📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 মসজিদে নববীতে নামাযের ফযীলত

📄 মসজিদে নববীতে নামাযের ফযীলত


عَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُمَا، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَنَّهُ قَالَ: صَلَاةٌ فِي مَسْجِدِي هَذَا تَعْدِلُ أَلْفَ صَلَاةٍ فِي غَيْرِهِ إِلَّا الْمَسْجِدَ الْحَرَامَ.

হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রাযি. থেকে বর্ণিত। নবী করীম বলেন, আমার এই মসজিদে নামায আদায় করা মসজিদে হারাম ব্যতীত অন্য কোনো মসজিদে হাজার নামাযের সমান।

অপর হাদীসে আছে- صَلَاةٌ فِي مَسْجِدِي هَذَا، أَفْضَلُ مِنْ عَشْرَةِ آلَافِ صَلَاةٍ فِي غَيْرِهِ إِلَّا الْمَسْজِدَ الْحَرَامَ وَصَلَاةُ فِي الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ، أَفْضَلُ مِنْ مِائَةِ أَلْفِ صَلَاةٍ فِي غَيْرِهِ، وَصَلَاةٌ فِي سَبِيلِ اللَّهِ أَفْضَلُ مِنْ مِائَتَيْ أَلْفِ صَلَاةٍ. ثُمَّ قَالَ : أَلَا أَدُلُّكُمْ عَلَى مَا هُوَ أَفْضَلُ مِنْ ذُلِكَ، رَجُلٌ قَامَ فِي سَوَادِ اللَّيْلِ، فَأَحْسَنَ الْوُضُوءَ، وَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ يُرِيدُ بِهِمَا مَا عِنْدَ اللَّهِ.

আমার এই মসজিদে একবার নামায আদায় করা মসজিদে হারাম ব্যতীত অন্য মসজিদে দশ হাজার বার নামায আদায় করা থেকে উত্তম। মসজিদে হারামে এক বার নামায আদায় করা অন্যস্থানে এক লক্ষ বার নামায আদায় করার চেয়ে উত্তম। আর আল্লাহর পথে একবার নামায আদায় করা দুই লক্ষ বার নামায আদায়ের চেয়ে শ্রেষ্ঠ। তারপর রাসূল বললেন, আমি কি তোমাদেরকে এর চেয়েও উত্তম আমলকারীর কথা জানাবো না? সে হলো, ওই ব্যক্তি যে রাতের অন্ধকারে ঘুম থেকে উঠে উত্তম রূপে উযূ করে আল্লাহর সন্তুষ্টি ও প্রতিদান লাভের আশায় দুই রাকআত নামায আদায় করে।

টিকাঃ
৩৭০. সহীহ বুখারী: হাদীস-১১৯০; সহীহ মুসলিম: হাদীস-১৩৯৪।
৩৭১. আল্লামা ইরাকী বলেন, হাদীসটি গরীব (জয়ীফ) আমি হুবহু এই শব্দে হাদীসটি কোথাও পাইনি [তাখরীজুল এহইয়া: ১/২৪৪]।

📘 তাম্বিহুল গাফিলীন তাহকীক ও তাখরীজসহ 📄 এক হজে তিন ব্যক্তির জান্নাত

📄 এক হজে তিন ব্যক্তির জান্নাত


عَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُمَا، أَنَّهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: بُنِي الْإِسْلَامُ عَلَى خَمْسٍ: شِهَادَةِ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ، وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، وَإِقَامِ الصَّلَاةِ، وَإِيتَاءِ الزَّكَاةِ وَصَوْمِ رَمَضَانَ، وَحَجَّ الْبَيْتِ।

হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল ইরশাদ করেছেন, ইসলামের ভিত্তি পাঁচটি জিনিসের উপর। যথা- ১. لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ ، مُحَمَّد رَسُولُ اللَّهِ এর সাক্ষ্য দেওয়া। ২. নামায কায়েম করা। ৩. যাকাত আদায় করা। ৪. রোযা রাখা। ৫. বাইতুল্লাহ যিয়ারত করা।

عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَنَّهُ قَالَ: إِنَّ اللَّهَ تَعَالَى لَيُدْخِلُ ثَلَاثَةَ نَفَرٍ فِي الْحَجَّةِ الْوَاحِدَةِ الْجَنَّةَ الْمُوصِي بِهَا، وَالْمُنَفِّذُ لَهَا، وَالْحَاجَ عَنْهُ، وَالْعُمْرَةُ، وَالْجِهَادُ كَذَلِكَ.

হযরত সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব রহ. থেকে বর্ণিত। রাসূল ইরশাদ করেন, আল্লাহ তা'আলা এক হজের বিনিময়ে তিন ব্যক্তিকে জান্নাত দান করবেন। যথা- ১. হজের ওসিয়তকারী। ২. ওসিয়ত বাস্তবায়নকারী। ৩. হজ ও উমরা পালনকারী।

টিকাঃ
৩৭২. সহীহ বুখারী: হাদীস-৮; সহীহ মুসলিম: হাদীস-১৬।
৩৭৩. শুআবুল ঈমান: হাদীস-৪১২৩; হাদীসটি জাল [আল-মাওযুয়াত লি-ইবনুল জাওযী: ২/২১৯; সিলসিলাহ জয়ীফাহ: হাদীস-১৯৬৪]।

ফন্ট সাইজ
15px
17px