📄 ঈমায় একটি মাপকাঠি
হযরত সালমান ফারসী রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নামায হলো একটি মাপকাঠি। সুতরাং যে পরিপূর্ণ প্রদান করবে, তাকেও পরিপূর্ণ প্রদান করা হবে। আর যে মাপে কম দিবে, তার ব্যাপারে তো তোমরা অবহিত আছো। আল্লাহ তা'আলা বলেন— ওয়াইলুল লিল মুতাফফিফীন অর্থাৎ, মাপে কম প্রদানকারীদের জন্য ধ্বংস। আয়াতে কারীমে আল্লাহ তা'আলা মাপে কম প্রদানকারীদের ক্ষেত্রে কত কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন!
হযরত সালমান ফারসী রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নামায হলো একটি মাপকাঠি। সুতরাং যে পরিপূর্ণ প্রদান করবে, তাকেও পরিপূর্ণ প্রদান করা হবে। আর যে মাপে কম দিবে, তার ব্যাপারে তো তোমরা অবহিত আছো। আল্লাহ তা'আলা বলেন— ওয়াইলুল লিল মুতাফফিফীন অর্থাৎ, মাপে কম প্রদানকারীদের জন্য ধ্বংস। আয়াতে কারীমে আল্লাহ তা'আলা মাপে কম প্রদানকারীদের ক্ষেত্রে কত কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন!
📄 সর্বনিকৃষ্ট চোর এবং অপূর্ণাঙ্গ ঈমানের অধিকারী
হযরত হুযায়ফা ইবনে ইয়ামান রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি এক ব্যক্তিকে দেখলেন, সে নামায আদায় করছে অথচ রুকু সেজদা পরিপূর্ণ করছে না। তিনি বললেন, যদি তুমি এই অবস্থায় মৃত্যুবরণ কর, তবে তুমি অমুসলিম অবস্থায় মৃত্যুবরণ করলে।
হযরত হাসান বসরী রহ. সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আমি কি তোমাদের অতি নিকৃষ্ট চোরের সংবাদ দিব না? সাহাবীগণ বললেন হ্যাঁ, ইয়া রাসূলাল্লাহ! রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, সর্বনিকৃষ্ট চোর হলো, যে ব্যক্তি তার নামাযে চুরি করে। রাসূলুল্লাহকে জিজ্ঞেস করা হলো, নামাযে কীভাবে চুরি করে? তিনি বললেন, নামাযে রুকু সেজদা পরিপূর্ণরূপে আদায় করে না।
টিকাঃ
৪৯৮. মুসনাদে আহমাদ হাদীস-২২৬৪২; সহীহ ইবনে হিব্বান হাদীস-১৮৮৮; হাদীসটি সহীহ [মুস্তাদরাকে হাকেম: হাদীস-৮৩৬; মাজমাউয যাওয়ায়েদ খণ্ড-২, পৃষ্ঠা-১২৩; শুয়াইব আরনাউত]।
হযরত হুযায়ফা ইবনে ইয়ামান রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি এক ব্যক্তিকে দেখলেন, সে নামায আদায় করছে অথচ রুকু সেজদা পরিপূর্ণ করছে না। তিনি বললেন, যদি তুমি এই অবস্থায় মৃত্যুবরণ কর, তবে তুমি অমুসলিম অবস্থায় মৃত্যুবরণ করলে।
হযরত হাসান বসরী রহ. সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আমি কি তোমাদের অতি নিকৃষ্ট চোরের সংবাদ দিব না? সাহাবীগণ বললেন হ্যাঁ, ইয়া রাসূলাল্লাহ! রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, সর্বনিকৃষ্ট চোর হলো, যে ব্যক্তি তার নামাযে চুরি করে। রাসূলুল্লাহকে জিজ্ঞেস করা হলো, নামাযে কীভাবে চুরি করে? তিনি বললেন, নামাযে রুকু সেজদা পরিপূর্ণরূপে আদায় করে না।
টিকাঃ
৪৯৮. মুসনাদে আহমাদ হাদীস-২২৬৪২; সহীহ ইবনে হিব্বান হাদীস-১৮৮৮; হাদীসটি সহীহ [মুস্তাদরাকে হাকেম: হাদীস-৮৩৬; মাজমাউয যাওয়ায়েদ খণ্ড-২, পৃষ্ঠা-১২৩; শুয়াইব আরনাউত]।
📄 আল্লাহর সঙ্গে দূরত্ব সৃষ্টিকারী নামায
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যার নামায তাকে সৎকাজের আদেশ দেয় না এবং অসৎকাজ থেকে বারণ করে না, সে নামায তার সাথে আল্লাহ তা'আলার থেকে দূরত্ব সৃষ্টি করে। তারপর তিনি এ আয়াতটি তিলাওয়াত করলেন— 'ওয়া আক্বিমিস সালাতা ইন্নাস সালাতা তানহা আনিল ফাহ্শা-ই ওয়াল মুনকার' অর্থাৎ: আর আপনি নামায আদায় করুন। নিশ্চয় নামায নির্লজ্জ ও অপছন্দনীয় কাজ থেকে বারণ করে।
টিকাঃ
৪৭৯. সূরা আনকাবুত: আয়াত-৪৫
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যার নামায তাকে সৎকাজের আদেশ দেয় না এবং অসৎকাজ থেকে বারণ করে না, সে নামায তার সাথে আল্লাহ তা'আলার থেকে দূরত্ব সৃষ্টি করে। তারপর তিনি এ আয়াতটি তিলাওয়াত করলেন— 'ওয়া আক্বিমিস সালাতা ইন্নাস সালাতা তানহা আনিল ফাহ্শা-ই ওয়াল মুনকার' অর্থাৎ: আর আপনি নামায আদায় করুন। নিশ্চয় নামায নির্লজ্জ ও অপছন্দনীয় কাজ থেকে বারণ করে।
টিকাঃ
৪৭৯. সূরা আনকাবুত: আয়াত-৪৫
📄 নামাযে অমনোযোগী
হযরত হাকাম ইবনে উতাইবা রহ. বলেন, যে ব্যক্তি নামাযরত অবস্থায় তার ডানে বামে তাকায় তার নামায পূর্ণ হয় না।
হযরত মুসলিম ইবনে ইয়াসার রাযি. তার পরিবার পরিজনকে বলতেন, আমি যখন নামায পড়ি, তখন যা খুশি বলো। কারণ, তখন আমি তোমাদের কথা শুনি না।
ইয়াকুব ক্বারী রহ. সম্পর্কে বর্ণিত আছে। তিনি একদিন নামায আদায় করছিলেন। ইত্যবসরে এক চোর এসে তার গা থেকে চাদর খুলে নিয়ে গেল। চোরটি সে চাদর নিয়ে তার সাথীদের নিকট গেলে তারা চাদরটি দেখে চিনতে পারল এবং চোরকে বলল, দ্রুত যাও! এটা আল্লাহওয়ালার চাদর। তার চাদর তাকে ফিরিয়ে দিয়ে এসো। নচেৎ তোমার রক্ষা নেই। এরপর চোর চাদরটি নিয়ে তার কাঁধের উপর রেখে দিলো এবং নিজ কর্মের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে চলে গেল। নামায শেষে তিনি বিষয়টি জানতে পারলেন। তিনি বললেন, আমি চাদর নিয়ে যাওয়া আবার রেখে যাওয়া কিছুই অনুভব করতে পারিনি।
রাবেয়া বসরী রহ. একদিন নামায পড়ছিলেন। তিনি একটি চাটাইয়ের উপর সেজদা করলেন। এ সময় বাঁশের শলাকা তার চোখে ঢুকে যায়। কিন্তু নামায শেষ করা পর্যন্ত তিনি তা বুঝতেই পারেননি।
হযরত হাকাম ইবনে উতাইবা রহ. বলেন, যে ব্যক্তি নামাযরত অবস্থায় তার ডানে বামে তাকায় তার নামায পূর্ণ হয় না।
হযরত মুসলিম ইবনে ইয়াসার রাযি. তার পরিবার পরিজনকে বলতেন, আমি যখন নামায পড়ি, তখন যা খুশি বলো। কারণ, তখন আমি তোমাদের কথা শুনি না।
ইয়াকুব ক্বারী রহ. সম্পর্কে বর্ণিত আছে। তিনি একদিন নামায আদায় করছিলেন। ইত্যবসরে এক চোর এসে তার গা থেকে চাদর খুলে নিয়ে গেল। চোরটি সে চাদর নিয়ে তার সাথীদের নিকট গেলে তারা চাদরটি দেখে চিনতে পারল এবং চোরকে বলল, দ্রুত যাও! এটা আল্লাহওয়ালার চাদর। তার চাদর তাকে ফিরিয়ে দিয়ে এসো। নচেৎ তোমার রক্ষা নেই। এরপর চোর চাদরটি নিয়ে তার কাঁধের উপর রেখে দিলো এবং নিজ কর্মের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে চলে গেল। নামায শেষে তিনি বিষয়টি জানতে পারলেন। তিনি বললেন, আমি চাদর নিয়ে যাওয়া আবার রেখে যাওয়া কিছুই অনুভব করতে পারিনি।
রাবেয়া বসরী রহ. একদিন নামায পড়ছিলেন। তিনি একটি চাটাইয়ের উপর সেজদা করলেন। এ সময় বাঁশের শলাকা তার চোখে ঢুকে যায়। কিন্তু নামায শেষ করা পর্যন্ত তিনি তা বুঝতেই পারেননি।