করেছেন।
টিকাঃ
১. মুসনাদে আহমাদ, খণ্ড-৫১, পৃষ্ঠা-১৪১, হাদীস নং ২৪১১৭, ফাযায়েলুস সাহাবা, খণ্ড-২, পৃষ্ঠা-৮৪০, হাদীস নং ১৫৪১
📄 ‘আনফাসে ঈসা’ কিতাবের পরিচয়
যাই হোক, হযরত মাওলানা মুহাম্মাদ ঈসা ছাহেব রহ. হযরত থানভী রহ.-এর সোহবত ও খেদমতে থাকা অবস্থায় হযরতের যেসব কথা শুনেছেন এবং যেসব শিক্ষা অর্জন করেছেন, সেগুলোর সারকথা তিনি আমাদের জন্য এই 'আনফাসে ঈসা' কিতাবে সংকলন করেছেন। এ কিতাব হযরতের অন্যান্য সাধারণ মালফুযাতের সংকলনের মতো নয়। সাধারণ মালফুযাত ও মাজালিসের কিতাবসমূহে দেখা যাবে যে, হযরত কোনো বিষয়ে একটি কথা বলেছেন, কিছু সময় পর অন্য বিষয়ে আরেকটি কথা বলেছেন, তারপর তৃতীয় বিষয়ে তৃতীয় কথা বলেছেন আর মানুষ সেগুলোকে একত্রিত করেছে। কিন্তু এ কিতাবে হযরত মাওলানা মুহাম্মাদ ঈসা ছাহেব রহ. এমনটি করেননি। বরং তিনি হযরত থানভী রহ.-এর সোহবতে থাকাকালে তাসাওউফ ও তরীকত সম্পর্কে যা শুনেছেন এবং যেই তালীম অর্জন করেছেন, প্রথমে তা নিজে আত্মস্থ করেছেন, তারপর তার সারকথা বেশির ভাগ হযরত থানভী রহ.-এর ভাষাতেই লিপিবদ্ধ করেছেন।
এভাবে সেসব শিক্ষার সারনির্যাস তিনি আমাদের জন্য এ কিতাবে সংকলন করেছেন। এজন্য 'আনফাসে ঈসা' কিতাবটি আমাদের জন্য বিরল-বিস্ময়কর একটি নেয়ামত।
📄 তাসাউফের আসল লক্ষ্য কী?
তাসাওউফ, তরীকত, সুলুক, ইহসান একই অর্থের বিভিন্ন শব্দ। তাসাওউফের উদ্দেশ্য কেবল যিকির করা নয়। অনেকে মনে করে, তাসাওউফের উদ্দেশ্য কেবলই যিকির করা। আমরা যখন কোনো শাইখের কাছে বাইআত হবো, তখন তিনি আমাদেরকে ওযীফা বলে দিবেন। কেউ কেউ মনে করে, তাসাওউফের উদ্দেশ্য তাবিয-কবজ ও আধ্যাত্মিক চিকিৎসা। শাইখ আমাদেরকে কিছু আমল, তাবিজ ও রূহানী চিকিৎসা দিবেন। ভালো করে বুঝুন যে, এসবের সঙ্গে তাসাওউফের কোনো সম্পর্ক নেই। এমনকি যিকিরও তাসাওউফের মূল লক্ষ্য নয়। বরং যিকির হলো মূল লক্ষ্য অর্জনের একটি মাধ্যম। এমনিভাবে কতক মানুষ মনে করে যে, তাসাওউফের উদ্দেশ্য হলো, নির্জনে বসে মোরাকাবা করা, চিল্লা লাগানো এবং মুজাহাদা করা, অথচ এগুলো তাসাওউফের মূল উদ্দেশ্য নয়। বরং এগুলো হলো মূল উদ্দেশ্য অর্জনের বিভিন্ন পন্থা-পদ্ধতি।
তাহলে তাসাওউফের মূল উদ্দেশ্য কী? এ সম্পর্কে কুরআনে কারীমের এ আয়াতে আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেছেন,
قَدْ أَفْلَحَ مَنْ زَكْهَا
'সে ব্যক্তি সফলতা লাভ করলো, যে 'তাযকিয়া' তথা আত্মশুদ্ধি করলো।'
আল্লাহ তা'আলা হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নবীরূপে প্রেরণ করার উদ্দেশ্যসমূহের মধ্যে তাযকিয়ার কথা উল্লেখ করে বলেন,
رَبَّنَا وَابْعَثْ فِيهِمْ رَسُوْلًا مِنْهُمْ يَتْلُوا عَلَيْهِمْ أَيْتِكَ وَيُعَلِّمُهُمُ الْكِتٰبَ وَالْحِكْمَةَ وَيُزَكِّيهِمْ
'হে আমাদের পরওয়ারদিগার! তাদের মধ্যে এমন একজন রাসূল প্রেরণ করুন, যিনি তাদের থেকেই হবেন, যিনি তাদের সামনে আপনার আয়াতসমূহ তিলাওয়াত করবেন, তাদেরকে কিতাব ও হিকমতের তালীম দিবেন এবং তাদেরকে পাক-পবিত্র করবেন।২
আল্লাহ তা'আলা এ আয়াতে কিতাব ও হিকমতের তা'লীমকে নবীরূপে প্রেরণ করার উদ্দেশ্য বর্ণনা করে 'তাযকিয়া'কে আলাদাভাবে বর্ণনা করেছেন। 'তাযকিয়া'র শাব্দিক অর্থ পাক-পবিত্র করা। শরীয়তের পরিভাষায় 'তাযকিয়া'র দ্বারা উদ্দেশ্য হলো, মানুষের যেমন কিছু বাহ্যিক আমল আছে এবং এ বিষয়ে আল্লাহ তা'আলার আদেশ নিষেধ আছে; যেমন নামায পড়ো, রোযা রাখো, যাকাত দাও, হজ্ব করো ইত্যাদি, এগুলো হলো আদেশ। মিথ্যা বলো না, গীবত করো না, মদ পান করো না, চুরি করো না, ডাকাতি করো না, ইত্যাদি এগুলো হলো নিষেধ এবং গোনাহের কাজ। এগুলো থেকে বাঁচার জন্য শরীয়ত হুকুম দিয়েছে। তেমনিভাবে মানুষের অভ্যন্তর অর্থাৎ কলবেরও কিছু কাঙ্খিত গুণ আছে, যেগুলো অর্জন করা ওয়াজিব। এগুলো আদেশের অন্তর্ভুক্ত। এগুলো অর্জন করা ছাড়া দায়িত্ব আদায় হবে না। আর কিছু গুণ আছে বর্জনীয়। এগুলো বর্জন করা ওয়াজিব। এগুলো নিষিদ্ধের অন্তর্ভুক্ত। যেমন আল্লাহ তা'আলার নেয়ামতের শোকর করা ওয়াজিব। কোনো অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটলে সবর করা ওয়াজিব। আল্লাহ তায়ালার উপরে তাওয়াক্কুল এবং ভরসা করা ওয়াজিব। তাওয়ায়ু অর্থাৎ, নিজেকে নিজে ছোট মনে করা এবং বিনয় অবলম্বন করা ওয়াজিব। ইখলাস অর্জন করা ওয়াজিব। অর্থাৎ, প্রত্যেকটি কাজ কেবল আল্লাহ তা'আলার সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে করবে। ইখলাস ছাড়া কোনো আমল কবুল হয় না। শোকর, সবর, তাওয়াক্কুল, তাওয়াযু, ইখলাস ইত্যাদি গুণসমূহকে 'ফাযায়েল' ও 'আখলাকে ফাযেলা' বলা হয়। এগুলো অর্জন করা ওয়াজিব।
এমনিভাবে আত্মার কিছু খারাপ গুণ আছে, যেগুলো হারাম ও নাজায়েয। যেগুলো থেকে বাঁচা জরুরী। এগুলোকে 'রাযায়েল' ও 'আखলাকে রাযীলা' বলা হয়। এসব গুণ খারাপ ও দোষণীয়। এগুলোকে নিষ্পেষিত করতে হয়।
যাতে এগুলো মানুষকে গোনাহের প্রতি উদ্বুদ্ধ না করে। উদাহরণস্বরূপ, অহংকার করা, অর্থাৎ নিজেকে নিজে বড়ো মনে করা। হিংসা করা। রিয়া করা, অর্থাৎ, আল্লাহকে খুশি করার পরিবর্তে মানুষকে খুশি করার জন্যে এবং তাদেরকে দেখানোর জন্যে কোনো দ্বীনি কাজ করা। অহংকার হারাম, হিংসা হারাম, বিদ্বেষ হারাম, প্রদর্শনপ্রবৃত্তি হারাম। অধৈর্য হওয়া অর্থাৎ, আল্লাহ তা'আলার ফয়সালার উপর সন্তুষ্ট না থাকা, বরং ভাগ্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা, এটা হারাম। এগুলো রাযায়েল, যা মানুষের অন্তরে অবস্থান করে। এমনিভাবে ক্রোধকে মানুষ যদি অনুপযুক্ত ক্ষেত্রে ব্যবহার করে তাহলে এটাও রাযায়েলের অন্তর্ভুক্ত।
সারকথা এই যে, আত্মার অনেক ভালো গুণ আছে, যেগুলো অর্জন করা জরুরী। আর অনেক মন্দ চরিত্র আছে, যেগুলো থেকে বিরত থাকা জরুরী। সূফীয়ায়ে কেরام ও মাশায়েখগণ নিজেদের মুরীদ ও শাগরিদদের অন্তরে ভালো গুণ অর্জনের জন্য পানি সিঞ্চন করেন এবং মন্দচরিত্রসমূহকে নিষ্পেষিত করার তালীম দান করেন। যেন মন্দ চরিত্র নিষ্পেষিত করতে করতে তা না থাকার পর্যায়ে চলে যায়। যার জন্য হযরত থানভী রহ. এই পরিভাষা বর্ণনা করেছেন যে, 'ইমালা বা দরজায়ে ইযালা'। অর্থাৎ, অন্তরে যেসব মন্দ চরিত্র রয়েছে, সেগুলোকে এ পরিমাণ দমন ও নিষ্পেষিত করা যে, ঐ মন্দ চরিত্র থাকবে ঠিকই, তবে তা না থাকার মতো হয়ে যাবে। যাই হোক, তাসাওউফের মধ্যে রাযায়েলকে দমন করতে হয়, আর ফাযায়েলকে অর্জন করতে হয়। এরই নাম 'তাযকিয়া'। এটাই তাসাওউফের মূল লক্ষ্য।
টিকাঃ
১. সূরা আশ শামস, আয়াত-৯
২. সূরা বাকারাহ, আয়াত-১২৯
📄 শাইখের প্রয়োজনীয়তা
এই 'তাযকিয়া' সাধারণত কোনো শাইখের সাহচর্য অবলম্বন এবং তার সামনে নিজেকে বিলীন করা ছাড়া লাভ হয় না। কেন লাভ হয় না? এ কারণে যে, لِكُلِّ فَنْ رِجَالٌ অর্থাৎ, প্রত্যেক বিষয় ও শাস্ত্র অর্জনের জন্য সে বিষয়ে দক্ষ ও অভিজ্ঞ লোকের কাছে যাওয়া জরুরী। ফিকহের কোনো মাসআলা জানতে হলে কোনো মুফতী ছাহেবের কাছে যেতে হবে। কারণ তিনি এই শাস্ত্র সম্পর্কে অবগত। তিনি জানেন কোন প্রশ্নের কি উত্তর দিতে হবে। কিন্তু আধ্যাত্মিক আমল সম্পর্কে দক্ষতা অর্জন করা এবং এ কথা চেনা যে, এ ব্যক্তির মধ্যে এ রোগ আছে কি না, সবার সাধ্যভুক্ত নয়? কারণ, আধ্যাত্মিক ব্যাধি প্রচ্ছন্ন ও সূক্ষ্ম হয়ে থাকে। একটি জিনিস খুব ভালো, আরেকটি জিনিস খুব খারাপ, কিন্তু উভয়ের মধ্যে পার্থক্য করা বড়ো কঠিন। যেমন অহংকার করা হারাম এবং তা থেকে বাঁচা ওয়াজিব। কারণ অহংকার সর্ব রোগের মূল। আরেকটি গুণ হলো আত্মসম্মানবোধ, যা অর্জন করা ওয়াজিব। নিজেকে নিজে লাঞ্ছিত করা জায়েয নেই। কিন্তু এটা দেখা যে, কোনটা অহংকার, আর কোনটা আত্মসম্মান? যে কাজ আমি করছি, তা অহংকারের কারণে করছি, নাকি আত্মসম্মানের কারণে? এতোদুভয়ের মাঝে কে ভেদ রেখা টেনে দিবে? কে চিনবে যে, এটা অহংকার, আর এটা আত্মসম্মান? এটা সবার সাধ্যভুক্ত বিষয় নয়। বিশেষ করে মানুষের জন্যে নিজের এসব ব্যাধি চেনা বড়ো কঠিন কাজ।
যেমন, একটি ব্যাধি হলো নিজের বড়ত্ব বর্ণনা করা। আমি এমন, আমি তেমন। আমার মধ্যে এই গুণ রয়েছে, আমার মধ্যে এই যোগ্যতা রয়েছে, এটা হারাম। একে 'তা'আল্লী' (تعلی) ও অহমিকা বলা হয়। আরেকটি জিনিস হলো তাহদীসে নেয়ামত (تحدیث نعمت) তথা নেয়ামতের বর্ণনা দেওয়া। যার সম্পর্কে কুরআনে কারীমে উল্লেখ আছে যে,
وأَمَّا بِنِعْمَةِ رَبِّكَ فَحَدِّثْ 'এবং আপনার প্রভুর নেয়ামতের বর্ণনা দিন।'
এখন কে এর মাঝে পার্থক্য করবে যে, আমি যে গুণ বর্ণনা করছি, এটা 'তা'আল্লী' নাকি 'তাহদীসে নেয়ামত'?
টিকাঃ
১. সূরা আয যুহা, আয়াত-১১