📄 পাশ্চাত্যের উবায়দিয়া রাজত্ব
পাশ্চাত্যে (তথা আরবের পশ্চিমাঞ্চলে- অনুবাদক) ২৯২ হিজরীতে আল-মাহদী উবায়দুল্লাহ সর্বপ্রথম উবায়দিয়া শাসন ব্যবস্থা কায়েম করেন। তিনি ৩২২ হিজরীতে মারা গেলে তার ছেলে আল-কায়িম বি আমরিল্লাহ মুহাম্মাদ তদস্থলে উপবেশন করেন। ৩৩৩ হিজরীতে তিনিও মারা যান। কায়িমের পর তার ছেলে আল-মানসুর ইসমাঈল তখতে সমাসীন হন। তিনি ৩৪১ হিজরীতে মারা যান। অতঃপর তার পুত্র আল-মুআয লিদ্দীনিল্লাহ সাদ বাদশাহ হন, যিনি ৩৬২ হিজরীতে কায়রো প্রবেশ করেন এবং ৩৬৫ হিজরীতে মারা যান। তার স্থানে তার ছেলে আল-আযীয বাযযার আসীন হন। তিনি ৩৮৬ হিজরীতে ইন্তেকাল করেন। তার পর তার ছেলে হাকিম বিন আমরিল্লাহ মানসুর তখতে আরোহণ করেন। ৪১১ হিজরীতে তাকে হত্যা করা হলে পুত্র আয-যাহির লা-আযাযুদ্দীনিল্লাহ সালতানাতে প্রতিষ্ঠা পান। তিনি ৪২৮ হিজরীতে মারা যাওয়ায় পুত্র আল-মুনতাসির মুহাম্মাদ সালতানাতের তখত অধিকার করেন। তিনি ৪৮৭ হিজরীতে পরলোক গমন করেন। তিনি ষাট বছর চার মাস রাজত্ব করেন।
যাহাবী বলেন, আমার মতে মুসলিম জাহানের কোনো খলীফা বা বাদশাহ এত দীর্ঘ সময় রাজ্য শাসন করেননি।
অতঃপর তার ছেলে আল-মুসতা'আলা বিল্লাহ আহমদ মসনদে আরোহণের পর ৪৯৫ হিজরীতে মারা যান। এরপর তার ছেলে আল-আমর বি আহকামিল্লাহ মানসুর পাঁচ বছর বয়সে বাদশাহ হন। ৫২৪ হিজরীতে তাকে সপরিবারে হত্যা করা হলে তার চাচাত ভাই আল-হাফিজ লিদ্দীনিল্লাহ আব্দুল মজিদ ইবন মুহাম্মাদ বিন আল-মুসতানসির তখত নসীন হন, যিনি ৫৪৪ হিজরীতে মারা যান। তদস্থলে পুত্র যাফর বিল্লাহ ইসমাঈল উপবেশনপূর্বক ৫৪৯ হিজরীতে নিহত হলে ফায়েয বি নাসরিল্লাহ ঈসা তখতে আসীন হন। যিনি ৫৫৫ হিজরীতে মারা যান। তারপর আল-আযদ লিদ্দীনিল্লাহ আব্দুল্লাহ বিন ইউসুফ বিন হাফিজ লিদ্দীনিল্লাহ তখত নসীন হন। তিনি ৫৬৭ হিজরীতে অপসারিত হন এবং এ বছরই মারা যান। বর্তমানে মিসরে আব্বাসীয় শাসন ব্যবস্থা বিদ্যমান এবং সেখানে উবায়দিয়া রাজত্বের পরিসমাপ্তি ঘটেছে। যাহাবী বলেন, উবায়দিয়া রাজত্বের চতুর্দশ বাদশাহ নিজেকে খলীফা দাবী করলেও কেউ তার খিলাফত মেনে নেয়নি।
পাশ্চাত্যে (তথা আরবের পশ্চিমাঞ্চলে- অনুবাদক) ২৯২ হিজরীতে আল-মাহদী উবায়দুল্লাহ সর্বপ্রথম উবায়দিয়া শাসন ব্যবস্থা কায়েম করেন। তিনি ৩২২ হিজরীতে মারা গেলে তার ছেলে আল-কায়িম বি আমরিল্লাহ মুহাম্মাদ তদস্থলে উপবেশন করেন। ৩৩৩ হিজরীতে তিনিও মারা যান। কায়িমের পর তার ছেলে আল-মানসুর ইসমাঈল তখতে সমাসীন হন। তিনি ৩৪১ হিজরীতে মারা যান। অতঃপর তার পুত্র আল-মুআয লিদ্দীনিল্লাহ সাদ বাদশাহ হন, যিনি ৩৬২ হিজরীতে কায়রো প্রবেশ করেন এবং ৩৬৫ হিজরীতে মারা যান। তার স্থানে তার ছেলে আল-আযীয বাযযার আসীন হন। তিনি ৩৮৬ হিজরীতে ইন্তেকাল করেন। তার পর তার ছেলে হাকিম বিন আমরিল্লাহ মানসুর তখতে আরোহণ করেন। ৪১১ হিজরীতে তাকে হত্যা করা হলে পুত্র আয-যাহির লা-আযাযুদ্দীনিল্লাহ সালতানাতে প্রতিষ্ঠা পান। তিনি ৪২৮ হিজরীতে মারা যাওয়ায় পুত্র আল-মুনতাসির মুহাম্মাদ সালতানাতের তখত অধিকার করেন। তিনি ৪৮৭ হিজরীতে পরলোক গমন করেন। তিনি ষাট বছর চার মাস রাজত্ব করেন।
যাহাবী বলেন, আমার মতে মুসলিম জাহানের কোনো খলীফা বা বাদশাহ এত দীর্ঘ সময় রাজ্য শাসন করেননি।
অতঃপর তার ছেলে আল-মুসতা'আলা বিল্লাহ আহমদ মসনদে আরোহণের পর ৪৯৫ হিজরীতে মারা যান। এরপর তার ছেলে আল-আমর বি আহকামিল্লাহ মানসুর পাঁচ বছর বয়সে বাদশাহ হন। ৫২৪ হিজরীতে তাকে সপরিবারে হত্যা করা হলে তার চাচাত ভাই আল-হাফিজ লিদ্দীনিল্লাহ আব্দুল মজিদ ইবন মুহাম্মাদ বিন আল-মুসতানসির তখত নসীন হন, যিনি ৫৪৪ হিজরীতে মারা যান। তদস্থলে পুত্র যাফর বিল্লাহ ইসমাঈল উপবেশনপূর্বক ৫৪৯ হিজরীতে নিহত হলে ফায়েয বি নাসরিল্লাহ ঈসা তখতে আসীন হন। যিনি ৫৫৫ হিজরীতে মারা যান। তারপর আল-আযদ লিদ্দীনিল্লাহ আব্দুল্লাহ বিন ইউসুফ বিন হাফিজ লিদ্দীনিল্লাহ তখত নসীন হন। তিনি ৫৬৭ হিজরীতে অপসারিত হন এবং এ বছরই মারা যান। বর্তমানে মিসরে আব্বাসীয় শাসন ব্যবস্থা বিদ্যমান এবং সেখানে উবায়দিয়া রাজত্বের পরিসমাপ্তি ঘটেছে। যাহাবী বলেন, উবায়দিয়া রাজত্বের চতুর্দশ বাদশাহ নিজেকে খলীফা দাবী করলেও কেউ তার খিলাফত মেনে নেয়নি।
📄 বনু তাবাতাবাদের শাসন ব্যবস্থা
১৯৯ হিজরীর জামাদিউল উলা মাসে সর্বপ্রথম যিনি এ শাসন ব্যবস্থার প্রবর্তন করেন তিনি হলেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন ইবরাহীম তাবাতাবা। তার যুগে আল-হাদী ইয়াহইয়া বিন আল-হুসাইন বিন কাসিম বিন তাবাতাবা ইয়ামনে শাসন ব্যবস্থা কায়েম করেন এবং আমিরুল মুমিনীন উপাধি ধারণ করেন। ২০৮ হিজরীর যিলহজ মাসে তার ইন্তেকালের পর পুত্র মুর্তজা মুহাম্মাদ তখতে আরোহণ করেন, যিনি ৩২০ হিজরীতে মারা যান। এরপর তার ভাই নাসর আহমদ তখত নসীন হন। তিনি ৩২৩ হিজরীতে মৃত্যু বরণ করেন। তার পর পুত্র আল-মুনতাখিব আল-হুসাইন ক্ষমতায় আসেন এবং ৩২৯ হিজরীতে মারা যান। অতঃপর তার ভাই মুখতার আল-কাসিম মসনদে বসেন। ৩৪৪ হিজরীর শাওয়াল মাসে তিনি নিহত হন। এরপর তার ভাই হাদী মুহাম্মাদ, অতঃপর তার ছেলে রশীদ আব্বাস তখতে উপবেশন করেন। এরপর তাদের শাসন ব্যবস্থার পরিসমাপ্তি ঘটে।
১৯৯ হিজরীর জামাদিউল উলা মাসে সর্বপ্রথম যিনি এ শাসন ব্যবস্থার প্রবর্তন করেন তিনি হলেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন ইবরাহীম তাবাতাবা। তার যুগে আল-হাদী ইয়াহইয়া বিন আল-হুসাইন বিন কাসিম বিন তাবাতাবা ইয়ামনে শাসন ব্যবস্থা কায়েম করেন এবং আমিরুল মুমিনীন উপাধি ধারণ করেন। ২০৮ হিজরীর যিলহজ মাসে তার ইন্তেকালের পর পুত্র মুর্তজা মুহাম্মাদ তখতে আরোহণ করেন, যিনি ৩২০ হিজরীতে মারা যান। এরপর তার ভাই নাসর আহমদ তখত নসীন হন। তিনি ৩২৩ হিজরীতে মৃত্যু বরণ করেন। তার পর পুত্র আল-মুনতাখিব আল-হুসাইন ক্ষমতায় আসেন এবং ৩২৯ হিজরীতে মারা যান। অতঃপর তার ভাই মুখতার আল-কাসিম মসনদে বসেন। ৩৪৪ হিজরীর শাওয়াল মাসে তিনি নিহত হন। এরপর তার ভাই হাদী মুহাম্মাদ, অতঃপর তার ছেলে রশীদ আব্বাস তখতে উপবেশন করেন। এরপর তাদের শাসন ব্যবস্থার পরিসমাপ্তি ঘটে।
📄 তবরিস্তানের রাজত্বের বিবরণ
ছয়জন পর্যন্ত এ রাজত্বের শাসন ব্যবস্থা কায়েম ছিল। এদের মধ্যে প্রথম তিন জন হযরত হাসান (রা.)-এর আওলাদ এবং পরের তিন জন হযরত হুসাইন (রা.)-এর বংশধর। ২৫০ হিজরীতে রায় এবং দিলম অঞ্চলে সর্বপ্রথম হিশাম আল-দায়ী ইলাল্লাহ হাসান বিন সায়েদ বিন মুহাম্মাদ বিন ইসমাঈল বিন হুসাইন বিন যায়েদ বিন জাওয়াদ বিন হাসান বিন হুসাইন বিন আলী বিন আবু তালিব এ রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করেন। তারপর তার ভাই কায়িম বিলহক মুহাম্মাদ তখত নসীন হন এবং ২৮৮ হিজরীতে তাকে হত্যা করা হয়। এরপর তার পৌত্র আল-মাহদী আল-হাসান বিন যায়েদ আল-কায়িম বিলহক ক্ষমতায় আসেন। অতঃপর ---!! (গ্রন্থকার এরপর আর কিছুই লিখেননি- অনুবাদক)।
ছয়জন পর্যন্ত এ রাজত্বের শাসন ব্যবস্থা কায়েম ছিল। এদের মধ্যে প্রথম তিন জন হযরত হাসান (রা.)-এর আওলাদ এবং পরের তিন জন হযরত হুসাইন (রা.)-এর বংশধর। ২৫০ হিজরীতে রায় এবং দিলম অঞ্চলে সর্বপ্রথম হিশাম আল-দায়ী ইলাল্লাহ হাসান বিন সায়েদ বিন মুহাম্মাদ বিন ইসমাঈল বিন হুসাইন বিন যায়েদ বিন জাওয়াদ বিন হাসান বিন হুসাইন বিন আলী বিন আবু তালিব এ রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করেন। তারপর তার ভাই কায়িম বিলহক মুহাম্মাদ তখত নসীন হন এবং ২৮৮ হিজরীতে তাকে হত্যা করা হয়। এরপর তার পৌত্র আল-মাহদী আল-হাসান বিন যায়েদ আল-কায়িম বিলহক ক্ষমতায় আসেন। অতঃপর ---!! (গ্রন্থকার এরপর আর কিছুই লিখেননি- অনুবাদক)।