📘 তারীখুল খুলাফা > 📄 আল-ওয়াছিক বিল্লাহ ইবরাহীম

📄 আল-ওয়াছিক বিল্লাহ ইবরাহীম


আল-ওয়াছিক বিল্লাহ ইবরাহীম বিন ওলীয়ে আহাদ আল-মুসতামসিক বিল্লাহ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন হাকিম বি আমারিল্লাহ আবুল আব্বাস আহমদের দাদা হাকিম পুত্র মুহাম্মাদকে আল-মুসতামসিক বিল্লাহ উপাধি দিয়ে উত্তরাধিকার মনোনীত করেন। তবে তিনি পিতার সামনে ইন্তেকাল করায় হাকিম তার নাতি ইবরাহীমকে উত্তরাধিকার মনোনীত করেন। হাকিমের ধারণা ছিল ইবরাহীমের মধ্যে খিলাফত পরিচালনার যোগ্যতা সৃষ্টি হবে। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি নিজেই বুঝতে পারেন যে, ইবরাহীম এ কাজের যোগ্য নন। কারণ তিনি খেলাধুলা প্রিয় এবং চরিত্রহীন লোকদের সহচর ছিলেন। হাকিম তার সংশোধনে অপারগ হয়ে তাকে উত্তরাধিকার থেকে অপসারণ করে ইবরাহীমের চাচা মুসতাকফীকে উত্তরাধিকার মনোনীত করেন। ফলে ইবরাহীম খলীফা এবং সুলতানের মধ্যে মনোমালিন্যের বীজ বপন করেন।

মুসতাকফী মৃত্যুর সময় পুত্র আহমদকে উত্তরাধিকার মনোনীত করেন। কিন্তু সুলতান এ ব্যাপারে ভ্রূক্ষেপ না করায় জনগণ ইবরাহীমের নিকট বাইআত করে এবং তাকে আল-ওয়াছিক বিল্লাহ উপাধি দেয়। মৃত্যুর সময় সুলতান এ কাজে দারুণ অনুতপ্ত হয় এবং ৭৪২ হিজরীর মুহাররম মাসের শেষে ইবরাহীমকে অপসারণ করে আহমদকে হাকিম বি আমরিল্লাহ উপাধি দিয়ে খলীফা নির্ধারণ করে দেয়। আল্লামা ইবনে হাজার আসকালানী বলেন, লোকেরা ইবরাহীমের অনৈতিক কাজসমূহের অভিযোগ জানালেও সুলতান তাদের কথায় কোনো প্রকার কান দেয়নি। উপরন্তু তারই হাতে বাইআত হয়।

ইবনে ফাযলুল্লাহ 'আল-মাসালিক' গ্রন্থে লিখেছেন, খিলাফতের যোগ্যতা এসে যাবে ভেবেই হাকিম ইবরাহীমকে উত্তরাধিকার মনোনীত করেছিলেন। কিন্তু তিনি সৎলোকের সহচরে না গিয়ে মন্দ মানুষের সংস্পর্শে হারাম কাজে লিপ্ত হয়ে পড়েন। মুসতাকফীর মৃত্যুর সময় তার ছেলের প্রতি করুণা করার প্রেক্ষিতে খলীফার সাথে সুলতানের সম্পর্কে ভাটা পড়ে। এর সূত্র ধরে সুলতান ইবরাহীমকেই মনোনীত করে। যেহেতু ইবরাহীমের দাদা হাকিম তাকে উত্তরাধিকার বানিয়েছেন মুসতাকফী তার ছেলে আহমদকে মনোনীত করার আগেই। প্রধান বিচারপতি আবু উমর বিন জামাত সুলতানের বিরোধিতা করেন। কিন্তু তার অভিমতটিই প্রাধান্য পেয়ে যায়। খুতবায় তার পরিবর্তে সুলতানের নাম উল্লেখ হয়। মুসতাকফীর মৃত্যুর পর থেকে খুতবায়, মিম্বরে এবং দু'আর মজলিসে খলীফাদের নাম বিলুপ্ত হয়ে যায় এবং সুলতানদের নাম বাকী থেকে যায়। সুলতানের অন্তিম মুহূর্ত পর্যন্ত এ অবস্থা অব্যাহত ছিল। মৃত্যুর কড়াঘাতে শঙ্কিত সুলতানের তখন দৃষ্টি খুলে যায়। খলীফা মুসতাকফীর ওসীয়ত মোতাবিক খিলাফত বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য সুলতান এবার উঠে পড়ে লাগে। সে তার পূর্বের কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত হয় এবং ইবরাহীমকে অপসারণ করে।

📘 তারীখুল খুলাফা > 📄 আল-হাকিম বি আমরিল্লাহ আবুল আব্বাস

📄 আল-হাকিম বি আমরিল্লাহ আবুল আব্বাস


আল-হাকিম বি আমরিল্লাহ আবুল আব্বাস আহমদ বিন আল-মুসতাকফী। কুস শহরে ইন্তেকালের সময় মুসতাকফী হাকিমকে উত্তরাধিকার মনোনীত করলে সুলতান আল-মুলকুন নাসর হাকিমের চাচাত ভাই ইবরাহীমকে নির্বাচন করে। ইবরাহীমের চরিত্র ভাল না হওয়ার কারণে কাযী আযুদ্দীন বিন জামাত সুলতানের বিরোধিতা করেন। কিন্তু তা কোনোই কাজে আসেনি। সুলতান ইবরাহীমের কাছেই বাইআত করে। অবশেষে মৃত্যুর সময় সুলতানের বোধোদয় হয়। সে ইবরাহীমকে অপসারণ করে আহমদের (হাকিমের) নিকট বাইআত গ্রহণের জন্য আমীর-উমারাদের ওসীয়ত করে। সুলতানের মৃত্যুর পর আল মানসুর আবু বকর বিন নসর সুলতান হয়। ৭৪১ হিজরীর যিলহজ মাসের ১১ তারিখ মঙ্গলবারে নতুন সুলতান একটি মজলিশের আয়োজন করে। এ মজলিশে ইবরাহীম এবং হাকিম উভয়কেই ডেকে আনা হয়। ভরা মজলিশে কাযীদের জিজ্ঞাসা করে, শরীয়তের দৃষ্টিকোণ থেকে খিলাফতের হকদার কে? কাযী আযুদ্দীন বিন জামাত বললেন, খলীফা মুসতাকফী মৃত্যুর সময় কুস শহরে পুত্র আহমদকে উত্তরাধিকার মনোনীত করেন। এ কাজের সত্যতা প্রমাণের জন্য খলীফা কুস শহরের ৪০ জন ইনসাফগার সাক্ষীও রেখে গেছেন। এ কথা শুনে সুলতান সঙ্গে সঙ্গে ইবরাহীমকে অপসারণ করে আহমদের নিকট বাইআত করে আল-হাকিম বি আমরিল্লাহ উপাধি দেয়।

ইবনে ফাযলুল্লাহ 'মাসালিক' গ্রন্থে লিখেছেন, হাকিম বি আমরিল্লাহ হলেন আমাদের যুগের ইমাম এবং আমাদের দেশের জন্য রহমতের বারিধারায় সিক্ত বাদশাহ। সারা জীবন মঙ্গলময় কাজ করার দরুন তার প্রতি সকলের সশ্রদ্ধ দৃষ্টি নত হয়ে যেত। তিনি খিলাফতের রীতিনীতিগুলোকে পুনঃজীবন দান করেন। তার বিরুদ্ধবাদিদের কাউকে তিনি শাস্তি দেননি। তিনি বাপ-দাদার পদাঙ্ক অনুসরণে চলতেন। স্বীয় পরিজনের মধ্যে বিরাজিত হতাশা এবং মতভেদ দূর করে দেন। সকল মিম্বরগুলোতে তার নামে খুতবা পাঠ হতে থাকে।

আল্লামা ইবনে হাজার বলেন, প্রথমে তার উপাধি আল-মুসতানসির নির্ধারণ করা হয়। পরবর্তীতে আল-হাকিম লকব হয়ে যায়। ৭৫৩ হিজরীর মধ্যবর্তীতে প্লেগ রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা যান। তাঁর শাসনামলের উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলোর মধ্যে রয়েছে— সুলতান মানসুরের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা এবং মদ পানের দায়ে তাকে অপসারণ করা হয়। তাকে কুসে পাঠিয়ে দেওয়া হয় এবং ওখানেই সে নিহত হয়। মানসুর অপসারিত হবার পর তার ভাই আল-মুলকুল আশরাফ সুলতান হয়। তাঁকেও তখত থেকে নামিয়ে দেওয়ার পর তার ভাই আহমদ নসর লকব ধারণপূর্বক মসনদে আরোহণ করে। ৭৪৩ হিজরীতে আহমদকেও ক্ষমতা থেকে সরিয়ে তদস্থলে তার ভাই ইসমাঈল সলিহ উপাধি নিয়ে সুলতান হয়। ৭৪৬ হিজরীতে ইসমাঈল সলিহের মৃত্যু হলে খলীফা তার ভাই শাবানকে আল-কামিল উপাধি দিয়ে সুলতান মনোনীত করেন। ৭৪৭ হিজরীতে কামিল নিহত হলে তার ভাই আমীর হাজ আল-মুযাফফর উপাধি নিয়ে তখত নসীন হয়। তাঁকেও ৭৪৮ হিজরীতে অপসারণের পর তার ভাই হোসেনকে নসর উপাধি দিয়ে সুলতান বানানো হয়। ৭৫২ হিজরীতে হোসেন ক্ষমতা থেকে সরে দাঁড়ালে তার ভাই সলিহ সুলতান মনোনীত হয়।

তার যুগে যেসব ওলামায়ে কেরাম ইন্তেকাল করেন তাঁরা হলেন— হাফেজ আবুল হাজ, তাজ আব্দুল বাকী ইয়াযনী, শামস আব্দুল হাদী, ইবনুল ওয়ার্দী, আবু হিয়ান, ইবনুল লুবান, ইবনে আদলান, ইবনে ফযলুল্লাহ, ইবনে কাইয়্যম জাওযী প্রমুখ।

📘 তারীখুল খুলাফা > 📄 আল-মুতাদ বিল্লাহ আবুল ফাতাহ

📄 আল-মুতাদ বিল্লাহ আবুল ফাতাহ


আল-মুতাযদ বিল্লাহ আবুল ফাতাহ আবু বকর বিন আল-মুসতাকফী তার ভাইয়ের মৃত্যুর পর ৭৫৩ হিজরীতে লোকেরা জ্ঞানীদের সাথে মিত্রতার সম্পর্ক স্থাপনের জন্য তার হাতে বাইআত হয়। তিনি ৭৬৩ হিজরীর জামাদিউল উলা মাসে ইন্তেকাল করেন।

৭৫৫ হিজরীতে সুলতান সালিহ অপসারিত হলে আন-নাসর হাসান সুলতান মনোনীত হয়। ৭৫৬ হিজরীতে নতুন পয়সা বাজারে ছাড়া হয়। ২৪টি পয়সা এক দিরহামের সমান ওজন হয়। আগে এক দিরহামে দেড় রিতিল পয়সা হত। ৭৬৬ হিজরীতে আন-নাসর হাসান নিহত হওয়ায় তার ভাতিজা মুহাম্মাদ বিন মুযাফফর 'আল-মানসুর' উপাধি নিয়ে ক্ষমতার শীর্ষে আরোহণ করে।

আল-মুতাযদের যুগে যেসব ওলামা হযরাত ইন্তেকাল করেন তাঁরা হলেন— সিরিয়ার বিচারপতি শায়খ তকীউদ্দীন সবুকী, সামীন, বাহা বিন আকীল, সালাহুল আলাযী, জামাল বিন হিশাম, হাফেজ মোগলতাঈ, আবু উমামা বিন নাকাস প্রমুখ।

📘 তারীখুল খুলাফা > 📄 আল-মুতাওয়াক্কিল আলাল্লাহ আবু আব্দুল্লাহ

📄 আল-মুতাওয়াক্কিল আলাল্লাহ আবু আব্দুল্লাহ


আল-মুতাওয়াক্কিল আলাল্লাহ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আল-মুতাযদ সর্বশেষ খলীফাদের পিতা। তিনি প্রথমে উত্তরাধিকার মনোনীত হয়েছিলেন। তার পিতার মৃত্যুর পর ৭৬৩ হিজরীর জামাদিউল উলা মাসে তিনি খিলাফতের তখতে আরোহণ করেন। তিনি পঁয়তাল্লিশ বছর খিলাফত পরিচালনা করেন। এর মধ্যে সেই সময়টুকুও অন্তর্ভুক্ত যে সময়ে তিনি অন্তরীণ ছিলেন। এর বিবরণ আমরা সামনে পেশ করব।

তিনি অনেক আওলাদ রেখে যান। কথিত আছে, তিনি ছিলেন এক শত সন্তানের জনক। এদের মধ্যে কেউ গর্ভে, প্রসবের সময় এবং শৈশবে মারা গেছে। আর অধিকাংশরা পরিণত বয়সে পরলোক গমন করে। এদের থেকে পাঁচজন খিলাফত প্রাপ্ত হন- যার নজির অন্য খলীফাদের মধ্যে বিরল। তারা হলেন, ১। আল-মুসতাইন আল-আব্বাস। ২। আল-মুতাযদ দাউদ। ৩। আল-মুসতাকফী সুলায়মান। ৪। আল-কায়িম হামযা এবং ৫। আল-মুসতানজিদ ইউসুফ।

খলীফা মুতাওয়াককিলের জীবিত আওলাদের মধ্যে একমাত্র মূসাই বাকী থাকে- যে চারিত্রিক দিক থেকে ইবরাহীম বিন মুসতাকফীর অনুরূপ ছিল। সে সময় বনূ আব্বাসের যতগুলো লোক ছিল মুতাওয়াককিলের আওলাদই ছিল ততগুলো।

৭৬৪ হিজরীতে আল-মানসুর মুহাম্মাদ অপসারিত হলে শাবান বিন হুসাইন বিন নসর বিন মুহাম্মাদ বিনা কালাদুন 'আশরাফ' উপাধি নিয়ে সুলতান মনোনীত হয়। ৭৭৩ হিজরীতে অভিজাতবর্গকে সহজে নির্ণয়ের জন্য সুলতান তাদেরকে সবুজ পাগড়ি বাঁধার নির্দেশ দেয়। এটা ছিল একটি অভিনব কাজের আদেশ। এ বছর উদ্ধত তাইমুর লঙ্গ আক্রমণ চালিয়ে শহরগুলো ধ্বংস করে ফেলে, অনেক বনী আদম হত্যা করে এবং খোদার যমীনে ফিতনা ছড়িয়ে দেয়। আল্লাহ তা'আলা এই অভিশপ্তকে ৮৭৩ হিজরীতে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেন।

তাইমুর লঙ্গ দিহকানের বাসিন্দা ছিল। সে চুরি-রাহাজানীর মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করে। অতঃপর খায়ল শহরের সুলতানের কাছে চলে যায়। সুলতানের মৃত্যু হলে সে তার স্থানে বসে। আস্তে আস্তে সে এমন বেড়ে যায় যে, কিয়ামত পর্যন্ত ইতিহাসে তার নাম রয়ে যায়। জনৈক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করা হয় যে, তাইমুর লঙ্গ সর্বপ্রথম কত সালে হামলা করে? সে জবাব দেয়, শাস্তির বছর। কারণ আরবী বর্ণমালার মান-নির্ণয় অক্ষরের বিন্যাস প্রণালীর দৃষ্টিকোণ থেকে শাস্তি (عَذَابٌ) এর সংখ্যাগত মান হয় ৭৭৩।

৭৭৫ হিজরীর রমযান মাসে সুলতানের সামনে কেল্লার মধ্যে বুখারী শরীফের ক্লাস আরম্ভ হয়। প্রথমে হাফেজ যাইনুদ্দীন ইরাকী পরবর্তীতে শিহাবুদ্দীন ইরয়ানী কারী নিযুক্ত হন। ৭৭৮ হিজরীতে আশরাফ শাবান নিহত হলে তার ছেলে আলী আল-মানসুর উপাধি নিয়ে তখত নসীন হয়। এ বছর শাবান মাসের ১৪ তারিখে চন্দ্রগ্রহণ এবং ২৮ তারিখে সূর্যগ্রহণ হয়।

৭৭৯ হিজরীর রবিউল আউয়াল মাসের ৪ তারিখে আতাবেগ আল-আসাকির যাকারীয়া বিন ইবরাহীম বিন আল-মুসতামসিক বিন খলীফা হাকিমকে খিলআত প্রদান করে এবং খলীফা বানিয়ে দেয়। অথচ কেউ তার কাছে বাইআত করেনি এবং কেউ তার বিষয়ে ইজমাও করেনি। যাকারীয়া বিন ইবরাহীম আল-মুসতাযদ উপাধি ধারণপূর্বক খলীফা মুতাওয়াককিলকে কুস শহরে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেয়। আশরাফ নিহত হওয়ার সময় আতাবেগের অন্তরে খলীফার প্রতি জিঘাংসার সৃষ্টি হয়। মুতাওয়াককিল কুসে গমন করলে রবিউল আউয়ালের ২০ তারিখে মুসতাযদ ১৫ দিনের জন্য খলীফা হয়ে সেও অপসারিত হয়।

৭৮২ হিজরীতে নামাযের সময় এক লোক চিল্লাচিল্লি করলে নামায শেষে তাকে শূকরের সুরতে দেখা গেল। ৭৮৫ হিজরীর সফর মাসে মানসুর নিহত হলে তার ভাই হাজী বিন আশরাফ সালিহ উপাধি নিয়ে সুলতান মনোনীত হয়। ৭৮৪ হিজরীর রমযান মাসে সালিহ অপসারিত হয় এবং যাহির উপাধি নিয়ে বরকুক বাদশাহ হয়।

৭৮৫ হিজরীর রযব মাসে বরকুক খলীফা মুতাওয়াককিলকে জাবাল দুর্গে বন্দী আল-ওয়াছিক বিল্লাহ উপাধি দিয়ে মুহাম্মাদ বিন ইবরাহীম আল-মুসতামসিক বিন হাকিমের হাতে বাইআত করে নেয়। মুহাম্মাদ ৭৮৮ হিজরীতে ইন্তেকাল করলে লোকেরা মুতাওয়াককিলকে পুনরায় খলীফা মনোনীত করার জন্য অনুরোধ জানালে বরকুক তা প্রত্যাখ্যান করে। সে তার ভাই মুহাম্মাদ যাকারীয়াকে ডেকে এনে খলীফা বানায়। সে ৭৯১ হিজরী পর্যন্ত খলীফা ছিল। অবশেষে বরকুক লজ্জিত ও অনুতপ্ত হয়ে মুতাওয়াককিলকে মুক্তি দেয় এবং তাকে আবার খলীফা মনোনীত করে। আর যাকারীয়াকে অপসারণ করা হয়। সে স্বেচ্ছায় গৃহজীবন বেছে নেয় এবং সেখানেই তার মৃত্যু হয়। আর মুতাওয়াককিল মৃত্যু অবধি খলীফাই থাকেন।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00