📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত

📄 আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত


হযরত আনাস ইবনে মালেক রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ইরশাদ করেছেন, বনি ইসরাইল ৭১ দলে বিভক্ত হয়েছিল। আমার উম্মত বাহাত্তর দলে বিভক্ত হবে। তাদের একাত্তর দল জাহান্নামে যাবে; আর এক দল জান্নাতে যাবে। আরজ করা হলো, হে আল্লাহর রাসূল! সে দল কোনটি? তিনি বললেন, তারা হলো আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত। অর্থাৎ, যারা নবীজীর সুন্নাত ও সাহাবায়ে কিরামের তরীকা অনুযায়ী আমল করে।

হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত। নবীজী ইরশাদ করেন, আমার উম্মতের মাঝে যখন ফাসাদ সৃষ্টি হবে, তখন একটি সুন্নাত অনুযায়ী আমলকারী একশ শহীদের সওয়াব পাবে।

টিকাঃ
৫৯২. সুনানে তিরমিযী : হাদীস-২৬৪১; ত্ববারানী আওসাত : হাদীস-৮০৫৪; সনদ সহীহ (মাজমাউয যাওয়ায়েদ: খণ্ড-৭, পৃষ্ঠা-২৫৮]।
৫৯৩. তুবারানী আওসাত : হাদীস-৫৪১৪; হিলইয়াতুল আউলিয়া : খণ্ড-৮, পৃষ্ঠা-২০০; সনদ অত্যন্ত জয়ীফ [মাজমাউয যাওয়ায়েদ : খণ্ড-১, পৃষ্ঠা-১৭৭]; গ্রহণযোগ্য হাদীসে শুধু শহীদের সাওয়াবের কথা বলা হয়েছে, সেখানে একশ শহীদের উল্লেখ নেই। একশ শহীদের হাদীসগুলো অত্যন্ত দুর্বল।

হযরত আনাস ইবনে মালেক রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ইরশাদ করেছেন, বনি ইসরাইল ৭১ দলে বিভক্ত হয়েছিল। আমার উম্মত বাহাত্তর দলে বিভক্ত হবে। তাদের একাত্তর দল জাহান্নামে যাবে; আর এক দল জান্নাতে যাবে। আরজ করা হলো, হে আল্লাহর রাসূল! সে দল কোনটি? তিনি বললেন, তারা হলো আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত। অর্থাৎ, যারা নবীজীর সুন্নাত ও সাহাবায়ে কিরামের তরীকা অনুযায়ী আমল করে।

হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত। নবীজী ইরশাদ করেন, আমার উম্মতের মাঝে যখন ফাসাদ সৃষ্টি হবে, তখন একটি সুন্নাত অনুযায়ী আমলকারী একশ শহীদের সওয়াব পাবে।

টিকাঃ
৫৯২. সুনানে তিরমিযী : হাদীস-২৬৪১; ত্ববারানী আওসাত : হাদীস-৮০৫৪; সনদ সহীহ (মাজমাউয যাওয়ায়েদ: খণ্ড-৭, পৃষ্ঠা-২৫৮]।
৫৯৩. তুবারানী আওসাত : হাদীস-৫৪১৪; হিলইয়াতুল আউলিয়া : খণ্ড-৮, পৃষ্ঠা-২০০; সনদ অত্যন্ত জয়ীফ [মাজমাউয যাওয়ায়েদ : খণ্ড-১, পৃষ্ঠা-১৭৭]; গ্রহণযোগ্য হাদীসে শুধু শহীদের সাওয়াবের কথা বলা হয়েছে, সেখানে একশ শহীদের উল্লেখ নেই। একশ শহীদের হাদীসগুলো অত্যন্ত দুর্বল।

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 বেদআতের ফল

📄 বেদআতের ফল


হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ রাযি. বলেন, তোমাদের অবস্থা তখন কেমন হবে, যখন তোমাদের ওপর এমন ফিতনা এসে পড়বে, যাতে বড়রা (অশীতিপর) বৃদ্ধ হয়ে পড়বে এবং ছোটরা বড় হয়ে যাবে। মানুষজন এর ওপর সুন্নাতের মত আমল করতে থাকবে। কেউ যদি তা বদলাতে চায় বা তার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়, তাকে ভালো-মন্দ বলা হবে। এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করল, হে আব্দুল্লাহ! এটা কখন হবে? তিনি বললেন, যখন তোমাদের 'আমীন' কম হয়ে যাবে, তোমাদের 'আমীর' অনেক হবে। তোমাদের ফকীহ কম হবে এবং ক্বারী অনেক হবে। আখেরাতের আমল দ্বারা দুনিয়া কামাই করা হবে। দ্বীনি ইলম দীনের উদ্দেশ্যে অর্জন করা হবে না। তখন তোমাদের ওপর এমন শাসক প্রতিষ্ঠিত হবে, যাদের অনুসরণ করলে তোমরা পথভ্রষ্ট হবে; আর বিরোধিতা করলে তোমাদের হত্যা করা হবে। এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করল, হে আব্দুল্লাহ! তখন আমাদের কী করতে হবে? তিনি বললেন, ঘরের চট হয়ে যাও। [অর্থাৎ, ঘর থেকে বের হয়ো না।] নচেৎ জাহান্নামই তোমাদের জন্য উপযুক্ত। তখন ওই ব্যক্তি কোমরে হাত রেখে বলল, হে আব্দুল্লাহ! তুমি আমাকে মেরেই ফেললে! অর্থাৎ, আমাকে একটি ভয়াবহ সংবাদ শোনালে।

হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ রাযি. বলেন, তোমাদের অবস্থা তখন কেমন হবে, যখন তোমাদের ওপর এমন ফিতনা এসে পড়বে, যাতে বড়রা (অশীতিপর) বৃদ্ধ হয়ে পড়বে এবং ছোটরা বড় হয়ে যাবে। মানুষজন এর ওপর সুন্নাতের মত আমল করতে থাকবে। কেউ যদি তা বদলাতে চায় বা তার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়, তাকে ভালো-মন্দ বলা হবে। এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করল, হে আব্দুল্লাহ! এটা কখন হবে? তিনি বললেন, যখন তোমাদের 'আমীন' কম হয়ে যাবে, তোমাদের 'আমীর' অনেক হবে। তোমাদের ফকীহ কম হবে এবং ক্বারী অনেক হবে। আখেরাতের আমল দ্বারা দুনিয়া কামাই করা হবে। দ্বীনি ইলম দীনের উদ্দেশ্যে অর্জন করা হবে না। তখন তোমাদের ওপর এমন শাসক প্রতিষ্ঠিত হবে, যাদের অনুসরণ করলে তোমরা পথভ্রষ্ট হবে; আর বিরোধিতা করলে তোমাদের হত্যা করা হবে। এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করল, হে আব্দুল্লাহ! তখন আমাদের কী করতে হবে? তিনি বললেন, ঘরের চট হয়ে যাও। [অর্থাৎ, ঘর থেকে বের হয়ো না।] নচেৎ জাহান্নামই তোমাদের জন্য উপযুক্ত। তখন ওই ব্যক্তি কোমরে হাত রেখে বলল, হে আব্দুল্লাহ! তুমি আমাকে মেরেই ফেললে! অর্থাৎ, আমাকে একটি ভয়াবহ সংবাদ শোনালে।

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 সাহাবীদের লক্ষ্য করে নবীজীর বাণী

📄 সাহাবীদের লক্ষ্য করে নবীজীর বাণী


হযরত আব্দুল্লাহ বিন আমর ইবনুল আস রাযি. বলেন, আমাদের লক্ষ্য করে নবীজী ইরশাদ করেছেন, হে লোকসকল! তোমরা আমার সাহাবীদের সম্মান কর। তাদের সাথে সদাচরণ কর। তাদের ভালোবাসো। কারণ, লোকদের মধ্যে সর্বোত্তম হলো আমার সাহাবীরা, যাদের মধ্যে আমি প্রেরিত হয়েছি। ফলে তারা আল্লাহর ওপর বিশ্বাস স্থাপন করেছে, আমাকে সত্য বলে স্বীকার করেছে, আমি আল্লাহর নিকট থেকে যা নিয়ে এসেছি, তার ওপর ঈমান এনেছে এবং তার অনুসরণ ও তদানুসারে আমল করেছে।

তারপর সর্বোত্তম মানুষ হলো তাদের পরবর্তী যুগের লোকেরা। তারা আমার ওপর ঈমান এনেছে, আল্লাহর হুকুম পালন করেছেন, অথচ তারা আমাকে দেখেনি। এরপর সর্বোত্তম হলো তাদের পরবর্তী যুগের মানুষ। তারা আমার ওপর ঈমান এনেছে। এর পরবর্তীতে যারা আসবে, তারা নামায বিনষ্ট করবে; প্রবৃত্তির অনুসরণ করবে; আমি যা করার নির্দেশ দিয়েছি, তারা তা ছেড়ে দেবে এবং যা থেকে নিষেধ করেছি, তা করবে। তারা নিজেদের প্রবৃত্তি অনুসারে দীন গ্রহণ করবে। লোকদের দেখানোর জন্য আমল করবে। তারা কসম করবে, অথচ তাদের কসম চাওয়া হবে না। তারা সাক্ষ্য দেবে, অথচ তাদের সাক্ষ্য চাওয়া হবে না। আমানত রাখা হলে তারা খিয়ানত করবে, আমানত আদায় করবে না। কথা বললে মিথ্যা বলবে। এমন কথা বলবে, যা তারা করেনি।

তাদের থেকে জ্ঞান ও সহনশীলতা উঠিয়ে নেওয়া হবে। তাদের মধ্যে অজ্ঞতা ও অশ্লীলতা বৃদ্ধি পাবে। তাদের থেকে লজ্জাবোধ ও আমানতদারী তুলে নেওয়া হবে। মিথ্যা, খিয়ানত, পিতামাতার অবাধ্যতা, আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্নকরণ, দীর্ঘ-আশা, কার্পণ্য, দুনিয়ার প্রতি লোভ-লালসা, হিংসা, চরিত্রহীনতা ও প্রতিবেশীর সাথে মন্দ আচরণ ব্যাপক হয়ে যাবে। তারা দীন থেকে ঠিক সেভাবে বেরিয়ে যাবে, যেভাবে ধনুক থেকে তীর বেরিয়ে যায়। কিয়ামত শুধু মন্দ লোকদের ওপরই আসবে।

তাই তোমরা যদি চাও যে, জান্নাত ও জান্নাতের নিয়ামতে থাকবে, তাহলে আমার সুন্নাত ও আমার সাহাবীদের পথ অনুসরণ কর। আর তোমরা নব-আবিষ্কৃত বিষয় থেকে বেঁচে থাকো। কারণ, প্রত্যেক নব-আবিষ্কৃত বিষয়ই বিদআত। আর প্রত্যেক বিদআতই গোমরাহী।

আর আল্লাহ তা'আলা উম্মতে মুহাম্মদির সবাইকে কখনও গোমরাহীর ওপর এক করবেন না। কাজেই যে ব্যক্তি আনুগত্য ছেড়ে দেয় এবং জামাআতে সাহাবা থেকে পৃথক হয়ে যায়, আল্লাহর নির্দেশগুলো বিনষ্ট করে, আল্লাহর হুকুমের বিপরীত কাজ করে, সে তখন আল্লাহর সামনে উপস্থিত হবে, তখন সে আল্লাহকে তার ওপর রাগান্বিত পাবে এবং আল্লাহ তা'আলা তাকে জাহান্নামে প্রবেশ করাবেন।

হযরত ইরবায বিন সারিয়া রাযি. বলেন, রাসূল আমাদেরকে এমন কিছু নসীহত করলেন, যার ফলে আমাদের চোখ থেকে অশ্রু বেয়ে পড়ল, অন্তর কেঁপে উঠল। এক সাহাবী বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! এটা তো এমন নসীহত, যেন কেউ কাউকে বিদায় জানাচ্ছে। আমাদেরকে আরও কিছু নসীহত করুন। তিনি বললেন, আমি তোমাদেরকে আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন করার এবং শোনা ও মানার নসীহত করছি। কারণ, আমার পর যে বেঁচে থাকবে, সে অনেক মতবিরোধ দেখতে পাবে। তোমরা নব-আবিষ্কৃত বিষয় থেকে বেঁচে থেকো। কারণ, তা গোমরাহী। তোমাদের কেউ এর মুখোমুখি হয়, তবে সে যেন আমার সুন্নাত ও খোলাফায়ে রাশেদীনের সুন্নাত আঁকড়ে ধরে। এবং তা খুবই মযবুতভাবে আঁকড়ে ধরে।

টিকাঃ
৫৯৪. সুনানে তিরমিযী: হাদীস-২১৬৫; কানযুল উম্মাল : হাদীস-৩২৪৮৭; ইমাম তিরমিযী কাছাকাছি অর্থের এই হাদীসটিকে হাসান সহীহ গরীব বলেছেন।
৫৯৫. সুনানে তিরমিযী: হাদীস-২৬৭৬; সুনানে ইবনে মাজাহ : হাদীস-৪২; ইমাম তিরমিযী হাদীসটিকে হাসান সহীহ বলেছেন।

হযরত আব্দুল্লাহ বিন আমর ইবনুল আস রাযি. বলেন, আমাদের লক্ষ্য করে নবীজী ইরশাদ করেছেন, হে লোকসকল! তোমরা আমার সাহাবীদের সম্মান কর। তাদের সাথে সদাচরণ কর। তাদের ভালোবাসো। কারণ, লোকদের মধ্যে সর্বোত্তম হলো আমার সাহাবীরা, যাদের মধ্যে আমি প্রেরিত হয়েছি। ফলে তারা আল্লাহর ওপর বিশ্বাস স্থাপন করেছে, আমাকে সত্য বলে স্বীকার করেছে, আমি আল্লাহর নিকট থেকে যা নিয়ে এসেছি, তার ওপর ঈমান এনেছে এবং তার অনুসরণ ও তদানুসারে আমল করেছে।

তারপর সর্বোত্তম মানুষ হলো তাদের পরবর্তী যুগের লোকেরা। তারা আমার ওপর ঈমান এনেছে, আল্লাহর হুকুম পালন করেছেন, অথচ তারা আমাকে দেখেনি। এরপর সর্বোত্তম হলো তাদের পরবর্তী যুগের মানুষ। তারা আমার ওপর ঈমান এনেছে। এর পরবর্তীতে যারা আসবে, তারা নামায বিনষ্ট করবে; প্রবৃত্তির অনুসরণ করবে; আমি যা করার নির্দেশ দিয়েছি, তারা তা ছেড়ে দেবে এবং যা থেকে নিষেধ করেছি, তা করবে। তারা নিজেদের প্রবৃত্তি অনুসারে দীন গ্রহণ করবে। লোকদের দেখানোর জন্য আমল করবে। তারা কসম করবে, অথচ তাদের কসম চাওয়া হবে না। তারা সাক্ষ্য দেবে, অথচ তাদের সাক্ষ্য চাওয়া হবে না। আমানত রাখা হলে তারা খিয়ানত করবে, আমানত আদায় করবে না। কথা বললে মিথ্যা বলবে। এমন কথা বলবে, যা তারা করেনি।

তাদের থেকে জ্ঞান ও সহনশীলতা উঠিয়ে নেওয়া হবে। তাদের মধ্যে অজ্ঞতা ও অশ্লীলতা বৃদ্ধি পাবে। তাদের থেকে লজ্জাবোধ ও আমানতদারী তুলে নেওয়া হবে। মিথ্যা, খিয়ানত, পিতামাতার অবাধ্যতা, আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্নকরণ, দীর্ঘ-আশা, কার্পণ্য, দুনিয়ার প্রতি লোভ-লালসা, হিংসা, চরিত্রহীনতা ও প্রতিবেশীর সাথে মন্দ আচরণ ব্যাপক হয়ে যাবে। তারা দীন থেকে ঠিক সেভাবে বেরিয়ে যাবে, যেভাবে ধনুক থেকে তীর বেরিয়ে যায়। কিয়ামত শুধু মন্দ লোকদের ওপরই আসবে।

তাই তোমরা যদি চাও যে, জান্নাত ও জান্নাতের নিয়ামতে থাকবে, তাহলে আমার সুন্নাত ও আমার সাহাবীদের পথ অনুসরণ কর। আর তোমরা নব-আবিষ্কৃত বিষয় থেকে বেঁচে থাকো। কারণ, প্রত্যেক নব-আবিষ্কৃত বিষয়ই বিদআত। আর প্রত্যেক বিদআতই গোমরাহী।

আর আল্লাহ তা'আলা উম্মতে মুহাম্মদির সবাইকে কখনও গোমরাহীর ওপর এক করবেন না। কাজেই যে ব্যক্তি আনুগত্য ছেড়ে দেয় এবং জামাআতে সাহাবা থেকে পৃথক হয়ে যায়, আল্লাহর নির্দেশগুলো বিনষ্ট করে, আল্লাহর হুকুমের বিপরীত কাজ করে, সে তখন আল্লাহর সামনে উপস্থিত হবে, তখন সে আল্লাহকে তার ওপর রাগান্বিত পাবে এবং আল্লাহ তা'আলা তাকে জাহান্নামে প্রবেশ করাবেন।

হযরত ইরবায বিন সারিয়া রাযি. বলেন, রাসূল আমাদেরকে এমন কিছু নসীহত করলেন, যার ফলে আমাদের চোখ থেকে অশ্রু বেয়ে পড়ল, অন্তর কেঁপে উঠল। এক সাহাবী বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! এটা তো এমন নসীহত, যেন কেউ কাউকে বিদায় জানাচ্ছে। আমাদেরকে আরও কিছু নসীহত করুন। তিনি বললেন, আমি তোমাদেরকে আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন করার এবং শোনা ও মানার নসীহত করছি। কারণ, আমার পর যে বেঁচে থাকবে, সে অনেক মতবিরোধ দেখতে পাবে। তোমরা নব-আবিষ্কৃত বিষয় থেকে বেঁচে থেকো। কারণ, তা গোমরাহী। তোমাদের কেউ এর মুখোমুখি হয়, তবে সে যেন আমার সুন্নাত ও খোলাফায়ে রাশেদীনের সুন্নাত আঁকড়ে ধরে। এবং তা খুবই মযবুতভাবে আঁকড়ে ধরে।

টিকাঃ
৫৯৪. সুনানে তিরমিযী: হাদীস-২১৬৫; কানযুল উম্মাল : হাদীস-৩২৪৮৭; ইমাম তিরমিযী কাছাকাছি অর্থের এই হাদীসটিকে হাসান সহীহ গরীব বলেছেন।
৫৯৫. সুনানে তিরমিযী: হাদীস-২৬৭৬; সুনানে ইবনে মাজাহ : হাদীস-৪২; ইমাম তিরমিযী হাদীসটিকে হাসান সহীহ বলেছেন।

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 হালাল খাবার ও সুন্নাত পালন

📄 হালাল খাবার ও সুন্নাত পালন


হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাযি. বর্ণনা করেন, নবীজী ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি হালাল খায়, সুন্নাত অনুসারে আমল করে এবং তার থেকে মানুষ নিরাপদ থাকে, সে জান্নাতে যাবে। আরজ করা হলো, লোকদের মধ্যে এরূপ অনেক আছে! ইরশাদ করলেন, আমার পরের যুগেও অনেক থাকবে। এরপর কমে যাবে।

টিকাঃ
৫৯৬. সুনানে তিরমিযী হাদীস-২৫২০; মুস্তাদরাকে হাকেম হাদীস-৭০৭৩; ইমাম তিরমিযী হাদীসটিকে গরীব (জয়ীফ) বলেছেন।

হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাযি. বর্ণনা করেন, নবীজী ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি হালাল খায়, সুন্নাত অনুসারে আমল করে এবং তার থেকে মানুষ নিরাপদ থাকে, সে জান্নাতে যাবে। আরজ করা হলো, লোকদের মধ্যে এরূপ অনেক আছে! ইরশাদ করলেন, আমার পরের যুগেও অনেক থাকবে। এরপর কমে যাবে।

টিকাঃ
৫৯৬. সুনানে তিরমিযী হাদীস-২৫২০; মুস্তাদরাকে হাকেম হাদীস-৭০৭৩; ইমাম তিরমিযী হাদীসটিকে গরীব (জয়ীফ) বলেছেন।

ফন্ট সাইজ
15px
17px