📄 ইবাদতের স্বাদ ও দুনিয়ার সওয়াব
জনৈক জ্ঞানী বলেছেন, মানুষ ইবাদতের সওয়াব তখন পায়, যখন সে ভালো নিয়ত দ্বারা শুরু করে, এটাকে আল্লাহর অনুগ্রহ মনে করে, ভয়-ভীতি নিয়ে আল্লাহর ইবাদত করে, ইখলাস সহকারে করে। কারণ, যখন সুন্দর নিয়ত দ্বারা ইবাদত শুরু হবে এবং এ কথা জানা থাকবে যে, আল্লাহ তা'আলা তাকে এই আমলের তাওফিক দিয়েছেন, তখন সে এটাকে আল্লাহর অনুগ্রহ মনে করবে এবং শোকরও আদায় করবে। ফলে আল্লাহর পক্ষ থেকে সে আরও বেশি পাবে- لَئِنْ شَكَرْتُمْ لَأَزِيدَنَّكُمْ وَلَئِنْ كَفَرْتُمْ إِنَّ عَذَابِي لَشَدِيدٌ. 'তোমরা যদি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর, তা হলে আমি তোমাদেরকে আরও বাড়িয়ে দিব। আর যদি অকৃতজ্ঞ হও, তবে জেনে রাখো, আমার শাস্তি কঠিন।' আর যখন ভয়-ভীতি নিয়ে আমল করা হবে, তখন আল্লাহ তা'আলার পক্ষ থেকে সওয়াব পাওয়া যাবে। ইরশাদ হচ্ছে- إِنَّ اللَّهَ لَا يُضِيعُ أَجْرَ الْمُحْسِنِينَ 'আল্লাহ তা'আলা নেককারদের সওয়াব বিনষ্ট করেন না।'
দুনিয়ার সওয়াব হলো, এর ফলে ইবাদতে-আনুগত্যে স্বাদ পেতে থাকবে। আর আখেরাতের সওয়াব হলো জান্নাত। আর ইখলাসসহ যদি আমল করা হয় তা হলে আল্লাহ তা'আলা তা কবুল করবেন। এর নিদর্শন হলো, সে আরও বড় আমল করার তাওফিক পাবে।
📄 আল্লাহমুখী
আল্লাহমুখী হওয়ার আলামতও তিনটি; অন্তরে চিন্তাফিকির রাখা; মুখে যিকির করা এবং দেহটাকে আল্লাহর ইবাদতে লাগানো।
📄 ধোঁকার আলামত
বলা হয়, ধোঁকায় পড়ার আলামত হলো তিনটি: এত বেশি সম্পদ জমা করা, যা দুনিয়ায় ছেড়ে যেতে হবে, অথচ তার কোনো উপকারে আসবে না। এত বেশি গুনাহ করা, যা তাকে ধ্বংস করে দেবে এবং এমন আমল ছেড়ে দেওয়া, যা দিয়ে তার মুক্তি হতে পারত।
📄 আত্মপ্রবঞ্চনা
আত্মপ্রবঞ্চনার নিদর্শন তিনটি। যথা- ১. প্রবৃত্তির চাহিদার দিকে দৌড়ে যাওয়া এবং পদস্থলের ভয় না করা। ২. দীর্ঘ আশার কারণে তাওবা করতে বিলম্বিত করা; এবং ৩. আমল ছাড়া পরকালের আশাবাদী হওয়া।