📄 তাকওয়া ও তাকওয়ার স্তর
তিনি আরো বলতেন, তাকওয়া দুই ধরনের। একটি হলো, ফরয। আর তাহলো, পাপ থেকে বেঁচে থাকা। আর অপরটি হলো, সাবধানতা। আর তা হলো, সন্দেহযুক্ত বিষয় থেকে বেঁচে থাকা। দুঃখ-দুশ্চিন্তা দু'ধরনের। একটি হলো, উপকারী। আর তা হলো, পরকালের চিন্তা। অপরটি হলো, অপকারী। আর তা হলো, দুনিয়ার চিন্তা। ফকীহ সমরকন্দী রহ. বলেন, বিশুদ্ধ তাকওয়া হলো, হারাম থেকে বেঁচে থাকা, দৃষ্টির হেফাজত করা (হারাম না দেখা) এবং জবানের হেফাজত করা (গীবত না করা, মিথ্যা না বলা)। এমনকি দেহের প্রতিটি অঙ্গকে হারাম কাজ থেকে বিরত রাখা।
📄 যুহদের প্রকারভেদ
হযরত ইবরাহীম বিন আদহাম রহ. বলেন, যুহৃদ তিন প্রকার। যথা- ১. ফরজ। আর তা হলো, হারামের ক্ষেত্রে যুহৃদ অবলম্বন। ২. ফযীলত। আর তা হলো, হালালের ব্যাপারে যুহুদ অবলম্বন। ৩. নিরাপত্তা। নিরাপত্তার যুহৃদ হলো, সন্দেহজনক বিষয়ে যুহৃদ অবলম্বন।
📄 পরহেযগারীর প্রকারভেদ ও তার পূর্ণতা
তিনি আরো বলেন, পরহেযগারী দুই প্রকার। যথা- ১. ফরজ পরহেযগারী। আর তা হলো, আল্লাহ তা'আলার অবাধ্যতা থেকে বেঁচে থাকা। ২. সতর্কতামূলক পরহেযগারী। আর তা হলো, সন্দেহজনক বিষয় থেকে বেঁচে থাকা।
📄 দুঃখের প্রকারভেদ
দুঃখ দুই প্রকার। যথা- ১. শুভ পরিণামী দুঃখ। আখেরাতের জন্য তুমি যে দুঃখ-যন্ত্রণা ভোগ কর, তা তোমার জন্য পরিণামে শুভ। ২. ভয়ানক পরিণামী দুঃখ। দুনিয়ার জন্য যে যন্ত্রণা ও দুঃখ ভোগ কর, তা পরিণামে খুবই ভয়ানক।