📘 তারাবীহ ও ইতিকাফ > 📄 জামা'আতে তারাবীহ্ ছালাত আদায়ের বৈধতা

📄 জামা'আতে তারাবীহ্ ছালাত আদায়ের বৈধতা


তারাবীহ্ ছালাত জামা'আতে আদায় করা শরী'আতসম্মত। বরং একাকী আদায়ের চেয়ে উহা জামা'আতে আদায় করা উত্তম। কারণ, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) নিজে তারাবীহ্ জামা'আত কায়েম করেছেন এবং তাঁর মুখনিঃসৃত বাণী দ্বারা উহার ফযীলত বর্ণনা করেছেন। যেমনটি আবূ যার (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীছে এসেছে, তিনি বলেন,
صُمْنَا مَعَ رَسُوْلِ الله صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَمَضَانَ، فَلَمْ يَقُمْ بِنَا شَيْئًا مِنَ الشَّهْرِ، حَتَّى بَقِيَ سَبْعٌ، فَقَامَ بِنَا حَتَّى ذَهَبَ ثُلُثُ اللَّيْلِ، فَلَمَّا كَانَتِ السَّادِسَةُ لَمْ يَقُمْ بِنَا، فَلَمَّا كَانَتِ الْخَامِسَةُ قَامَ بِنَا حَتَّى ذَهَبَ شَطْرُ اللَّيْلِ، فَقُلْتُ : يَا رَسُولَ اللَّهِ! لَوْ نَفَلْتَنَا قِيَامَ هَذِهِ اللَّيْلَةِ. فَقَالَ : إِنَّ الرَّجُلَ إِذَا صَلَّى مَعَ الْإِمَامِ حَتَّى يَنْصَرَفَ حُسِبَ لَهُ قِيَامُ لَيْلَةِ. فَلَمَّا كَانَتِ الرَّابِعَةُ لَمْ يَقُمْ، فَلَمَّا كَانَتِ الثالثةُ جَمَعَ أَهْلَهُ وَنِسَاءَهُ وَالنَّاسَ، فَقَامَ بِنَا حَتَّى خَشِيْنَا أَنْ يَفُوتَنَا الْفَلَاحُ. قَالَ: قُلْتُ: وَمَا الْفَلَاحُ؟ قَالَ : السُّحُوْرُ، ثُمَّ لَمْ يَقُمْ بِنَا بَقِيَّةَ الشَّهْرِ.
'আমরা রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর সাথে রামাযানের ছিয়াম (রোযা) রাখলাম। তিনি প্রায় পুরা মাসটাই আমাদেরকে নিয়ে ছালাত আদায় করেননি। শেষ পর্যন্ত যখন মাত্র সাত দিন অবশিষ্ট থাকল, তখন তিনি আমাদেরকে নিয়ে ছালাতে দাঁড়ালেন এমনকি রাতের এক-তৃতীয়াংশ ছালাতে অতিবাহিত হল। অতঃপর ষষ্ঠ রাতে তিনি আমাদেরকে নিয়ে ছালাতে দাঁড়ালেন না। তারপর পঞ্চম রাতে তিনি আমাদেরকে নিয়ে ছালাতে দাঁড়ালেন এবং অর্ধরাত্রি অতিবাহিত হল। আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রাসূল! আপনি যদি এ রাত্রির ছালাতকে আমাদের জন্য নফল করে দিতেন (তাহলে কতইনা ভাল হত!)। তিনি বললেন, 'কোন ব্যক্তি যখন ইমাম ছালাত শেষ করা পর্যন্ত তার সাথে ছালাত আদায় করবে, তখন তার জন্য পুরা রাতটাই ছালাত আদায় করা হিসেবে গণ্য হবে (অর্থাৎ পুরা রাত ছালাত আদায়ের নেকী তার জন্য লিপিবদ্ধ করা হবে)।
বর্ণনাকারী বলেন, আবার যখন চতুর্থ রাত হল, তিনি ছালাত আদায় করলেন না। অতঃপর যখন তৃতীয় রাত হল, তখন তিনি তাঁর পরিবার-পরিজন, স্ত্রীগণ ও অন্যান্য লোকদেরকে একত্রিত করে আমাদেরকে নিয়ে এত দীর্ঘ সময় ছালাত আদায় করলেন যে, আমরা 'ফালাহ' ছুটে যাওয়ার আশংকা করলাম। জুবাইর বিন নুফাইর বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম, 'ফালাহ' কি? তিনি (আবূ যার) বললেন, সাহারী। অতঃপর মাসের অবশিষ্ট দিনগুলোতে তিনি আমাদেরকে নিয়ে ছালাতে দাঁড়াননি'।

টিকাঃ
৮. অর্থাৎ ২৭শের রাত্রি। সর্বাগ্রগণ্য মত অনুযায়ী এটিই লায়লাতুল কদর। যেমনটি পূর্বে আলোচিত হয়েছে। এজন্যই এ রাত্রিতে নবী (ছাঃ) তাঁর পরিবার-পরিজন ও স্ত্রীদেরকে একত্রিত করেছিলেন। এতে এই রাত্রিতে মহিলাদের উপস্থিতি মুস্তাহাব হওয়ার প্রমাণ রয়েছে।
৯. আবূ দাউদ, হা/১৩৭৫, 'ছালাত' অধ্যায়, 'রামাযান মাসের কিয়াম' অনুচ্ছেদ-৩১৮; তিরমিযী, হা/৮০৬, 'ছওম' অধ্যায়-৬, 'রামাযান মাসের কিয়াম' অনুচ্ছেদ-৮১; ইবনু মাজাহ, হা/১৩২৭, 'ছালাত প্রতিষ্ঠা করা' অধ্যায়-৫, অনুচ্ছেদ-১৭৩; নাসাঈ, হা/১৬০৫, 'রাত ও দিনের নফল ছালাত' অধ্যায়-২০, 'রামাযান মাসের কিয়াম' অনুচ্ছেদ-৪; ইরওয়াউল গালীল, হা/৪৪৭; হাদীছ ছহীহ।

📘 তারাবীহ ও ইতিকাফ > 📄 রামাযানে নবী (ছাঃ) কর্তৃক তারাবীহ্ জামা'আত অব্যাহত না রাখার কারণ

📄 রামাযানে নবী (ছাঃ) কর্তৃক তারাবীহ্ জামা'আত অব্যাহত না রাখার কারণ


রামাযান মাসে ছাহাবীদের উপরে তারাবীহ্ ছালাত ফরয হয়ে যাওয়ার আশংকায় মাসের অবশিষ্ট দিনগুলোতে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তাদেরকে নিয়ে জামা'আতে তারাবীহ আদায় করেননি। (কারণ যদি ফরয হয়েই যেত) তাহলে তারা তা পালন করতে পারত না। যেমনটি বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য গ্রন্থে আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত হাদীছে এসেছে। আল্লাহ তা'আলা শরী'আতের পূর্ণতা দানের পর রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর মৃত্যুর মাধ্যমে এই আশংকা দূরীভূত হয়ে গেছে। এর ফলে তারাবীহ্ জামা'আত পরিত্যাগের কারণও দূর হয়ে গেছে এবং পূর্ববর্তী হুকুম তথা জামা'আতে তারাবীহ্ ছালাত আদায় শরী'আতসম্মত হওয়া বহাল রয়েছে। এজন্যই উমার (রাঃ) তারাবীহ্ জামা'আতকে পুনর্জীবিত করেছিলেন। যেমনটি ছহীহ বুখারী ও অন্যান্য হাদীছগ্রন্থে বিবৃত হয়েছে।

টিকাঃ
১০. বুখারী, হা/২০১২, 'তারাবীহ্ ছালাত' অধ্যায়-৩১, অনুচ্ছেদ-১; মুসলিম, হা/৭৬১, 'মুসাফিরদের ছালাত' অধ্যায়-৬, অনুচ্ছেদ-২৫; আবু দাউদ, হা/১৩৭৩, 'ছালাত' অধ্যায়, 'রামাযান মাসের কিয়াম' অনুচ্ছেদ-৩১৮; নাসাঈ, হা/১৬০৪, অধ্যায়-২০, অনুচ্ছেদ-৪; আহমাদ, হা/২৫৪০১।
১১. মুওয়াত্তা ইমাম মালেক, হা/৩৭৮, 'তারাবীহ্ বর্ণনা' অনুচ্ছেদ-২; বুখারী, হা/২০১০, 'তারাবীহ্ ছালাত' অধ্যায়-৩১, অনুচ্ছেদ-১।

📘 তারাবীহ ও ইতিকাফ > 📄 মহিলাদের জন্য তারাবীহ্র জামা'আতের বৈধতা

📄 মহিলাদের জন্য তারাবীহ্র জামা'আতের বৈধতা


তারাবীহ্ জামা'আতে মহিলাদের উপস্থিত হওয়া শরী'আতসম্মত। যেমনটি পূর্বোল্লিখিত আবূ যার (রাঃ) বর্ণিত হাদীছে এসেছে। এমনকি পুরুষদের ইমাম ব্যতীত তাদের জন্য নির্দিষ্ট ইমাম নিযুক্ত করাও জায়েয। প্রমাণিত হয়েছে যে, উমার (রাঃ) যখন তারাবীহ্ জামা'আতে লোকদেরকে একত্রিত করেছিলেন, তখন পুরুষদের জন্য উবাই বিন কা'ব (রাঃ) এবং মহিলাদের জন্য সুলায়মান বিন আবী হাছমাকে )حَثْمة( ইমাম নিযুক্ত করেছিলেন। আরফাজাহ আছ-ছাকাফী )عرفجة الثقفي( হতে বর্ণিত তিনি বলেন, كَانَ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَأْمُرُ النَّاسَ بِقِيَامِ شَهْرِ رَمَضَانَ وَيَجْعَلُ للرِّجَالِ إِمَامًا وَلِلنِّسَاءِ إِمَامًا ، قَالَ عَرْفَجَةُ: فَكُنْتُ أَنَا إِمَامَ النِّسَاءِ. আবূ তালিব (রাঃ) রামাযান মাসে তারাবীহ্ ছালাত আদায়ের জন্য মানুষদেরকে নির্দেশ দিতেন এবং পুরুষদের জন্য একজন ইমাম ও মহিলাদের জন্য একজন ইমাম নির্ধারণ করতেন। আরফাজাহ বলেন, আমিই মহিলাদের ইমাম ছিলাম'।
মসজিদ প্রশস্ত হলে মহিলাদের জন্য পৃথক ইমাম নিযুক্ত করা যেতে পারে বলে আমি মনে করি। যাতে এক ইমাম আরেক ইমামের কিরাআতে বিঘ্ন সৃষ্টি না করে।

টিকাঃ
১২. বায়হাকী ২/৪৯৪, হা/৪৬০৫, 'ছালাত' অধ্যায়, 'রামাযান মাসের কিয়াম' অনুচ্ছেদ-৫৮৫; ইবনু নাছর, কিয়ামু রামাযান, পৃঃ ৯৩।
১৩. বায়হাকী ২/৪৯৪, হা/৪৬০৬, 'রামাযান মাসের কিয়াম' অনুচ্ছেদ; মুছান্নাফ আব্দুর রায্যাক ৪/২৫৮, হা/৮৭২২; কিয়ামু রামাযান, পৃঃ ৯৩। আমরা যা উল্লেখ করেছি সে বিষয়ে ইবনু নাছর উক্ত দু'টি আছার দ্বারাই দলীল পেশ করেছেন। দ্রঃ ঐ, পৃঃ ৯৫।

📘 তারাবীহ ও ইতিকাফ > 📄 তারাবীহ্র রাক'আত সংখ্যা

📄 তারাবীহ্র রাক'আত সংখ্যা


তারাবীহ্ রাক'আত সংখ্যা এগারো । রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর অনুসরণকল্পে এর চেয়ে বেশি না পড়াকে আমরা পছন্দ করি। কারণ মৃত্যু পর্যন্ত তিনি তারাবীহ্ রাক'আত সংখ্যা এর চেয়ে বেশি করেননি। আয়েশা (রাঃ) রামাযান মাসে তাঁর (ছাঃ) ছালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেসিত হলে তিনি বলেছিলেন,
مَا كَانَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَزِيدُ فِي رَمَضَانَ وَلَا فِي غَيْرِهِ عَلَى إِحْدَى عَشْرَةَ رَكْعَةً، يُصَلِّي أَرْبَعًا فَلَا تَسْأَلْ عَنْ حُسْنِهِنَّ وَطُولِهِنَّ، ثُمَّ يُصَلِّي أَرْبَعًا، فَلَا تَسْأَلْ عَنْ حُسْنِهِنَّ وَطُولِهِنَّ، ثُمَّ يُصَلِّي ثَلَاثًا.
রামাযানের বাইরে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এগারো রাক'আতের বেশি ছালাত আদায় করতেন না। তিনি চার রাক'আত ছালাত আদায় করতেন। তুমি তার সৌন্দর্য ও দীর্ঘতা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করো না। অতঃপর তিনি চার রাক'আত আদায় করতেন। তুমি তার সৌন্দর্য ও দীর্ঘতা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করো না। এরপর তিনি তিন রাক'আত (বিতর) ছালাত আদায় করতেন'।
মুছল্লী এগারো রাক'আত থেকে কমাতে পারে। এমনকি যদি সে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর কথা ও কর্মের দলীল দ্বারা শুধুমাত্র এক রাক'আত বিতর পড়ে ক্ষান্ত হয় তবুও।
কর্মের দলীল হল : আয়েশা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, بِكُمْ كَانَ رَسُوْلُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُؤْتِرُ؟ 'রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) কয় রাক'আত বিতর পড়তেন? তিনি বলেছিলেন, كَانَ يُؤْتِرُ بِأَرْبَعِ وَثَلَاثٍ، وَسِتٌ وَثَلَاثٍ، وَثَمَانِ وَثَلَاثٍ، وَعَشْرٍ وَثَلَاثٍ، وَلَمْ يَكُنْ يُؤْتِرُ بِأَنْقَصَ مِنْ سَبْعٍ، وَلَا بِأَكْثَرَ مِنْ ثَلَاثَ عَشْرَةَ 'তিনি সাত রাক'আত, নয় রাক'আত, এগারো রাক'আত ও তের রাক'আত বিতর পড়তেন। তিনি সাত রাক'আতের কম এবং তের রাক'আতের বেশি বিতর পড়তেন না'।
আর তাঁর (ছাঃ) কথার দলীল হল- الْوِتْرُ حَقٌّ، فَمَنْ شَاءَ فَلْيُؤْتِرْ بِخَمْسٍ، وَمَنْ شَاءَ فَلْيُؤْتِرْ بِثَلَاثٍ، وَمَنْ شَاءَ فَلْيُؤْتِرْ بِوَاحِدَةٍ 'বিতর পড়া কর্তব্য। যে চায় সে পাঁচ রাক'আত বিতর পড়ুক। যে চায় সে তিন রাক'আত বিতর পড়ুক । আর যে চায় সে এক রাক'আত পড়ুক'।

টিকাঃ
১৪. বুখারী, হা/২০১৩, 'তারাবীহ্ ছালাত' অধ্যায়, অনুচ্ছেদ-১; মুসলিম, হা/৭৩৮, 'মুসাফিরদের ছালাত' অধ্যায়, অনুচ্ছেদ-১৭; আবূ দাউদ, হা/১৩৪১, 'ছালাত' অধ্যায়, 'রাত্রির ছালাত' অনুচ্ছেদ-৩১৬; তিরমিযী, হা/৪৩৯, 'নবী (ছাঃ)-এর রাতের ছালাতের বর্ণনা' অনুচ্ছেদ-২১৩; নাসাঈ, হা/১৬৯৭, 'রাত্রির ছালাত ও দিনের নফল ছালাত' অধ্যায়-২০, 'তিন রাক'আত বিতর পড়ার পদ্ধতি' অনুচ্ছেদ-৩৬।
১৫. আমার (আলবানী) মতে, তন্মধ্যে দুই রাক'আত হল এশার ফরয ছালাত পরবর্তী সুন্নাত অথবা হালকাভাবে আদায়কৃত ঐ দুই রাক'আত, যার মাধ্যমে নবী (ছাঃ) রাত্রির ছালাত শুরু করতেন। হাফেয ইবনু হাজার আসকালানী এ মতটিকেই প্রাধান্য দিয়েছেন (দ্রঃ ছালাতুত তারাবীহ, পৃঃ ১৯-২০)।
১৬. আবূ দাউদ, হা/১৩৬২, 'ছালাত' অধ্যায়, 'রাত্রির ছালাত' অনুচ্ছেদ-৩১৬; আহমাদ, হা/২৫২০০ প্রভৃতি। হাদীছটির সনদ 'জাইয়িদ' বা উত্তম। ইরাকী হাদীছটিকে ছহীহ বলেছেন। দ্রঃ ছালাতুত তারাবীহ, পৃঃ ৯৮-৯৯।
১৭. তাহাবী, হা/১৬০৩ 'বিতর' অনুচ্ছেদ; হাকেম, হা/১১২৮ 'বিতর' অধ্যায়, দারাকুতনী, হা/১৬৬০; বায়হাকী, হা/৪৭৭৬ 'ছালাত' অধ্যায়, অনুচ্ছেদ-৬৪১। হাদীছটির সনদ ছহীহ। যেমনটি একদল ইমাম বলেছেন। এর একটি সমর্থক হাদীছ لَا تُوْتِرْ بَثَلَاثَ تَشَبَّهُوا بِالْمَغْرِبِ، وَلَكِنْ أَوْتِرُوا بِخَمْسٍ أَوْ بِسَبْعٍ أَوْ بِتِسْعِ أَوْ بِإِحْدَى عَشْرَةَ أَوْ أَكْثَرَ مِنْ ذَلِكَ) 'মাগরিবের ন্যায় তিন রাক'আত বিতর আদায় কর না। বরং তোমরা পাঁচ, সাত, নয় বা এগারো রাক'আত বা তার বেশি বিতর আদায় করো' রয়েছে, যার অতিরিক্ত অংশটুকু أو أكثر من ذلك) মুনকার বা অগ্রহণযোগ্য। যেমনটি আমি ছালাতুত তারাবীহ (পৃঃ ৯৯-১০০( গ্রন্থে বর্ণনা করেছি।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00