📄 জালেমের হাত থেকে মুক্তির দোয়া
আবু মিজলায রহ. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কেউ যদি কোনো জালেমের জুলুমের মুখোমুখী হয়ে
رَضِيتُ بالله رباً، وبالإِسْلَامِ دِينًا، وَبِمُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم نبيًّا وَبِالْقُرْآنِ إِمَامًا
(অর্থ: আমি আল্লাহকে রব, ইসলামকে দীন, মুহাম্মাদকে নবী এবং কুরআনকে ইমাম ও যাবতীয় বিষয়ের ফায়সালাকারী হিসেবে গ্রহণ করে সন্তোষ জ্ঞাপন করছি) পাঠ করে, তাহলে আল্লাহ তা'আলা তাকে উক্ত জালেমের জুলুমের হাত থেকে রক্ষা করবেন।
📄 দুঃস্বপ্ন ও ভয় থেকে মুক্তির দোয়া
হযরত ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ রহ. থেকে বর্ণিত, হযরত খালেদ ইবনে ওয়ালিদ রাযি. বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি স্বপ্নে ভয় পাই! রাসূল বললেন,
أعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّاتِ مِنْ غَضَبِهِ وَعِقَابِهِ وَشَرِّ عِبَادِهِ، وَ مِنْ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِينِ وَأَنْ يَحْضُرُونِ
(অর্থ: আমি আল্লাহ তা'আলার পূর্ণাঙ্গ কালেমাসমূহের মাধ্যমে পানাহ চাচ্ছি, তার ক্রোধ, শান্তি, তার মন্দ বান্দা এবং শয়তানের মায়াজাল থেকে। হে রব, শয়তানরা আমাকে কবজা করা থেকে আপনার আশ্রয় চাচ্ছি) পাঠ করবে।
টিকাঃ
৪৯৪. সুনানে তিরমিযী হাদীস-৩৫২৮; আল-এস্তেযকার: খণ্ড-৭, হাদীস-৪৪৮; হাদীসটি সহীহ [আল- ইতহাফ লিল-বুসিরী: খণ্ড-৬, পৃষ্ঠা-৪০২]।
📄 নামাজের পরের দোয়া
নবী ﷺ হযরত মুআয রাযি.-এর হাত ধরে বললেন, হে মুআয! আমি তোমাকে ওসিয়ত করছি, কোনো নামাযের পর-
اللَّهُمَّ أَعِنِّي عَلَى ذِكْرِكَ وَشُكْرِكَ وَحُسْنِ عِبَادَتِكَ
(অর্থ: হে আল্লাহ আপনার যিকির, আপনার প্রতি শুকরিয়া জ্ঞাপন এবং আপনার উত্তম ইবাদতের উপর আমাকে সাহায্য করুন) এ দোয়া পড়া ছেড়ে দেবে না।
টিকাঃ
৪৯৫. সুনানে আবী দাউদ হাদীস-১৫২২; সুনানে নাসায়ী হাদীস-১৩০৩; হাদীসটি সহীহ।
📄 ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়ার দোয়া
হযরত হুযায়ফা ইবনে ইয়ামান রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, নবী ﷺ ঘুম থেকে জাগ্রত হয়ে-
الْحَمْدُ للهِ الَّذِي أَحْيَانَا بَعْدَ مَا أَمَاتَنَا وَإِلَيْهِ النُّشُورُ
(অর্থ: সকল প্রশংসা আল্লাহর, যিনি আমাদের মৃত্যু (ঘুম) দানের পর পুনরায় আমাদেরকে জীবন দান করেছেন। আর সর্বশেষ তাঁরই দিকে প্রত্যাবর্তন) পাঠ করতেন।
টিকাঃ
৪৯৬. সহীহ বুখারী: হাদীস-৬৩১২; সুনানে আবু দাউদ: হাদীস-৫০৪৯।