📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 সাহাবীদের লক্ষ্য করে নবীজীর বাণী

📄 সাহাবীদের লক্ষ্য করে নবীজীর বাণী


হযরত আব্দুল্লাহ বিন আমর ইবনুল আস রাযি. বলেন, আমাদের লক্ষ্য করে নবীজী ইরশাদ করেছেন, হে লোকসকল! তোমরা আমার সাহাবীদের সম্মান কর। তাদের সাথে সদাচরণ কর। তাদের ভালোবাসো। কারণ, লোকদের মধ্যে সর্বোত্তম হলো আমার সাহাবীরা, যাদের মধ্যে আমি প্রেরিত হয়েছি। ফলে তারা আল্লাহর ওপর বিশ্বাস স্থাপন করেছে, আমাকে সত্য বলে স্বীকার করেছে, আমি আল্লাহর নিকট থেকে যা নিয়ে এসেছি, তার ওপর ঈমান এনেছে এবং তার অনুসরণ ও তদানুসারে আমল করেছে।

তারপর সর্বোত্তম মানুষ হলো তাদের পরবর্তী যুগের লোকেরা। তারা আমার ওপর ঈমান এনেছে, আল্লাহর হুকুম পালন করেছেন, অথচ তারা আমাকে দেখেনি। এরপর সর্বোত্তম হলো তাদের পরবর্তী যুগের মানুষ। তারা আমার ওপর ঈমান এনেছে। এর পরবর্তীতে যারা আসবে, তারা নামায বিনষ্ট করবে; প্রবৃত্তির অনুসরণ করবে; আমি যা করার নির্দেশ দিয়েছি, তারা তা ছেড়ে দেবে এবং যা থেকে নিষেধ করেছি, তা করবে। তারা নিজেদের প্রবৃত্তি অনুসারে দীন গ্রহণ করবে। লোকদের দেখানোর জন্য আমল করবে। তারা কসম করবে, অথচ তাদের কসম চাওয়া হবে না। তারা সাক্ষ্য দেবে, অথচ তাদের সাক্ষ্য চাওয়া হবে না। আমানত রাখা হলে তারা খিয়ানত করবে, আমানত আদায় করবে না। কথা বললে মিথ্যা বলবে। এমন কথা বলবে, যা তারা করেনি।

তাদের থেকে জ্ঞান ও সহনশীলতা উঠিয়ে নেওয়া হবে। তাদের মধ্যে অজ্ঞতা ও অশ্লীলতা বৃদ্ধি পাবে। তাদের থেকে লজ্জাবোধ ও আমানতদারী তুলে নেওয়া হবে। মিথ্যা, খিয়ানত, পিতামাতার অবাধ্যতা, আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্নকরণ, দীর্ঘ-আশা, কার্পণ্য, দুনিয়ার প্রতি লোভ-লালসা, হিংসা, চরিত্রহীনতা ও প্রতিবেশীর সাথে মন্দ আচরণ ব্যাপক হয়ে যাবে। তারা দীন থেকে ঠিক সেভাবে বেরিয়ে যাবে, যেভাবে ধনুক থেকে তীর বেরিয়ে যায়। কিয়ামত শুধু মন্দ লোকদের ওপরই আসবে।

তাই তোমরা যদি চাও যে, জান্নাত ও জান্নাতের নিয়ামতে থাকবে, তাহলে আমার সুন্নাত ও আমার সাহাবীদের পথ অনুসরণ কর। আর তোমরা নব-আবিষ্কৃত বিষয় থেকে বেঁচে থাকো। কারণ, প্রত্যেক নব-আবিষ্কৃত বিষয়ই বিদআত। আর প্রত্যেক বিদআতই গোমরাহী।

আর আল্লাহ তা'আলা উম্মতে মুহাম্মদির সবাইকে কখনও গোমরাহীর ওপর এক করবেন না। কাজেই যে ব্যক্তি আনুগত্য ছেড়ে দেয় এবং জামাআতে সাহাবা থেকে পৃথক হয়ে যায়, আল্লাহর নির্দেশগুলো বিনষ্ট করে, আল্লাহর হুকুমের বিপরীত কাজ করে, সে তখন আল্লাহর সামনে উপস্থিত হবে, তখন সে আল্লাহকে তার ওপর রাগান্বিত পাবে এবং আল্লাহ তা'আলা তাকে জাহান্নামে প্রবেশ করাবেন।

হযরত ইরবায বিন সারিয়া রাযি. বলেন, রাসূল আমাদেরকে এমন কিছু নসীহত করলেন, যার ফলে আমাদের চোখ থেকে অশ্রু বেয়ে পড়ল, অন্তর কেঁপে উঠল। এক সাহাবী বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! এটা তো এমন নসীহত, যেন কেউ কাউকে বিদায় জানাচ্ছে। আমাদেরকে আরও কিছু নসীহত করুন। তিনি বললেন, আমি তোমাদেরকে আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন করার এবং শোনা ও মানার নসীহত করছি। কারণ, আমার পর যে বেঁচে থাকবে, সে অনেক মতবিরোধ দেখতে পাবে। তোমরা নব-আবিষ্কৃত বিষয় থেকে বেঁচে থেকো। কারণ, তা গোমরাহী। তোমাদের কেউ এর মুখোমুখি হয়, তবে সে যেন আমার সুন্নাত ও খোলাফায়ে রাশেদীনের সুন্নাত আঁকড়ে ধরে। এবং তা খুবই মযবুতভাবে আঁকড়ে ধরে।

টিকাঃ
৫৯৪. সুনানে তিরমিযী: হাদীস-২১৬৫; কানযুল উম্মাল : হাদীস-৩২৪৮৭; ইমাম তিরমিযী কাছাকাছি অর্থের এই হাদীসটিকে হাসান সহীহ গরীব বলেছেন।
৫৯৫. সুনানে তিরমিযী: হাদীস-২৬৭৬; সুনানে ইবনে মাজাহ : হাদীস-৪২; ইমাম তিরমিযী হাদীসটিকে হাসান সহীহ বলেছেন।

হযরত আব্দুল্লাহ বিন আমর ইবনুল আস রাযি. বলেন, আমাদের লক্ষ্য করে নবীজী ইরশাদ করেছেন, হে লোকসকল! তোমরা আমার সাহাবীদের সম্মান কর। তাদের সাথে সদাচরণ কর। তাদের ভালোবাসো। কারণ, লোকদের মধ্যে সর্বোত্তম হলো আমার সাহাবীরা, যাদের মধ্যে আমি প্রেরিত হয়েছি। ফলে তারা আল্লাহর ওপর বিশ্বাস স্থাপন করেছে, আমাকে সত্য বলে স্বীকার করেছে, আমি আল্লাহর নিকট থেকে যা নিয়ে এসেছি, তার ওপর ঈমান এনেছে এবং তার অনুসরণ ও তদানুসারে আমল করেছে।

তারপর সর্বোত্তম মানুষ হলো তাদের পরবর্তী যুগের লোকেরা। তারা আমার ওপর ঈমান এনেছে, আল্লাহর হুকুম পালন করেছেন, অথচ তারা আমাকে দেখেনি। এরপর সর্বোত্তম হলো তাদের পরবর্তী যুগের মানুষ। তারা আমার ওপর ঈমান এনেছে। এর পরবর্তীতে যারা আসবে, তারা নামায বিনষ্ট করবে; প্রবৃত্তির অনুসরণ করবে; আমি যা করার নির্দেশ দিয়েছি, তারা তা ছেড়ে দেবে এবং যা থেকে নিষেধ করেছি, তা করবে। তারা নিজেদের প্রবৃত্তি অনুসারে দীন গ্রহণ করবে। লোকদের দেখানোর জন্য আমল করবে। তারা কসম করবে, অথচ তাদের কসম চাওয়া হবে না। তারা সাক্ষ্য দেবে, অথচ তাদের সাক্ষ্য চাওয়া হবে না। আমানত রাখা হলে তারা খিয়ানত করবে, আমানত আদায় করবে না। কথা বললে মিথ্যা বলবে। এমন কথা বলবে, যা তারা করেনি।

তাদের থেকে জ্ঞান ও সহনশীলতা উঠিয়ে নেওয়া হবে। তাদের মধ্যে অজ্ঞতা ও অশ্লীলতা বৃদ্ধি পাবে। তাদের থেকে লজ্জাবোধ ও আমানতদারী তুলে নেওয়া হবে। মিথ্যা, খিয়ানত, পিতামাতার অবাধ্যতা, আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্নকরণ, দীর্ঘ-আশা, কার্পণ্য, দুনিয়ার প্রতি লোভ-লালসা, হিংসা, চরিত্রহীনতা ও প্রতিবেশীর সাথে মন্দ আচরণ ব্যাপক হয়ে যাবে। তারা দীন থেকে ঠিক সেভাবে বেরিয়ে যাবে, যেভাবে ধনুক থেকে তীর বেরিয়ে যায়। কিয়ামত শুধু মন্দ লোকদের ওপরই আসবে।

তাই তোমরা যদি চাও যে, জান্নাত ও জান্নাতের নিয়ামতে থাকবে, তাহলে আমার সুন্নাত ও আমার সাহাবীদের পথ অনুসরণ কর। আর তোমরা নব-আবিষ্কৃত বিষয় থেকে বেঁচে থাকো। কারণ, প্রত্যেক নব-আবিষ্কৃত বিষয়ই বিদআত। আর প্রত্যেক বিদআতই গোমরাহী।

আর আল্লাহ তা'আলা উম্মতে মুহাম্মদির সবাইকে কখনও গোমরাহীর ওপর এক করবেন না। কাজেই যে ব্যক্তি আনুগত্য ছেড়ে দেয় এবং জামাআতে সাহাবা থেকে পৃথক হয়ে যায়, আল্লাহর নির্দেশগুলো বিনষ্ট করে, আল্লাহর হুকুমের বিপরীত কাজ করে, সে তখন আল্লাহর সামনে উপস্থিত হবে, তখন সে আল্লাহকে তার ওপর রাগান্বিত পাবে এবং আল্লাহ তা'আলা তাকে জাহান্নামে প্রবেশ করাবেন।

হযরত ইরবায বিন সারিয়া রাযি. বলেন, রাসূল আমাদেরকে এমন কিছু নসীহত করলেন, যার ফলে আমাদের চোখ থেকে অশ্রু বেয়ে পড়ল, অন্তর কেঁপে উঠল। এক সাহাবী বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! এটা তো এমন নসীহত, যেন কেউ কাউকে বিদায় জানাচ্ছে। আমাদেরকে আরও কিছু নসীহত করুন। তিনি বললেন, আমি তোমাদেরকে আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন করার এবং শোনা ও মানার নসীহত করছি। কারণ, আমার পর যে বেঁচে থাকবে, সে অনেক মতবিরোধ দেখতে পাবে। তোমরা নব-আবিষ্কৃত বিষয় থেকে বেঁচে থেকো। কারণ, তা গোমরাহী। তোমাদের কেউ এর মুখোমুখি হয়, তবে সে যেন আমার সুন্নাত ও খোলাফায়ে রাশেদীনের সুন্নাত আঁকড়ে ধরে। এবং তা খুবই মযবুতভাবে আঁকড়ে ধরে।

টিকাঃ
৫৯৪. সুনানে তিরমিযী: হাদীস-২১৬৫; কানযুল উম্মাল : হাদীস-৩২৪৮৭; ইমাম তিরমিযী কাছাকাছি অর্থের এই হাদীসটিকে হাসান সহীহ গরীব বলেছেন।
৫৯৫. সুনানে তিরমিযী: হাদীস-২৬৭৬; সুনানে ইবনে মাজাহ : হাদীস-৪২; ইমাম তিরমিযী হাদীসটিকে হাসান সহীহ বলেছেন।

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 হালাল খাবার ও সুন্নাত পালন

📄 হালাল খাবার ও সুন্নাত পালন


হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাযি. বর্ণনা করেন, নবীজী ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি হালাল খায়, সুন্নাত অনুসারে আমল করে এবং তার থেকে মানুষ নিরাপদ থাকে, সে জান্নাতে যাবে। আরজ করা হলো, লোকদের মধ্যে এরূপ অনেক আছে! ইরশাদ করলেন, আমার পরের যুগেও অনেক থাকবে। এরপর কমে যাবে।

টিকাঃ
৫৯৬. সুনানে তিরমিযী হাদীস-২৫২০; মুস্তাদরাকে হাকেম হাদীস-৭০৭৩; ইমাম তিরমিযী হাদীসটিকে গরীব (জয়ীফ) বলেছেন।

হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাযি. বর্ণনা করেন, নবীজী ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি হালাল খায়, সুন্নাত অনুসারে আমল করে এবং তার থেকে মানুষ নিরাপদ থাকে, সে জান্নাতে যাবে। আরজ করা হলো, লোকদের মধ্যে এরূপ অনেক আছে! ইরশাদ করলেন, আমার পরের যুগেও অনেক থাকবে। এরপর কমে যাবে।

টিকাঃ
৫৯৬. সুনানে তিরমিযী হাদীস-২৫২০; মুস্তাদরাকে হাকেম হাদীস-৭০৭৩; ইমাম তিরমিযী হাদীসটিকে গরীব (জয়ীফ) বলেছেন।

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 সিরাতে মুস্তাকিম

📄 সিরাতে মুস্তাকিম


হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ রাযি. বর্ণনা করেন, রাসূল একটি দাগ আঁকলেন। বললেন, এটা হলো আল্লাহর রাস্তা। এরপর সেটার ডানে-বাঁয়ে অনেকগুলো দাগ আঁকলেন। বললেন, এই যে পথগুলো, এগুলোর প্রত্যেকটিতে শয়তান রয়েছে, যে লোকদের সেদিকে আহ্বান করে। এরপর পাঠ করলেন- 'আর এই (দীন) হলো আমার রাস্তা, যা সোজা। কাজেই সে পথে চলো, অন্যসব পথে চলো না। কারণ, সেগুলো তোমাদেরকে আল্লাহর রাস্তা থেকে আলাদা করে দেবে। আল্লাহ তা'আলা তোমাদেরকে এর জন্য শক্তভাবে নির্দেশ দিচ্ছেন, যেন তোমরা সাবধানতা অবলম্বন কর।'

এক হাদীসে ইরশাদ হয়েছে, প্রত্যেক বস্তুরই একটি আপদ রয়েছে। দ্বীনের আপদ হলো বিদআত ও প্রবৃত্তির চাহিদা।

ইমাম শা'বী রহ. বলেন, বিদআতকে 'আহওয়া' এজন্য বলা হয় যে, এটা তার অনুসারীদের জাহান্নামে ফেলবে। আর 'হাওয়া' অর্থ হলো- ওপর থেকে নিচে পতিত হওয়া।

টিকাঃ
৫৯৭. সুনানে কুবরা, নাসায়ী হাদীস-১১১৭৪; মুসনাদে আহমাদ হাদীস-৪৪৩৭; হাদীসটি সহীহ [মুনাবী, শুয়াইব আরনাউত]।
৫৯৮. আস-সুন্নাহ লি-ইবনে আবী আসেম হাদীস-১৪; হাদীসটি জয়ীফ [জয়ীফাহ: ৫৫৫৮]।

হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ রাযি. বর্ণনা করেন, রাসূল একটি দাগ আঁকলেন। বললেন, এটা হলো আল্লাহর রাস্তা। এরপর সেটার ডানে-বাঁয়ে অনেকগুলো দাগ আঁকলেন। বললেন, এই যে পথগুলো, এগুলোর প্রত্যেকটিতে শয়তান রয়েছে, যে লোকদের সেদিকে আহ্বান করে। এরপর পাঠ করলেন- 'আর এই (দীন) হলো আমার রাস্তা, যা সোজা। কাজেই সে পথে চলো, অন্যসব পথে চলো না। কারণ, সেগুলো তোমাদেরকে আল্লাহর রাস্তা থেকে আলাদা করে দেবে। আল্লাহ তা'আলা তোমাদেরকে এর জন্য শক্তভাবে নির্দেশ দিচ্ছেন, যেন তোমরা সাবধানতা অবলম্বন কর।'

এক হাদীসে ইরশাদ হয়েছে, প্রত্যেক বস্তুরই একটি আপদ রয়েছে। দ্বীনের আপদ হলো বিদআত ও প্রবৃত্তির চাহিদা।

ইমাম শা'বী রহ. বলেন, বিদআতকে 'আহওয়া' এজন্য বলা হয় যে, এটা তার অনুসারীদের জাহান্নামে ফেলবে। আর 'হাওয়া' অর্থ হলো- ওপর থেকে নিচে পতিত হওয়া।

টিকাঃ
৫৯৭. সুনানে কুবরা, নাসায়ী হাদীস-১১১৭৪; মুসনাদে আহমাদ হাদীস-৪৪৩৭; হাদীসটি সহীহ [মুনাবী, শুয়াইব আরনাউত]।
৫৯৮. আস-সুন্নাহ লি-ইবনে আবী আসেম হাদীস-১৪; হাদীসটি জয়ীফ [জয়ীফাহ: ৫৫৫৮]।

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 বিদআত থেকে বেঁচে থাকা একটি বিরাট নিয়ামত

📄 বিদআত থেকে বেঁচে থাকা একটি বিরাট নিয়ামত


মুজাহিদ রহ. বলেন, বুঝতে পারছি না, আল্লাহ তা'আলার পক্ষ থেকে আমার ওপর কোন নিয়ামতটি বড়: ইসলামের জন্য হেদায়াত, না কি প্রবৃত্তির চাহিদা থেকে নিরাপদ রাখা।

মুজাহিদ রহ. বলেন, বুঝতে পারছি না, আল্লাহ তা'আলার পক্ষ থেকে আমার ওপর কোন নিয়ামতটি বড়: ইসলামের জন্য হেদায়াত, না কি প্রবৃত্তির চাহিদা থেকে নিরাপদ রাখা।

ফন্ট সাইজ
15px
17px