📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 নামাযে অমনোযোগী

📄 নামাযে অমনোযোগী


হযরত হাকাম ইবনে উতাইবা রহ. বলেন, যে ব্যক্তি নামাযরত অবস্থায় তার ডানে বামে তাকায় তার নামায পূর্ণ হয় না।

হযরত মুসলিম ইবনে ইয়াসার রাযি. তার পরিবার পরিজনকে বলতেন, আমি যখন নামায পড়ি, তখন যা খুশি বলো। কারণ, তখন আমি তোমাদের কথা শুনি না।

ইয়াকুব ক্বারী রহ. সম্পর্কে বর্ণিত আছে। তিনি একদিন নামায আদায় করছিলেন। ইত্যবসরে এক চোর এসে তার গা থেকে চাদর খুলে নিয়ে গেল। চোরটি সে চাদর নিয়ে তার সাথীদের নিকট গেলে তারা চাদরটি দেখে চিনতে পারল এবং চোরকে বলল, দ্রুত যাও! এটা আল্লাহওয়ালার চাদর। তার চাদর তাকে ফিরিয়ে দিয়ে এসো। নচেৎ তোমার রক্ষা নেই। এরপর চোর চাদরটি নিয়ে তার কাঁধের উপর রেখে দিলো এবং নিজ কর্মের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে চলে গেল। নামায শেষে তিনি বিষয়টি জানতে পারলেন। তিনি বললেন, আমি চাদর নিয়ে যাওয়া আবার রেখে যাওয়া কিছুই অনুভব করতে পারিনি।

রাবেয়া বসরী রহ. একদিন নামায পড়ছিলেন। তিনি একটি চাটাইয়ের উপর সেজদা করলেন। এ সময় বাঁশের শলাকা তার চোখে ঢুকে যায়। কিন্তু নামায শেষ করা পর্যন্ত তিনি তা বুঝতেই পারেননি।

হযরত হাকাম ইবনে উতাইবা রহ. বলেন, যে ব্যক্তি নামাযরত অবস্থায় তার ডানে বামে তাকায় তার নামায পূর্ণ হয় না।

হযরত মুসলিম ইবনে ইয়াসার রাযি. তার পরিবার পরিজনকে বলতেন, আমি যখন নামায পড়ি, তখন যা খুশি বলো। কারণ, তখন আমি তোমাদের কথা শুনি না।

ইয়াকুব ক্বারী রহ. সম্পর্কে বর্ণিত আছে। তিনি একদিন নামায আদায় করছিলেন। ইত্যবসরে এক চোর এসে তার গা থেকে চাদর খুলে নিয়ে গেল। চোরটি সে চাদর নিয়ে তার সাথীদের নিকট গেলে তারা চাদরটি দেখে চিনতে পারল এবং চোরকে বলল, দ্রুত যাও! এটা আল্লাহওয়ালার চাদর। তার চাদর তাকে ফিরিয়ে দিয়ে এসো। নচেৎ তোমার রক্ষা নেই। এরপর চোর চাদরটি নিয়ে তার কাঁধের উপর রেখে দিলো এবং নিজ কর্মের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে চলে গেল। নামায শেষে তিনি বিষয়টি জানতে পারলেন। তিনি বললেন, আমি চাদর নিয়ে যাওয়া আবার রেখে যাওয়া কিছুই অনুভব করতে পারিনি।

রাবেয়া বসরী রহ. একদিন নামায পড়ছিলেন। তিনি একটি চাটাইয়ের উপর সেজদা করলেন। এ সময় বাঁশের শলাকা তার চোখে ঢুকে যায়। কিন্তু নামায শেষ করা পর্যন্ত তিনি তা বুঝতেই পারেননি।

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 হাসান ইবনে আলী রাযি.-এর নামায

📄 হাসান ইবনে আলী রাযি.-এর নামায


হযরত হাসান ইবনে আলী রাযি. সম্পর্কে বর্ণিত আছে। তিনি যখন উযূ শুরু করতেন, তখন তাঁর দেহের রঙ পরিবর্তন হয়ে যেত। এর কারণ জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, আমি এখন মহা পরাক্রমশালী বাদশাহর সম্মুখে দাঁড়ানোর নিয়ত করেছি। মসজিদের দরজার সামনে এসে আকাশের দিকে মাথা তুলে বলতেন, হে আমার মাবুদ! আপনার গোলাম আপনার দরজায় উপস্থিত। হে সদাচারী আপনার নিকট অসদাচারী এসেছে। আর আপনি আমাদের সদাচারীকে নির্দেশ দিয়েছেন, সে যেন অসদাচারীকে ক্ষমা করে দেয়। সুতরাং আপনি আমার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দিন, হে দয়াময় আল্লাহ! এরপর তিনি মসজিদে প্রবেশ করতেন।

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি জনৈক ব্যক্তিকে নামাযরত অবস্থায় দাড়ি নাড়া-চাড়া করতে দেখলেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, যদি তার হৃদয়ে আল্লাহর ভয় থাকত, তাহলে তার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ভীত হতো।

টিকাঃ
৪৮০. মুসন্নাফে আব্দুর রাজ্জাক হাদীস-৩৩০৮; নাওয়াদেরুল উসুল পৃ. ৩১৭; হাদীসটি মারফু হিসেবে অত্যন্ত জয়ীফ বা জাল। তবে এটি বিখ্যাত তাবেয়ী সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব এর বক্তব্য বলে প্রতীয়মান হয় (তাখরীজে এহইয়া লিল-ইরাকী: ১/২০৫)।

হযরত হাসান ইবনে আলী রাযি. সম্পর্কে বর্ণিত আছে। তিনি যখন উযূ শুরু করতেন, তখন তাঁর দেহের রঙ পরিবর্তন হয়ে যেত। এর কারণ জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, আমি এখন মহা পরাক্রমশালী বাদশাহর সম্মুখে দাঁড়ানোর নিয়ত করেছি। মসজিদের দরজার সামনে এসে আকাশের দিকে মাথা তুলে বলতেন, হে আমার মাবুদ! আপনার গোলাম আপনার দরজায় উপস্থিত। হে সদাচারী আপনার নিকট অসদাচারী এসেছে। আর আপনি আমাদের সদাচারীকে নির্দেশ দিয়েছেন, সে যেন অসদাচারীকে ক্ষমা করে দেয়। সুতরাং আপনি আমার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দিন, হে দয়াময় আল্লাহ! এরপর তিনি মসজিদে প্রবেশ করতেন।

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি জনৈক ব্যক্তিকে নামাযরত অবস্থায় দাড়ি নাড়া-চাড়া করতে দেখলেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, যদি তার হৃদয়ে আল্লাহর ভয় থাকত, তাহলে তার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ভীত হতো।

টিকাঃ
৪৮০. মুসন্নাফে আব্দুর রাজ্জাক হাদীস-৩৩০৮; নাওয়াদেরুল উসুল পৃ. ৩১৭; হাদীসটি মারফু হিসেবে অত্যন্ত জয়ীফ বা জাল। তবে এটি বিখ্যাত তাবেয়ী সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব এর বক্তব্য বলে প্রতীয়মান হয় (তাখরীজে এহইয়া লিল-ইরাকী: ১/২০৫)।

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 হযরত আলী রাযি.-এর নামায

📄 হযরত আলী রাযি.-এর নামায


হযরত আলী ইবনে আবু তালেব রাযি. সম্পর্কে বর্ণিত আছে। নামাযের সময় হলে তার শরীর কাঁপতে থাকত, শরীরের রঙ পরিবর্তন হয়ে যেত। এর কারণ জিজ্ঞাসা করা হলে, তিনি বললেন, ঐ আমানত আদায়ের সময় নিকটবর্তী হয়েছে, যা আল্লাহ তা'আলা আসমান ও জমিন এবং পর্বতমালার নিকট পেশ করেছিলেন। কিন্তু তারা তা বহন করতে অস্বীকার করেছে। আর মানুষ তা বহন করেছে। আমার জানা নেই, সে আমানত সঠিকভাবে আদায় করতে পারব কিনা?

হযরত আলী ইবনে আবু তালেব রাযি. সম্পর্কে বর্ণিত আছে। নামাযের সময় হলে তার শরীর কাঁপতে থাকত, শরীরের রঙ পরিবর্তন হয়ে যেত। এর কারণ জিজ্ঞাসা করা হলে, তিনি বললেন, ঐ আমানত আদায়ের সময় নিকটবর্তী হয়েছে, যা আল্লাহ তা'আলা আসমান ও জমিন এবং পর্বতমালার নিকট পেশ করেছিলেন। কিন্তু তারা তা বহন করতে অস্বীকার করেছে। আর মানুষ তা বহন করেছে। আমার জানা নেই, সে আমানত সঠিকভাবে আদায় করতে পারব কিনা?

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 আযানের সময় ইবনে আব্বাস রাযি.-এর অবস্থা

📄 আযানের সময় ইবনে আব্বাস রাযি.-এর অবস্থা


হযরত সাঈদ ইবনে জুবায়ের রহ. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা তায়েফের মসজিদে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাযি.-এর নিকট ছিলাম। আমি, ইকরিমা, মায়মূন ইবনে মেহরান, আবুল আলিয়াসহ আরো কয়েকজন ছিলাম। ইতোমধ্যে মুয়াযযিন মিনারে উঠে আযান দিলেন। বললেন, 'আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার'। তখন ইবনে আব্বাস রাযি. কেঁদে ফেললেন। তাঁর চাদর ভিজে গেল। রগ ফুলে উঠল এবং চোখ লাল হয়ে গেল।

আবুল আলিয়া রহ. বললেন, হে রাসূলের চাচাত ভাই! আপনি কাঁদছেন কেন? আমরাও তো আযান শুনি, কিন্তু কাঁদি না। কিন্তু আপনার কান্নার কারণে আমদেরও কান্না আসছে। ইবনে আব্বাস রাযি. বললেন, যদি মানুষ জানত, মুয়াযযিন কী বলে, তাহলে তারা আরাম করত না এবং ঘুমাত না। তাকে বলা হলো, মুয়াযযিন কী বলে? তিনি বললেন, মুয়াযযিন আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার বলে একখা ঘোষণা করে যে, হে ব্যস্ত লোকেরা! তোমরা অবসর হও। শরীরকে প্রশান্তি দাও এবং উত্তম আমলের দিকে ধাবিত হও। মুয়াযযিন আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলে ঘোষণা করে যে, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আসমান ও জমিনের সবকিছু কিয়ামতের দিন আমার পক্ষে সাক্ষ্য দেবে যে, আমি তোমাদেরকে নামাযের দিকে আহ্বান করেছি।

আর আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ বলে একথা ঘোষণা করে যে, কিয়ামতের দিন নবীগণ, এমনকি স্বয়ং মুহাম্মদ ﷺ আমার পক্ষে সাক্ষ্য দিবেন যে, আমি প্রত্যেক দিন তোমাদের পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের সংবাদ দিয়েছি। হাইয়্যা আলাস সালাহ বলে একথা ঘোষণা করে যে, আল্লাহ তা'আলা তোমাদের জন্য এ দীনকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। সুতরাং তোমরা তা প্রতিষ্ঠিত রাখ। হাইয়্যা আলাল ফালাহ বলে একথা ঘোষণা করে যে, তোমরা আল্লাহর রহমতের মাঝে ঝাঁপিয়ে পড় এবং হেদায়েত থেকে তোমাদের অংশ বুঝে নাও। তারপর আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার বলে একথা ঘোষণা করে যে, আমি নামাযের পূর্বে কোনো কাজ করা তোমাদের জন্য হারাম করে দিয়েছি। আর সর্বশেষে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলে একথা ঘোষণা করে যে, সাত আসমান ও জমিনের আমানত তোমাদের কাঁধের উপর রাখা হয়েছে। যদি চাও, তাহলে সামনে অগ্রসর হও, না চাইলে মুখ ফিরিয়ে নাও।

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, দুই ব্যক্তি নামাযে দাঁড়ায়। তাদের রুকু এক, সেজদা এক। অথচ তাদের নামাযের মাঝে আকাশ ও জমিন পরিমাণ ফারাক। মেহরাবকে মেহরাব বলার কারণ হলো, এখানে শয়তানের সাথে লড়াই করা হয়, যেন সে তার মনকে অন্যত্র নিয়ে যেতে না পারে।

টিকাঃ
৪৮১. হাদীসটি জাল (আল-আসরারুল মারফুয়াহ: হাদীস-৩৯৬; তাখরীজুল এহইয়া: ১/২০২; কাশফুল খাফা: ২/৫৫৪।

হযরত সাঈদ ইবনে জুবায়ের রহ. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা তায়েফের মসজিদে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাযি.-এর নিকট ছিলাম। আমি, ইকরিমা, মায়মূন ইবনে মেহরান, আবুল আলিয়াসহ আরো কয়েকজন ছিলাম। ইতোমধ্যে মুয়াযযিন মিনারে উঠে আযান দিলেন। বললেন, 'আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার'। তখন ইবনে আব্বাস রাযি. কেঁদে ফেললেন। তাঁর চাদর ভিজে গেল। রগ ফুলে উঠল এবং চোখ লাল হয়ে গেল।

আবুল আলিয়া রহ. বললেন, হে রাসূলের চাচাত ভাই! আপনি কাঁদছেন কেন? আমরাও তো আযান শুনি, কিন্তু কাঁদি না। কিন্তু আপনার কান্নার কারণে আমদেরও কান্না আসছে। ইবনে আব্বাস রাযি. বললেন, যদি মানুষ জানত, মুয়াযযিন কী বলে, তাহলে তারা আরাম করত না এবং ঘুমাত না। তাকে বলা হলো, মুয়াযযিন কী বলে? তিনি বললেন, মুয়াযযিন আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার বলে একখা ঘোষণা করে যে, হে ব্যস্ত লোকেরা! তোমরা অবসর হও। শরীরকে প্রশান্তি দাও এবং উত্তম আমলের দিকে ধাবিত হও। মুয়াযযিন আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলে ঘোষণা করে যে, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আসমান ও জমিনের সবকিছু কিয়ামতের দিন আমার পক্ষে সাক্ষ্য দেবে যে, আমি তোমাদেরকে নামাযের দিকে আহ্বান করেছি।

আর আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ বলে একথা ঘোষণা করে যে, কিয়ামতের দিন নবীগণ, এমনকি স্বয়ং মুহাম্মদ ﷺ আমার পক্ষে সাক্ষ্য দিবেন যে, আমি প্রত্যেক দিন তোমাদের পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের সংবাদ দিয়েছি। হাইয়্যা আলাস সালাহ বলে একথা ঘোষণা করে যে, আল্লাহ তা'আলা তোমাদের জন্য এ দীনকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। সুতরাং তোমরা তা প্রতিষ্ঠিত রাখ। হাইয়্যা আলাল ফালাহ বলে একথা ঘোষণা করে যে, তোমরা আল্লাহর রহমতের মাঝে ঝাঁপিয়ে পড় এবং হেদায়েত থেকে তোমাদের অংশ বুঝে নাও। তারপর আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার বলে একথা ঘোষণা করে যে, আমি নামাযের পূর্বে কোনো কাজ করা তোমাদের জন্য হারাম করে দিয়েছি। আর সর্বশেষে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলে একথা ঘোষণা করে যে, সাত আসমান ও জমিনের আমানত তোমাদের কাঁধের উপর রাখা হয়েছে। যদি চাও, তাহলে সামনে অগ্রসর হও, না চাইলে মুখ ফিরিয়ে নাও।

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, দুই ব্যক্তি নামাযে দাঁড়ায়। তাদের রুকু এক, সেজদা এক। অথচ তাদের নামাযের মাঝে আকাশ ও জমিন পরিমাণ ফারাক। মেহরাবকে মেহরাব বলার কারণ হলো, এখানে শয়তানের সাথে লড়াই করা হয়, যেন সে তার মনকে অন্যত্র নিয়ে যেতে না পারে।

টিকাঃ
৪৮১. হাদীসটি জাল (আল-আসরারুল মারফুয়াহ: হাদীস-৩৯৬; তাখরীজুল এহইয়া: ১/২০২; কাশফুল খাফা: ২/৫৫৪।

ফন্ট সাইজ
15px
17px