📄 প্রতিটি বিদআতই গোমরাহী
হযরত হাসান রহ. থেকে বর্ণিত এক হাদীসে আছে, সুন্নাত মুতাবিক সামান্য আমল বিদআত-মিশ্রিত প্রচুর আমল হতে অনেক উত্তম। আর প্রতিটি বিদআতই গোমরাহী। আর প্রত্যেক গোমরাহি জাহান্নামে নিয়ে যায়।
হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ রাযি. বলেন, সুন্নাত মুতাবিক মধ্যম আমল বিদআতের বড় বড় মুজাহাদা হতেও উত্তম।
হযরত হাসান বসরী রহ. বলেন, কোনো কথা আমল ছাড়া শুদ্ধ হয় না; আর কোনো আমল নিয়ত ছাড়া শুদ্ধ হয় না। আর কোনো কথা, কাজ বা নিয়ত সুন্নাত ছাড়া সঠিক হয় না।
টিকাঃ
৫৮৮. আস-সুন্নাহ লিল-মারওয়াযী: ৮৮; আল-ফিরদাউস হাদীস-৪০৯৮; সনদ জয়ীফ [সাখাবী, আলআজবিবাহ: খণ্ড-২, পৃষ্ঠা-৫৬২]।
৫৮৯. হাদীসটি সহীহ [আত-তারগীব লি-মুনযিরী খণ্ড-১, পৃষ্ঠা-৬১; সহীহুত তারগীব, আলবানী: ৪১]।
হযরত হাসান রহ. থেকে বর্ণিত এক হাদীসে আছে, সুন্নাত মুতাবিক সামান্য আমল বিদআত-মিশ্রিত প্রচুর আমল হতে অনেক উত্তম। আর প্রতিটি বিদআতই গোমরাহী। আর প্রত্যেক গোমরাহি জাহান্নামে নিয়ে যায়।
হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ রাযি. বলেন, সুন্নাত মুতাবিক মধ্যম আমল বিদআতের বড় বড় মুজাহাদা হতেও উত্তম।
হযরত হাসান বসরী রহ. বলেন, কোনো কথা আমল ছাড়া শুদ্ধ হয় না; আর কোনো আমল নিয়ত ছাড়া শুদ্ধ হয় না। আর কোনো কথা, কাজ বা নিয়ত সুন্নাত ছাড়া সঠিক হয় না।
টিকাঃ
৫৮৮. আস-সুন্নাহ লিল-মারওয়াযী: ৮৮; আল-ফিরদাউস হাদীস-৪০৯৮; সনদ জয়ীফ [সাখাবী, আলআজবিবাহ: খণ্ড-২, পৃষ্ঠা-৫৬২]।
৫৮৯. হাদীসটি সহীহ [আত-তারগীব লি-মুনযিরী খণ্ড-১, পৃষ্ঠা-৬১; সহীহুত তারগীব, আলবানী: ৪১]।
📄 দু' ব্যক্তি শাফাআত পাবে না
হযরত মা'কিল বিন ইয়াসার রাযি. বর্ণনা করেন, নবীজী বলেছেন, দু'ব্যক্তি [আরেক বর্ণনায় আছে, দু' ধরনের ব্যক্তি] আমার শাফাআত পাবে না। একজন হলো জালেম শাসক; আরেকজন হলো দ্বীনে বাড়াবাড়িকারী, যে নবীর সুন্নাত ও সাহাবীদের তরীকা থেকে বেরিয়ে গেছে।
টিকাঃ
৫৯০. ত্ববারানী আওসাত: হাদীস-৪৯৬; হাদীসটি হাসান পর্যায়ের [মাজমা: খণ্ড-৫, পৃষ্ঠা-২৩৮]।
হযরত মা'কিল বিন ইয়াসার রাযি. বর্ণনা করেন, নবীজী বলেছেন, দু'ব্যক্তি [আরেক বর্ণনায় আছে, দু' ধরনের ব্যক্তি] আমার শাফাআত পাবে না। একজন হলো জালেম শাসক; আরেকজন হলো দ্বীনে বাড়াবাড়িকারী, যে নবীর সুন্নাত ও সাহাবীদের তরীকা থেকে বেরিয়ে গেছে।
টিকাঃ
৫৯০. ত্ববারানী আওসাত: হাদীস-৪৯৬; হাদীসটি হাসান পর্যায়ের [মাজমা: খণ্ড-৫, পৃষ্ঠা-২৩৮]।
📄 আমল কেমন হওয়া চাই
হযরত উবাই বিন কা'ব রাযি. বলেন, তোমরা নবীজীর পথ ও সুন্নাত আঁকড়ে ধরো। কারণ, যে ব্যক্তি নবীর সুন্নাত মুতাবিক ইবাদত করে, দয়াময় আল্লাহর যিকির করে এবং তার দু'চোখ থেকে অশ্রু ঝরে পড়ে, সে ব্যক্তিকে কখনও জাহান্নামের আগুন স্পর্শ করবে না।
আর যে বান্দাই নবীর সুন্নাত মুতাবিক আমল করে, আল্লাহ যিকির করে, আল্লাহর ভয়ে তার চোখের পানি বেয়ে পড়ে, দেহ শিহরিত হয়, সে ওই বৃক্ষের মত, যেটার পাতা শুকিয়ে গেছে, তারপর বাতাস প্রবাহিত হয়ে তার পাতাগুলো ঝরে গেছে।
সুন্নাত মুতাবিক মধ্যপন্থার আমল খেলাফে সুন্নাত মুজাহাদা হতে উত্তম। তাই নিজের আমলের দিকে ভালোভাবে লক্ষ্য রাখো, চাই মধ্যপন্থী হোক বা মুজাহাদার হোক, তা যেন সুন্নাত মুতাবিক হয়।
টিকাঃ
৫৯১. হিলইয়াতুল আউলিয়া খণ্ড-১, পৃষ্ঠা-২৫৩; আয-যুহদ লি-ইবনে মুবারক হাদীস-৮৭; সহীহ মাওকুফ।
হযরত উবাই বিন কা'ব রাযি. বলেন, তোমরা নবীজীর পথ ও সুন্নাত আঁকড়ে ধরো। কারণ, যে ব্যক্তি নবীর সুন্নাত মুতাবিক ইবাদত করে, দয়াময় আল্লাহর যিকির করে এবং তার দু'চোখ থেকে অশ্রু ঝরে পড়ে, সে ব্যক্তিকে কখনও জাহান্নামের আগুন স্পর্শ করবে না।
আর যে বান্দাই নবীর সুন্নাত মুতাবিক আমল করে, আল্লাহ যিকির করে, আল্লাহর ভয়ে তার চোখের পানি বেয়ে পড়ে, দেহ শিহরিত হয়, সে ওই বৃক্ষের মত, যেটার পাতা শুকিয়ে গেছে, তারপর বাতাস প্রবাহিত হয়ে তার পাতাগুলো ঝরে গেছে।
সুন্নাত মুতাবিক মধ্যপন্থার আমল খেলাফে সুন্নাত মুজাহাদা হতে উত্তম। তাই নিজের আমলের দিকে ভালোভাবে লক্ষ্য রাখো, চাই মধ্যপন্থী হোক বা মুজাহাদার হোক, তা যেন সুন্নাত মুতাবিক হয়।
টিকাঃ
৫৯১. হিলইয়াতুল আউলিয়া খণ্ড-১, পৃষ্ঠা-২৫৩; আয-যুহদ লি-ইবনে মুবারক হাদীস-৮৭; সহীহ মাওকুফ।
📄 আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত
হযরত আনাস ইবনে মালেক রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ইরশাদ করেছেন, বনি ইসরাইল ৭১ দলে বিভক্ত হয়েছিল। আমার উম্মত বাহাত্তর দলে বিভক্ত হবে। তাদের একাত্তর দল জাহান্নামে যাবে; আর এক দল জান্নাতে যাবে। আরজ করা হলো, হে আল্লাহর রাসূল! সে দল কোনটি? তিনি বললেন, তারা হলো আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত। অর্থাৎ, যারা নবীজীর সুন্নাত ও সাহাবায়ে কিরামের তরীকা অনুযায়ী আমল করে।
হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত। নবীজী ইরশাদ করেন, আমার উম্মতের মাঝে যখন ফাসাদ সৃষ্টি হবে, তখন একটি সুন্নাত অনুযায়ী আমলকারী একশ শহীদের সওয়াব পাবে।
টিকাঃ
৫৯২. সুনানে তিরমিযী : হাদীস-২৬৪১; ত্ববারানী আওসাত : হাদীস-৮০৫৪; সনদ সহীহ (মাজমাউয যাওয়ায়েদ: খণ্ড-৭, পৃষ্ঠা-২৫৮]।
৫৯৩. তুবারানী আওসাত : হাদীস-৫৪১৪; হিলইয়াতুল আউলিয়া : খণ্ড-৮, পৃষ্ঠা-২০০; সনদ অত্যন্ত জয়ীফ [মাজমাউয যাওয়ায়েদ : খণ্ড-১, পৃষ্ঠা-১৭৭]; গ্রহণযোগ্য হাদীসে শুধু শহীদের সাওয়াবের কথা বলা হয়েছে, সেখানে একশ শহীদের উল্লেখ নেই। একশ শহীদের হাদীসগুলো অত্যন্ত দুর্বল।
হযরত আনাস ইবনে মালেক রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূল ইরশাদ করেছেন, বনি ইসরাইল ৭১ দলে বিভক্ত হয়েছিল। আমার উম্মত বাহাত্তর দলে বিভক্ত হবে। তাদের একাত্তর দল জাহান্নামে যাবে; আর এক দল জান্নাতে যাবে। আরজ করা হলো, হে আল্লাহর রাসূল! সে দল কোনটি? তিনি বললেন, তারা হলো আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত। অর্থাৎ, যারা নবীজীর সুন্নাত ও সাহাবায়ে কিরামের তরীকা অনুযায়ী আমল করে।
হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত। নবীজী ইরশাদ করেন, আমার উম্মতের মাঝে যখন ফাসাদ সৃষ্টি হবে, তখন একটি সুন্নাত অনুযায়ী আমলকারী একশ শহীদের সওয়াব পাবে।
টিকাঃ
৫৯২. সুনানে তিরমিযী : হাদীস-২৬৪১; ত্ববারানী আওসাত : হাদীস-৮০৫৪; সনদ সহীহ (মাজমাউয যাওয়ায়েদ: খণ্ড-৭, পৃষ্ঠা-২৫৮]।
৫৯৩. তুবারানী আওসাত : হাদীস-৫৪১৪; হিলইয়াতুল আউলিয়া : খণ্ড-৮, পৃষ্ঠা-২০০; সনদ অত্যন্ত জয়ীফ [মাজমাউয যাওয়ায়েদ : খণ্ড-১, পৃষ্ঠা-১৭৭]; গ্রহণযোগ্য হাদীসে শুধু শহীদের সাওয়াবের কথা বলা হয়েছে, সেখানে একশ শহীদের উল্লেখ নেই। একশ শহীদের হাদীসগুলো অত্যন্ত দুর্বল।