📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 আল্লাহর সঙ্গে দূরত্ব সৃষ্টিকারী নামায

📄 আল্লাহর সঙ্গে দূরত্ব সৃষ্টিকারী নামায


হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যার নামায তাকে সৎকাজের আদেশ দেয় না এবং অসৎকাজ থেকে বারণ করে না, সে নামায তার সাথে আল্লাহ তা'আলার থেকে দূরত্ব সৃষ্টি করে। তারপর তিনি এ আয়াতটি তিলাওয়াত করলেন— 'ওয়া আক্বিমিস সালাতা ইন্নাস সালাতা তানহা আনিল ফাহ্শা-ই ওয়াল মুনকার' অর্থাৎ: আর আপনি নামায আদায় করুন। নিশ্চয় নামায নির্লজ্জ ও অপছন্দনীয় কাজ থেকে বারণ করে।

টিকাঃ
৪৭৯. সূরা আনকাবুত: আয়াত-৪৫

হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যার নামায তাকে সৎকাজের আদেশ দেয় না এবং অসৎকাজ থেকে বারণ করে না, সে নামায তার সাথে আল্লাহ তা'আলার থেকে দূরত্ব সৃষ্টি করে। তারপর তিনি এ আয়াতটি তিলাওয়াত করলেন— 'ওয়া আক্বিমিস সালাতা ইন্নাস সালাতা তানহা আনিল ফাহ্শা-ই ওয়াল মুনকার' অর্থাৎ: আর আপনি নামায আদায় করুন। নিশ্চয় নামায নির্লজ্জ ও অপছন্দনীয় কাজ থেকে বারণ করে।

টিকাঃ
৪৭৯. সূরা আনকাবুত: আয়াত-৪৫

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 নামাযে অমনোযোগী

📄 নামাযে অমনোযোগী


হযরত হাকাম ইবনে উতাইবা রহ. বলেন, যে ব্যক্তি নামাযরত অবস্থায় তার ডানে বামে তাকায় তার নামায পূর্ণ হয় না।

হযরত মুসলিম ইবনে ইয়াসার রাযি. তার পরিবার পরিজনকে বলতেন, আমি যখন নামায পড়ি, তখন যা খুশি বলো। কারণ, তখন আমি তোমাদের কথা শুনি না।

ইয়াকুব ক্বারী রহ. সম্পর্কে বর্ণিত আছে। তিনি একদিন নামায আদায় করছিলেন। ইত্যবসরে এক চোর এসে তার গা থেকে চাদর খুলে নিয়ে গেল। চোরটি সে চাদর নিয়ে তার সাথীদের নিকট গেলে তারা চাদরটি দেখে চিনতে পারল এবং চোরকে বলল, দ্রুত যাও! এটা আল্লাহওয়ালার চাদর। তার চাদর তাকে ফিরিয়ে দিয়ে এসো। নচেৎ তোমার রক্ষা নেই। এরপর চোর চাদরটি নিয়ে তার কাঁধের উপর রেখে দিলো এবং নিজ কর্মের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে চলে গেল। নামায শেষে তিনি বিষয়টি জানতে পারলেন। তিনি বললেন, আমি চাদর নিয়ে যাওয়া আবার রেখে যাওয়া কিছুই অনুভব করতে পারিনি।

রাবেয়া বসরী রহ. একদিন নামায পড়ছিলেন। তিনি একটি চাটাইয়ের উপর সেজদা করলেন। এ সময় বাঁশের শলাকা তার চোখে ঢুকে যায়। কিন্তু নামায শেষ করা পর্যন্ত তিনি তা বুঝতেই পারেননি।

হযরত হাকাম ইবনে উতাইবা রহ. বলেন, যে ব্যক্তি নামাযরত অবস্থায় তার ডানে বামে তাকায় তার নামায পূর্ণ হয় না।

হযরত মুসলিম ইবনে ইয়াসার রাযি. তার পরিবার পরিজনকে বলতেন, আমি যখন নামায পড়ি, তখন যা খুশি বলো। কারণ, তখন আমি তোমাদের কথা শুনি না।

ইয়াকুব ক্বারী রহ. সম্পর্কে বর্ণিত আছে। তিনি একদিন নামায আদায় করছিলেন। ইত্যবসরে এক চোর এসে তার গা থেকে চাদর খুলে নিয়ে গেল। চোরটি সে চাদর নিয়ে তার সাথীদের নিকট গেলে তারা চাদরটি দেখে চিনতে পারল এবং চোরকে বলল, দ্রুত যাও! এটা আল্লাহওয়ালার চাদর। তার চাদর তাকে ফিরিয়ে দিয়ে এসো। নচেৎ তোমার রক্ষা নেই। এরপর চোর চাদরটি নিয়ে তার কাঁধের উপর রেখে দিলো এবং নিজ কর্মের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে চলে গেল। নামায শেষে তিনি বিষয়টি জানতে পারলেন। তিনি বললেন, আমি চাদর নিয়ে যাওয়া আবার রেখে যাওয়া কিছুই অনুভব করতে পারিনি।

রাবেয়া বসরী রহ. একদিন নামায পড়ছিলেন। তিনি একটি চাটাইয়ের উপর সেজদা করলেন। এ সময় বাঁশের শলাকা তার চোখে ঢুকে যায়। কিন্তু নামায শেষ করা পর্যন্ত তিনি তা বুঝতেই পারেননি।

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 হাসান ইবনে আলী রাযি.-এর নামায

📄 হাসান ইবনে আলী রাযি.-এর নামায


হযরত হাসান ইবনে আলী রাযি. সম্পর্কে বর্ণিত আছে। তিনি যখন উযূ শুরু করতেন, তখন তাঁর দেহের রঙ পরিবর্তন হয়ে যেত। এর কারণ জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, আমি এখন মহা পরাক্রমশালী বাদশাহর সম্মুখে দাঁড়ানোর নিয়ত করেছি। মসজিদের দরজার সামনে এসে আকাশের দিকে মাথা তুলে বলতেন, হে আমার মাবুদ! আপনার গোলাম আপনার দরজায় উপস্থিত। হে সদাচারী আপনার নিকট অসদাচারী এসেছে। আর আপনি আমাদের সদাচারীকে নির্দেশ দিয়েছেন, সে যেন অসদাচারীকে ক্ষমা করে দেয়। সুতরাং আপনি আমার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দিন, হে দয়াময় আল্লাহ! এরপর তিনি মসজিদে প্রবেশ করতেন।

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি জনৈক ব্যক্তিকে নামাযরত অবস্থায় দাড়ি নাড়া-চাড়া করতে দেখলেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, যদি তার হৃদয়ে আল্লাহর ভয় থাকত, তাহলে তার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ভীত হতো।

টিকাঃ
৪৮০. মুসন্নাফে আব্দুর রাজ্জাক হাদীস-৩৩০৮; নাওয়াদেরুল উসুল পৃ. ৩১৭; হাদীসটি মারফু হিসেবে অত্যন্ত জয়ীফ বা জাল। তবে এটি বিখ্যাত তাবেয়ী সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব এর বক্তব্য বলে প্রতীয়মান হয় (তাখরীজে এহইয়া লিল-ইরাকী: ১/২০৫)।

হযরত হাসান ইবনে আলী রাযি. সম্পর্কে বর্ণিত আছে। তিনি যখন উযূ শুরু করতেন, তখন তাঁর দেহের রঙ পরিবর্তন হয়ে যেত। এর কারণ জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, আমি এখন মহা পরাক্রমশালী বাদশাহর সম্মুখে দাঁড়ানোর নিয়ত করেছি। মসজিদের দরজার সামনে এসে আকাশের দিকে মাথা তুলে বলতেন, হে আমার মাবুদ! আপনার গোলাম আপনার দরজায় উপস্থিত। হে সদাচারী আপনার নিকট অসদাচারী এসেছে। আর আপনি আমাদের সদাচারীকে নির্দেশ দিয়েছেন, সে যেন অসদাচারীকে ক্ষমা করে দেয়। সুতরাং আপনি আমার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দিন, হে দয়াময় আল্লাহ! এরপর তিনি মসজিদে প্রবেশ করতেন।

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি জনৈক ব্যক্তিকে নামাযরত অবস্থায় দাড়ি নাড়া-চাড়া করতে দেখলেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, যদি তার হৃদয়ে আল্লাহর ভয় থাকত, তাহলে তার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ভীত হতো।

টিকাঃ
৪৮০. মুসন্নাফে আব্দুর রাজ্জাক হাদীস-৩৩০৮; নাওয়াদেরুল উসুল পৃ. ৩১৭; হাদীসটি মারফু হিসেবে অত্যন্ত জয়ীফ বা জাল। তবে এটি বিখ্যাত তাবেয়ী সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব এর বক্তব্য বলে প্রতীয়মান হয় (তাখরীজে এহইয়া লিল-ইরাকী: ১/২০৫)।

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 হযরত আলী রাযি.-এর নামায

📄 হযরত আলী রাযি.-এর নামায


হযরত আলী ইবনে আবু তালেব রাযি. সম্পর্কে বর্ণিত আছে। নামাযের সময় হলে তার শরীর কাঁপতে থাকত, শরীরের রঙ পরিবর্তন হয়ে যেত। এর কারণ জিজ্ঞাসা করা হলে, তিনি বললেন, ঐ আমানত আদায়ের সময় নিকটবর্তী হয়েছে, যা আল্লাহ তা'আলা আসমান ও জমিন এবং পর্বতমালার নিকট পেশ করেছিলেন। কিন্তু তারা তা বহন করতে অস্বীকার করেছে। আর মানুষ তা বহন করেছে। আমার জানা নেই, সে আমানত সঠিকভাবে আদায় করতে পারব কিনা?

হযরত আলী ইবনে আবু তালেব রাযি. সম্পর্কে বর্ণিত আছে। নামাযের সময় হলে তার শরীর কাঁপতে থাকত, শরীরের রঙ পরিবর্তন হয়ে যেত। এর কারণ জিজ্ঞাসা করা হলে, তিনি বললেন, ঐ আমানত আদায়ের সময় নিকটবর্তী হয়েছে, যা আল্লাহ তা'আলা আসমান ও জমিন এবং পর্বতমালার নিকট পেশ করেছিলেন। কিন্তু তারা তা বহন করতে অস্বীকার করেছে। আর মানুষ তা বহন করেছে। আমার জানা নেই, সে আমানত সঠিকভাবে আদায় করতে পারব কিনা?

ফন্ট সাইজ
15px
17px