📄 রামাযানে নবী (ছাঃ) কর্তৃক তারাবীহ্ জামা'আত অব্যাহত না রাখার কারণ
রামাযান মাসে ছাহাবীদের উপরে তারাবীহ্ ছালাত ফরয হয়ে যাওয়ার আশংকায় মাসের অবশিষ্ট দিনগুলোতে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তাদেরকে নিয়ে জামা'আতে তারাবীহ আদায় করেননি। (কারণ যদি ফরয হয়েই যেত) তাহলে তারা তা পালন করতে পারত না। যেমনটি বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য গ্রন্থে আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত হাদীছে এসেছে। আল্লাহ তা'আলা শরী'আতের পূর্ণতা দানের পর রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর মৃত্যুর মাধ্যমে এই আশংকা দূরীভূত হয়ে গেছে। এর ফলে তারাবীহ্ জামা'আত পরিত্যাগের কারণও দূর হয়ে গেছে এবং পূর্ববর্তী হুকুম তথা জামা'আতে তারাবীহ্ ছালাত আদায় শরী'আতসম্মত হওয়া বহাল রয়েছে। এজন্যই উমার (রাঃ) তারাবীহ্ জামা'আতকে পুনর্জীবিত করেছিলেন। যেমনটি ছহীহ বুখারী ও অন্যান্য হাদীছগ্রন্থে বিবৃত হয়েছে।
টিকাঃ
১০. বুখারী, হা/২০১২, 'তারাবীহ্ ছালাত' অধ্যায়-৩১, অনুচ্ছেদ-১; মুসলিম, হা/৭৬১, 'মুসাফিরদের ছালাত' অধ্যায়-৬, অনুচ্ছেদ-২৫; আবু দাউদ, হা/১৩৭৩, 'ছালাত' অধ্যায়, 'রামাযান মাসের কিয়াম' অনুচ্ছেদ-৩১৮; নাসাঈ, হা/১৬০৪, অধ্যায়-২০, অনুচ্ছেদ-৪; আহমাদ, হা/২৫৪০১।
১১. মুওয়াত্তা ইমাম মালেক, হা/৩৭৮, 'তারাবীহ্ বর্ণনা' অনুচ্ছেদ-২; বুখারী, হা/২০১০, 'তারাবীহ্ ছালাত' অধ্যায়-৩১, অনুচ্ছেদ-১।
📄 মহিলাদের জন্য তারাবীহ্র জামা'আতের বৈধতা
তারাবীহ্ জামা'আতে মহিলাদের উপস্থিত হওয়া শরী'আতসম্মত। যেমনটি পূর্বোল্লিখিত আবূ যার (রাঃ) বর্ণিত হাদীছে এসেছে। এমনকি পুরুষদের ইমাম ব্যতীত তাদের জন্য নির্দিষ্ট ইমাম নিযুক্ত করাও জায়েয। প্রমাণিত হয়েছে যে, উমার (রাঃ) যখন তারাবীহ্ জামা'আতে লোকদেরকে একত্রিত করেছিলেন, তখন পুরুষদের জন্য উবাই বিন কা'ব (রাঃ) এবং মহিলাদের জন্য সুলায়মান বিন আবী হাছমাকে )حَثْمة( ইমাম নিযুক্ত করেছিলেন। আরফাজাহ আছ-ছাকাফী )عرفجة الثقفي( হতে বর্ণিত তিনি বলেন, كَانَ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَأْمُرُ النَّاسَ بِقِيَامِ شَهْرِ رَمَضَانَ وَيَجْعَلُ للرِّجَالِ إِمَامًا وَلِلنِّسَاءِ إِمَامًا ، قَالَ عَرْفَجَةُ: فَكُنْتُ أَنَا إِمَامَ النِّسَاءِ. আবূ তালিব (রাঃ) রামাযান মাসে তারাবীহ্ ছালাত আদায়ের জন্য মানুষদেরকে নির্দেশ দিতেন এবং পুরুষদের জন্য একজন ইমাম ও মহিলাদের জন্য একজন ইমাম নির্ধারণ করতেন। আরফাজাহ বলেন, আমিই মহিলাদের ইমাম ছিলাম'।
মসজিদ প্রশস্ত হলে মহিলাদের জন্য পৃথক ইমাম নিযুক্ত করা যেতে পারে বলে আমি মনে করি। যাতে এক ইমাম আরেক ইমামের কিরাআতে বিঘ্ন সৃষ্টি না করে।
টিকাঃ
১২. বায়হাকী ২/৪৯৪, হা/৪৬০৫, 'ছালাত' অধ্যায়, 'রামাযান মাসের কিয়াম' অনুচ্ছেদ-৫৮৫; ইবনু নাছর, কিয়ামু রামাযান, পৃঃ ৯৩।
১৩. বায়হাকী ২/৪৯৪, হা/৪৬০৬, 'রামাযান মাসের কিয়াম' অনুচ্ছেদ; মুছান্নাফ আব্দুর রায্যাক ৪/২৫৮, হা/৮৭২২; কিয়ামু রামাযান, পৃঃ ৯৩। আমরা যা উল্লেখ করেছি সে বিষয়ে ইবনু নাছর উক্ত দু'টি আছার দ্বারাই দলীল পেশ করেছেন। দ্রঃ ঐ, পৃঃ ৯৫।
📄 তারাবীহ্র রাক'আত সংখ্যা
তারাবীহ্ রাক'আত সংখ্যা এগারো । রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর অনুসরণকল্পে এর চেয়ে বেশি না পড়াকে আমরা পছন্দ করি। কারণ মৃত্যু পর্যন্ত তিনি তারাবীহ্ রাক'আত সংখ্যা এর চেয়ে বেশি করেননি। আয়েশা (রাঃ) রামাযান মাসে তাঁর (ছাঃ) ছালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেসিত হলে তিনি বলেছিলেন,
مَا كَانَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَزِيدُ فِي رَمَضَانَ وَلَا فِي غَيْرِهِ عَلَى إِحْدَى عَشْرَةَ رَكْعَةً، يُصَلِّي أَرْبَعًا فَلَا تَسْأَلْ عَنْ حُسْنِهِنَّ وَطُولِهِنَّ، ثُمَّ يُصَلِّي أَرْبَعًا، فَلَا تَسْأَلْ عَنْ حُسْنِهِنَّ وَطُولِهِنَّ، ثُمَّ يُصَلِّي ثَلَاثًا.
রামাযানের বাইরে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এগারো রাক'আতের বেশি ছালাত আদায় করতেন না। তিনি চার রাক'আত ছালাত আদায় করতেন। তুমি তার সৌন্দর্য ও দীর্ঘতা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করো না। অতঃপর তিনি চার রাক'আত আদায় করতেন। তুমি তার সৌন্দর্য ও দীর্ঘতা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করো না। এরপর তিনি তিন রাক'আত (বিতর) ছালাত আদায় করতেন'।
মুছল্লী এগারো রাক'আত থেকে কমাতে পারে। এমনকি যদি সে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর কথা ও কর্মের দলীল দ্বারা শুধুমাত্র এক রাক'আত বিতর পড়ে ক্ষান্ত হয় তবুও।
কর্মের দলীল হল : আয়েশা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, بِكُمْ كَانَ رَسُوْلُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُؤْتِرُ؟ 'রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) কয় রাক'আত বিতর পড়তেন? তিনি বলেছিলেন, كَانَ يُؤْتِرُ بِأَرْبَعِ وَثَلَاثٍ، وَسِتٌ وَثَلَاثٍ، وَثَمَانِ وَثَلَاثٍ، وَعَشْرٍ وَثَلَاثٍ، وَلَمْ يَكُنْ يُؤْتِرُ بِأَنْقَصَ مِنْ سَبْعٍ، وَلَا بِأَكْثَرَ مِنْ ثَلَاثَ عَشْرَةَ 'তিনি সাত রাক'আত, নয় রাক'আত, এগারো রাক'আত ও তের রাক'আত বিতর পড়তেন। তিনি সাত রাক'আতের কম এবং তের রাক'আতের বেশি বিতর পড়তেন না'।
আর তাঁর (ছাঃ) কথার দলীল হল- الْوِتْرُ حَقٌّ، فَمَنْ شَاءَ فَلْيُؤْتِرْ بِخَمْسٍ، وَمَنْ شَاءَ فَلْيُؤْتِرْ بِثَلَاثٍ، وَمَنْ شَاءَ فَلْيُؤْتِرْ بِوَاحِدَةٍ 'বিতর পড়া কর্তব্য। যে চায় সে পাঁচ রাক'আত বিতর পড়ুক। যে চায় সে তিন রাক'আত বিতর পড়ুক । আর যে চায় সে এক রাক'আত পড়ুক'।
টিকাঃ
১৪. বুখারী, হা/২০১৩, 'তারাবীহ্ ছালাত' অধ্যায়, অনুচ্ছেদ-১; মুসলিম, হা/৭৩৮, 'মুসাফিরদের ছালাত' অধ্যায়, অনুচ্ছেদ-১৭; আবূ দাউদ, হা/১৩৪১, 'ছালাত' অধ্যায়, 'রাত্রির ছালাত' অনুচ্ছেদ-৩১৬; তিরমিযী, হা/৪৩৯, 'নবী (ছাঃ)-এর রাতের ছালাতের বর্ণনা' অনুচ্ছেদ-২১৩; নাসাঈ, হা/১৬৯৭, 'রাত্রির ছালাত ও দিনের নফল ছালাত' অধ্যায়-২০, 'তিন রাক'আত বিতর পড়ার পদ্ধতি' অনুচ্ছেদ-৩৬।
১৫. আমার (আলবানী) মতে, তন্মধ্যে দুই রাক'আত হল এশার ফরয ছালাত পরবর্তী সুন্নাত অথবা হালকাভাবে আদায়কৃত ঐ দুই রাক'আত, যার মাধ্যমে নবী (ছাঃ) রাত্রির ছালাত শুরু করতেন। হাফেয ইবনু হাজার আসকালানী এ মতটিকেই প্রাধান্য দিয়েছেন (দ্রঃ ছালাতুত তারাবীহ, পৃঃ ১৯-২০)।
১৬. আবূ দাউদ, হা/১৩৬২, 'ছালাত' অধ্যায়, 'রাত্রির ছালাত' অনুচ্ছেদ-৩১৬; আহমাদ, হা/২৫২০০ প্রভৃতি। হাদীছটির সনদ 'জাইয়িদ' বা উত্তম। ইরাকী হাদীছটিকে ছহীহ বলেছেন। দ্রঃ ছালাতুত তারাবীহ, পৃঃ ৯৮-৯৯।
১৭. তাহাবী, হা/১৬০৩ 'বিতর' অনুচ্ছেদ; হাকেম, হা/১১২৮ 'বিতর' অধ্যায়, দারাকুতনী, হা/১৬৬০; বায়হাকী, হা/৪৭৭৬ 'ছালাত' অধ্যায়, অনুচ্ছেদ-৬৪১। হাদীছটির সনদ ছহীহ। যেমনটি একদল ইমাম বলেছেন। এর একটি সমর্থক হাদীছ لَا تُوْتِرْ بَثَلَاثَ تَشَبَّهُوا بِالْمَغْرِبِ، وَلَكِنْ أَوْتِرُوا بِخَمْسٍ أَوْ بِسَبْعٍ أَوْ بِتِسْعِ أَوْ بِإِحْدَى عَشْرَةَ أَوْ أَكْثَرَ مِنْ ذَلِكَ) 'মাগরিবের ন্যায় তিন রাক'আত বিতর আদায় কর না। বরং তোমরা পাঁচ, সাত, নয় বা এগারো রাক'আত বা তার বেশি বিতর আদায় করো' রয়েছে, যার অতিরিক্ত অংশটুকু أو أكثر من ذلك) মুনকার বা অগ্রহণযোগ্য। যেমনটি আমি ছালাতুত তারাবীহ (পৃঃ ৯৯-১০০( গ্রন্থে বর্ণনা করেছি।
📄 রাতের ছালাতের কিরাআত
রাতের ছালাত তারাবীহ বা তাহাজ্জুদে কিরাআতের ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এমন কোন সীমা নির্ধারণ করে দেননি, কম বা বেশি করার মাধ্যমে যা অতিক্রম করা যাবে না। বরং হ্রস্বতা ও দীর্ঘতার দিক থেকে রাতের ছালাতে তাঁর কিরাআতের মধ্যে ভিন্নতা সৃষ্টি হত। তিনি কখনো কখনো প্রত্যেক রাক'আতে সূরা মুয্যাম্মিল পরিমাণ পড়তেন, যার আয়াত সংখ্যা কুড়ি। আয়াত আবার কখনো পঞ্চাশ আয়াত পরিমাণ পড়তেন। তিনি বলতেন,
مَنْ صَلَّى فِي لَيْلَة بمئةِ آيَةٍ لَمْ يُكْتَبْ مِنَ الْغَافِلِينَ. আয়াত পড়ার মাধ্যমে ছালাত আদায় করবে, গাফিলদের (উদাসীন) মধ্যে তার নাম লিপিবদ্ধ করা হবে না'।
অন্য আরেকটি হাদীছে এসেছে, مَنْ صَلَّى فِي لَيْلَةٍ بِمِئَتَيْ آيَةٍ فَإِنَّهُ يُكْتَبُ مِنَ الْقَانِتِينَ الْمُخْلِصِينَ. আয়াত পড়ার মাধ্যমে ছালাত আদায় করবে, একনিষ্ঠ ও অনুগতদের মধ্যে তার নাম লিখা হবে'।
তিনি (ছাঃ) অসুস্থ অবস্থায় এক রাতে সাতটি দীর্ঘ সূরা )السبع الطوال( পড়েছিলেন। সূরাগুলো হল বাকারাহ, আলে ইমরান, নিসা, মায়েদা, আন'আম, আ'রাফ ও তওবা।
নবী (ছাঃ)-এর পিছনে হুযায়ফা ইবনুল ইয়ামান (রাঃ)-এর ছালাত আদায়ের কাহিনীতে রয়েছে যে, তিনি (ছাঃ) এক রাক'আতে সূরা বাকারাহ অতঃপর সূরা নিসা অতঃপর সূরা আলে ইমরান পড়েছিলেন। তিনি সূরাগুলো ধীরে- সুস্থে পড়ছিলেন।
সর্বাধিক বিশুদ্ধ সনদে প্রমাণিত হয়েছে যে, উমার (রাঃ) যখন রামাযানে উবাই বিন কা'ব (রাঃ)-কে লোকদের জন্য এগারো রাক'আত তারাবীহ্র ছালাত আদায়ের নির্দেশ দিয়েছিলেন, তখন তিনি (রাঃ) একশত আয়াত বিশিষ্ট সূরা পাঠ করতেন। এমনকি যারা তার পিছনে ছালাত আদায় করতো তারা দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার ফলে (ক্লান্ত হয়ে) লাঠির উপর ভর দিত। আর তারা ফজরের প্রাক্কালে বাড়ি ফিরত।
উমার (রাঃ) থেকে এটিও ছহীহ সূত্রে বর্ণিত আছে যে, তিনি রামাযান মাসে কারীদেরকে ডেকে তাদের মধ্যে দ্রুত পড়তে সক্ষম ব্যক্তিকে ত্রিশ আয়াত, মধ্যমগতিতে পড়তে সক্ষম ব্যক্তিকে পঁচিশ আয়াত এবং ধীর গতিসম্পন্নকে বিশ আয়াত পড়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
এসব বর্ণনার উপর ভিত্তি করে বলা যায়, যদি মুছল্লী একাকী ছালাত আদায় করে তাহলে তার ইচ্ছা অনুযায়ী কিরাআত দীর্ঘ করবে। অনুরূপভাবে তার দীর্ঘ কিরাআতে সঙ্গ প্রদানকারী ব্যক্তিগণ যদি থাকে তখনও। সে যতই কিরাআত দীর্ঘ করবে ততই ভাল। তবে কদাচিৎ ছাড়া এমন অতিরিক্ত দীর্ঘ করবে না যে, প্রায় সমস্ত রাত্রিই জাগবে। নবী (ছাঃ)-এর নিম্নোক্ত বাণীর অনুসরণার্থে এমনটি করবে। তিনি বলেন, وَخَيْرَ الْهَدْيِ هَدْيٌ مُحَمَّدٍ 'মুহাম্মাদ (ছাঃ)-এর হেদায়াতই সর্বশ্রেষ্ঠ হেদায়াত'।
টিকাঃ
১৮. আবূ দাউদ, 'ছালাত' অধ্যায়, হা/১৩৬৫, 'রাত্রির ছালাত' অনুচ্ছেদ-৩১৬; আহমাদ, হা/৩৪৫৯, সনদ ছহীহ।
১৯. তাবারানী, আল-মু'জামুল কাবীর হা/১২৬৭৯; মাজমাউয যাওয়ায়েদ হা/৩৬৫৬। দ্রঃ আছলু ছিফাতি ছালাতিন নাবী, পৃঃ ৫২৯।
২০. দারেমী, হা/৩৩২২ 'ফাযায়েলুল কুরআন' অধ্যায়, 'যে একশ আয়াত পড়ে' অনুচ্ছেদ-২৮; হাকেম, হা/১১৬১, 'নফল ছালাত' অধ্যায়। হাকেম হাদীছটিকে ছহীহ বলেছেন এবং যাহাবী তাঁকে সমর্থন করেছেন। দ্রঃ ছিফাতু ছালাতিন নাবী (রিয়াদ), পৃঃ ১২০।
২১. দারেমী, হা/৩৩৩০, 'ফাযায়েলুল কুরআন' অধ্যায়, 'যে দুইশ আয়াত পড়ে' অনুচ্ছেদ-২৯; হাকেম, হা/১১৬১, 'নফল ছালাত' অধ্যায়। হাকেম হাদীছটিকে ছহীহ বলেছেন এবং যাহাবী তাঁকে সমর্থন করেছেন। দ্রঃ ছিফাত, পৃঃ ১২০।
২২. আবূ ইয়া'লা, হা/৩৪৪৪; হাকেম, হা/১১৫৭, 'নফল ছালাত' অধ্যায়। হাকেম হাদীছটিকে ছহীহ বলেছেন এবং যাহাবী তাঁকে সমর্থন করেছেন। দ্রঃ ছিফাত, পৃঃ ১১৮। [পূর্বে 'ছিফাতু ছালাতিন নাবী' গ্রন্থে এ হাদীছটিকে শায়খ আলবানী ছহীহ বললেও সর্বশেষ তাহকীকে তিনি এটিকে যঈফ বলেছেন। দ্রঃ সিলসিলা যঈফা, হা/৩৯৯৫; তারাজুউল আল্লামা আলবানী, ১/২৫]-অনুবাদক
২৩. মুসলিম, হা/৭৭২, 'মুসাফিরদের ছালাত' অধ্যায়, 'রাত্রির ছালাতে কিরাআত দীর্ঘ করা মুস্তাহাব' অনুচ্ছেদ-২৭; নাসাঈ, হা/১৬৬৪, 'রাত ও দিনের নফল ছালাত' অধ্যায়, অনুচ্ছেদ-২৪।
২৪. মুওয়াত্তা ইমাম মালেক, হা/৩৭৯, 'তারাবীহ্ বর্ণনা' অনুচ্ছেদ।
২৫. মুছান্নাফ আব্দুর রায্যাক, ৪/২৬১, হা/৭৭৩২ 'ছিয়াম' অধ্যায়, 'কিয়ামে রামাযান' অনুচ্ছেদ; বায়হাকী ২/৪৯৭, হা/৪৬২৪, 'ছালাত' অধ্যায়, অনুচ্ছেদ-৫৯০।
২৬. মুসলিম, হা/৮৬৭, 'জুম'আ' অধ্যায়-৭, 'জুম'আর ছালাত ও খুতবা হালকা করা' অনুচ্ছেদ- ১৩; নাসাঈ, হা/১৫৭৮, 'ঈদায়নের ছালাত' অধ্যায়-১৯, অনুচ্ছেদ-২২; ইবনু মাজাহ, হা/৪৫, 'বিদ'আত ও বিতর্ক থেকে দূরে থাকা' অনুচ্ছেদ-৭; মিশকাত হা/১৪১, ইরওয়াউল গালীল, হা/৬০৮।