📄 নামাজের পরের দোয়া
নবী ﷺ হযরত মুআয রাযি.-এর হাত ধরে বললেন, হে মুআয! আমি তোমাকে ওসিয়ত করছি, কোনো নামাযের পর-
اللَّهُمَّ أَعِنِّي عَلَى ذِكْرِكَ وَشُكْرِكَ وَحُسْنِ عِبَادَتِكَ
(অর্থ: হে আল্লাহ আপনার যিকির, আপনার প্রতি শুকরিয়া জ্ঞাপন এবং আপনার উত্তম ইবাদতের উপর আমাকে সাহায্য করুন) এ দোয়া পড়া ছেড়ে দেবে না।
টিকাঃ
৪৯৫. সুনানে আবী দাউদ হাদীস-১৫২২; সুনানে নাসায়ী হাদীস-১৩০৩; হাদীসটি সহীহ।
📄 ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়ার দোয়া
হযরত হুযায়ফা ইবনে ইয়ামান রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, নবী ﷺ ঘুম থেকে জাগ্রত হয়ে-
الْحَمْدُ للهِ الَّذِي أَحْيَانَا بَعْدَ مَا أَمَاتَنَا وَإِلَيْهِ النُّشُورُ
(অর্থ: সকল প্রশংসা আল্লাহর, যিনি আমাদের মৃত্যু (ঘুম) দানের পর পুনরায় আমাদেরকে জীবন দান করেছেন। আর সর্বশেষ তাঁরই দিকে প্রত্যাবর্তন) পাঠ করতেন।
টিকাঃ
৪৯৬. সহীহ বুখারী: হাদীস-৬৩১২; সুনানে আবু দাউদ: হাদীস-৫০৪৯।
📄 দুঃস্বপ্ন দেখলে
হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত। নবী ﷺ বলেছেন, তোমাদের কেউ দুঃস্বপ্ন দেখলে তিনবার বাম দিকে থুথু ফেলবে এবং তিনবার ক্ষতিকর বিষয় থেকে পানাহ চাইবে। তাহলে তার কোনো ক্ষতি হবে না।
টিকাঃ
৪৯৭. সহীহ বুখারী: হাদীস-৬৯৮৬; সহীহ মুসলিম: হাদীস-২২৬১।
📄 সর্বোত্তম দোয়া
হযরত আনাস ইবনে মালেক রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রাসূল ﷺ-এর নিকট এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! কোন দোয়া সর্বোত্তম দুআ? তিনি বললেন, তোমার প্রতিপালকের নিকট ইহকাল-পরকালের নিরাপত্তা ও ক্ষমা প্রার্থনা করা। তারপর দ্বিতীয় দিন এসে বলল, হে আল্লাহর নবী! কোন দোয়া সর্বোত্তম দুআ? রাসূল বললেন, তোমার প্রতিপালকের নিকট ইহকাল ও পরকালের নিরাপত্তা ও ক্ষমা প্রর্থনা করা। তারপর তৃতীয় দিন তাঁর নিকট এসে পূর্বের ন্যায় প্রশ্ন করল। তখন নবী বললেন, যদি দুনিয়া ও আখেরাতের নিরাপত্তা ও ক্ষমা তোমাকে দান করা হয়, তাহলে তুমি সফলকাম হয়ে গেলে।
টিকাঃ
৪৯৮. সুনানে তিরমিযী: হাদীস-৩৫১২; সুনানে ইবনে মাজাহ: হাদীস-৩৮৪৮; মুসনাদে আহমাদ: হাদীস-১২২৯১; হাদীসটি হাসান গরীব।