📄 জানাযার সাথে যাওয়া
হযরত আবূ সাঈদ খুদরী রাযি. বর্ণনা করেন, নবীজী ইরশাদ করেছেন, তোমরা রোগীদের শুশ্রূষা কর এবং জানাযার পিছনে পিছনে যাও। এতে তোমাদের পরকালের কথা স্মরণ হবে।
জনৈক জ্ঞানী হতে বর্ণিত, তিনি কতক লোককে মৃত ব্যক্তির ওপর দয়া দেখাতে দেখলেন। বললেন, তোমরা যদি নিজের আত্মার ওপর দয়া দেখাতে, তা হলে তোমাদের জন্য উত্তম হতো। সে তো মারা গেছে এবং তিনটি বিষয় থেকে মুক্তি পেয়ে গেছে- ১. মালাকুল মউতের দেখা থেকে; ২. মৃত্যুর কষ্ট থেকে এবং ৩. খাতেমার ভয় থেকে।
আবুদ্দারদা রাযি. হতে বর্ণিত, তিনি এক ব্যক্তিকে জানাযার পিছনে থেকে বলতে শুনলেন, এই মৃতব্যক্তি কে? তিনি বললেন, এ হলো তুমি। এটা যদি তোমার কাছে ভালো না লাগে, তাহলে আমি। কারণ, আল্লাহ তা'আলা বলেছেন- "নিশ্চয় তুমি মৃত্যুবরণ করবে এবং তারাও মৃত্যুবরণ করবে।"
টিকাঃ
৬০২. মুসনাদে আহমাদ হাদীস-১১৪৪৫; সহীহ ইবনে হিব্বান হাদীস-২৯৫৫; সনদ সহীহ।
হযরত আবূ সাঈদ খুদরী রাযি. বর্ণনা করেন, নবীজী ইরশাদ করেছেন, তোমরা রোগীদের শুশ্রূষা কর এবং জানাযার পিছনে পিছনে যাও। এতে তোমাদের পরকালের কথা স্মরণ হবে।
জনৈক জ্ঞানী হতে বর্ণিত, তিনি কতক লোককে মৃত ব্যক্তির ওপর দয়া দেখাতে দেখলেন। বললেন, তোমরা যদি নিজের আত্মার ওপর দয়া দেখাতে, তা হলে তোমাদের জন্য উত্তম হতো। সে তো মারা গেছে এবং তিনটি বিষয় থেকে মুক্তি পেয়ে গেছে- ১. মালাকুল মউতের দেখা থেকে; ২. মৃত্যুর কষ্ট থেকে এবং ৩. খাতেমার ভয় থেকে।
আবুদ্দারদা রাযি. হতে বর্ণিত, তিনি এক ব্যক্তিকে জানাযার পিছনে থেকে বলতে শুনলেন, এই মৃতব্যক্তি কে? তিনি বললেন, এ হলো তুমি। এটা যদি তোমার কাছে ভালো না লাগে, তাহলে আমি। কারণ, আল্লাহ তা'আলা বলেছেন- "নিশ্চয় তুমি মৃত্যুবরণ করবে এবং তারাও মৃত্যুবরণ করবে।"
টিকাঃ
৬০২. মুসনাদে আহমাদ হাদীস-১১৪৪৫; সহীহ ইবনে হিব্বান হাদীস-২৯৫৫; সনদ সহীহ।
📄 হযরত হাসান বসরী রহ.-এর প্রতিক্রিয়া
এক ব্যক্তিকে হযরত হাসান বসরী রহ. কবরস্থানে কিছু খেতে দেখলেন। এতে তিনি বললেন- হাযা মুনাফিকুন আল মাউতু বাইনা আইয়াইনিহি ওয়াহুওয়া ইয়াশতাহি ত্বাআমা। অর্থাৎ, এ হলো মুনাফিক। মৃত্যু তার চোখের সামনে, আর সে কিনা খাবারের স্বাদ নিচ্ছে। হাসান বসরী রহ. বলেন- ইয়া আজাবান কুল্লাল আজাবি মিন ক্বাওমিন উমিরু বিযযাদি ওয়ানুদু বিররাহীলি ওয়া ক্বাদ জালাসা আওয়ালুহুম লিআখিরিহিম ওয়াহুম কুউদুঁ ইয়ালআবুনা। অর্থাৎ, হায়! বিস্ময় তাদের ওপর, যাদের পাথেয় প্রস্তুত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সফরের ঘণ্টা বাজানো হয়েছে, কাফেলার প্রথম দল পরবর্তী দলের জন্য অপেক্ষা করছে। অথচ তারা এখনও বসে বসে খেলছে। অথবা বলেছেন, এরা বসে খেলা করছে। হাসান বসরী রহ. এর ব্যাপারে বর্ণিত, তিনি যখনই কোনো মৃত দেখতেন, মনে হতো, এইমাত্র তিনি তার মাকে দাফন করে এসেছেন।
এক ব্যক্তিকে হযরত হাসান বসরী রহ. কবরস্থানে কিছু খেতে দেখলেন। এতে তিনি বললেন- হাযা মুনাফিকুন আল মাউতু বাইনা আইয়াইনিহি ওয়াহুওয়া ইয়াশতাহি ত্বাআমা। অর্থাৎ, এ হলো মুনাফিক। মৃত্যু তার চোখের সামনে, আর সে কিনা খাবারের স্বাদ নিচ্ছে। হাসান বসরী রহ. বলেন- ইয়া আজাবান কুল্লাল আজাবি মিন ক্বাওমিন উমিরু বিযযাদি ওয়ানুদু বিররাহীলি ওয়া ক্বাদ জালাসা আওয়ালুহুম লিআখিরিহিম ওয়াহুম কুউদুঁ ইয়ালআবুনা। অর্থাৎ, হায়! বিস্ময় তাদের ওপর, যাদের পাথেয় প্রস্তুত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সফরের ঘণ্টা বাজানো হয়েছে, কাফেলার প্রথম দল পরবর্তী দলের জন্য অপেক্ষা করছে। অথচ তারা এখনও বসে বসে খেলছে। অথবা বলেছেন, এরা বসে খেলা করছে। হাসান বসরী রহ. এর ব্যাপারে বর্ণিত, তিনি যখনই কোনো মৃত দেখতেন, মনে হতো, এইমাত্র তিনি তার মাকে দাফন করে এসেছেন।
📄 সব সময় নির্ভয় থাকা
হযরত ইবরাহীম তাইমী রহ. বলেন, যে ব্যক্তি নিশ্চিন্তে থাকে, তার ব্যাপারে আশঙ্কা হচ্ছে, সে জান্নাতী হবে না। কারণ, জান্নাতিরা বলবে- "ইন্না কুন্না ক্বাবলু ফী আহলিনা মুশফিক্বীন" অর্থাৎ, 'ইতঃপূর্বে আমরা আমাদের ঘরে তথা দুনিয়ায় খুবই ভয়ে ছিলাম।'
হযরত ইবরাহীম তাইমী রহ. বলেন, যে ব্যক্তি নিশ্চিন্তে থাকে, তার ব্যাপারে আশঙ্কা হচ্ছে, সে জান্নাতী হবে না। কারণ, জান্নাতিরা বলবে- "ইন্না কুন্না ক্বাবলু ফী আহলিনা মুশফিক্বীন" অর্থাৎ, 'ইতঃপূর্বে আমরা আমাদের ঘরে তথা দুনিয়ায় খুবই ভয়ে ছিলাম।'
📄 হাফেজে কুরআন কেমন হওয়া চাই
হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ রাযি. বলেন, হাফেজে কুরআনের এমন হওয়া চাই যে, সে তার রাতের মূল্যায়ন করবে, যখন লোকজন ঘুমিয়ে থাকে; দিনের মূল্যায়ন করবে, যখন লোকজন বে-রোযা থাকে। সে তার দুঃখের দিকে মনোযোগী থাকবে, যখন লোকজন আনন্দ করে। সে ক্রন্দন করবে, যখন লোকজন হাসে। সে তার নীরবতার মূল্যায়ন করবে, যখন লোকজন কথায় লিপ্ত থাকে; সে তার বিনয়ের মূল্যায়ন করবে, যখন লোকজন অহংকার করে। হাফেজে কুরআনের উচিত চিন্তিত, সহনশীল, শান্ত ও নম্র হওয়া। কর্কশ, অমনোযোগী, চিৎকারকারী ও কঠোর মেজাযের হওয়া চাই না।
হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ রাযি. বলেন, হাফেজে কুরআনের এমন হওয়া চাই যে, সে তার রাতের মূল্যায়ন করবে, যখন লোকজন ঘুমিয়ে থাকে; দিনের মূল্যায়ন করবে, যখন লোকজন বে-রোযা থাকে। সে তার দুঃখের দিকে মনোযোগী থাকবে, যখন লোকজন আনন্দ করে। সে ক্রন্দন করবে, যখন লোকজন হাসে। সে তার নীরবতার মূল্যায়ন করবে, যখন লোকজন কথায় লিপ্ত থাকে; সে তার বিনয়ের মূল্যায়ন করবে, যখন লোকজন অহংকার করে। হাফেজে কুরআনের উচিত চিন্তিত, সহনশীল, শান্ত ও নম্র হওয়া। কর্কশ, অমনোযোগী, চিৎকারকারী ও কঠোর মেজাযের হওয়া চাই না।