📄 মৃত্যুর পরও প্রতিদান অব্যাহত থাকা
عَنْ أَبِي أُمَامَةَ الْبَاهِلِي رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَنَّهُ قَالَ : أَرْبَعَةٌ تُجْرَى عَلَيْهِمْ أُجُورُهُمْ بَعْدَ مَوْتِهِمْ : مَنْ مَاتَ مُرَابِطًا فِي سَبِيلِ اللَّهِ، وَمَنْ مَاتَ وَعَلَّمَ عِلْمًا أُجْزِيَ لَهُ أَجْرُ مَنْ عَمِلَ بِهِ، وَمَنْ تَصَدَّقَ بِصَدَقَةٍ جَارِيَةٍ مِنْ مَالِهِ فَأَجْرُهَا يَجْرِي لَهُ مَا دَামَتِ الصَّدَقَةُ، وَرَجُلٌ تَرَكَ وَلَدًا صَالِحًا وَهُوَ يَدْعُو لَهُ.
হযরত আবূ উমামা বাহিলী রাযি. নবী থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেছেন, চার প্রকারের লোকের সওয়াব তাদের মৃত্যুর পরও বন্ধ হয় না। ১. যে আল্লাহর রাস্তায় পাহারারত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। ২. যে ইলমে দীন শিক্ষাদানরত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। যারা তার ইলম অনুযায়ী আমল করবে, সে তাদের আমলের অনুরূপ সওয়াব পেতে থাকবে। ৩. যে তার সম্পদ থেকে দান করে। যতদিন পর্যন্ত তার সদকা থাকবে ততদিন পর্যন্ত সে তার সওয়াব পেতে থাকবে। ৪. যে নেক সন্তান রেখে যায় এবং সে সন্তান তার জন্য দোয়া করে, উক্ত ব্যক্তি তার সওয়াব পেতে থাকবে।
টিকাঃ
৩৯৬. মুসনাদে আহমাদ হাদীস-২২২৪৭, ২২৩১৮; জামে সগীর : হাদীস-৯২৭; হাদীসটি সহীহ [সহীহুল জামে: হাদীস-৮৭৭; শুয়াইব আরনাউত]।
📄 সীমান্তের ব্যাখ্যা
ফকীহ আবুল লাইস সমরকন্দী রহ. বলেন, এখানে যে সীমান্ত পাহারার কথা বলা হয়েছে, তাহলো ওই সীমান্ত যে সীমান্তের পর কোনো ইসলামী দেশ নেই।
📄 দুশমনের হামলা থেকে সীমান্ত রক্ষা
عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ رَডِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّهُ قَالَ: إِذَا أَغَارَ الْعَدُوُّ عَلَى مَوْضِعٍ، فَذَلِكَ الْمَوْضِعُ رِبَاطٌ إِلَى أَرْبَعِينَ سَنَةً، وَإِذَا أَغَارَ مَرَّتَيْنِ فَهُوَ رِبَاطٌ إِلَى مِائَةٍ وَعِشْرِينَ سَنَةً، وَإِذَا أَغَارَ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ فَهُوَ رِبَاطٌ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ.
সুফিয়ান ইবনে উয়াইনা রহ. বলেন, যে স্থানে শত্রু একবার আক্রমণ করবে, তাকে চল্লিশ বছর পর্যন্ত সীমান্ত ধরা হবে। যদি দু'বার আক্রমণ করে, তাহলে একশত বিশ বছর তাকে সীমান্ত ধরা হবে। আর যদি তিনবার আক্রমণ করে, তাহলে কিয়ামত পর্যন্ত তাকে সীমান্ত ধরা হবে।