📄 দু' ব্যক্তি শাফাআত পাবে না
হযরত মা'কিল বিন ইয়াসার রাযি. বর্ণনা করেন, নবীজী বলেছেন, দু'ব্যক্তি [আরেক বর্ণনায় আছে, দু' ধরনের ব্যক্তি] আমার শাফাআত পাবে না। একজন হলো জালেম শাসক; আরেকজন হলো দ্বীনে বাড়াবাড়িকারী, যে নবীর সুন্নাত ও সাহাবীদের তরীকা থেকে বেরিয়ে গেছে।
টিকাঃ
৫৯০. ত্ববারানী আওসাত: হাদীস-৪৯৬; হাদীসটি হাসান পর্যায়ের [মাজমা: খণ্ড-৫, পৃষ্ঠা-২৩৮]।
হযরত মা'কিল বিন ইয়াসার রাযি. বর্ণনা করেন, নবীজী বলেছেন, দু'ব্যক্তি [আরেক বর্ণনায় আছে, দু' ধরনের ব্যক্তি] আমার শাফাআত পাবে না। একজন হলো জালেম শাসক; আরেকজন হলো দ্বীনে বাড়াবাড়িকারী, যে নবীর সুন্নাত ও সাহাবীদের তরীকা থেকে বেরিয়ে গেছে।
টিকাঃ
৫৯০. ত্ববারানী আওসাত: হাদীস-৪৯৬; হাদীসটি হাসান পর্যায়ের [মাজমা: খণ্ড-৫, পৃষ্ঠা-২৩৮]।
📄 আমল কেমন হওয়া চাই
হযরত উবাই বিন কা'ব রাযি. বলেন, তোমরা নবীজীর পথ ও সুন্নাত আঁকড়ে ধরো। কারণ, যে ব্যক্তি নবীর সুন্নাত মুতাবিক ইবাদত করে, দয়াময় আল্লাহর যিকির করে এবং তার দু'চোখ থেকে অশ্রু ঝরে পড়ে, সে ব্যক্তিকে কখনও জাহান্নামের আগুন স্পর্শ করবে না।
আর যে বান্দাই নবীর সুন্নাত মুতাবিক আমল করে, আল্লাহ যিকির করে, আল্লাহর ভয়ে তার চোখের পানি বেয়ে পড়ে, দেহ শিহরিত হয়, সে ওই বৃক্ষের মত, যেটার পাতা শুকিয়ে গেছে, তারপর বাতাস প্রবাহিত হয়ে তার পাতাগুলো ঝরে গেছে।
সুন্নাত মুতাবিক মধ্যপন্থার আমল খেলাফে সুন্নাত মুজাহাদা হতে উত্তম। তাই নিজের আমলের দিকে ভালোভাবে লক্ষ্য রাখো, চাই মধ্যপন্থী হোক বা মুজাহাদার হোক, তা যেন সুন্নাত মুতাবিক হয়।
টিকাঃ
৫৯১. হিলইয়াতুল আউলিয়া খণ্ড-১, পৃষ্ঠা-২৫৩; আয-যুহদ লি-ইবনে মুবারক হাদীস-৮৭; সহীহ মাওকুফ।
হযরত উবাই বিন কা'ব রাযি. বলেন, তোমরা নবীজীর পথ ও সুন্নাত আঁকড়ে ধরো। কারণ, যে ব্যক্তি নবীর সুন্নাত মুতাবিক ইবাদত করে, দয়াময় আল্লাহর যিকির করে এবং তার দু'চোখ থেকে অশ্রু ঝরে পড়ে, সে ব্যক্তিকে কখনও জাহান্নামের আগুন স্পর্শ করবে না।
আর যে বান্দাই নবীর সুন্নাত মুতাবিক আমল করে, আল্লাহ যিকির করে, আল্লাহর ভয়ে তার চোখের পানি বেয়ে পড়ে, দেহ শিহরিত হয়, সে ওই বৃক্ষের মত, যেটার পাতা শুকিয়ে গেছে, তারপর বাতাস প্রবাহিত হয়ে তার পাতাগুলো ঝরে গেছে।
সুন্নাত মুতাবিক মধ্যপন্থার আমল খেলাফে সুন্নাত মুজাহাদা হতে উত্তম। তাই নিজের আমলের দিকে ভালোভাবে লক্ষ্য রাখো, চাই মধ্যপন্থী হোক বা মুজাহাদার হোক, তা যেন সুন্নাত মুতাবিক হয়।
টিকাঃ
৫৯১. হিলইয়াতুল আউলিয়া খণ্ড-১, পৃষ্ঠা-২৫৩; আয-যুহদ লি-ইবনে মুবারক হাদীস-৮৭; সহীহ মাওকুফ।
📄 আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত
হযরত আনাস ইবনে মালেক রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ইরশাদ করেছেন, বনি ইসরাইল ৭১ দলে বিভক্ত হয়েছিল। আমার উম্মত বাহাত্তর দলে বিভক্ত হবে। তাদের একাত্তর দল জাহান্নামে যাবে; আর এক দল জান্নাতে যাবে। আরজ করা হলো, হে আল্লাহর রাসূল! সে দল কোনটি? তিনি বললেন, তারা হলো আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত। অর্থাৎ, যারা নবীজীর সুন্নাত ও সাহাবায়ে কিরামের তরীকা অনুযায়ী আমল করে।
হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত। নবীজী ইরশাদ করেন, আমার উম্মতের মাঝে যখন ফাসাদ সৃষ্টি হবে, তখন একটি সুন্নাত অনুযায়ী আমলকারী একশ শহীদের সওয়াব পাবে।
টিকাঃ
৫৯২. সুনানে তিরমিযী : হাদীস-২৬৪১; ত্ববারানী আওসাত : হাদীস-৮০৫৪; সনদ সহীহ (মাজমাউয যাওয়ায়েদ: খণ্ড-৭, পৃষ্ঠা-২৫৮]।
৫৯৩. তুবারানী আওসাত : হাদীস-৫৪১৪; হিলইয়াতুল আউলিয়া : খণ্ড-৮, পৃষ্ঠা-২০০; সনদ অত্যন্ত জয়ীফ [মাজমাউয যাওয়ায়েদ : খণ্ড-১, পৃষ্ঠা-১৭৭]; গ্রহণযোগ্য হাদীসে শুধু শহীদের সাওয়াবের কথা বলা হয়েছে, সেখানে একশ শহীদের উল্লেখ নেই। একশ শহীদের হাদীসগুলো অত্যন্ত দুর্বল।
হযরত আনাস ইবনে মালেক রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ইরশাদ করেছেন, বনি ইসরাইল ৭১ দলে বিভক্ত হয়েছিল। আমার উম্মত বাহাত্তর দলে বিভক্ত হবে। তাদের একাত্তর দল জাহান্নামে যাবে; আর এক দল জান্নাতে যাবে। আরজ করা হলো, হে আল্লাহর রাসূল! সে দল কোনটি? তিনি বললেন, তারা হলো আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত। অর্থাৎ, যারা নবীজীর সুন্নাত ও সাহাবায়ে কিরামের তরীকা অনুযায়ী আমল করে।
হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত। নবীজী ইরশাদ করেন, আমার উম্মতের মাঝে যখন ফাসাদ সৃষ্টি হবে, তখন একটি সুন্নাত অনুযায়ী আমলকারী একশ শহীদের সওয়াব পাবে।
টিকাঃ
৫৯২. সুনানে তিরমিযী : হাদীস-২৬৪১; ত্ববারানী আওসাত : হাদীস-৮০৫৪; সনদ সহীহ (মাজমাউয যাওয়ায়েদ: খণ্ড-৭, পৃষ্ঠা-২৫৮]।
৫৯৩. তুবারানী আওসাত : হাদীস-৫৪১৪; হিলইয়াতুল আউলিয়া : খণ্ড-৮, পৃষ্ঠা-২০০; সনদ অত্যন্ত জয়ীফ [মাজমাউয যাওয়ায়েদ : খণ্ড-১, পৃষ্ঠা-১৭৭]; গ্রহণযোগ্য হাদীসে শুধু শহীদের সাওয়াবের কথা বলা হয়েছে, সেখানে একশ শহীদের উল্লেখ নেই। একশ শহীদের হাদীসগুলো অত্যন্ত দুর্বল।
📄 বেদআতের ফল
হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ রাযি. বলেন, তোমাদের অবস্থা তখন কেমন হবে, যখন তোমাদের ওপর এমন ফিতনা এসে পড়বে, যাতে বড়রা (অশীতিপর) বৃদ্ধ হয়ে পড়বে এবং ছোটরা বড় হয়ে যাবে। মানুষজন এর ওপর সুন্নাতের মত আমল করতে থাকবে। কেউ যদি তা বদলাতে চায় বা তার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়, তাকে ভালো-মন্দ বলা হবে। এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করল, হে আব্দুল্লাহ! এটা কখন হবে? তিনি বললেন, যখন তোমাদের 'আমীন' কম হয়ে যাবে, তোমাদের 'আমীর' অনেক হবে। তোমাদের ফকীহ কম হবে এবং ক্বারী অনেক হবে। আখেরাতের আমল দ্বারা দুনিয়া কামাই করা হবে। দ্বীনি ইলম দীনের উদ্দেশ্যে অর্জন করা হবে না। তখন তোমাদের ওপর এমন শাসক প্রতিষ্ঠিত হবে, যাদের অনুসরণ করলে তোমরা পথভ্রষ্ট হবে; আর বিরোধিতা করলে তোমাদের হত্যা করা হবে। এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করল, হে আব্দুল্লাহ! তখন আমাদের কী করতে হবে? তিনি বললেন, ঘরের চট হয়ে যাও। [অর্থাৎ, ঘর থেকে বের হয়ো না।] নচেৎ জাহান্নামই তোমাদের জন্য উপযুক্ত। তখন ওই ব্যক্তি কোমরে হাত রেখে বলল, হে আব্দুল্লাহ! তুমি আমাকে মেরেই ফেললে! অর্থাৎ, আমাকে একটি ভয়াবহ সংবাদ শোনালে।
হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ রাযি. বলেন, তোমাদের অবস্থা তখন কেমন হবে, যখন তোমাদের ওপর এমন ফিতনা এসে পড়বে, যাতে বড়রা (অশীতিপর) বৃদ্ধ হয়ে পড়বে এবং ছোটরা বড় হয়ে যাবে। মানুষজন এর ওপর সুন্নাতের মত আমল করতে থাকবে। কেউ যদি তা বদলাতে চায় বা তার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়, তাকে ভালো-মন্দ বলা হবে। এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করল, হে আব্দুল্লাহ! এটা কখন হবে? তিনি বললেন, যখন তোমাদের 'আমীন' কম হয়ে যাবে, তোমাদের 'আমীর' অনেক হবে। তোমাদের ফকীহ কম হবে এবং ক্বারী অনেক হবে। আখেরাতের আমল দ্বারা দুনিয়া কামাই করা হবে। দ্বীনি ইলম দীনের উদ্দেশ্যে অর্জন করা হবে না। তখন তোমাদের ওপর এমন শাসক প্রতিষ্ঠিত হবে, যাদের অনুসরণ করলে তোমরা পথভ্রষ্ট হবে; আর বিরোধিতা করলে তোমাদের হত্যা করা হবে। এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করল, হে আব্দুল্লাহ! তখন আমাদের কী করতে হবে? তিনি বললেন, ঘরের চট হয়ে যাও। [অর্থাৎ, ঘর থেকে বের হয়ো না।] নচেৎ জাহান্নামই তোমাদের জন্য উপযুক্ত। তখন ওই ব্যক্তি কোমরে হাত রেখে বলল, হে আব্দুল্লাহ! তুমি আমাকে মেরেই ফেললে! অর্থাৎ, আমাকে একটি ভয়াবহ সংবাদ শোনালে।