📄 আম্মাজান আয়িশা রা.-এর উট
আল্লামা দামিরি রহ. বলেন- জঙ্গে জামালে আয়িশা সিদ্দিকা রাজিয়াল্লাহু আনহা যে উটের ওপর আরোহণ করেছিলেন, তার নাম ছিল 'আসকার'। ইয়ালা ইবনু উমাইয়া এটিকে আয়িশা রাজিয়াল্লাহু আনহার জন্য চারশ' দিরহাম, মতান্তরে দুইশ' দিরহামের বিনিময়ে ক্রয় করেছিলেন。
টিকাঃ
১৯ ৬৫৬ খ্রিস্টাব্দের ডিসেম্বর মাসে ইরাকের বসরায় সংঘটিত হওয়া ইসলামের ইতিহাসের প্রথমযুদ্ধ। -অনুবাদক
২০ হায়াতুল হায়াওয়ান: ১/১৮০
📄 মিথ্যা নবী
খলিফা হারুনুর রশিদের যুগে এক ব্যক্তি দাবি করে বসল-আমি নুহ নবি। খলিফা তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি কি সেই নুহ, যাকে নবী করে পাঠানো হয়েছে, নাকি অন্য কোনো নুহ? লোকটি উত্তরে বলল, হ্যাঁ, আমি সেই নুহ-ই। ইতোপূর্বে আমি সাড়ে নয়শ' বছর দুনিয়াতে ছিলাম। এখন আমাকে আরও পঞ্চাশ বছর থেকে হাজার বছর পূর্ণ করার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে। খলিফা তাকে মৃত্যুদণ্ড দিলেন। মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার জন্য যখন তাকে শূলে চড়ানো হলো, তখন এক রসিক পথচারী তাকে লক্ষ্য করে বলল— ওহে নুহ সাহেব, বিপদকালে তুমি স্বীয় নৌকার মাস্তুল ছাড়া আর কিছুই পেলে না বুঝি!
টিকাঃ
২১ আল-ইয়াওয়াকিতুল আসরিয়্যাহ: পৃ.১২০
📄 চন্দ্রমাস সম্পর্কিত দুর্লভ তথ্য
আল্লামা মাগরিবি রহ. লিখেছেন—আরবি ক্যালেন্ডারে এক নাগাড়ে চার মাস ত্রিশা হতে পারে; এর বেশি নয়। আর ঊনত্রিশা চাঁদ একাধারে তিন মাস হতে পারে; এর বেশি নয়。
জাফর সাদেক রহ. থেকে বর্ণিত, তিনি বলতেন—যেকোনো রমজানের পঞ্চম তারিখ অবশ্যই পরবর্তী রমজানের প্রথম তারিখ হবে। আল্লামা মাগরিবি রহ. বলেন— আমি পঞ্চাশ বছর ধরে এটাই লক্ষ্য করেছি। কখনো এর ব্যত্যয় ঘটেনি। তবে এখানে স্মর্তব্য—এসকল হিসাব-নিকাশ নিছক তথ্যই। এর বেশি কিছু নয়। মূলত শরিয়তের যাবতীয় বিধি-বিধান নির্ভর করে একমাত্র চাঁদ দেখার ওপরই。
টিকাঃ
২২ প্রাগুক্ত: পৃ.১৪৯
২৩ প্রাগুক্ত: পৃ.৩৪২
📄 জ্বরের প্রতিদান
আল্লামা ইবনুল জাওজি রহ. বর্ণনা করেন—একবার উবাই ইবনু কাব রাজিয়াল্লাহু আনহু নবীজিকে জ্বরের প্রতিদান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে উত্তরে তিনি বলেন— 'যতক্ষণ জ্বরের দরুন শরীর কাঁপতে থাকে কিংবা শিরা-উপশিরায় রক্ত দ্রুতবেগে প্রবাহমান থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত জ্বরের বিনিময়ে আমলনামায় নেকি লেখা হয়।' একথা শুনে উবাই ইবনু কাব রাজিয়াল্লাহু আনহু বলেন—
হে আল্লাহ, আমি আপনার নিকট এমন জ্বর কামনা করি, যা আমার জিহাদে অংশগ্রহণ, আপনার ঘর কাবাশরিফ জিয়ারত কিংবা মসজিদে নববিতে উপস্থিত হওয়ায় প্রতিবন্ধক না হয়。
পরবর্তী সময়ে উবাই উবনে কাব রাজিয়াল্লাহু আনহু সর্বক্ষণ জ্বরাক্রান্ত থাকতেন। কেউ তাকে স্পর্শ করলেই তাঁর শরীরের উষ্ণতা অনুভব করত。
টিকাঃ
২৪ সিফাতুস সফওয়া: ১/১৯০