📘 তারা ঝিকিমিকি জ্বলে > 📄 রোগী সেবায় ইসলামি নীতিমালা

📄 রোগী সেবায় ইসলামি নীতিমালা


নবীজি রোগীর সেবা-শুশ্রূষাকে ইসলামি অধিকার বলে সাব্যস্ত করেছেন; কিন্তু অনেকেই রোগীর সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ ও তার সেবা-যত্ন করার নিয়ম-নীতি সম্পর্কে অজ্ঞ। ফলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে তা রোগীর সান্ত্বনা ও স্বস্তির পরিবর্তে অশান্তি ও দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। নবীজি স্বীয় বাণী ও কর্মের মাধ্যমে আমাদেরকে এর সঠিক নিয়ম শিক্ষা দিয়েছেন। প্রতিটি মুসলমানের উচিত, এগুলোর প্রতি সবিশেষ লক্ষ্য রাখা:
ক. আয়েশা রাজিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবীজির অভ্যাস ছিল—কেউ অসুস্থ হলে স্বীয় ডান হাত রোগীর শরীরের ওপর রেখে এই দুআ পাঠ করতেন—
رَبَّ النَّاسِ ، أَذْهِبِ البَأْسَ ، اشْفِ أَنْتَ الشَّافِي لَا شِفَاءَ إِلَّا شفاؤك ، شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَماً.
খ. আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস রাজিয়াল্লাহু আনহু বলেন, 'রোগী দেখার সুন্নত তরিকা হলো—তার নিকট গিয়ে কিছুক্ষণ চুপচাপ বসে থাকবে। উচ্চ আওয়াজে কথা বলবে না。
গ. রাসুলুল্লাহ সা. ইরশাদ করেন—
العيادة فواق ناقة.
উটনির দুধ দোহনের মধ্যবর্তী সময়ের বিরতি পরিমাণ সামান্য সময় রোগীর নিকট বসবে。
ঘ. সাইদ ইবনুল মুসাইয়াব রহ. বলেন, 'সবচে' উত্তম রোগী দেখা হলো—তার নিকট অতি অল্প সময় বসে দ্রুত উঠে যাওয়া।' এ সকল বর্ণনার ওপর ভিত্তি করে উলামায়ে কেরাম এ ব্যাপারে জোর তাগিদ দিয়েছেন যে, রোগীর নিকট এত বেশি সময় না বসা চাই, যা তার বিরক্তি ও অস্বস্তিবোধের কারণ হয়。
মোল্লা আলি কারি রহ. জনৈক বুজুর্গের ঘটনা বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমরা একবার বিখ্যাত সুফি বুজুর্গ সিররি সাকতি রহ.-কে দেখতে গেলাম। তিনি ছিলেন অসুস্থ। আমরা দীর্ঘক্ষণ তার নিকট বসে ছিলাম। আর এদিকে তিনি পেটের ব্যথায় কাতরাচ্ছিলেন। পরিশেষে আমরা তাকে বললাম, হুজুর, আমরা চলে যাচ্ছি, আমাদের জন্য দুআ করবেন। তখন সিররি সাকতি রহ. এই বলে দুআ করলেন—
اللهم علمهم كيف يعودون المرضى.
হে আল্লাহ, আপনি এদেরকে রোগী দেখার নিয়ম-কানুন শিক্ষা দেন!
এ প্রসঙ্গে আরেকটি ঘটনা:
এক ব্যক্তি রোগী দেখতে গিয়ে সেখানে গেড়ে বসে পড়ল। রোগী বেচারা রোগ-যন্ত্রণায় কাতর ছিল। সে যখন বুঝতে পারল যে, লোকটি উঠতে চাচ্ছে না, তখন বলল, যাতায়াতকারীরাই আমাকে কষ্ট দিচ্ছে; কিন্তু কিছুতেই আল্লাহর বান্দার বোধ হলো না। সে বলল, তাহলে কি দরজা বন্ধ করে দেবো? অগত্যা রোগী বলল, অবশ্যই। তবে বাহির থেকে বন্ধ করো। মোল্লা আলি কারি রহ. বলেন, কিন্তু কেউ যদি নিশ্চিতভাবে বুঝতে পারে যে, তার বসার দ্বারা রোগী খুশি হচ্ছে, তবে তা ভিন্ন কথা。

টিকাঃ
১০০ বুখারি: ৫৭৪৫; মুসলিম: ২১৯৪
১০৪ মিশকাতুল মাসাবিহ: পৃ.১৩৮
১০৫ ইবনু আবিদদুনইয়া: ১৮৬; বাইহাকি, শুআবুল ঈমান: ৯২২২
১০৬ ইবনু আবিদদুনইয়া: ৬৬; বাইহাকি, শুআবুল ঈমান: ৯২২১
১০৭ মিরকাতুল মাফাতিহ: ২/৩১৮-৩১৯

📘 তারা ঝিকিমিকি জ্বলে > 📄 অস্ট্রেলিয়াতে খরগোশের উপদ্রব

📄 অস্ট্রেলিয়াতে খরগোশের উপদ্রব


'জন উইলিয়াম গালাস' স্বরচিত এক নিবন্ধে উল্লেখ করেন, 'যখন অস্ট্রেলিয়া মহাদেশটি আবিষ্কৃত হলো, সেখানে ইউরোপীয় বহু লোক বসতি স্থাপন শুরু করল। তারা লক্ষ্য করল যে, অস্ট্রেলিয়ার কোথাও খরগোশ নেই। এ সকল ইউরোপিয়ান খরগোশ শিকারে অভ্যস্ত ছিল। শিকারের সময় যেসব মজাদার ঘটনার সম্মুখীন হতো তা তাদের স্মৃতিপটে উদয় হতে লাগল। তাদেরই একজন ছিল 'টমাস অস্টিন'। তিনি সর্বপ্রথম ১৮৫৯ খ্রিস্টাব্দে অস্ট্রেলিয়ার বন-জঙ্গলকে জীব-জন্তু দিয়ে সাজানোর প্রয়াস চালালেন। সে সুবাদে তিনি ইউরোপ থেকে বারো জোড়া খরগোশ এনে সেখানকার বনভূমিতে ছেড়ে দিলেন; কিন্তু খোদার লীলা বুঝা বড় দায়! ইউরোপের বন-জঙ্গলে খরগোশের পাশাপাশি এমন সব প্রাণীও আছে যেগুলো খরগোশের প্রাকৃতিক দুশমন। আর এসব প্রাণীর কারণেই সেখানকার খরগোশের প্রজনন স্বাভাবিকভাবে বিস্তার লাভ করেছে; কিন্তু অস্ট্রেলিয়ায় সেসব প্রাণী ছিল না। ফলে বারো জোড়া খরগোশের বংশ বিস্তার হলো এবং ক্রমে তা অস্বাভাবিকভাবে বেড়েই চলল। একপর্যায়ে সমগ্র অস্ট্রেলিয়ায় খরগোশে ভরে গেল। এ অবাধ্য ও লাগামহীন প্রাণী খেত-খামার ও চারণভূমি উজাড় করতে লাগল। কোনো চারণভূমিতে একবার ঢুকতে পারলে তা সাবাড় করে ছাড়ত। এক কথায়—যে প্রাণীকে অস্ট্রেলিয়ার পরিবেশ-প্রকৃতি মনোরম করতে ইউরোপ থেকে আনা হয়েছিল, তা এখন পুরো উপমহাদেশের জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর থেকে পরিত্রাণের জন্য বিভিন্ন কৌশল অবলাম্বন করা হলো; কিন্তু কিছুতেই কাজ হলো না। সকল প্রচেষ্টাই ব্যর্থতায় পর্যবসিত হলো。
অতঃপর এক প্রকার বিষাক্ত খাবার প্রয়োগ করে খরগোশনিধন অভিযান শুরু হলো; কিন্তু ফলাফল জিরো। এতেও রেহাই মেলে নি। অবশেষে কয়েক বছর চেষ্টা-সাধনারপর এ সমাস্যার সমাধানের পথ খুঁজে পাওয়া গেল এক ধরনের ঔষধ আবিষ্কারের মাধ্যমে। যা প্রয়োগ করলেই খরগোশ এক মরণব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে পড়ত এবং ধীরে ধীরে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ত। এতে খরগোশের বংশ বিস্তার হ্রাস পেতে লাগল। ফলে শুষ্ক মাঠ-ঘাট, পাহাড়- পর্বত ও বনাঞ্চল আবারো সবুজ-শ্যামল ও ফলে-ফুলে ভরে উঠল। এ ছাড়াও ছাগল পালানের মাধ্যমে রাষ্ট্রের আয় কয়েকগুণ বেড়ে গেল। ১৯৫২- ১৯৫৩ অর্থ বছরে এর মাধ্যমে বৃদ্ধি পাওয়া আয়ের পরিমাণ ছিল-৮৪ মিলিয়ন পর্যন্ত。

টিকাঃ
১০৮ জন কিলার মুসমা কর্তৃক রচিত The Evidence God The of Expanding Universe-এর আরবি অনুবাদ : পৃষ্ঠাসংখ্যা : ৫১

📘 তারা ঝিকিমিকি জ্বলে > 📄 কুদরতি কারিশমা

📄 কুদরতি কারিশমা


উল্লিখিত নিবন্ধকার তার একই গ্রন্থে উল্লেখ করেন, 'Jack in the pulpoint' নামে এক প্রকার ফুল আছে। এ ফুলের চারায় দু'রকম ফুলের গুচ্ছ থাকে। নর ও মাদি। এ ফুলটির চারাগাছে তৃণলতার বৃত্ত থাকে, যা ছোট ছোট পেয়ালার মতো গোলাকার। সে বৃত্ত হতেই ফুল পত্র-পল্লবিত হয়ে পূর্ণ মাত্রায় প্রস্ফুটিত হয়। এ ফুলের প্রজনন-পদ্ধতি অন্যান্য ফুলের মতোই নর-মাদির মিলনের মাধ্যমে হয়ে থাকে। তবে এ ফুলের মিলন-পদ্ধতিটা অন্যান্য ফুলের চাইতে একটু ব্যতিক্রম ও অদ্ভুত। এ ফুলে নর-মাদির মিলন সরাসরি না হয়ে এদের মিলন হয় ছোট্ট কীটের মাধ্যমে। এ ফুলের লতাগুল্ম দ্বারা সৃষ্ট বৃত্তের বহিরাংশ থাকে প্রশস্ত আর ভেতরের অংশ থাকে সঙ্কীর্ণ。
ছোট্ট কীটগুলো উক্ত বৃত্তের মাঝে ঢুকতে মরিয়া হয়ে ওঠে; কিন্তু মাঝ পথে যেয়ে ফেঁসে যায়। কারণ, প্রথমত ভেতরের দিক অতি সঙ্কীর্ণ। তাছাড়া কোনো পোকা তাতে প্রবেশ করতে চাইলে ফুলটির ওপর দিক হতে মোমের মতো এক ধরনের বিশেষ পদার্থ বৃত্তের মুখ দিয়ে ধীরে ধীরে পোকার প্রবেশ পথে সরে আসে। ফলে বৃত্তের মাঝ পথে যেয়ে পোকা আটকা পড়ে যায়। সামনে বা পেছনে কোনো দিকেই সরার পথ খুঁজে না পেয়ে দিশেহারা ও উন্মাদের মতো ঘুরতে থাকে। আর তখনই বৃত্তের ভেতরকার প্রজননের পদার্থ তার সর্বাঙ্গে লেগে যায়। যখন এ কাজ সম্পন্ন হয়, অমনি বৃত্তের উপরিভাগ দিয়ে মোমের মতো পদার্থ নির্গত হওয়া বন্ধ হয়ে যায়। এবং ধীরে ধীরে উপরিভাগ শুষ্ক হতে থাকে। তখন পোকা একটু জোরে ধাক্কা দিলেই আবরণটি সরে যায়। অতঃপর পোকা বেরিয়ে আসে। এরপর পোকাটি সে অবস্থায় কোনো একটি মাদি গাছের বৃত্তে প্রবেশ করে এবং একইভাবে মাঝ পথে গিয়ে আটকে যায়। তবে এ ক্ষেত্রটা নরের চাইতে একটু বিচিত্র。
কারণ, এ বৃত্তে ঢুকার পর পোকাটি আর বের হতে পারে না। আজীবনের জন্য আটকে যায় এবং সেখানেই তার মৃত্যু ঘটে। মৃত্যুর পূর্বে পোকাটি তার শরীরের শেষশক্তি দিয়ে বের হওয়ার চেষ্টা চালায়। তখন তার শরীরে থাকা নর-প্রজনন পদার্থ মাদি চারার জরায়ুতে স্থানান্তরিত হয়। আর এভাবেই প্রজনন-ক্রিয়া সম্পন্ন হয়। এটা সত্যিই কুদরতে ইলাহির অদ্ভুত কারিশমা!
প্রথমে পোকাটিকে নর গাছটি তার ভেতর ঢোকার সুযোগ দিয়ে পুনরায় বের হওয়ার পথ বন্ধ করে ক্ষণিকের জন্য আটকে ফেলে। তারপর বের হওয়ার সুযোগ করে দেয়। পক্ষান্তরে মাদি গাছটিও পোকাটিকে ভেতরে প্রবেশের সুযোগ দেয়; কিন্তু আর বের হতে দেয় না。
فَتَبَارَكَ اللَّهُ أَحْسَنُ الْخَالِقِينَ.
সর্বোত্তম স্রষ্টা আল্লাহ কতইনা মহান!
নিবন্ধকার উক্ত ঘটনা উল্লেখ করে বলেন, এসব কুদরতি কারিশমা কি মহান আল্লাহর অস্তিত্বের সাক্ষ্য দেয় না? এসকল সুনিপুণ ও বিচিত্র সৃষ্টিকে যদি নিছক প্রাকৃতিক-রীতি বলে ধারণা কর হয়, তবে তা বোকামি বৈ কিছুই নয়। গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করলে আমাদেরকে এ কথা মেনে নিতেই হবে যে, এগুলো নিঃসন্দেহে এক নিখুঁত ও সুসংহত ব্যবস্থাপনারই ফল。

টিকাঃ
১০৯ সূরা মুমিনুন: ১৪

📘 তারা ঝিকিমিকি জ্বলে > 📄 আবদুল্লাহ ইবনু মুবারকের বৈপ্লবিক জীবন

📄 আবদুল্লাহ ইবনু মুবারকের বৈপ্লবিক জীবন


আবদুল্লাহ ইবনু মুবারক রহ. ছিলেন এমন ব্যক্তিত্ব, যার নাম আজও বিশ্বের মুসলিম অতি ভক্তি ও শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে। ইলমে হাদিস, ফিকহ ও তাসাউফ-এই তিন শাস্ত্রের ইমাম ছিলেন তিনি; কিন্তু অনেকেই হয়তো জানেন না যে, তিনি জীবনের শুরু থেকেই এসকল গুণের অধিকারী ছিলেন না। যৌবনের শুরুতে তিনি ছিলেন অতি স্বাধীনচেতা ও উগ্র যুবক। তখন তিনি নেশা, গান-বাজনা ও আমোদ-প্রমোদে সর্বদা বুঁদ হয়ে থাকতেন। আল্লাহ তাকে প্রচুর ধন-সম্পদ ও বিত্ত-বৈভব দান করেছিলেন। তার সম্পদের মধ্যে একটি ছিল আপেলের বাগান। ফল পাড়ার মৌসুমে একবার তিনি জমকালো ভোজন অনুষ্ঠানের আয়োজন করলেন এবং সকল বন্ধু- বান্ধবদের দাওয়াত করলেন। খাওয়া-দাওয়া শেষে মদের আড্ডা জমল। একের পর এক মদের পাত্র খালি হচ্ছিল। আবদুল্লাহ ইবনু মুবারক এত অধিক পরিমাণে মদ পান করলেন যে, একপর্যায়ে নেশার ঘোরে বেহুঁশ হয়ে পড়লেন। সারা রাত এভাবেই কাটল। সকালে হুঁশ ফিরতেই দেখলেন বীণাটি পাশেই পড়ে আছে। সেটি উঠিয়ে বাজাতে চাইলেন; কিন্তু তা অকেজো মনে হলো। শত চেষ্টা করেও তাতে সুর উঠাতে পারলেন না। এতে আবদুল্লাহ ইবনু মুবারক খুব বিচলিত হয়ে পড়লেন। অমনি বীণা হতে আওয়াজ এলোড়
أَلَمْ يَأْنِ لِلَّذِينَ آمَنُوا أَنْ تَخْشَعَ قُلُوبُهُمْ لِذِكْرِ اللَّهِ
মুমিনদের হৃদয় আল্লাহর স্মরণে কোমল ও বিগলিত হওয়ার সময় এখনো কি হয় নি?
কুরআনের এ নির্মলবাণী শুনে তার হৃদয়-আত্মা কেঁপে উঠল। তিনি তৎক্ষণাৎ বীণাটি ভেঙে ফেললেন। মদের মটকাগুলো চূর্ণ-বিচূর্ণ করে ফেললেন। পরনের রেশমি কাপর ছিঁড়ে টুকরা-টুকরা করে ফেললেন। এমনকি তখনি তওবা করে ইলম অন্বেষণ ও আল্লাহর ইবাদতে লেগে গেলেন। ঘটনাটি আবু আবদুল্লাহ হাম্মাদ তার 'মুখতাসারুল মাদারেক' নামক গ্রন্থে এভাবে বর্ণনা করেন; কিন্তু 'তবাকাতে কাফাবি'-তে ভিন্ন রকম রয়েছে। তাতে উল্লেখ আছে-
আবদুল্লাহ ইবনু মুবারক মদের নেশায় ঘুমিয়ে পড়লেন। স্বপ্নে দেখেন যে, একটি প্রাণী নিকটবর্তী একটি গাছের পাশ থেকে উক্ত আয়াতটি তিলাওয়াত করছে। তা শুনেই তাঁর জীবনের পট পরিবর্তন হয়ে যায়。
উভয় ঘটনার সমন্বয় সাধনে শাহ আবদুল আজিজ রহ. বলেন, হতে পারে আল্লাহ তাআলা সর্ব প্রথম তাকে স্বপ্নযোগে প্রাণীর মাধ্যমে সতর্ক করেছেন। অতঃপর ঘুম থেকে সজাগ হবার পর বীণা দ্বারা তাগিদ দিয়েছেন。

টিকাঃ
১১০ সূরা হাদিদ: ১৬
১১১ বুস্তানুল মুহাদ্দিসিন: পৃ.৯৭

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00