📄 বিস্ময়কর ইঙ্গিত
আলি ইবনু ইয়াহইয়া মুনাজ্জাম বলেন—আব্বাসি খলিফা মুনতাসির বিল্লাহ একবার একটি সভা আহ্বান করেন। সভাকক্ষে সোনালি সুতোর রেশমি গালিচা বিছানোর জন্য সংশ্লিষ্ট লোকজনকে নির্দেশ দিলেন। নির্দেশ-মতো গালিচা বিছানো হলো। একটি গালিচার মাঝখানে ছিল বিশাল বৃত্ত। বৃত্তের ওপর অঙ্কিত ছিল একজন মুকুট পরিহিত অশ্বারোহীর ছবি। আর তার চতুর্পাশে ফারসি ভাষায় অস্পষ্টাক্ষরে কিছু লেখা ছিল। সভাকক্ষে ঢুকেই বৃত্ত ও বৃত্তের পার্শ্বের লেখাগুলোর প্রতি খলিফার দৃষ্টি পড়ল। কাছে গিয়ে এক লোককে বললেন—এখানে কী লেখা আছে?
লোকটি কিছুতেই পড়তে পারল না। মুনতাসির বিল্লাহ একেক করে দরবারের উপস্থিত সকলকে লেখাটির মর্ম উদঘাটন করতে বললেন; কিন্তু সকলের অবস্থা একই। কেউ-ই তা ভালোভাবে পড়তে পারল না। তারপর খলিফা মুনতাসির একটি গোলামকে বলল—ফারসিভাষী কাউকে ডেকে এ লেখাটি পড়তে বলো।
কিছুক্ষণ পর একজন লোক এসে লেখাটি পড়ল; কিন্তু পড়া শেষে সে কোনো প্রকার মর্ম বিশ্লেষণ না করে চুপটি মেরে দাঁড়িয়ে থাকল।
: কী লেখা এখানে?
: কিছু না, আমিরুল মুমিনিন; এটা ইরানিদের নির্বুদ্ধিতা।
: লেখাটির রহস্য তুমি আমাকে খুলে বলো।
: আমিরুল মুমিনিন, এ লেখার কোনোই অর্থ নেই।
মুনতাসির এবার চরম রেগে গিয়ে ধমক দিয়ে বললেন, এ লেখাটির অর্থ শোনাও। লোকটি বলল, এতে লেখা আছে—
আমি শিরবিয়া ইবনু কিসরা ইবনু হুরমুজ। আমি আমার পিতাকে হত্যা করেছি। পরবর্তী সময়ে আমার রাজত্ব ছয় মাসেরও অধিক স্থায়ী হয় নি।
কথাটি শুনেই মুসতাসিরের চেহারার রং পাল্টে গেল। সঙ্গে সঙ্গে তিনি সভাকক্ষ ছেড়ে অন্দর মহলে চলে গেলেন। পরবর্তী সময়ে দেখা গেছে তার রাজত্বও ছয় মাসের বেশি টেকে নি。
টিকাঃ
১৮৬ তারিখে বাগদাদ: ২/১২০-১২১
আলি ইবনু ইয়াহইয়া মুনাজ্জাম বলেন—আব্বাসি খলিফা মুনতাসির বিল্লাহ একবার একটি সভা আহ্বান করেন। সভাকক্ষে সোনালি সুতোর রেশমি গালিচা বিছানোর জন্য সংশ্লিষ্ট লোকজনকে নির্দেশ দিলেন। নির্দেশ-মতো গালিচা বিছানো হলো। একটি গালিচার মাঝখানে ছিল বিশাল বৃত্ত। বৃত্তের ওপর অঙ্কিত ছিল একজন মুকুট পরিহিত অশ্বারোহীর ছবি। আর তার চতুর্পাশে ফারসি ভাষায় অস্পষ্টাক্ষরে কিছু লেখা ছিল। সভাকক্ষে ঢুকেই বৃত্ত ও বৃত্তের পার্শ্বের লেখাগুলোর প্রতি খলিফার দৃষ্টি পড়ল। কাছে গিয়ে এক লোককে বললেন—এখানে কী লেখা আছে?
লোকটি কিছুতেই পড়তে পারল না। মুনতাসির বিল্লাহ একেক করে দরবারের উপস্থিত সকলকে লেখাটির মর্ম উদঘাটন করতে বললেন; কিন্তু সকলের অবস্থা একই। কেউ-ই তা ভালোভাবে পড়তে পারল না। তারপর খলিফা মুনতাসির একটি গোলামকে বলল—ফারসিভাষী কাউকে ডেকে এ লেখাটি পড়তে বলো।
কিছুক্ষণ পর একজন লোক এসে লেখাটি পড়ল; কিন্তু পড়া শেষে সে কোনো প্রকার মর্ম বিশ্লেষণ না করে চুপটি মেরে দাঁড়িয়ে থাকল।
: কী লেখা এখানে?
: কিছু না, আমিরুল মুমিনিন; এটা ইরানিদের নির্বুদ্ধিতা।
: লেখাটির রহস্য তুমি আমাকে খুলে বলো।
: আমিরুল মুমিনিন, এ লেখার কোনোই অর্থ নেই।
মুনতাসির এবার চরম রেগে গিয়ে ধমক দিয়ে বললেন, এ লেখাটির অর্থ শোনাও। লোকটি বলল, এতে লেখা আছে—
আমি শিরবিয়া ইবনু কিসরা ইবনু হুরমুজ। আমি আমার পিতাকে হত্যা করেছি। পরবর্তী সময়ে আমার রাজত্ব ছয় মাসেরও অধিক স্থায়ী হয় নি।
কথাটি শুনেই মুসতাসিরের চেহারার রং পাল্টে গেল। সঙ্গে সঙ্গে তিনি সভাকক্ষ ছেড়ে অন্দর মহলে চলে গেলেন। পরবর্তী সময়ে দেখা গেছে তার রাজত্বও ছয় মাসের বেশি টেকে নি。
টিকাঃ
১৮৬ তারিখে বাগদাদ: ২/১২০-১২১
📄 মনোবাঞ্ছা পূরণ
আব্বাসি খলিফা মুকতাদির বিল্লাহ একবার একটি জমিন ওয়াকফ করতে চাইলেন; কিন্তু তার একান্ত ইচ্ছা ছিল ওয়াকফনামার শর্তাবলী এমনভাবে তৈরি করাবেন, যেন সকল ফকিহদের নিকটই ওয়াকফটি বিশুদ্ধ হয়। কোনো ফকিহ'র বিরুদ্ধে না হয়।
সকলেই খলিফাকে বলল— এ কাজ কেবল আল্লামা ইবনু জারির তাবারির দ্বারাই সম্ভব। কারণ, তিনিই কেবল সকল মাজহাবের ইমামগণের মতামত সম্পর্কে পূর্ণ অবগত আছেন।
খলিফা মুকতাদির বিল্লাহ হাফিজ ইবনু জারির তাবারিকে কাজটি আঞ্জাম দেওয়ার অনুরোধ করেন। ইবনু জারির রহ. ওয়াকফনামা তৈরি করে দিলেন। এতে খলিফা ইবনু জারিরের উঁচু মাকাম সম্পর্কে কিছুটা আন্দাজ করলেন। পরবর্তী সময়ে তাকে দরবারের উচ্চপদে অধিষ্ঠিত করেন এবং তার সোহবতে থেকে উপকৃত হতে লাগলেন। খলিফা আল্লামা তাবারি রহ.-কে বার বার বলতেন—
আপনার যেকোনো প্রয়োজনের কথা আমাকে বলবেন।
আল্লামা ইবনু জারির তাবারি রহ. বারবার খলিফার পীড়াপীড়ি দেখে বললেন—
আপনার কাছে বলার মতো আমার কেবল একটি প্রয়োজনই আছে। তা হলো—শুক্রবারে মসজিদে ভিক্ষুক এসে প্রচুর ভিড় জমায়। এতে মুসল্লিদের বেশ কষ্ট হয়। আপনি দয়া করে আপনার পুলিশবাহিনীকে বলে দেন, তারা যেন ভিক্ষুকদের মসজিদের ভেতর ঢুকতে না দেয়।
খলিফা মুকতাদির বিল্লাহ ফরমান জারি করে ইবনু জারির রহ.-এর একমাত্র মনোবাঞ্ছা পূরণ করেন。
টিকাঃ
১৮৭ আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া: ১১/১৪৬
আব্বাসি খলিফা মুকতাদির বিল্লাহ একবার একটি জমিন ওয়াকফ করতে চাইলেন; কিন্তু তার একান্ত ইচ্ছা ছিল ওয়াকফনামার শর্তাবলী এমনভাবে তৈরি করাবেন, যেন সকল ফকিহদের নিকটই ওয়াকফটি বিশুদ্ধ হয়। কোনো ফকিহ'র বিরুদ্ধে না হয়।
সকলেই খলিফাকে বলল— এ কাজ কেবল আল্লামা ইবনু জারির তাবারির দ্বারাই সম্ভব। কারণ, তিনিই কেবল সকল মাজহাবের ইমামগণের মতামত সম্পর্কে পূর্ণ অবগত আছেন।
খলিফা মুকতাদির বিল্লাহ হাফিজ ইবনু জারির তাবারিকে কাজটি আঞ্জাম দেওয়ার অনুরোধ করেন। ইবনু জারির রহ. ওয়াকফনামা তৈরি করে দিলেন। এতে খলিফা ইবনু জারিরের উঁচু মাকাম সম্পর্কে কিছুটা আন্দাজ করলেন। পরবর্তী সময়ে তাকে দরবারের উচ্চপদে অধিষ্ঠিত করেন এবং তার সোহবতে থেকে উপকৃত হতে লাগলেন। খলিফা আল্লামা তাবারি রহ.-কে বার বার বলতেন—
আপনার যেকোনো প্রয়োজনের কথা আমাকে বলবেন।
আল্লামা ইবনু জারির তাবারি রহ. বারবার খলিফার পীড়াপীড়ি দেখে বললেন—
আপনার কাছে বলার মতো আমার কেবল একটি প্রয়োজনই আছে। তা হলো—শুক্রবারে মসজিদে ভিক্ষুক এসে প্রচুর ভিড় জমায়। এতে মুসল্লিদের বেশ কষ্ট হয়। আপনি দয়া করে আপনার পুলিশবাহিনীকে বলে দেন, তারা যেন ভিক্ষুকদের মসজিদের ভেতর ঢুকতে না দেয়।
খলিফা মুকতাদির বিল্লাহ ফরমান জারি করে ইবনু জারির রহ.-এর একমাত্র মনোবাঞ্ছা পূরণ করেন。
টিকাঃ
১৮৭ আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া: ১১/১৪৬
📄 পাঁচ দিরহামে এক গ্লাস পানি
ইয়াহইয়া ইবনু জাফর রহ. বলেন, একবার ইমাম আবু হানিফা রহ. তার নিজের ঘটনা শোনাতে গিয়ে বলেন, আমি একবার মরুভূমিতে মহা পানি সংকটে পড়লাম। হঠাৎ পানির মশক হাতে এক গ্রাম্যলোককে দেখলাম। আমি তার কাছে পানি চাইলে সে অপারগতা প্রকাশ করে বলল, পাঁচ দিরহামের বিনিময়ে দিতে পারি। আমি পাঁচ দিরহামের বিনিময়ে মশকটি নিয়ে নিলাম। অতঃপর তাকে বললাম, ছাতু খেতে পছন্দ করেন? সে বলল, নিয়ে এসো। আমি তাকে ছাতু দিলাম। ছাতুগুলো ছিল যায়তুন তেল দ্বারা চর্বিযুক্ত। লোকটি পেট পুরে ছাতু খেলো। এবার শুরু হলো প্রচণ্ড তৃষ্ণা। সে আমাকে বলল, এক গ্লাস পানি দাও! আমি বললাম, পাঁচ দিরহামের বিনিময়ে হতে পারে। এর কমে নয়। অগত্যা সে আমার কাছ থেকে এক গ্লাস পানি পাঁচ দিরহামের বিনিময়ে নিয়েছে。
টিকাঃ
১৮৮ আল্লামা ইবনুল জাওযি, কিতাবুল আযকিয়া: পৃ.১১০
ইয়াহইয়া ইবনু জাফর রহ. বলেন, একবার ইমাম আবু হানিফা রহ. তার নিজের ঘটনা শোনাতে গিয়ে বলেন, আমি একবার মরুভূমিতে মহা পানি সংকটে পড়লাম। হঠাৎ পানির মশক হাতে এক গ্রাম্যলোককে দেখলাম। আমি তার কাছে পানি চাইলে সে অপারগতা প্রকাশ করে বলল, পাঁচ দিরহামের বিনিময়ে দিতে পারি। আমি পাঁচ দিরহামের বিনিময়ে মশকটি নিয়ে নিলাম। অতঃপর তাকে বললাম, ছাতু খেতে পছন্দ করেন? সে বলল, নিয়ে এসো। আমি তাকে ছাতু দিলাম। ছাতুগুলো ছিল যায়তুন তেল দ্বারা চর্বিযুক্ত। লোকটি পেট পুরে ছাতু খেলো। এবার শুরু হলো প্রচণ্ড তৃষ্ণা। সে আমাকে বলল, এক গ্লাস পানি দাও! আমি বললাম, পাঁচ দিরহামের বিনিময়ে হতে পারে। এর কমে নয়। অগত্যা সে আমার কাছ থেকে এক গ্লাস পানি পাঁচ দিরহামের বিনিময়ে নিয়েছে。
টিকাঃ
১৮৮ আল্লামা ইবনুল জাওযি, কিতাবুল আযকিয়া: পৃ.১১০
📄 মুহাম্মদ নামি চারজন মুহাদ্দিস
তৃতীয় হিজরি শতাব্দীতে মিশরে চারজন কালজয়ী মুহাদ্দিসের আবির্ভাব হয়েছিল। ঘটনাক্রমে চারজনেরই নাম ছিল মুহাম্মদ। সকলেই হাদিসশাস্ত্রে অসামান্য অবদান রেখে গেছেন। তারা হলেন—মুহাম্মদ ইবনু নসর মারওয়াজি রহ., মুহাম্মদ ইবনু জারির তাবারি রহ., মুহাম্মদ ইবনুল মুনজির রহ. ও মুহাম্মদ ইবনু ইসহাক ইবনু খুজায়মা রহ.। তাদের একটি বিরল ও আশ্চর্য ঘটনা হাফিজ ইবনু কাসির রহ. উল্লেখ করেছেন। তারা সকলেই ইলমে হাদিসের বিভিন্ন শাখায় খেদমত করেছেন। ইলমি খেদমতে গভীর নিমগ্নতার দরুন অনেক সময় তারা অভাব-অনটন ও ভয়াবহ দরিদ্রতার শিকার হতেন। কখনো কখনো অনাহারে অর্ধাহারে দিন কাটাতেন। একদিন সকলে মিলে হাদিস সংকলনে ব্যস্ত ছিলেন। সেদিন কারও কাছে খাওয়ার মতো কিছুই ছিল না। পরিশেষে সিদ্ধান্ত হলো—চারজনের মধ্যে একজন জীবিকার জন্য বের হবেন। বাকিরা ইলমি কাজে থাকবেন। সেমতে লটারি করা হলো। নাম উঠল মুহাম্মদ ইবনু নসর মারওয়াজির। তিনি জীবিকা উপার্জনের জন্য বের হওয়ার পূর্বে নামাজ পড়ে দুআ করতে লাগলেন। সময়টা ছিল ঠিক দুপুর। মিশরের শাসনকর্তা আহমদ ইবনু তুলুন তখন প্রাসাদে বিশ্রাম করছিলেন। ঘুমে দু'জাহানের বাদশা প্রিয় নবীজির সঙ্গে তার জিয়ারত নসিব হয়।
স্বপ্নে নবীজি তাকে বললেন, মুহাদ্দিসদের খবর নাও। তাদের খাওয়ার মতো কিছু নেই। ঘুম ভাঙার পর ইবনু তুলুন খোঁজ নিলেন—এ শহরের মুহাদ্দিস কে কে? লোকেরা তাঁর নিকট তাদের একটি তালিকা পেশ করল। আহমদ ইবনু তুলুন তৎক্ষণাৎ একহাজার দিনার পাঠালেন। অধিকন্তু যে ঘরে তারা হাদিস চর্চা করতেন সে ঘরটিকে খরিদ করে সেখানে একটি মসজিদ নির্মাণ করে দিলেন। এবং সেখানকার একটি জমিন ওয়াকফ করে তথায় ইলমে হাদিস চর্চার কেন্দ্র স্থাপন করেন。
টিকাঃ
১৮৯ আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া: ১১/১০৩
তৃতীয় হিজরি শতাব্দীতে মিশরে চারজন কালজয়ী মুহাদ্দিসের আবির্ভাব হয়েছিল। ঘটনাক্রমে চারজনেরই নাম ছিল মুহাম্মদ। সকলেই হাদিসশাস্ত্রে অসামান্য অবদান রেখে গেছেন। তারা হলেন—মুহাম্মদ ইবনু নসর মারওয়াজি রহ., মুহাম্মদ ইবনু জারির তাবারি রহ., মুহাম্মদ ইবনুল মুনজির রহ. ও মুহাম্মদ ইবনু ইসহাক ইবনু খুজায়মা রহ.। তাদের একটি বিরল ও আশ্চর্য ঘটনা হাফিজ ইবনু কাসির রহ. উল্লেখ করেছেন। তারা সকলেই ইলমে হাদিসের বিভিন্ন শাখায় খেদমত করেছেন। ইলমি খেদমতে গভীর নিমগ্নতার দরুন অনেক সময় তারা অভাব-অনটন ও ভয়াবহ দরিদ্রতার শিকার হতেন। কখনো কখনো অনাহারে অর্ধাহারে দিন কাটাতেন। একদিন সকলে মিলে হাদিস সংকলনে ব্যস্ত ছিলেন। সেদিন কারও কাছে খাওয়ার মতো কিছুই ছিল না। পরিশেষে সিদ্ধান্ত হলো—চারজনের মধ্যে একজন জীবিকার জন্য বের হবেন। বাকিরা ইলমি কাজে থাকবেন। সেমতে লটারি করা হলো। নাম উঠল মুহাম্মদ ইবনু নসর মারওয়াজির। তিনি জীবিকা উপার্জনের জন্য বের হওয়ার পূর্বে নামাজ পড়ে দুআ করতে লাগলেন। সময়টা ছিল ঠিক দুপুর। মিশরের শাসনকর্তা আহমদ ইবনু তুলুন তখন প্রাসাদে বিশ্রাম করছিলেন। ঘুমে দু'জাহানের বাদশা প্রিয় নবীজির সঙ্গে তার জিয়ারত নসিব হয়।
স্বপ্নে নবীজি তাকে বললেন, মুহাদ্দিসদের খবর নাও। তাদের খাওয়ার মতো কিছু নেই। ঘুম ভাঙার পর ইবনু তুলুন খোঁজ নিলেন—এ শহরের মুহাদ্দিস কে কে? লোকেরা তাঁর নিকট তাদের একটি তালিকা পেশ করল। আহমদ ইবনু তুলুন তৎক্ষণাৎ একহাজার দিনার পাঠালেন। অধিকন্তু যে ঘরে তারা হাদিস চর্চা করতেন সে ঘরটিকে খরিদ করে সেখানে একটি মসজিদ নির্মাণ করে দিলেন। এবং সেখানকার একটি জমিন ওয়াকফ করে তথায় ইলমে হাদিস চর্চার কেন্দ্র স্থাপন করেন。
টিকাঃ
১৮৯ আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া: ১১/১০৩