📄 শয়তান ব্যতীত অন্যান্য শত্রু
عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَنَّهُ قَالَ : الْمُؤْمِنُ بَيْنَ خَمْسٍ شَدَائِدَ، مُؤْمِنٍ يَحْسُدُهُ، وَمُنَافِقٍ يُبْغِضُهُ، وَعَدُوٌّ يُقَاتِلُهُ، وَشَيْطَانٍ يُضِلُّهُ، وَنَفْسٍ تُغْوِيهِ. يَعْنِي أَنَّ النَّفْسَ مَائِلَةٌ إِلَى مَا هُوَ سَبَبُ ضَلَالَتِهِ وَإِغْوَائِهِ.
হযরত আনাস ইবনে মালেক রাযি. থেকে বর্ণিত। নবী বলেন, মুমিন পাঁচ ধরনের শত্রু দ্বারা পরিবেষ্টিত। যথা- ১. মুমিন, যে তাকে হিংসা করে। ২. মুনাফিক, যে তার ধ্বংস কামনা করে। ৩. শত্রু, যে তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। ৪. শয়তান, যে তাকে গোমরা করে। ৫. কুপ্রবৃত্তি, যা তাকে পথহারা করে।
তাই মুমিনের উচিত সকল শত্রুর বিরুদ্ধে আল্লাহর নিকট সাহায্য প্রার্থনা করা। যেন তিনি সকল শত্রুর উপর তাকে ক্ষমতা দান করেন।
টিকাঃ
৬৬৯ মুসনাদুল ফিরদাউদ হাদীস-৬৫৬০; কানযুল উম্মাল: হাদীস-৮০৯।
📄 মূসা আ.-এর মজলিসে ইবলীস
عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ زِيَادِ بْنِ أَنْعَمَ، قَالَ : بَيْنَمَا مُوسَى جَالِسٌ فِي بَعْضِ مَجَالِسِهِ إِذْ جَاءَهُ إِبْلِيسُ وَعَلَيْهِ بُرْنُس مُتَلَوِّنُ يَعْنِي فَلَنْسُوَةً ذَاتَ أَلْوَانِ، فَلَمَّا دَنَا مِنْهُ خَلَعَ الْبُرْنُسَ فَوَضَعَهُ، ثُمَّ أَقْبَلَ فَسَلَّمَ عَلَيْهِ ، فَقَالَ : مَنْ أَنْتَ؟ قَالَ : أَنَا إِبْلِيسُ قَالَ: فَمَا جَاءَ بِكَ? قَالَ: جِئْتُ لِأُسَلَّمَ عَلَيْكَ لِمَكَانِكَ مِنَ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ ، قَالَ : فَمَا الْبُرْنُسَ الَّذِي كَانَ عَلَيْكَ? قَالَ : بِهِ أَخْتَطِفُ قُلُوبَ بَنِي آدَمَ قَالَ : أَخْبِرْنِي مَا الذَّنْبُ الَّذِي إِذَا أَذْنَبَ ابْنُ آدَمَ اسْتَحْوَذْتَ عَلَيْهِ، يَعْنِي غَلَبْتَ عَلَيْهِ? قَالَ: إِذَا أَعْجَبَتْهُ نَفْسُهُ وَاسْتَكْثَرَ عَمَلَهُ وَنَسِيَ ذَنْبَهُ اسْتَحْوَذْتُ عَلَيْهِ.
হযরত আব্দুর রহমান ইবনে যিয়াদ ইবনে আনআম রহ. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা মূসা আ. মজলিসে বসা ছিলেন। ইবলীস তখন একটি রঙিন টুপি পরে তার নিকট উপস্থিত হলো। কাছে এসে টুপিটি খুলে ফেলল এবং সালাম দিল। মূসা আ. বললেন, তুমি কে? সে বলল, আমি ইবলীস। মূসা আ. বললেন, কেন এসেছ? ইবলীস বলল, আল্লাহ তা'আলার নিকট আপনার বিশেষ মর্যাদার কারণে আপনাকে সালাম দিতে এসেছি। মূসা আ. বললেন, তোমার মাথার যে টুপিটি ছিল সেটা দিয়ে কী কর? ইবলীস বলল, আমি এর দ্বারা বনী আদমের হৃদয় ছিনিয়ে নিই। মূসা আ. বললেন, আদম সন্তান কোন পাপ করলে তুমি তাকে পরাভূত করতে পার? শয়তান বলল, যখন আদম সন্তান আত্মমুগ্ধতায় লিপ্ত হয়, নিজের কৃত আমলকে বেশি মনে করে এবং নিজের পাপের কথা ভুলে যায়, তখন আমি তাকে পরাভূত করতে পারি।
📄 উম্মতে মুহাম্মদীতে ইবলিসের বন্ধু ও দুশমন
عَنْ وَهْبِ بْنِ مُنَبِّةٍ رَحِمَهُ اللهُ تَعَالَى ، قَالَ : أَمَرَ اللهُ تَعَالَى إِبْلِيسَ أَنْ يَأْتِيَ مُحَمَّدًا صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَيُجِيبُهُ عَنْ كُلِّ مَا يَسْأَلُهُ فَجَاءَهُ عَلَى صُورَةِ شَيْءٍ وَبِيَدِهِ عُكَازُ فَقَالَ لَهُ مَنْ أَنْتَ ؟ قَالَ : أَنَا إِبْلِيسُ ، فَقَالَ : لِمَا جِئْتَ؟ قَالَ : إِنَّ اللهَ أَمَرَنِي أَنْ آتِيَكَ، وَأُجِيبَكَ عَنْ كُلَّ مَا تَسْأَلُنِي فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : يَا مَلْعُونُ كَمْ أَعْدَاؤُكَ مِنْ أُمَّتِي؟ قَالَ : خَمْسَةُ عَشَرَ أَوَّلُهُمْ: أَنْتَ، وَالثَّانِي : إِمَامٌ عَادِلُ، وَالثَّالِثُ: غَنِيٌّ مُتَوَاضِعُ، وَالرَّابِعُ: تَاجِرُ صَادِقُ وَالْخَامِسُ : عَالِمٌ تَخَشَّعَ، وَالسَّادِسُ : مُؤْمِنٌ نَاصِحٌ، وَالسَّابِعُ : مُؤْمِنٌ رَحِيمُ الْقَلْبِ وَالثَّامِنُ : تَائِبُ ثَابِتٌ عَلَى التَّوْبَةِ، وَالتَّاسِعُ : مُتَوَرِّعُ عَنِ الْحَرَامِ، وَالْعَاشِرُ : مُؤْمِنٌ حَسِنُ الْخُلُقِ، وَالْحَادِي عَشَرَ : مُؤْمِنٌ كَثِيرُ الصَّدَقَةِ، وَالثَّانِي عَشَرَ : مُؤْمِنٌ يُدِيمُ عَلَى الطَّهَارَةِ مَعَ النَّاسِ، وَالثَّالِثُ عَشَرَ : مُؤْمِنٌ يَنْفَعُ النَّاسَ، وَالرَّابِعُ عَشَرَ: حَامِلُ الْقُرْآنِ يُدِيمُ عَلَى تِلَاوَتِهِ، وَالْخَامِسُ عَشَرَ : قَائِمُ بِاللَّيْلِ وَالنَّاسُ نِيَامٌ ، ثُمَّ قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّমَ : وَمَنْ رُفَقَاؤُكَ مِنْ أُمَّتِي ؟ قَالَ : عَشَرَةٌ : أَوَّلُهَا : سُلْطَانٌ جَائِرٌ، وَالثَّانِي : غَنِيٌّ مُتَكَبِّرُ، وَالثَّالِثُ : تَاجِرُ خَائِنُ، وَالرَّابِعُ : شَارِبُ الْخَمْرِ، وَالْخَامِسُ : الْقَتَّاتُ، وَالسَّادِسُ : صَاحِبُ الزِّنَاء وَالسَّابِعُ : آكِلُ مَالِ الْيَتِيمِ، وَالثَّالِثُ : الْمُتَهَاوِنُ بِالصَّلَاةِ، وَالتَّاسِعُ: مَانِعُ الزَّكَاةِ، وَالْعَاشِرُ : الَّذِي يُطِيلُ الْأَمَلَ فَهَؤُلَاءِ أَصْحَابِي وَإِخْوَانِي
ওয়াহাব ইবনে মুনাব্বিহ রহ.-এর সূত্রে বর্ণিত। একদা আল্লাহ তা'আলা ইবলীসকে নির্দেশ দিলেন, মুহাম্মদ ﷺ-এর নিকট গিয়ে তাঁর সকল প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার। ইবলীস একজন বৃদ্ধের আকৃতি ধারণ করে হাতে একটি লাঠি নিয়ে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর নিকট উপস্থিত হলো। রাসূলুল্লাহ ﷺ তাকে বললেন, তুমি কে? ইবলীস বলল, আমি ইবলীস! রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন, কেন এসেছ? ইবলীস বলল, আল্লাহ তা'আলা আমাকে আপনার নিকট পাঠিয়েছেন এবং আপনার সকল প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
নবী করীম ﷺ ইবলীসকে লক্ষ্য করে বললেন, হে অভিশপ্ত ইবলীস! আমার উম্মতের মাঝে তোর শত্রু কতজন? ইবলীস বলল, পনেরো জন। যথা- ১. আপনি। ২. ন্যায়পরায়ণ শাসক। ৩. বিনয়ী ধনী ব্যক্তি। ৪. সত্যবাদী ব্যবসায়ী। ৫. আল্লাহর ভয়ে ভীত জ্ঞানী। ৬. কল্যাণকামী মুমিন ব্যক্তি। ৭. দয়ালু মুমিন ব্যক্তি। ৮. তওবায় অবিচল ব্যক্তি। ৯. হারাম বর্জনকারী ব্যক্তি। ১০. সর্বদা উযূ অবস্থায় থাকে এমন মুমিন ব্যক্তি। ১১. অধিক দানশীল মুমিন ব্যক্তি। ১২. উত্তম চরিত্রের অধিকারী মুমিন ব্যক্তি। ১৩. মানুষের উপকারকারী মুমিন ব্যক্তি। ১৪. সর্বদা কুরআন তিলাওয়াতকারী কুরআনের হাফেজ। ১৫. মানুষ যখন ঘুমিয়ে থাকে, তখন নামায আদায়কারী। এরা সকলে আমার শত্রু, চরম দুশমন।
এরপর নবী বললেন, আমার উম্মতের মাঝে তোর বন্ধু কতজন? ইবলীস বলল দশজন। যথা- ১. অত্যাচারী শাসক। ২. অহংকারী ধনী ব্যক্তি। ৩. বিশ্বাসঘাতক ব্যবসায়ী। ৪. মদ্যপ ব্যক্তি। ৫. চোগলখোর। ৬. ব্যভিচারী ও ব্যভিচারিনী। ৭. এতীমের সম্পদ ভক্ষণকারী। ৮. নামাযে উদাসীন ব্যক্তি। ৯. যাকাত দেয় না এমন ব্যক্তি। ১০. দীর্ঘ আশা-আকাঙ্ক্ষা পোষণকারী ব্যক্তি। এরা সকলে আমার সঙ্গী-সাথি, আমার পরম বন্ধু ও ভাই।
📄 নারী শয়তানের জাল
বর্ণিত আছে, বনী ইসরাঈলের বারসীসা নামক এক আবেদ ছিলেন। তিনি সর্বদা গির্জায় থাকতেন। তার দোয়া কবুল হতো। লোকেরা তাদের অসুস্থ ব্যক্তিদের নিয়ে আসত। তিনি দোয়া করলে সে সুস্থ হয়ে উঠত। তার এ অবস্থা দেখে ইবলীস তার বাহিনীর সবাইকে ডেকে বলল, কে এই আবেদকে গোমরাহ করতে পারবে? সে তো তোমাদের কোমর ভেঙ্গে দিচ্ছে! এক ধূর্ত শয়তান বলল, আমি তাকে গোমরাহ করতে পারব। যদি না পারি, তাহলে আপনার বন্ধু থাকব না। ইবলীস বলল, তুমিই এর যোগ্য। এরপর শয়তান বনী ইসরাঈলের এক বাদশাহর বাড়িতে এলো। বাদশাহর ছিল এক অপরূপ সুন্দরী মেয়ে। মেয়েটি তখন পিতা-মাতা ও ভাই-বোনদের সাথে বসে ছিল। শয়তান তাকে এমন ভয় দেখাল যে, সে মারাত্মক আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পাগলের মত হয়ে পড়ল। এভাবে কয়েক দিন কেটে গেল। এরপর শয়তান মানুষের আকৃতিতে তাদের বাড়ীতে উপস্থিত হয়ে বলল, এ মেয়েটিকে ভালো করতে চাইলে, অমুক পাদ্রীর নিকট নিয়ে যাও। তিনি দোয়া করলে ও ফুঁ দিলে ভালো হয়ে যাবে। তখন তারা মেয়েটিকে পাদ্রীর নিকট নিয়ে গেল। পাদ্রী তার জন্য দোয়া করলেন। ফলে মেয়েটি সুস্থ হয়ে গেল। ফিরে আসার পর তার মধ্যে আবার পাগলামি দেখা দিল। তখন শয়তান এসে বলল, তাকে যদি সম্পূর্ণ ভালো করতে চাও, তাহলে কয়েক দিন পাদ্রীর নিকট থাকতে দাও। তারা মেয়েটিকে নিয়ে পাদ্রীর নিকট গেল এবং পাদ্রীর নিকট রেখে যেতে চাইল। কিন্তু পাদ্রী এতে রাজি হলেন না। তারা পীড়াপীড়ি করে সেখানে রেখে চলে এলো।
পাদ্রী দিনে রোযা রাখতেন এবং রাতে ইবাদতে মগ্ন হয়ে থাকতেন। এ দিকে শয়তান ওই মেয়েটিকে কিছুই বলত না। তবে পাদ্রী সাহরী ও ইফতার গ্রহণের জন্য বসলে, তখন শয়তান তাকে পাগলিনী বানিয়ে দিত এবং তার পর্দাও খুলে দিত। কিন্তু পাদ্রী তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিত। এমনিভাবে বেশ কিছুদিন চলে গেল। একদিন পাদ্রী মেয়েটির চেহারা ও শরীর দেখে মোহগ্রস্ত হয়ে পড়ল। সে জীবনে কখনো এমন অনিন্দ্য সুন্দরী মেয়ে দেখেনি। পাদ্রী আর নিজেকে সংবরণ করতে পারল না। অবশেষে তাদের দৈহিক মিলন ঘটল এবং মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হলো।
এদিকে শয়তান এসে বলল, নিশ্চয়ই তোমার দ্বারা সে অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে। বাদশাহর কঠিন শাস্তি থেকে তুমি রেহাই পেতে চাইলে, তাকে হত্যা করে গির্জার পাশে দাফন করে রাখ। তার পরিবারের লোকজন জিজ্ঞেস করলে বলবে, সে মারা গেছে। তারা তোমাকে বিশ্বাস করবে। শয়তানের কথা মতো পাদ্রী তাকে হত্যা করে পুঁতে রাখলো। এরপর বাদশাহর লোকেরা এসে মেয়েটি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে পাদ্রী বলল, মেয়েটি মারা গেছে। তারা পাদ্রীকে বিশ্বাস করে ফিরে চলে গেল।
আরেক বর্ণনা মতে, পাদ্রী বলেছিল, মেয়েটি সুস্থ হয়ে বাড়িতে চলে গেছে। তারা পাদ্রীকে বিশ্বাস করে চলে গেল এবং আত্মীয়-স্বজনের বাড়ীতে তালাশ করতে লাগল। তখন শয়তান গিয়ে তাদের বলল, পাদ্রী মিথ্যা বলেছে। সে মেয়েটির সাথে যিনা করেছে, এরপর তাকে হত্যা করে মাটিতে পুঁতে রেখেছে। একথা শুনে বাদশাহ লোকজন নিয়ে পাদ্রীর নিকট এলো। কবর খুঁড়ে মেয়েটির জবাই করা লাশ পেল এবং পাদ্রীকে শূলে চড়ালো। শূলে চড়ানো অবস্থায় শয়তান পাদ্রীর নিকট এসে বলল, এসব আমিই করেছি। তবে আমি তোমাকে এ অবস্থা থেকে বাঁচাতে পারি, যদি তাদের বলি যে, অন্য ব্যক্তি মেয়েটিকে হত্যা করেছে, তারা অবশ্যই আমার কথা বিশ্বাস করবে। তবে শর্ত হলো, তুমি আমাকে সেজদা করবে। পাদ্রী বলল, আমি এ অবস্থায় কিভাবে সেজদা করব। শয়তান বলল, তুমি মাথা দ্বারা ইশারায় সেজদা করবে। আমি এতেই সন্তুষ্ট। তখন পাদ্রী তাকে সেজদা করল। তখন শয়তান বলল, তোমার সাথে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। আল্লাহ তা'আলা শয়তানের এ চরিত্র সম্পর্কে কুরআনে পাকে বলেন-
كَمَثَلِ الشَّيْطَانِ إِذْ قَالَ لِلْإِنسَانِ اكْفُرْ فَلَمَّا كَفَرَ قَالَ إِنِّي بَرِيءٌ مِّنكَ إِنِّي أَخَافُ اللَّهَ رَبَّ الْعَالَمِينَ * فَكَانَ عَاقِبَتَهُمَا أَنَّهُمَا فِي النَّارِ خَالِدَيْنِ فِيهَا وَذَلِكَ جَزَاء الظَّالِمِينَ
অর্থ: তারা শয়তানের মতো, সে মানুষকে বলে, কাফের হয়ে যাও। অতঃপর কাফের হয়ে গেলে বলে, তোমার সাথে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। আমি বিশ্বজগতের পালনকর্তা আল্লাহকে ভয় করি। তাই উভয়ের পরিণতি হবে এই যে, তারা জাহান্নামে যাবে। সেখানে চিরকাল থাকবে। এটাই হলো জালেমদের শাস্তি।
টিকাঃ
৬৭০. মুসতাদরাকে হাকেম: ২/৫২৬; কানযুল উম্মাল: হাদীস-১৭১০।
৬৭১. সূরা হাশর: আয়াত-১৬-১৭