📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 ঈমান একটি বিরাট নিয়ামত

📄 ঈমান একটি বিরাট নিয়ামত


ইয়াহইয়া বিন মুআয রহ. বলতেন, হে আল্লাহ! আমার সবচেয়ে বড় খুশির বিষয় হলো এটা যে, তুমি আমাকে ঈমানের দৌলত দান করেছ। আর সবচেয়ে ভয় তো এটাই যে, এই নিয়ামত আবার আমার থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয় কি না! যতক্ষণ পর্যন্ত আমার এই ভয় বাকি থাকবে, আমি আশা রাখি, তুমি আমাকে এই নিয়ামত হতে বঞ্চিত করবে না।

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 নিজের শেষপরিণতি নিয়ে ভীত থাকা

📄 নিজের শেষপরিণতি নিয়ে ভীত থাকা


عَنِ الْحَسَنِ الْبَصْرِيَّ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ أَنَّهُ قَالَ : يُعَذِّبُ الرَّجُلُ فِي النَّارِ أَلْفَ سَنَةٍ ثُمَّ يَخْرُجُ مِنْهَا إِلَى الْجَنَّةِ، ثُمَّ قَالَ الْحَسَنُ يَا لَيْتَنِي كُنْتُ أَنَا ذَلِكَ الرَّجُلَ، وَإِنَّمَا قَالَ الْحَسَنُ ذلِكَ لِأَنَّهُ خَافَ عَاقِبَةَ أَمْرِهِ، هَكَذَا كَانَ الصَّالِحُونَ يَخَافُونَ خَاتِمَةً أَمْرِهِمْ।

হযরত হাসান বসরী রহ. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক ব্যক্তিকে হাজার বছর আগুনে শাস্তি দেওয়া হবে। এর পর তাকে সেখান থেকে বের করে জান্নাতে নেওয়া হবে। এ কথা বলে তিনি বললেন, হায়, আমি যদি ওই ব্যক্তি হতাম! হাসান রহ. এ কথা এ কারণে বলেছেন যে, তিনি তার শেষ পরিণতি কী হবে, তা নিয়ে শঙ্কিত ছিলেন। আর নেককাররা এইরূপই হন। তারা তাদের শেষ নিয়ে শঙ্কিত থাকেন।

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 ঈমান ধ্বংসকারী গুনাহ

📄 ঈমান ধ্বংসকারী গুনাহ


হাকিম আবুল কাসেমকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, এমন কোনো পাপ আছে কি, যার ফলে ঈমান ছিনিয়ে নেওয়া হয়? তিনি বললেন, হ্যাঁ; তিনটি পাপের কারণে ঈমান ছিনিয়ে নেওয়া হয়। যথা-
১. আল্লাহ তা'আলা ঈমানের যে নিয়ামত দান করেছেন, তার না শোকরিয়া করা।
২. ঈমান বিনষ্ট হওয়ার ভয় না করা।
৩. মুসলমানদের ওপর জুলুম করা।

ফন্ট সাইজ
15px
17px